SHANA

SHANA Unique & Designer Clothing Store

পরলোক'গত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ-র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি-"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না...
25/04/2026

পরলোক'গত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ-র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি-

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,

আমাকে গোসল করাবে,

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,

আমার চাবির গোছাগুলো,

আমার বইপত্র,

আমার ব্যাগ,

আমার জুতোগুলো,

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দুঃখিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,

ছোট এবং বড়..... অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় "লাশ"?

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, "জানাযাহ" নিয়ে আসো,

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না...!

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়।

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো..... জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দুঃখ করা হবে,

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দুঃখ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দুঃখিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দুঃখ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

তোমার নিকট থেকে নিঃশেষ হবে (তোমার):
১. সৌন্দর্য্য

২. ধনসম্পদ

৩. সুস্বাস্থ্য

৪. সন্তান-সন্তদি

৫. বসতবাড়ি

৬. প্রাসাদসমূহ

৭. জীবনসঙ্গী

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

*বস্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,

এজন্য তুমি যত্নবান হও,

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

৩. গোপন সাদাকাহ'র প্রতি

৪. ভালো কাজের প্রতি

৫. রাতের নামাজের প্রতি

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো.....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ'র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম....))

তারা বলবে না,

উমরাহ পালন করতাম,
অথবা, রোজা রাখতাম,

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ'র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,.

আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ'র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।

Coppiced post

#হাদিস ゚viralシalシ

17/03/2026

>>আমি এই গোনাহগারের ধারণা অনুযায়ী এবারের রামাদানে সম্ভবত এখনো আমরা কদরের রাত পাইনি। তাই বিশেষ করে আজকের রাত এবং আগামি ২৯-শে রোজার রাত তদুপরি বাকি যে কদিন আছে তা গুরুত্বের সহকারে তালাশ করা জরুরি। যদিও আমরা ব্যস্ত থাকবো সবাই শপিংয়ে।

>>কি করবেন বাকি দিন গুলি বা সম্ভাব্য কদরের রাতে❓

প্রথমেই ছোট ছোট জিকির দিয়ে শুরু করবেন। বেশি বেশি করে দুরুদ শরীফ আর ইস্তেগফার করবেন। সবচেয়ে ছোট ইস্তেগফার হচ্ছে "আস্তাগফিরুল্লাহ"। আমি কমেন্টে কপি/পেস্ট কিছু দোয়া আর জিকির দিয়ে দিচ্ছি। চাইলে পড়তে পারেন। কমন পরবে অনেক গুলো।

অবশ্যই ১ পৃষ্ঠা হলেও কুরান তেলায়াত করবেন স্পেশালি প্রতিরাতে the mighty, the lifesaver সূরা মূলক পড়ার অভ্যাস করবেন। এই অদ্ভুত সূরা স্বয়ং আল্লাহর সাথে আপনার পক্ষ নিয়ে সাফাই গাইবে, তর্ক করবে যাতে কবরে আপনার গায়ে ফুলের কাটা ও না লাগে❗

রোজা মানেই একে সত্তর! আর কদর যেখানে হাজার রাতের ইবাদতের সমান! তাই চেষ্টা করুন ছোট ছোট এমাউন্ট হলেও দান খয়রাত করতে। নফল নামাজ পড়তে। স্পেশালি অন্তত ৪ রাকাত হলেও তাহাজ্জুদ পড়তে। তাহাজ্জুদের পরের দোয়া বুলেটের গতিতে আল্লাহর দরবারে যাবে যদি আপনার নিয়ত সহিহ হয়।

>>কিছুই যদি না পারেন❓

অন্তত এশা এবং ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়ুন এতে সারারাত নফল ইবাদত করার সওয়াব পেয়ে যাবেন ইংশা'আল্লাহ।

>>রামাদানে অবশ্যই নিম্নোক্ত দোয়া বেশি বেশি পড়বেন কারন যে ব্যাক্তি রামাদান পেল অথচ নিজের গোনাহ মাফ করাতে পারলো নাহ, হাদীসে আছে এর থেকে দূর্ভাগা ব্যাক্তি দুনিয়াতে ২য়টা নেই।

"আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফু'উন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।"

অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা পছন্দ করেন, তাই আমাকে ক্ষমা করুন।’ (ইবনে মাজাহ: ৩৮৫০)

08/11/2025

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের অনেকের কত টাকা রয়ে যায়! অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না। মিতব্যায় আর সঞ্চয় আমাদের বখিল বানিয়ে দিয়েছে।

সাম্প্রতিক ফিনল্যান্ড এ এক ধনকুবের মারা গেলেন। ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী প্রায় ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ম্যানেজারকে বিয়ে করে ফেললেন। সদ্য বিবাহিত ম্যানেজার হয়তো মনে মনে বলল, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি। এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘজীবন লাভ করা অনেক বেশি জরুরি।

তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলা উচিত।

আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়। যেমন:

* দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়। সেই র‍্যাম হাই গ্রাফিক্স! কিন্তু ৩০% কাজে আসেনা!

* একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না। ২২০ কোনো দিন ঠেকেছে! মিটারে আছে কিন্ত!

* প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।( সবারতো প্রাসাদ হয়না) ঘুমানোর বিছানা আর তার স্থানের মাপ দুনিয়ার প্রায় সবার সমান।

* কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

* আপনার সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্য। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য দুয়া করার সময় তাদের হয়তো হবে না।!

🔘তাহলে করণীয় কী?

✓ অসুস্থ না হলেও সুযোগ থাকলে মেডিকেল চেকআপ করুন। ক্যান্সারের ঝুঁকিটা ভয়ংকর বেড়েছে!

✓ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না। হা হুতাশ! সব শেষ হয়ে গেলো এটা ব্রেনকে ড্যাম করে দেয়।

✓ মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

✓ রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন, কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

✓ পিপাসার্ত না হলেও পানি পান করুন। শরীরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এর বিকল্প নেই।

✓ সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

✓ যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসঙ্গীর সাথে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও হাত ধরে হাঁটুন, রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যান। তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

✓ ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

✓ সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের দেশকে এমনকি ভিনদেশে বেড়াতে নিয়ে যান।

✓ ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, সকল ধনী লোক কিন্তু মানসিক শান্তিতে থাকে না।

✓ মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয়, রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না।

✓ বৃষ্টির পানিতে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১ বার গায়ে রোদ লাগান।

✓ মাঝে মাঝে মন থেকে হাসবেন।

🖱️দান করতে সব সময় ছোট নোট খুঁজবেন না। ভাংতি নাই বলে ফিরাবেন না। সুখ কিনতে পাওয়া যায়না মিথ্যে কথা, নিজ গরজে আর খরচে উপকার করে দেখুন সুখ বিনিময়হীন ভাবে কেনা যায়!

▪️কিছু রান্না আর ফলমুল কিনে মাসে একবার সরকারি হাসপাতালে যাবেন।

🔘সুযোগ পেলেই খাওয়ান।

🔘ইবাদাত বন্দগীতে আন্তরিক হোন। নিজের আমলের কথা গল্পচ্ছোলেও বলবেন না।

জীবন তো একটাই, তাই পরিপূর্ণভাবে বাঁচার চেষ্টা করুন। মন খুলে সবাইকে নিয়ে মিলে মিশে সৎ হয়ে বাঁচুন। 'মরেও' সুখ পাবেন ইনশাআল্লাহ।

© Abdul Hi Saifullah ✅

08/11/2025

📰 ৩২ ঘণ্টা ধরে ব্রেন সার্জারি করে মেঝেতে লুটিয়ে পড়লেন দুই চিকিৎসক — চীনের এক ছবিতে কেঁদে উঠলো মানবতা 💙

চীনের এক হাসপাতালের ছবি ছুঁয়ে গেছে সারা বিশ্বের হৃদয়। ফুজিয়ান মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালে দুই সার্জন — ডাঃ দাই এবং ডাঃ তিয়ান, টানা ৩২ ঘণ্টা ধরে এক জটিল মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার চালান। রোগীর মস্তিষ্কে ধরা পড়েছিল প্রাণঘাতী ব্রেন অ্যানিউরিজম, যেখানে সামান্য ভুলও মৃত্যুর কারণ হতে পারত।

অস্ত্রোপচারের সময় তাঁদের চোখের নিচে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট, কিন্তু মনোযোগে একটুও ঘাটতি ছিল না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপারেশন টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে, তাঁরা অক্লান্তভাবে লড়েছেন রোগীর জীবনের জন্য। অবশেষে যখন সার্জারি সফলভাবে শেষ হয়, তাঁরা নিশ্চিত হন রোগী সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। তারপরই তাঁদের শরীর আর টিকতে পারেনি — তাঁরা সোজা সেই অপারেশন থিয়েটারের ঠান্ডা মেঝেতেই শুয়ে পড়েন, যেখানে একটু আগেই তাঁরা এক জীবন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মৃত্যুর মুখ থেকে।

হাসপাতালের এক সহকর্মী সেই দৃশ্যের ছবি তুলেছিলেন, যেখানে দেখা যায় — দুই ডাক্তার এখনো সার্জিক্যাল পোশাক পরে মেঝেতে ঘুমিয়ে আছেন, তাঁদের চারপাশে এখনো সাজানো রয়েছে সার্জারির যন্ত্রপাতি। ছবিটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়, এবং ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন — “এই ছবিই মানবতার প্রকৃত মুখ।”

ডাঃ দাই ও ডাঃ তিয়ান কোনো পুরস্কার, প্রশংসা বা আলোচনার জন্য এমন কাজ করেননি। তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল একজন মানুষের জীবন বাঁচানো। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজ চিকিৎসা পেশার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাকে আরও গভীর করেছে।

এই ছবিটি কেবল একটি মুহূর্ত নয় — এটি প্রতিদিনের সেই সংগ্রামের প্রতীক, যা হাজারো ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নীরবে চালিয়ে যান। তাঁরা ক্লান্ত হন, কষ্ট পান, কিন্তু পিছু হটেন না। কারণ তাঁদের কাছে রোগীই প্রথম, আর মানবতাই তাঁদের ধর্ম।

বিশ্বজুড়ে অনেকেই বলেছেন — “সব নায়ক কেপ পরে না, কেউ কেউ সার্জিক্যাল স্ক্রাব পরে।” সত্যিই, আজকের দিনে যখন সমাজে চিকিৎসকদের প্রায়ই সন্দেহের চোখে দেখা হয়, তখন এই দুই সার্জনের কাজ যেন এক অমূল্য শিক্ষা — নিষ্ঠা, করুণা ও মানবতার প্রতি অবিচল বিশ্বাসই একজন প্রকৃত চিকিৎসকের আসল পরিচয়।

এই দুই নায়কের নাম হয়তো ইতিহাসের পাতায় বড় অক্ষরে লেখা হবে না,
কিন্তু তাঁদের নিঃস্বার্থ কাজ চিরকাল বেঁচে থাকবে সেই প্রতিটি হৃদয়ে,
যেখানে জীবন আবার ধ্বনিত হয়েছে তাঁদের হাতের ছোঁয়ায়। ©️

28/10/2025

সাবধান হতে হবে এখনই
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে শিশুদের মাথার খুলি পাতলা হওয়ার কারণে তারা প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে বেশি মোবাইল ফোন রেডিয়েশন শোষণ করতে পারে। কিছু গবেষণায় এই পরিমাণ ৫০-১০০% পর্যন্ত বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কেন এমনটা হয়?
পাতলা মাথার খুলি: শিশুদের মাথার খুলি পাতলা এবং টিস্যু নরম হওয়ায় রেডিয়েশন সহজে মস্তিষ্কে প্রবেশ করতে পারে।

আকার ও দূরত্ব: শিশুদের মাথা ছোট হয়, তাই ফোনটি মস্তিষ্কের কাছাকাছি থাকে, যার ফলে রেডিয়েশনের প্রভাব বেশি হয়।

দ্রুত কোষ বিভাজন: শিশুদের কোষগুলো দ্রুত বিভাজিত হয়, যা তাদের রেডিয়েশনের প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

যদিও এটি সত্য যে শিশুরা বেশি রেডিয়েশন শোষণ করে, তবে এই রেডিয়েশনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বা এর ফলে মস্তিষ্কের কোনো ক্ষতি হয় কি না, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনো বিতর্ক রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে, মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন ক্যান্সার ঘটাতে পারে এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি, তবে এই বিষয়ে গবেষণা এখনো চলছে।

তাই সাবধানতা হিসেবে, শিশুদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে:

ফোনে কথা বলার সময় লাউডস্পিকার ব্যবহার করা।

খুব বেশি জরুরি না হলে শিশুদের হাতে ফোন না দেওয়া।

শিশুদের ঘুমানোর সময় তাদের বিছানার কাছে ফোন না রাখা।

©Facts Ojana

02/09/2025
28/08/2025

টাকা গুলো আসল না! 🚫




এটা একটা acrylic art, যিনি এঁকেছেন উনি দীর্ঘ ১ বছর সময় নিয়ে ছবিটা বানিয়েছেন নিজ হাতে। অসাধারণ একটা আর্ট বলা যায়। নেটিজেন অনেকেই ভেবেছেন এটা কোন পেইন্ট না আসল টাকাই! তবে এটাতে ছোট্ট একটা ভুল আছে যা বের করতে পারলেই বুজা যায় ছবিটা আসল।

এই ভুলটা যিনি সর্বপ্রথম কমেন্ট করতে পারবেন এবং উনি যদি ওয়েললাইফ থেকে যেকোন কিছু অর্ডার করেন উনি পেয়ে যাবেন ৫০০ গ্রাম চা পাতা একদম ফ্রী!! কমেন্ট করলে আমরা ইনবক্সেই জানিয়ে দিবো আপনার উত্তর সঠিক কিনা। ✅

তাহলে আর দেরী কিসের? 🤩

SeArch D Error & Get the Tea! 🌿

22/08/2025

Address

Dhaka

Telephone

+8801818917105

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHANA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SHANA:

Share

Category