অধৃষ্য-Adhrissho by MC

অধৃষ্য-Adhrissho by MC "Customers satisfaction is our inspiration"
-মূল মন্ত্রে বিশ্বাসী অধৃষ্য-Adhrissho by Manha's Collection.

আসসালামুআলাইকুম,
অধৃষ্যর পরিবারে সকলকে স্বাগতম💝
❄️অধৃষ্য হল একটি অনলাইন ভিত্তির বস্ত্রবিতান প্রতিষ্ঠান, আমরা বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি সব বেশকিছু ইম্পোর্টেড পণ্যের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা হিসেবে দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ সার্ভিস দিচ্ছি।
❄️আলহামদুলিল্লাহ, সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায় এবং আপনাদের ভালোবাসায় আমরা আমাদের সকল কাস্টমারদের সর্বোচ্চ মানসম্মত এবং সল্প মূল্যের মধ্যে সন্তুষ্টজনক প্রোডাক্ট দিয়ে আসছ

ি।
❄️এই অনলাইন জগতে অজস্র প্রতারক পেজের মধ্যে বিশ্বস্ত পেজ খুজে পাওয়া খুবই দুর্লভ এবং কষ্ট সাধ্য। আমরা এতটুকু আশ্বাস দিচ্ছি যে আমাদের সর্বোচ্চ সার্ভিসটুকু আপনার দুয়ারে পৌছে দিতে বিন্দুমাত্র কুন্ঠিত হবো না। প্রমান কি? জেনে নিন কেন অধৃষ্য থেকে শপিং করবেন-
👉🏻১| আমরা ১০০% অথেনটিক প্রোডাক্ট সাপ্লাই করে থাকি।
👉🏻২| ট্রেন্ডের সাথে তালমিলিয়ে, নতুন কালেকশন এনে থাকি।
👉🏻৩| বিকাশের অথোরাইজড মার্চেন্ট তাই কোন ধরনের সন্দেহহীন এবং নিশ্চিন্তে ভরসা করতে পারেন।
👉🏻৪| সারা বাংলাদেশ ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি।
👉🏻৫| "We believe in quality not quantity" মূলমন্ত্রে বিশ্বাসি অধৃষ্য, কাস্টমারের সন্তুষ্টিকে সর্বপ্রথম প্রায়োরিটি দিয়ে থাকে।
👉🏻৬| পণ্য হাতে পাওয়ার পর চেক করে পেমেন্ট করবেন, ভুল মাত্রই মানুষ, অতএব কোন ধরনের ভুল হয়ে থাকলে তাৎক্ষনাক চেঞ্জ করে নিতে পারবেন।
সর্বোপরি, সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে ঘরে বসে শপিং করার অভিজ্ঞতা পেতে অধৃষ্যের সাথে থাকুন, ধন্যবাদ.

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মা...
22/11/2025

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!
ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মারা যাওয়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করে—আপনার প্রথম ১০–২০ সেকেন্ডে নেওয়া সিদ্ধান্ত।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে দৌড়ে সিঁড়ির দিকে যাওয়াই সবচেয়ে সাধারণ ভুল—এবং এটিই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ।

❌ কম্পন শুরু হলে যে ভুলগুলো প্রাণঘাতী হতে পারে
১. সিঁড়ির দিকে দৌড়ানো
বিশ্বের বিভিন্ন স্ট্রাকচারাল রিসার্চ অনুযায়ী—
নিচের তলা ধসে পড়লে ওপরের তলা সরাসরি সিঁড়ির উপর ভেঙে পড়ে।

ধাক্কাধাক্কি, ভিড়, আলো নিভে যাওয়া—
৯০% মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সিঁড়িতেই ঘটে।

২. বারান্দায় যাওয়া
বারান্দার রেলিং ভূমিকম্পে একাধিক দিক থেকে চাপ পায়, যা সহজেই ভেঙে নিচে পড়ে যেতে পারে।
৩. লিফট ব্যবহার
কম্পনে লিফট জ্যাম, দড়ি ছিঁড়ে যাওয়া, মাঝপথে আটকে পড়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে।

✔️ বাঁচার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়: Drop – Cover – Hold On
১. বেডরুমে থাকলে
খাটের নিচে ঢুকে মাথা–ঘাড় ঢেকে রাখুন। খাট ভেঙে পড়লেও ভেতরে “লাইফ ট্রায়াঙ্গেল” তৈরি হয়, যা নিরাপদ।
২. ড্রয়িং/ডাইনিং
মজবুত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
কাঁচ, জানালা, বড় ফ্রেম, শোকেস থেকে দূরে থাকুন।
৩. কিছুই না পেলে
দেয়ালের কোণে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।
একে বলা হয় “সেফ কর্নার পজিশন”—ভবন ধসে পড়লেও সাধারণত কোণার অংশ সম্পূর্ণ চাপে ভাঙে না।
৪. বাথরুম
অনেক সময় সবচেয়ে শক্ত অংশ। বালতি/হেলমেট মাথায় দিলে আঘাত কমে।
৫. মাথা রক্ষার ব্যবস্থা
হেলমেট, বালতি, ঝুড়ি, ব্যাগ—যা পাবেন তাই মাথার ওপর চেপে ধরুন।
ভূমিকম্পে যেকোনো ভাঙা বস্তু মাথা লক্ষ্য করে পড়ে।

🏠 ১ম বা ২য় তলায় থাকলে আপনি সবচেয়ে ভাগ্যবান
এই দুই তলায় থাকা মানুষদেরই নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
✔️ কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দরজা খুলে রাখুন, জ্যাম হয়ে গেলে বের হতে পারবেন না।
✔️ প্রথম ১৫–২০ সেকেন্ডে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন।
✔️ বাইরে এসে ভবন থেকে অন্তত ১০০ ফুট দূরে দাঁড়ান।
✔️ বিদ্যুতের খুঁটি, তার, গাছের নিচে দাঁড়ানো ❌
✔️ সম্ভব হলে খোলা মাঠে অবস্থান নিন।

🆘 ধ্বংসস্তূপে আটকে গেলে কী করবেন? (ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ প্রোটোকল)
✔️ চিৎকার করবেন না → ধুলো ফুসফুসে ঢুকে শ্বাসনালী বন্ধ করে দিতে পারে
✔️ হুইসেল থাকলে বাজান → দূর থেকে সহজে শোনা যায়
✔️ না থাকলে, দেয়াল বা পাইপে ৩ বার করে টোকা দিন → এটি আন্তর্জাতিক “SOS Rescue Signal”
✔️ মোবাইলের টর্চ অন রাখুন, কিন্তু কথা বলবেন না → ব্যাটারি বাঁচাতে হবে
✔️ মুখে কাপড় চেপে রাখুন → ধুলো কম ঢুকবে, শ্বাস নেওয়া সহজ হবে

আজ থেকেই ন্যূনতম কিছু প্রস্তুতি নিন
🔸 বিছানার পাশে জুতা, হেলমেট, হুইসেল রাখুন
🔸 ভারী আলমারি, ফ্রিজ, টিভি—দেয়ালে স্ক্রু দিয়ে ফিক্স করে রাখুন
🔸 গ্যাস সিলিন্ডার চেইন বা স্ট্যান্ড দিয়ে বেঁধে রাখুন
🔸 ঘরের দরজা যেন অটো-লক না হয়
🔸 চাবি সবসময় হাতের কাছে রাখুন
🔸 জরুরি নম্বর পরিবারে সবার ফোনে সেভ করুন

একটি লাইন মনে রাখুন:
🔸 ৪র্থ তলা বা তার উপরে থাকলে — দৌড়ানো মানে মৃত্যুর ঝুঁকি। আশ্রয় নিন।
🔸 ১ম–২য় তলায় থাকলে — প্রথম ২০ সেকেন্ডই আপনার জীবন। দ্রুত বের হন।

শেষ কথা
প্রস্তুতি ছাড়া বাঁচা ভাগ্যের উপর।
প্রস্তুতি থাকলে বাঁচা আমাদের হাতে।
প্রকৃতি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—
মানুষ ভঙ্গুর, কিন্তু সচেতনতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
একটু প্রস্তুতি, একটু জ্ঞান— অনিশ্চিত এক মুহূর্তেও জীবন বাঁচাতে পারে।
#ভূমিকম্প

তাকে বলা হয়েছিলো তার ধ'র্ষককে বিয়ে করতে, সে বলেছিলো─  “না।”মাত্র ১৭ বছর বয়সী কিশোরী, যে ইতালির আইন পাল্টে দিয়েছিলো চিরতর...
07/11/2025

তাকে বলা হয়েছিলো তার ধ'র্ষককে বিয়ে করতে, সে বলেছিলো─ “না।”
মাত্র ১৭ বছর বয়সী কিশোরী, যে ইতালির আইন পাল্টে দিয়েছিলো চিরতরে।

১৯৬৫ সাল।
সিসিলি।
ফ্রাঙ্কা ভিয়োলা নামের কিশোরী দাঁড়িয়ে ছিল লাল-চোখা সমাজের মাঝখানে, যে-সমাজ তাকে আদেশ দিলো─ মানসম্মান ফিরে পেতে চাইলে লোকটাকে বিয়ে করো। নষ্টা হয়ে গেছ তুমি। পুরুষ একটুআধটু এসব করেই। সে তোমাকে ধ'র্ষণ করেছে তো কী হয়েছে, বিয়ে করতে চাইছে সে তোমাকে। এ তোমার সাত-জনমের সৌভাগ্য। বিয়ের জন্য প্রস্তুত হও।

ফ্রাঙ্কা রাজি হলো না। এভাবে নিঃশব্দে দুনিয়া থেকে নাই হয়ে যেতে সে রাজি হলো না।

ফিলিপ্পো মেলোডিয়া নামের এক মাফিয়া-সদস্যের সাথে সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার পর, ফ্রাঙ্কাকে অপহরণ করে অমানুষিক নির্যাতন করা হলো, এবং দীর্ঘ আট-দিন আট-রাত আটকে রেখে অকথ্য যৌ'ন নিপীড়ন করলো ফিলিপ্পো, একটিই দাবিতে─ সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার বেয়াদবি মাফ করে দেবো, যদি আমাকে বিয়ে করো।
রাজি হলো না ফ্রাঙ্কা। অতএব, তাকে উদ্ধারের পরে এবার চাপ দিলো সমাজ ও নিজের পরিবার─ বিয়ে করো তাকে, মানসম্মান বাঁচাও।

ওসময়, ইতালির আইনের ধারা-৫৪৪ অনুযায়ী─ ধ'র্ষক যদি ধর্ষিতাকে বিয়ে করে, তাহলে শাস্তি মওকুফ হয়ে যেতো ধ'র্ষকের। এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছিলো─ এতে করে নারীর সামাজিক মর্যাদা পুনরুদ্ধার করা যাবে।
কী বিকৃত মানসিকতার বিধি!─ সম্মান পুনরুদ্ধার করছে ন্যায়বিচার না-করে!

তো, সমাজের ও পরিবারের চাপের মুখেও─ মাত্র ১৭ বছরের কিশোরী─ স্পষ্ট বলে দিলো: "না।"
ফ্রাঙ্কা সেই কাজটি করলো, ইতালির ইতিহাসে এর আগে কেউ করতে সাহস করেনি! "না।"...

"না।"

জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়াকে 'না'। হাস্যকর সম্মান পুনরুদ্ধারকে 'না'। লজ্জা? 'না।' ধ'র্ষককে বাঁচিয়ে দেওয়াকে─ "না।"

তার জেদ আগুন জ্বালিয়ে দিলো ইতালি-জুড়ে! সমাজ তাকে একঘরে করলো। তাদের শস্যক্ষেত পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হলো। কিন্তু পিছিয়ে এলো না ফ্রাঙ্কা।

১৯৬৬ সালে, আদালতে মামলা করলো ফ্রাঙ্কা। মামলায় জিতে গেলো। ধ'র্ষক ফিলিপ্পোর ১১ বছরের কারাদণ্ড হলো। এবং ফ্রাঙ্কা হয়ে গেলো ইতালির প্রথম নারী, যে প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছিলো 'সম্মান-রক্ষার বিবাহ'-এর মতো জংলী প্রথাটিকে।

ঐ মামলার বিচার-প্রক্রিয়াটি বিশ্বজুড়ে হইচই তুলেছিলো। তৎকালীন পোপ ৬ষ্ঠ পল এবং ইতালির তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়োসেপ্পে সারাগাত, দু'বিশ্বনেতাই, প্রশংসা করেছিলেন ফ্রাঙ্কার সাহসের। যদিও ফ্রাঙ্কা এইসব খ্যাতি-শিরোনাম-শংসা'র কিছুই চায়নি, সে শুধু চেয়েছিলো ন্যায়বিচারের মাধ্যমে আত্মমর্যাদা। যা আদায় করে নিয়েছিলো সে।

অমর্যাদাপূর্ণ আইনটি পুরোপুরি বাতিল হতে লেগেছিলো আরও ১৫ বছর। অবশেষে, ১৯৮১ সালে বিলুপ্ত হলো─ নির্যাতিতাকে অসম্মান করে নির্যাতনকারীকে রক্ষা করার উদ্ভট আইনটি।

১৯৬৮ সালে, ফ্রাঙ্কা ভিয়োলা বিয়ে করলো তার বাল্যবন্ধু জিউসেপ্পে-কে। যে-জিউসেপ্পে তার বন্ধু ফ্রাঙ্কা ভিয়োলা'র এই লড়াইয়ের সময় একবারের জন্যও বলেনি 'তুমি ধ'র্ষিতা', বারেবার বলেছিলো─ "তুমি যোদ্ধা।"

পুরুষ! ফিলিপ্পোও পুরুষ, জিউসেপ্পেও পুরুষ। সত্যিকার পুরুষ আছে জগতে। সত্যিকার নারীর জন্য।

আজ, 'ফ্রাঙ্কা ভিয়োলা' নামটি মানবেতিহাসে অমর, যে-নাম আমাদের মনে করিয়ে দেয়: মেনে নেওয়ায় আত্মসম্মান নেই, আত্মসম্মান─ প্রতিবাদে।

সে ছিল ১৭ বছর বয়সী। কিশোরী। সমাজ তাকে বলেছিলো নত হতে। সে বলেছিলো─ "না"।
এবং ইতালি পাল্টে গেলো চিরতরে।

( সংগৃহীত)

ছবিতে থাকা মেয়েটির নাম জুলিয়ানা কেপকে, যিনি  ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিক ভাবে বেঁচে ফিরেছিলেন।বিমানে থাকা ৯১ জন যা...
07/11/2025

ছবিতে থাকা মেয়েটির নাম জুলিয়ানা কেপকে, যিনি ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিক ভাবে বেঁচে ফিরেছিলেন।বিমানে থাকা ৯১ জন যাত্রীর মধ্যে, ১৭ বছর বয়সী জুলিয়ান কেপকে বেঁচে যান।

"মিরাকেলস স্টিল হ্যাপেন" ছবিটি যারা দেখেছেন, তারা হয়তো জুলিয়ানের গল্প জানেন। যারা ছবিটি দেখেন নি আমার এই লেখাটি মূলতঃ তাদের জন্য।

১৯৫৪ সালের ১০ অক্টোবর, জার্মান প্রাণীবিজ্ঞানী দম্পতির ঘরে জন্ম নেন জুলিয়ান কেপকে। বাবা-মায়ের গবেষণার কারণে শৈশব কেটেছে পেরুর লিমায়। প্রকৃতি, পাখি আর বনের প্রতি ভালোবাসা তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন।

১৯৭১ সালের ২৪ ডিসেম্বর, বড়দিনের আগের দিন... ১৭ বছরের জুলিয়ান স্কুল শেষ করে মায়ের সঙ্গে পুকাল্পায় যাচ্ছিলেন লানসা ফ্লাইট–৫০৮ বিমানে। কারন, তার বাবা হ্যান্স উইলিয়াম কেপকে অ্যামাজনিয়ান রেইন ফরেস্ট নিয়ে গবেষণার কাজে পুকালপা শহরে ছিলেন। বড়দিনের সময়টা একসঙ্গে কাটাবে ভেবে, পাখিবিশারদ মা মারিয়া কেপকের সাথে পুকালপার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন জুলিয়ান।

বিমানে যাত্রাপথ ছিল মাত্র একঘন্টার ।আবহাওয়াও খুব একটা খারাপ ছিল না। কিন্তু যাত্রা শুরু হবার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভয়াবহ ঝড় আর বজ্রপাত শুরু হয়। এক বজ্রপাত সরাসরি ইঞ্জিনে আঘাত করলে বিমানটি আকাশেই ভেঙে যায়।

জুলিয়ান তাঁর সিটে বাঁধা অবস্থায় ১০ হাজার ফুট ওপরে থেকে নিচে পড়ে যান। ঘন জঙ্গলের গাছপালা ও সিটের অবস্থান তাঁকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়। জ্ঞান ফিরলে দেখেন তিনি একা, আহত, কিন্তু জীবিত। মাথা ফেটে গেছে, কাঁধ ভাঙা, পায়ে ক্ষত।সেই সাথে বাম চোখটি ফুলে গিয়ে পুরোপুরি বন্ধ হওয়া।

এই অবস্থায়ই নিজেকে অ্যামাজন জংগলে আবিষ্কার করেন জুলিয়ান।বিমান দুর্ঘটনার পুরো ঘটনাটি মনে পড়ার পর তিনি আবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। প্রায় বারোঘন্টা পর জুলিয়ানের জ্ঞান ফিরেছিল।

সবার আগে মা–কে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন জুলিয়ান , কিন্তু ব্যর্থ হন। পরে জানা যায়, তাঁর মা কিছু সময় জীবিত ছিলেন, কিন্তু রক্তক্ষরণে মারা যান। হতাশ হলেও জুলিয়ান তার প্রানীবিজ্ঞানী বাবার শেখানো উপদেশ মনে করেন — “জঙ্গলে পথ হারালে নদীর স্রোত ধরে হাঁটবে, একসময় মানুষ পাবে।”

তিনিও তাই করেন। ছোট খাল ধরে হাঁটতে থাকেন, বৃষ্টি, ঠাণ্ডা, ক্ষুধা আর পোকামাকড়ের যন্ত্রণা সহ্য করে এগিয়ে যান।

পথে তিনি তিনজন মৃত যাত্রীর দেহ খুঁজে পান, তাঁদের মধ্যে একজন ছিল মহিলা। মাকে খুঁজে পেয়েছেন ভেবে, জুলিয়ান আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ।

মৃত সেই মহিলাটি যদিও জুলিয়ানের মা ছিলেন না তবে, সেই মহিলার ব্যাগে পাওয়া ক্যান্ডি খেয়েই পরের সাত দিন টিকে থাকেন।

সেইসময় উপর দিয়ে ভেসে আসে উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার এবং বিমান উড়ার শব্দ পেয়েছিলেন বেশ কয়েকবার। নানাভাবে SOS সংকেত পাঠানোর চেষ্টা করলেও দুর্ভাগ্য তার, ঘন গাছের ফাঁকে তার কোনোকিছুই তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি।

ফ্লাইট-৫০৮ পতনের পরে যে উদ্ধারকার্যের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, সেরকম অভিযান পেরুর ইতিহাসে আর নেই। কিন্তু গহীন অরণ্যের কারণে উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারগুলো বিমানের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়, মাত্র একজন মানুষকে দেখতে পাওয়া তো বহুদূর।

কিছুক্ষণ পরে বিমানগুলো চলে যাবার শব্দ পান জুলিয়ান। বুঝতে পারেন, তাকে নিজে নিজেই বাঁচতে হবে।

দুঃসাহসী শিকারিরাও অ্যামাজন বনে আঁটঘাট বেঁধে অভিযানে যান। অথচ সম্পূর্ণ একাকী জুলিয়ানের কাছে কিছুই ছিল না। দিনে যেমন অসহ্য গরম আর রাতে তেমনই কনকনে ঠাণ্ডা। প্রায়ই বৃষ্টি হতো। সাঁতার কাটার সময়ে এড়িয়ে চলতে হয়েছে দানবীয় কুমির, পিরানহা, ডেভিল রে’র মতো প্রাণীগুলোকে। চলার সময় পদে পদে ছিল বিষাক্ত সাপ। চশমার অভাবে চোখেও দেখতে পাচ্ছিলেন না ঠিকমতো।

তবু ,প্রানীবিজ্ঞানী মা-বাবার সাথে রিসার্চ স্টেশনে কাটানো সময়... তাদের দেয়া নানারকম তথ্য দারুন ভাবে কাজে লাগিয়েছেন জুলিয়ান।

বনের মধ্যে কাটানো এগারো দিনের মধ্যে একদিনও জুলিয়ান রাতে ঘুমাতে পারেননি, পোকামাকড়ের যন্ত্রণায়। তার শরীরের অন্যান্য ক্ষতের পাশাপাশি পোকার কামড়গুলোতেও সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছিল। বনের ভ্যাপসা পরিবেশে তার ক্ষতস্থানে পোকা ধরে গিয়েছিল। এই অবস্থায়‌ও বাবার শিক্ষা কাজে লাগিয়েছিলেন জুলিয়ান।

বনের মধ্যে এক কুকুরের পোকায় ধরে যাওয়া ক্ষতকে, তাৎক্ষণিকভাবে গ্যাসোলিন দিয়ে পরিষ্কার করেছিলেন বাবা হ্যান্স। সেই কথা মনে করে জুলিয়ান নিজেও তার গায়ে গ্যাসোলিন ঢেলে দেন। তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করে কেবল হাতের ক্ষত থেকেই গুনে গুনে বের করেন ৩০টি পোকা!

এভাবেই এগারোদিন পর তিনজন কাঠুরের দেখা পান জুলিয়ান। তার ভাষ্যমতে,

"এতদিন পরে প্রথম যে মানুষের দেখা পেলাম, দেখে মনে হচ্ছিল তিনি একজন দেবদূত।"

তারা অবশ্য জুলিয়ানকে দেখে কিছুটা ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। নির্জন বনের মধ্যে দেখা দেয়া পানির প্রেতাত্মা ইয়ামাঞ্জাবুত বলেও মনে করেছিল একজন। তারপরেও তারা নানাভাবে তার সেবা-শুশ্রূষা করে। পরেরদিন ক্যানু নৌকায় সাত ঘন্টা নদী পাড়ি দিয়ে নিয়ে যায় তুর্নাভিস্তায়। স্থানীয় এক পাইলট তার বিমানে উড়িয়ে জুলিয়ানকে নিয়ে যায় পুকালপায়, তার বাবার কাছে।

একটু সুস্থ হয়ে ওঠার পর, জুলিয়ানকে এয়ার ফোর্স এবং পুলিশের কাছে অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

আশ্চর্যজনকভাবে তার এই বেঁচে যাবার ঘটনা থেকে জন্ম নেয় নানা মতবাদ। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সিটবেল্ট দিয়ে সিটের সাথে বাঁধা থাকার কারণে পড়ে যাবার ধাক্কাটা তার সেভাবে লাগেনি, বরং সেটা কিছুটা আস্তে প্যারাস্যুটের মতো করে নামিয়েছে তাকে। তাছাড়া মাটিতে পুরু হয়ে ছড়িয়ে ছিল গাছের পাতা আর নানারকম উদ্ভিদ। তাই এভাবে পড়ে গিয়েও তেমন কোনো হাড়গোড় ভাঙেনি।

এই ভয়ানক অভিজ্ঞতার পর স্বাভাবিকভাবেই বিমানে চড়ার ব্যাপারে ভীতির সৃষ্টি হয়েছিল জুলিয়ানের মধ্যে।

জুলিয়ান বলেন,
"আমি বহুদিন, বলতে গেলে বছরের পর বছর, দুঃস্বপ্ন ছাড়া ঘুমাতে পারিনি। আমার মা সহ অন্য যাত্রীদের জন্য শোক সবসময় আচ্ছন্ন করে রাখতো আমাকে। “কেবল আমিই কেন বেঁচে গেলাম?___ এই প্রশ্ন আমাকে আজীবন তাড়া করে বেড়াচ্ছে এবং বেড়াবে। "

পরবর্তীতে জুলিয়ান জার্মানিতে ফিরে জীববিদ্যায় উচ্চশিক্ষা নেন, পিএইচডি করেন এবং গবেষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৯৮ সালে “Wings of Hope” নামের একটি ডকুমেন্টারিতে অংশ নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে ফেরত যান, যা তাঁকে মানসিকভাবে মুক্তি দেয়। ২০১১ সালে প্রকাশ করেন নিজের আত্মজীবনী When I Fell from the Sky, যা তাঁকে কোরিন সাহিত্য পুরস্কার এনে দেয়।

আজও তিনি জীববিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছেন, কিন্তু জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা তাঁর সেই একাকী ১১ দিন

(চ্যাট জিপিটি, গুগল এবং জুলিয়ানের উপর নির্মিত ছবি আর ডকুমেন্টারি থেকে লেখাটি তৈরি করেছি।ছবি গুগল থেকে নেয়া।)

রুচিরা

দেশের আর কত ক্ষতি হবে 😔
18/10/2025

দেশের আর কত ক্ষতি হবে 😔

16/10/2025

Rang passand
Pakistani catalogue
All bd cash on home delivery
゚viralシfypシ゚viralシalシ

Shein dressXL size available (up to 42)All bd cash on home delivery
11/10/2025

Shein dress
XL size available (up to 42)

All bd cash on home delivery

বিড়াল পালনে সাধারণ কিছু তথ্য : ১। প্রতি তিন মাস অন্তর কৃমির ওষুধ খাওয়ান।২। বয়স ২-২.৫ মাস হলে ফ্লু এর ভ্যাক্সিন দিন৷ র‍্য...
10/10/2025

বিড়াল পালনে সাধারণ কিছু তথ্য :
১। প্রতি তিন মাস অন্তর কৃমির ওষুধ খাওয়ান।
২। বয়স ২-২.৫ মাস হলে ফ্লু এর ভ্যাক্সিন দিন৷ র‍্যাবিসের ভ্যাক্সিন ৩ মাস বয়সে দিন।
৩। ঘন ঘন গোসল দেয়া থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজন অনুসারে ২-৬ মাসে একবার দিন৷ মানুষের শ্যাম্পু দিয়ে গোসল দিবেন না।
৪। ড্রাই ক্যাট ফুড সম্ভব হলে এড়িয়ে চলুন।
৫। মশলা, অতিরিক্ত লবণ, তেল, চকোলেট, ঘি ইত্যাদি খাবার পরিহার করুন।
৬। মাছ/মাংসের কাটা/হাড্ডি বেছে খেতে দিন।
৭। কয়েকদিন পরপর নখ কেটে দিন।
৮। প্রাপ্তবয়স্ক বিড়ালের নিউটার/স্পে করিয়ে দিন
৯। সাধারণ হাচি-কাশি বা শরীর গরমে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।
১০। নাপা/প্যারাসিট্যমল জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন
১১। যেসব বিড়াল হঠাৎ করে খাওয়া দাওয়া করে না এবং বমি করে এসকল বিড়ালকে সুস্থ বিড়াল থেকে আলাদা রাখুন।
১২। বিড়ালের হঠাৎ পাতলা পটি হলে ঘরোয়া ভাবে মাংসের সাথে কাচা কলা সিদ্ধ করে খাওয়ান।
১৩। পটি শক্ত হয়ে কন্স্টিপেশন হলে মিষ্টি কুমড়া ও পেঁপে সিদ্ধ খাওয়ান।
১৪। সাধারণত মাল্টিভিটামিন খাওয়ালে পটি নরম হয়, এটা নরমাল।
১৫। ঘরের বিড়াল বাহিরে যাওয়া আসা করলে অবশ্যই র‍্যাবিস বা জলাতঙ্কের টিকা দিন বছরে একবার। মনে রাখবেন মানুষের জলাতঙ্ক হলে বাঁচার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
১৬। বিড়ালের গর্ভধারণ সময় ৬২-৬৫ দিন। এসময় কৃমির সমস্যা দেখা দিলে সব ধরনের কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যাবে না৷ নির্দিষ্ট কিছু কৃমির ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শে দেয়া যাবে। নির্দিষ্ট ওষুধ বাদে বাকিগুলো abortion/miscarriage করার জন্য দায়ী।
১৭। বিড়াল অসুস্থ হলে, খাওয়া দাওয়া না করলে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।
১৮। বাচ্চা ডেলিভারিতে সাধারণত ১২ থেকে ৩৬ ঘন্টা সময় বা তারও বেশি লাগতে পারে। এসময় বিড়ালকে আমিষ জাতীয় খাবার বা গ্লুকোজ খাওয়ান।
১৯। কয়েকদিন পরপর কান পরিষ্কার করে দিন৷ কটোন বাডে নারিকেল তেল লাগিয়ে কান পরিষ্কার করুন।
২০। গর্ভবতী নারীরা বিড়ালের পটি পরিষ্কার থেকে বিরত থাকুন।
২১। ফ্লু ছাড়াও মানুষের মতো বিড়ালের রোগের অভাব নেই। মানুষের মতো বিড়ালদেরও হার্ট, ফুসফুস, কিডনি, লিভার, স্প্লিনের রোগ হতে পারে। সকল রোগের সাধারণ লক্ষণ খাওয়া বন্ধ করে দেয়া। তাই সব ক্ষেত্রেই ফ্লু হয়েছে বলা যাবে না। ( এ সম্পর্কে পেইজের পূর্বের পোস্ট দেখুন)
২২। যেকোনো ওষুধ খাওয়ানোর পূর্বে সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ একজন ভেট ৫ থেকে ৭ বছর পড়ালেখা করে দেশ-বিদেশ থেকে ট্রেনিং নিয়ে তারপর ভেট হন। অবশ্যই একজন ভেট বিভিন্ন ওষুধের ব্যাপারে অবগত আছেন।

Alhamdulillah sold ❤️
09/10/2025

Alhamdulillah sold ❤️

09/10/2025

ঝুম বৃষ্টি ❤️❤️❤️ ゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシalシ

08/10/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.

Address

Sector 18, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অধৃষ্য-Adhrissho by MC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অধৃষ্য-Adhrissho by MC:

Shortcuts

Share