22/01/2026
কেও angry reacted দিবেন না প্লিজ🙏
২ জন শিক্ষক মিলে একটি শিশু ছাত্রকে নির্যাতনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখলাম। ভিডিওর শুরুতে দেখা যায়, কোন এক অপরাধের জন্য ম্যাডাম শিশুটিকে অফিস রুমে নিয়ে আসে।
অফিস রুমে এনেই ম্যাডাম শিশুটিকে চড় মারেন। স্যারের কাছে শিশুটি সম্পর্কে নালিশ দেন। অতঃপর স্যার! ম্যাডাম মিলে শিশুটিকে চড় থাপ্পড় দেখিয়ে শাসন করতে থাকেন।
শিশুটি রেগে গিয়ে ম্যাডামের শাড়িতে থুতু দেয়। তখন স্যার স্ট্যাপলার হাতে নিয়ে শিশুটির ঠোঁট চেপে ধরে মুখ সেলাই দেওয়ার হুমকি দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। অন্যদিকে ম্যাডাম এসব দৃশ্য দেখে হাসতে থাকেন।
শিশুটি কান্না করলে তাকে বারবার থামানোর জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা মিলে ভয় ভীতি দেখান। এক পর্যায়ে শিশুটি আবার ম্যাডামের শাড়িতে থুতু দিলে শিক্ষক আবারও শিশুটির ঘেটি ধরে ঐ থুতু চাটতে মাথা শাড়িতে ঠেসে ধরে।
অতঃপর শিশুটি 'ম্যাডামকে থুতু দিয়েছে' সেই প্রমাণ রাখতে শিক্ষক ম্যাডামের শাড়ির ছবি তুলেন। ৪-১০মিনিট চলে এই নির্যাতন।
একজন বাবা হিসেবে এই ফুটেজ সত্যিই বেশ পীড়া দিলো।
আমরা সন্তানকে স্কুলে পাঠাই মানুষ বানানোর জন্য। ভুল ত্রুটি শুধরে নিয়ে সুশিক্ষা পাওয়ার জন্য।
কিন্তু সেখানে যদি শিক্ষকরাই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন, অবুঝ শিশুকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। সেটা সত্যিই মেনে নেওয়ার মতো নয়। এটা ক্রিমিনাল অফেন্স। উনারা বাচ্চাদেরকে হ্যান্ডেল করার মানসিক ক্ষমতা না রাখলে স্কুল খুলতে কে বলেছে!
নিঃসন্দেহে শিশুটি হয়তো স্বভাবসূলভবশত দুষ্টামি করেছে এবং তাকে বেশ জেদিও মনে হলো। শিক্ষকেরা মিলে তাকে ভয় ভীতি দেখিয়েও কাবু করতে পারেনি। কিন্তু এতটুকু শিশুকে শারীরিকভাবে কীভাবে লাঞ্ছিত করতে পারলো?
বাচ্চা গুরুতর অপরাধ করলে কিংবা আপনাদের যদি মনে হয় এই শিশুকে হ্যান্ডেল করা সম্ভব নয়। তাকে টিসি দিয়ে বের করে দিন। কিন্তু এভাবে কেন?
আমরা অতীতেও দেখেছি - শিক্ষকেরা মেজাজ হারিয়ে শিক্ষার্থীকে প্রহার করে প্রাণে মেরে ফেলেছে। পঙ্গু বানিয়ে ফেলেছে। আজকে এই শিশুটির সাথে বড় কোন অঘটন ঘটে গেলে?
কিছুদিন আগেই ভিডিও দেখলাম - আমাদের দেশের একটি অটিজম স্কুলের শিক্ষিকা, অটিজমের শিশুকে একেরপর এক চড় থাপ্পড় মেরেই যাচ্ছেন। শিশুটি ভয়ে কাঁদতে কাঁদতে শেষ। এটা দেখে এত খারাপ লাগছিলো।
ছবির উক্ত ঘটনায় শিক্ষার্থীর পরিবার এখন পর্যন্ত আইনগত কোন ব্যবস্থা নিয়েছেন কীনা জানিনা। তবে যেহেতু সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিছু একটা ঘটেছে। এই স্কুলের অন্যান্য অভিভাবকদেরও সতর্ক হওয়া উচিত।
ভিডিওটি আপলোড করেছে আইনজীবি: Adv Saleh Uddin
উনি লিখেছেন এটি রাজধানীর নয়াপল্টনের 'শারমীন একাডেমি' স্কুলের ঘটে যাওয়া ঘটনা। কমেন্টে জানতে পারলাম, অভিযুক্ত উনারা নাকি স্কুলের প্রিন্সিপাল শারমিম ম্যাম ও উনার স্বামী। অবাক করা বিষয় স্কুলের নামকরণ শারমীন ম্যামের নামেই করা।
ফেসবুকের রেস্ট্রিকশনের ভয়ে ভিডিওটি শেয়ার দেইনি। কমেন্টে ভিডিওর লিঙ্কটি দিয়ে দিচ্ছি।
উক্ত শিশুর বাবা-মা এবং ঘটনার কোন আপডেট জানলে কমেন্টে জানাবেন। এটির সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত।
কপি ফ্রম অন্তর মাশউদ