Islam Is My Life - ইসলাম আমার জিবন

Islam Is My Life - ইসলাম আমার জিবন NAHID

09/01/2016

মানুষের সাথে দেখা হলে এমন
আচরণ করবে, যাতে
তোমার মৃত্যুতে তারা কাঁদে এবং
বেঁচে থাকলে তারা
তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করে
—হযরত আলী (রাঃ)

08/11/2015

যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত, তারা আপনার
পালনকর্তার নিকট
থেকে অবর্তীর্ণ কোরআনকে সত্য
জ্ঞান করে
এবং এটা মানুষকে পরাক্রমশালী,
প্রশংসার্হ আল্লাহর
পথ প্রদর্শন করে।
(সূরা সাবা:৬)

05/11/2015

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত
আছে, তিনি বলেন, নবী (সাঃ)
বলেছেনঃ এমন অনেক ব্যক্তি
জান্নাতে যাবে যাদের অন্তর
পাখির অন্তরের মতো হবে। অর্থাৎ
তাদের মন নরম এবং আল্লাহর উপর
তারা ভরসা করে।
# সহিহ_মুসলিমঃ ২৮৪০

30/10/2015

হে ঈমানদার ব্যক্তিরা, জুমুয়ার
দিনে যখন তোমাদের নামাযের
জন্য ডাক দেয়া হবে তখন তোমরা
( নামাযের মাধ্যমে) আল্লাহর
স্মরণের দিকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে
যাও এবং ( সে সময়ের জন্যে)
কেনাবেচা ছেড়ে দাও,এটাই
তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা
তা উপলব্দি কর!!
সূরা জুমুয়াহ ৬২/০৯
আল কোরআন

23/10/2015

একজন মুসলমান হিসেবে জানার
দরকার। আপনি কি জানেন?????
কোরআনের অক্ষর সমূহ:-
আলিফ=৪৮৮৭২
বা=১১৪২৮
তা=১১৯৯
ছা=১২৭৬
জিম=৩২৭৩
হা=৯৭৩
খা=২৪১৬
দাল=৫৬০২
জাল=৪৬৭৭
রা=১১৭৯৩
ঝা=১৫৯০
সিন=৫৯৯১
শিন=২১১৫
ছোয়াদ=২০১২
দোয়াদ=১৩০৭
তোয়া=১২৭৭
জোয়া=৮৪২
আইন=৯২২০
গাইন=২২০৮
ফা=৮৪৯৯
ক্বফ=৬৮১৩
কাফ=৯৫০০
লাম=২৪৩২
মিম=৩৬৫৩৫
নুন=৪০১৯০
ওয়াও=২৫৫৪৬
হা=১৯০৭০
লাম আলিফ=৩৭৭০
ইয়া=৪৫৯১৯

23/10/2015

মানুষ যা লাভ করেছে তার মধ্যে
সর্বশ্রেষ্ঠ হচ্ছে সুন্দর স্বভাব...।।
--- আল হাদিস

23/10/2015

হযরত মুসা আ’লাইহিস সালামের
যুগে
একবার বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল। মাঠ
ঘাট
শুকিয়ে খাঁ খাঁ করছে। সবাই এসে
হযরত
মুসা আ’লাইহিস সালামকে
অনুরোধ
জানালো, আল্লাহর নিকট দু’আ
করার
জন্য। হযরত মুসা আ’লাইহিস সালাম
বনি
ইসরাঈলদেরকে নিয়ে উম্মুক্ত
ময়দানে
গিয়ে ইসতিস্কার নামায পড়ে
বৃষ্টির
জন্য অনেক কান্নাকাটি করলেন।
এমন
সময় আল্লাহ তা’আলা অহী
পাঠালেন,
হে মুসা, এই সমবেত জনতার মধ্যে
একজন
গোনাহগার আছে। সে এমন কোন
গোনাহ নেই যা সে অবলীলায়
করে
নাই। সে এমন এমন গোনাহও
করেছে।
তার কারনেই আকাশের রহমতের
দরজা
বন্ধ করে দিয়েছি। তাকে বের
হয়ে
যেতে বল। সে বের হলেই আকাশ
বৃষ্টি
বর্ষিত হবে।
এই অহী পেয়ে মুসা আ’লাইহিস
সালাম
ঘোষনা করলেন, “এমন এমন গোনাহ
করেছে এক ব্যক্তি তার কারনেই
আজ
বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে। সে বের
হয়ে
গেলেই বৃষ্টি হবে। অতএব তাকে
বের
হয়ে যেতে নির্দেশ দিচ্ছি। সে
বের
হয়ে যাক!” গোনাহগার ব্যক্তিটি
তো
বুঝে ফেলল, তার কারনেই আজ
তার
জাতির এই করুন অবস্থা। কিন্তু সে
বের
হবে কি ভাবে? বের হলেই তো
সকলে
তাকে চিনে নিবে। তখন সে
তার
মাথার রুমাল দিয়ে নিজের
মাথা

মুখ ঢাকিয়ে করূন ভাবে আল্লাহ
তা’আলাকে ডেকে কেঁদে
কেঁদে
তাঁর কাছে তওবা করল। আর বলতে
লাগল,
আল্লাহ, তুমি তো গফুর তুমি তো
রহীম
এতগুলো লোকের সামনে তুমি
কি
আমাকে অপমানিত করবে? আমি
তো
আমার সব গোনাহ স্বীকার করে
অনুতপ্ত
হৃদয়ে তোমার দিকে ফিরে
এসেছি।
তুমি আমাকে ক্ষমা কর! আমাকে
আমার
জাতির নিকট অপমানিত
করোনা।
যেই না সে মনেপ্রাণে তওবা
করল,
অমনি মুষলধারে বৃষ্টি আরম্ভ হয়ে
গেল।
মুসা আ’লাইহিস সালাম আল্লাহ
তা’আলাকে ডেকে বললেন,
“আল্লাহ
গো কই কেউ তো বের হয়নি; অথচ
বৃষ্টি
আরম্ভ হয়ে গেল।“ আল্লাহ
তা’আলা
তাঁকে বললেন, মুসা, যার কারনে
বৃষ্টি
বন্ধ করেছিলাম তার কারণেই
এখন
বৃষ্টি
দান করলাম। আশ্চর্য হয়ে মুসা
আ’আলাইহিস সালাম জানতে
চাইলেন,
আল্লাহ এটা কি ভাবে হলো?
আল্লাহ
তা’আলা বললেন, মুসা, সে আমার
কাছে এমন ভাবে তওবা করেছে
যে
তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে আমি
আকাশের
রহমতের দ্বার খুলে দিয়েছি। পরম
আগ্রহে মুসা আ’লাইহিস সালাম
তাঁর
পরিচয় জানতে চাইলে আল্লাহ
তা’আলা তাঁকে বললেন, মুসা, যখন
সে
অপরাধী ছিল তখনও তাকে
অপমানিত
করি নাই। তার অপরাধগুলো
প্রকাশ
করি
নাই। আর এখন যখন সে তওবা
করেছে,
কি
ভাবে তাকে পরিচিত করে
অপমানিত
করি বলো- মুসা, এটা আমার
“সাত্তার”
ইসমের খিলাফ। অন্য বর্ণনায়
এসেছে
যে, আল্লাহ তা’আলা মুসা
আ’লাইহিস
সালামকে বলেছিলেন, হে
মুসা,
অন্যের দোষত্রুটি প্রকাশ করা
আমি
হারাম করেছি, আমি রব্বুল ইজ্জত
কি
ভাবে বান্দার দোষত্রুটি প্রকাশ
করি
বলো—সুবহানাল্লাহ।
ভাইরা। হযরত মুসা কালিমুল্লাহর
যুগে
তাঁর সাহাবাদের সঙ্গে আল্লাহ
তা’আলা এমন আচরণ করেছেন আর
আমরা
রহমতুল্লিল আ’লামীন শাফীউ’ল
মুজনিবীন সাল্লাল্লাহু
তা’আলা
আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মত।
আমাদের সাথে রব্বু মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু তা’আলা
আ’লাইহি
ওয়া
সাল্লাম আরো কত মধুর, কত উদার
আচরণ
করবেন যা কল্পনাকেও হার
মানায়।

23/10/2015

“হে আমার পুত্রগণ, তোমরা যাও,
ইউসুফ ও তার
সহোদরের অনুসন্ধান কর এবং
আল্লাহর রহমত হতে
তোমরা নিরাশ হয়ো না। কারণ
অবিশ্বাসী সম্প্রদায়
ব্যতীত আল্লাহর রহমত বা আশিস
হতে কেউ নিরাশ হয়
না।" -সূরা ইউসুফ (আয়াত-৮৭)।
আগের পর্বে আলোচনা হয়েছে
যে,
বেনইয়ামিনকে মিশরে আটক
রাখার খবর যখন হযরত
ইয়াকুব (আ.) কে জানানো হল, তখন
ইউসুফের ঘটনা তাঁর
মনে পড়ে গেলে। ফলে দুঃখ
ভারাক্রান্ত মনে তিনি
আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ
করলেন এবং এই পরিস্থিতি
থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য
আল্লাহর সাহায্য কামনা
করলেন।
বাল্যকালে দেখা হযরত ইউসুফের
তাতপর্যপূর্ণ
স্বপ্নের কথা ইয়াকুব (আ.) এর মনে
ছিল। তাই তিনি নিশ্চিত
ছিলেন, ইউসুফ মারা যায়নি বরং
স্বপ্নের কারণে তিনি বিশ্বাস
করতেন যে, আল্লাহ ইউসুফকে এই
পৃথিবীতেই
একজন সম্মানী ও প্রভাবশালী
ব্যক্তি হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত করবেন। এজন্য তিনি
পুত্রদেরকে নির্দেশ
দিলেন যে, তোমরা পুনরায়
মিশরে যাও এবং সেখানে
ইউসুফকে অনুসন্ধান কর।
পাশাপাশি বেনইয়ামিনের
মুক্তির
জন্য চেষ্টা কর। এরপর দু’জনকে
নিয়ে তোমরা আবার
আমার কাছে ফিরে এসো।
তিনি পুত্রদেরকে এ কাজে
উৎসাহিত করার জন্য আল্লাহর
অফুরন্ত নেয়ামত ও
রহমতের কথা স্মরণ করিয়ে
দিলেন এবং বললেন,
আল্লাহর রহমতের ব্যাপারে কখনও
হতাশ হতে নেই।
কারণ হতাশা বা নিরাশা
কুফরের নিদর্শন।
আল্লাহর আশিস বা রহমতের
ব্যাপারে নিরাশ হতে নেই।
নবী-রাসূল এবং অলী আউলিয়াগণ
সব সময় মানুষকে
আল্লাহর রহমতের ব্যাপারে
আশাবাদী করতেন।
পথভ্রষ্ট কাফের মুশরিকরাই
মানুষকে হতাশায় নিমজ্জিত
করে। তাই যে কোনো কাজের
ব্যাপারে মানুষকে
উদ্যোগী হতে হবে, তার কর্ম ও
চেষ্টা থাকতে
হবে। তাহলেই আল্লাহর বিশেষ
সাহায্য তার কাজকে
সহজ করতে সহায়ক হবে।

23/10/2015

যদি আল্লাহ তোমাদের
সহায়তা করেন,
তাহলে কেউ তোমাদের
পরাজিত করতে পারবে না।
আর যদি আল্লাহ তোমাদের
সাহায্য না করেন,
তবে এমন কে আছে,
যে তোমাদের সাহায্য করতে
পারে?
আর আল্লাহর উপরই
মুসলমানগনের ভরসা করা উচিত।
[আল কুরআনঃ সূরা
আল ইমরানঃ ১৬০]

23/10/2015

আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত,
রাসুল (সা.)
বলেছেন, ‘শীঘ্রই মানুষ
তোমাদেরকে আক্রমন
করার জন্য আহবান করতে থাকবে,
যেভাবে
মানুষ তাদের সাথে খাবার
খাওয়ার জন্য
একে-অন্যকে আহবান করে।’
জিজ্ঞেস করা হলো, ‘তখন
কিআমরা সংখ্যায়
কম হবো?’
তিনি বললেন, ‘না, বরং তোমরা
সংখ্যায় হবে
অগণিত কিন্তু তোমরা সমুদ্রের
ফেনার মতো
হবে, যাকে সহজেই সামুদ্রিক
স্রোত বয়ে
নিয়ে যায় এবং আল্লাহ
তোমাদের শত্রুর
অন্তর থেকে তোমাদের ভয় দূর
করে দিবেন
এবং তোমাদের অন্তরে আল-
ওয়াহ্হান ঢুকিয়ে
দিবেন।’
জিজ্ঞেস করা হলো, ‘হে
আল্লাহর রাসুল
(সা.),আল- ওয়াহ্হান কি?’ তিনি
বললেন,
‘দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা
এবং ক্বিতালকে
অপছন্দ করা।’
(মুসনাদে আহমদ, খন্ডঃ ১৪, হাদিস
নম্বরঃ
৮৭১৩, হাইসামী বলেছেনঃ
হাদিটির সনদ
ভালো, শুয়াইব আল আর নাউতের
মতে
হাদিসটি হাসান লি গাইরিহি)
সাওবান (রা.) হতে বর্ণিত
হাদিসে এসেছেঃ
ﺣُﺐُّ ﺍﻟْﺤَﻴَﺎﺓِ ﻭَﻛَﺮَﺍﻫِﻴَﺔُ ﺍﻟْﻤَﻮْﺕِ
‘দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা
এবং মৃত্যুকে
অপছন্দ করা।’ (সুনানে আবু দাউদ ও
মুসনাদে
আহমদ, হাদিস

23/10/2015

কিয়ামতের মাঠে প্রশ্ন করলে
জাহান্নামীরা যা বলবে
শেষ বিচারের দিন অর্থ্যাৎ
কিয়ামতের মাঠে জাহান্নামী
এবং জান্নাতী মানুষদের
দেখলে
খুব সহজেই চেনা যাবে। যারা
জাহান্নামী হবে তাদের যদি
প্রশ্ন
জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে
তারা
শুধু নামাজ না পড়ার কথাই বলবে।

সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে
আল্লাহ
তা’য়ালা স্পষ্ট ব্যাখ্যা
দিয়েছেন।
আল্লাহ পাক বলেছেন,
‘কিয়াতমের
মাঠে একদল জাহান্নামীকে
প্রশ্ন
করা হবে- কিসের জন্যে
তোমাদের
জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ
করা
হচ্ছে? উত্তরে তারা বলবে,
আমরা
দুনিয়ায় নামাজ আদায় করতাম
না।
(সূরা মুদাসসির, আয়াত-৪১,৪২)

16/10/2015

অহংকার করিও না, কেননা
অহংকারীর পরিনাম
জাহান্নাম।
—বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam Is My Life - ইসলাম আমার জিবন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share