21/01/2021
👉আমাদের প্রাচীন সময়ের ইতিহাস খুঁজলে দেখা যাবে যে, শাড়ি পরার চলন বহুযুগ আগের। সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছুর বদল ঘটেছে মানব সমাজে সেই সাথে শাড়ি পরার ধরনেরও পরিবর্তন হয়েছে। আধুনিকতার ছোয়ায় বাঙালী নারী শাড়িকে বাতিল করে দেয়নি। এই ঐতিহ্যকে ধারণের ধারায় নতুন করে পুরনো ঐতিহ্যের আবির্ভাব হচ্ছে খেসের শাড়ি।
👉খেসের শাড়ি মূলত সুতির শাড়ি। খেস কাপড় সুতো দিয়ে বুনে বুনে তৈরি হয়। খেসের শাড়ি তৈরি হতে একটু সময় লাগলেও বিক্রি হতে কিন্তু বেশি সময় লাগেনা। বোলপুরে খেসের শাড়ি প্রধানত তৈরি হয়ে থাকে। খেসের শাড়ি নানা রঙের সুতো দিয়ে বোনা হয়। খেসের কাপড় দিয়ে শুধু শাড়ি নয় কুর্তি, ব্যাগ, আর অনেক কিছু তৈরি হয়।
👉খেসের শাড়ি তাঁতে বোনা শাড়ির মধ্যে পরে। এই শাড়ি বহু পুরনো, অনেক আগেই এই শাড়ি তৈরি হতো কিন্তু দেশীয় এতো সুন্দর শাড়ির প্রচলন বা প্রচার ছিলো না। অবশ্য আজকালের মেয়েদের কাছে সুতির শাড়ি মানেই খেস, যা একই সাথে স্টাইল বজায় রাখে সাথে শাড়ির ঐতিহ্যও। গ্রামীণ মহিলারা মূলত খেস শাড়ি বানান।
👉খেসের শাড়ি যে কোনও উৎসবে পরা যায়। নানা রঙের শাড়ি বাজারে পাওয়া যায়। খেশের শাড়ি মুলত একরঙা কাপর হয়। বাকি সারা শাড়ি জুড়ে সুতোর সামিয়ানা থাকে। সম্পূর্ণ সুতির কাপড় দিয়ে খেসের শাড়ি তৈরি হয় বলে এই শাড়ি পরতে আরামদায়ক। যারা নিয়মিত শাড়ি পরে না তাদের শাড়ি পরা ও তা সামলানো একটু কষ্টকর মনে হয়। কিন্তু সুতির শাড়ি পরলে এই সমস্যা থেকে একটু নিজেকে সামলানো যায়। সেক্ষেত্রে খেসের শাড়ি যাকে বলে একদম পারফেক্ট। তাই এই শাড়ি পরলে সহজে তা অনেকক্ষন আরামসে সামলানো যায়।
👉কিছুদিন পরেই পহেলা ফাল্গুন আর ঋতুরাজ বসন্তের শুরু। এইবার বসন্তে হলুদ তাঁতের শাড়ি না পরে খেসের শাড়ি পরে দেখতে পারেন, বেশ অন্যরকম লুক আসবে। এই শাড়ি সহজে খুলে যাওয়ার ভয় থাকে না। শাড়ি অনেক সময় ধরে পরে থাকলেও শাড়িতে খুব একটা ভাঁজ পরেনা। মনে হয় সবে যেন পরা হয়েছে। খেসের শাড়ি একই সাথে স্টাইল ও বাঙালীয়ানা দুই বজায় রাখে।
বিনিময় মূল্যঃ ১২০০ টাকা।
(আলোর কারণে এবং মোবাইলে ছবি তোলার কারণে শাড়ির রঙের কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে)
অনলাইন শপ ফেসবুক - facebook.com/morningchoice
যে কোন প্রয়োজনে ইনবক্স / মেসেঞ্জারে টেক্সট করুন- m.me/morningchoice
https://www.facebook.com/morningchoice/