Artist - আর্টিস্ট

Artist - আর্টিস্ট Artist Fashion is the top online fashion store for indian dress, pakistani dress, deshi dress, sharee, women jeans, shoes, bodysuits, skirts & more.

Premium Soft Cotton AC Net Bra – Best Fitting & Stylish Comfort ✨🔥 Offer Alert on Daraz!Product Name: AC Net Bra – Premi...
19/10/2025

Premium Soft Cotton AC Net Bra – Best Fitting & Stylish Comfort ✨

🔥 Offer Alert on Daraz!
Product Name: AC Net Bra – Premium Quality Soft Cotton
Price: ৳180
Discount Price: ৳68 ✅
Material: Soft Cotton
Design: AC Net, Breathable & Skin-Friendly
Fitting: Perfect Daily Use | Comfortable Support | Multicolor Available
Ideal For: Everyday wear, summer comfort, and long-lasting freshness
Link: https://s.daraz.com.bd/s.ZuH4Q?cc

✨ আপনার সৌন্দর্যের যত্নে আনুন প্রাকৃতিক ছোঁয়া!🧼 Hand Made Real Saffron Goat Milk Bar Soap (100g) এখন পাচ্ছেন অবিশ্বাস্য ...
02/10/2025

✨ আপনার সৌন্দর্যের যত্নে আনুন প্রাকৃতিক ছোঁয়া!
🧼 Hand Made Real Saffron Goat Milk Bar Soap (100g) এখন পাচ্ছেন অবিশ্বাস্য দামে!

💰 আসল দাম: ৳277
🔥 ডিসকাউন্ট প্রাইস: মাত্র ৳59

👉 এখনই অর্ডার করুন: https://s.daraz.com.bd/s.ZstgN

💖 দেরি করবেন না, স্টক শেষ হওয়ার আগেই সংগ্রহ করুন!

🎧 সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য দারুণ অফার!AirPods Pro 2nd Generation – Made in Dubai | Wireless Charging Bluetooth Earbuds💰 আসল ...
02/10/2025

🎧 সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য দারুণ অফার!
AirPods Pro 2nd Generation – Made in Dubai | Wireless Charging Bluetooth Earbuds

💰 আসল দাম: ৳2,200
🔥 ডিসকাউন্ট প্রাইস: মাত্র ৳505

👉 এখনই অর্ডার করুন: https://s.daraz.com.bd/s.Zstff

⚡ স্টাইলিশ ডিজাইন + দারুণ সাউন্ড + সুপার সেভিংস = মিস করার মতো নয়!

18/09/2025

আসলেই মিথ্যা সনাক্তকরণ অপশন আছে iphone 17 e?

Jute Shopping/Tote Bag, Natural & Black, (14"x16"), 1 Pcsজুট শপিং/টোট ব্যাগ, ন্যাচারাল ও ব্ল্যাক, (14"x16"), ১ পিসব্র্যা...
14/08/2025

Jute Shopping/Tote Bag, Natural & Black, (14"x16"), 1 Pcs

জুট শপিং/টোট ব্যাগ, ন্যাচারাল ও ব্ল্যাক, (14"x16"), ১ পিস

ব্র্যান্ড নাম: Agrey Hometex
আইটেম: জিপারসহ শপিং/টোট ব্যাগ
সাইজ: উচ্চতা ১৪" x দৈর্ঘ্য ১৬" x প্রস্থ ৪"
রঙ: ন্যাচারাল ও ব্ল্যাক
ফ্যাব্রিক: ল্যামিনেশনসহ জুট ফেব্রিক
আকৃতি: বর্গাকার
পরিমাণ: ১ পিস
প্যাটার্ন: স্ক্রিন-প্রিন্ট
গুণমান: প্রিমিয়াম কোয়ালিটি প্রোডাক্ট
উৎপাদন স্থান: বাংলাদেশ

আমাদের ব্যাগ দিয়ে বাজার বা শপিংয়ের ভারী জিনিস সহজেই বহন করা যায়। ব্যাগটি খুবই হালকা হলেও প্রচুর ওজন বহন করতে সক্ষম। এটি সাদা ফেব্রিকের ওপর প্রিন্ট করা। প্রয়োজন হলে আপনি ব্যাগটি ধুয়ে নিতে পারেন।

মাপের ক্ষেত্রে ৩–৬ সেন্টিমিটারের সামান্য ত্রুটি থাকতে পারে।

ডিসক্লেইমার: আলো, ফটোগ্রাফি বা আপনার ডিভাইসের ডিসপ্লে সেটিংসের কারণে আসল পণ্যের রঙ সামান্য ভিন্ন হতে পারে।

জরুরী সতর্কতা: আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা  COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও...
09/06/2025

জরুরী সতর্কতা:
আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।

১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:

i) কাশি নেই।
ii) জ্বর নেই।
বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—
iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
iv) মাথাব্যথা।
v) গলাব্যথা।
vi) পিঠে ব্যথা।
vii) নিউমোনিয়া।
viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।

২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।

৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।

৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।

এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।

৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।

এই COVID-Omicron XBB "ওয়েভ" প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।

সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।
✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।

ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

একটি জ্বলন্ত রাত, একটি অবিচ্ছেদ্য পরিবার: গ্রেনফেলের নীরব আত্মত্যাগ২০১৭ সালের ১৪ জুন। লন্ডনের রাত সেদিন নিঃশব্দে কেঁদেছি...
08/06/2025

একটি জ্বলন্ত রাত, একটি অবিচ্ছেদ্য পরিবার: গ্রেনফেলের নীরব আত্মত্যাগ

২০১৭ সালের ১৪ জুন। লন্ডনের রাত সেদিন নিঃশব্দে কেঁদেছিল। এক অলিখিত ইতিহাস রচিত হচ্ছিল আকাশ ছুঁয়ে থাকা একটি ভবনের অন্ধকার গহ্বরে। যখন পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ ঘুমিয়ে ছিল, তখন শহরের পশ্চিম কোণে, গ্রেনফেল টাওয়ারের ২১ তলায় একটি পরিবার জীবনের শেষ অধ্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল—কারণ নিচ থেকে উঠে আসা আগুনের লেলিহান শিখা ধীরে ধীরে গ্রাস করছিল তাদের স্বপ্নভবন।

কামরু মিয়া ও রাবেয়া বেগম—সিলেটের মানুষ। লন্ডনে এসেছিলেন সন্তানদের জন্য এক নিরাপদ ভবিষ্যতের আশায়। বহু ঘাত-প্রতিঘাত পার করে উঠে এসেছিলেন গ্রেনফেল টাওয়ারের ফ্ল্যাট ১৯৬-এ। জানালার পাশে রাবেয়ার যত্নে গাছপালা, তাকভর্তি বই, দেয়ালে বাংলাদেশের মানচিত্র—সবকিছু মিলে একটি প্রাণবন্ত আবাস।

সন্তানরা কেউ পড়াশোনায়, কেউ কাজ করছেন। হুসনা—স্নিগ্ধ, মেধাবী, সদাহাস্যময়। সামনে তার বিয়ে। নিমন্ত্রণপত্রের ডিজাইন থেকে শুরু করে সব পরিকল্পনা নিজ হাতে করছিল। মাত্র একমাস বাকি।

কিন্তু আগুন কোন কিছু মানে না। সময়, পরিকল্পনা, স্বপ্ন—সবকিছুকে পুড়িয়ে দিতে পারে কয়েক মিনিটেই।

রাত দেড়টার দিকে সুযোগ ছিল নামার, প্রাণ বাঁচানোর। কিন্তু ৮২ বছর বয়সী প্যারালাইজড বাবা ও অসুস্থ মা—তাঁদের একা ফেলে চলে যাওয়া সন্তানদের কাছে ছিল অমানবিক। তারা সিদ্ধান্ত নেয়—তারা একা নামবে না, একা বাঁচবে না।

হুসনা শেষবার ফোন করে ভাই হাকিমকে। ভয় ছিল, কিন্তু তার কথায় ছিল এক অলৌকিক শান্তি:
“আমরা হয়তো আর থাকব না, হাকিম ভাই… মাফ করে দিও।”

এ যেন এক অনন্ত বিদায়—নিঃশব্দে, নিঃশ্বাসে, ভালোবাসায় গাঁথা।

রাত চারটায় যখন উদ্ধারকারী দল ফ্ল্যাটে পৌঁছায়, তখন তারা খুঁজে পায় পাঁচটি দেহ—ঘনিষ্ঠভাবে একে অপরকে জড়িয়ে ধরা। কামরু মিয়ার হাতে খোলা কুরআন, হুসনার পায়ের কাছে ছড়িয়ে আছে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের ছেঁড়া কাগজ।

তারা কেউই বাঁচেননি। কিন্তু তারা ভালোবাসাকে মৃত্যুর চেয়েও বড় করে তুলেছেন।

এই পরিবার হয়তো আগুনে পুড়ে নিঃশেষ হয়েছে, কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত—একসাথে মরার—এক মহিমান্বিত মানবিকতা।
তারা আমাদের শিখিয়েছেন, পরিবার মানে শুধু রক্তের সম্পর্ক নয়—এটি আত্মার বন্ধন, যা মৃত্যু দিয়েও ছিন্ন করা যায় না।

হুসনার নামে গড়ে উঠেছে স্কলারশিপ, দেয়ালে আঁকা হয়েছে তাদের পাঁচটি ছায়ামূর্তি—নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে লন্ডনের বুকে।

আর আজও, প্রতি শুক্রবার, ছোট ভাই হাকিম এসে বসেন ল্যাটিমার রোডের সেই বেঞ্চে। তাঁর সামনে ধোঁয়ায় ভেসে আসে বাবার মুখ, বোনের হাসি, আর মনে পড়ে একটাই বাক্য—

“তারা চলে গেছে একসাথে, ভালোবাসার পূর্ণতায়। মৃত্যু নয়, ভালোবাসাই ছিল তাদের গন্তব্য।”

যারা একসাথে বাঁচেনি, তারা একসাথেই অমর হয়ে গেলেন।

গ্রেনফেল শুধু একটি আগুন নয়, এটি একটি পরিবারের প্রেমগাথা—যা শত সহস্র জীবনকে ছুঁয়ে যায় প্রতিদিন।

01/06/2025

কথা কন ঠিক আছে কি না😁😁😁

গুগল ম্যাপের মাধ্যমে একটি ভালোবাসার গল্প।প্রতিটি ছবিতে ক্যাপশন পড়ুন।২০১৫ সালে দুই বৃদ্ধ দম্পতি পাশাপাশি বসে এক প্লেটে খ...
31/05/2025

গুগল ম্যাপের মাধ্যমে একটি ভালোবাসার গল্প।
প্রতিটি ছবিতে ক্যাপশন পড়ুন।

২০১৫ সালে দুই বৃদ্ধ দম্পতি পাশাপাশি বসে এক প্লেটে খাবারের খাওয়ায় বাড়ির পাশে।

এক বছর পরে,২০১৬ সালে,ক্যামেরা আবার তাদের বন্দী, এখনও একই জায়গায় বসে,শুধুমাত্র ভিন্ন আসন। তাদের পৃথিবী ছোট,কিন্তু একে অপরের যত্নবান দুটি হৃদয়ের জন্য যথেষ্ট।

২০১৭ সালে শুধু ঠাকুমাকে দেখা গিয়েছিল এক চেয়ারে বসে সামনে তাকিয়ে। কিন্তু দাদুকে আর ছবিতে দেখা যাবে না😢

২০১৮ সালে,দাদী এখনও সেখানে ছিলেন,কিন্তু তিনি আর তার স্বাভাবিক চেয়ারে বসেন না। ঘরের অর্ধবন্ধ দরজার সামনে বসেছিলেন,শরীর দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।

২০২০ সালে দাদী আবার স্বাভাবিক চেয়ারে ফিরে এলেন, চিন্তায় এলোমেলো হয়ে বসে,কুচকে যাওয়া হাত দিয়ে থুতুকুকে আদর করে, যেন এমন কারো অপেক্ষায় যে আর ফিরবে না।

২০২১ সালে তার শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে,তার পদক্ষেপ আর স্থিতিশীল ছিল না। সে শুধু তার অতীতের ছায়া,
আজও স্মৃতি আঁকড়ে আছে।

২০২২ সালে নীল ঘরের দরজা শক্ত করে বন্ধ ছিল। ঠাকুমার কোন খোঁজ নেই। হয়তো সে তার প্রিয়তমার সাথে গিয়েছিল। তারা সম্ভবত এখন আরো শান্তিপূর্ণ জায়গায় একসাথে।

২০১৩ সালে বাড়ির চারপাশে আগাছা বেড়ে গেল,তার রঙ ম্লান হয়ে গেল,এবং দরজা বন্ধ হয়ে গেল। সিট খালি আছে আগের মত বের করা হয় নি

২০২৪ সালে আগাছা সরিয়ে ফেলা হয়েছিল,কিন্তু ঘরটা চুপ করে ছিল। চেয়ারগুলো দাঁড়িয়ে আছে,অপেক্ষা করার মত,কিন্তু দেখা হয়নি।

এবং এখন, ২০২৫ সালে,বাড়িটি চলে গেছে,গ্রাউন্ডেড। সেখানে তাদের কোন সন্ধান নেই। শুধু স্মৃতি,শুধু ছবি। ভালোবাসা... সত্যিই সুন্দর। সত্যিকারের ভালোবাসারও বিচ্ছেদ হতে হয়।

এদের সম্পর্কে কেউ গল্প বলে না। আমি বাদে। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে।

সংগৃহিত

মেয়েটার নাম মিনু। বয়স ২৫। মৃ*&ত্যুর খুব কাছ থেকে চার চারবার সে ফিরে এসেছে।এই ভয়ঙ্কর সময়গুলোর প্রতিটাক্ষন মিনুর পাশে যে থ...
30/05/2025

মেয়েটার নাম মিনু। বয়স ২৫। মৃ*&ত্যুর খুব কাছ থেকে চার চারবার সে ফিরে এসেছে।এই ভয়ঙ্কর সময়গুলোর প্রতিটাক্ষন মিনুর পাশে যে থেকেছে , সে মিনুর স্বামী , সাইদুল। আসুন মিনুর গল্পটা শুনি।

এক বছর আগে প্রথম সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মিনুর দু/ র্বিষহ জীবনের সুত্রপাত। কুষ্টিয়ার কোনো এক প্রাইভেট হাসপাতালে মিনুর সিজার হয়।ঘর আলো করে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক ছেলে শিশু। খুশির আমেজ মিইয়ে যেতে সময় লাগলো না । অপারেশানের দুই দিন পর মিনুর পেট ফুলতে থাকে।ক্লিনিক কতৃপক্ষ গা বাচাতে দ্রুত মিনুকে সদর হাসপাতালে রেফার করে। প্রথম অপারেশানের মাত্র ৪ দিনের মধ্যে সদর হাসপাতালে দ্বিতীয়বার সার্জনের ছু/ রি কা/ চির নীচে যেতে হয় মিনুকে। পেট কে*&টে দেখা যায় তার পুরো পেটজুড়ে পায়/&খানা ছড়িয়ে আছে। small intestine(ক্ষুদ্রান্ত্র)এর দুই তিন জায়গায় ফুটো খুজে পাওয়া যায়। সার্জনরা খুঁজে পাওয়া ফুটো গুলো রিপেয়ার করে আসেন।তারা ধারনা করে সিজার অপারেশানের সময় এই ইনজুরি গুলো হয়েছিলো। সাইদুল আশায় থাকে , মিনু এবার ভালো হবে। বাসায় তার দুধের বাচ্চা।

কুস্টিয়া সদর হাসপাতালে দ্বিতীয়বার অপারেশানের পরেও মিনুর অবস্থার উন্নতি হল না । ড্রেইন টিউব দিয়ে এখনো পায়/*খানা আসছে। চিকিৎসকরা জরুরী ভিত্তিতে মিনুকে রেফার করলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ঢাকা মেডিকেলে ইমারজেন্সি ওটিতে তৃতীয় বারের মত মিনুর অপারেশান শুরু হল।পেট খুলে দেখা গেলো huge gut adhesion। কোনটা small gut কোনটা large gut কিছুই আলাদা করে বোঝা যাচ্ছিলো না।এই অবস্থায় বেশি ঘাটাঘাটি করলে আরো ইনজুরি হওয়ার সম্ভবনা থাকে। সার্জন তাই সবচেয়ে মোবাইল অংশটি পেট দিয়ে বের করে পায়/*খানার রাস্তা করে দিলো।আপাতত এভাবেই মিনুর পেটের ভিতর পায়/*খানা জমা যাতে না হয় তার একটা টেম্পরারি সমাধান করা গেলো। এই অপারেশানের পর মিনু প্রায় ১ মাস হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। এর ভিতর তার ক্ষতস্তানে ইনফেকশান হয় , যার ফলশ্রুতি তে নাড়ি পেট ফেটে বের হবার উপক্রম হয়। Tension sutur দিয়ে পেট ফাটার চিকিৎসা করা হল। এতোগুলো অপারেশানের চাপ আর শরীর থেকে বেশি পরিমান তরল বের হয়ে যাওয়ার দরুন মিনুর স্বাস্থ্য ভেঙ্গে পরে।, ক্ষত শুকাতে দেরি হয়। শিরাতে স্যালাইন এবং বিভিন্ন পুস্টিকর উপাদান দিয়ে(TPN) তার স্বাস্থ্যর উন্নতি করার চেস্টা চলে। এই সব অতিরিক্ত খরচ মেটাতে সাইদুলের নাভিশ্বাস উঠে যায়, কিন্তু স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে সে কখনই কার্পন্য করেনি। ১ মাস পর পেটে পায়*/খানার রাস্তা নিয়ে মিনু বাড়ি যায়। ৩ মাস পর তাকে আমারা পুনোরায় অপারেশানের জন্যে আসতে বলি। তখন তার পায়/*খানার রাস্তাটি আবার পেটের ভিতর ঢুকিয়ে দেয়া হবে এবং আবার সে স্বাভাবিক মানুষের জীবন যাপন করতে পারবে।

৩ মাস পর সাইদুল মিনুকে নিয়ে আমাদের ওয়ার্ডে(২১৭) ভর্তি হয়। মিনুর মুখে হাসি ফিরে এসেছে।এখন সেই হাসি পুর্নতা পাবার অপেক্ষায়। অপারেশান হল। পায়/*খানার রাস্তা পেটের ভিতর ঢুকিয়ে দেয়া হল।মিনু এখন সম্পুর্ন সুস্থ।

মিনুর গল্প শুনলাম এবার সাইদুলের গল্প শুনি । সাইদুল একজন ফেরিওয়ালা।মিনুর সাথে বিয়ে হয়েছে তিন বছর হতে চলল। সে কুস্টিয়া থেকে লুঙ্গি কিনে চট্রগ্রামে ফেরি করে বিক্রি করে। কুস্টিয়ার লুঙ্গির চট্রগ্রামে বেশ কদর। গত প্রায় এক বছর যাবাত স্ত্রীর এরুপ অসুস্থতায় তার ব্যাবসার অবস্থা ভালো যাওয়ার কথা না। ওষুধ কিনে আনা ছাড়া প্রতিটা সময় সে স্ত্রী মিনুর পাশে আঠার মত লেগে ছিলো। স্ত্রীকে খাওয়ানো থেকে শুরু করে ঘন্টায় ঘন্টায় মিনুর প্র/ স্রাব পায়/*খানা পরিস্কার করা ছিলো সাইদুলেরে প্রাত্যহিক কাজ। স্ত্রীর বেড এর নীচে গুটিশুটি পকিয়ে, মশার কামড় খেয়ে নির্ঘুম রাত কাটাতে হত তাকে। মিনুর একটু টু শব্দে তার ঘুম ভেঙ্গে যেতো। ব্যাথায় মিনুর কান্না না থামলে হাত ধরে সান্তনা দিতো আবার ডাক্তার আসলে লজ্জা পেয়ে হাত সরিয়ে নিতো।বাড়ি যাবার পর একবার মিনুর stoma bag( পায়/*খানা জমা হওয়ার ব্যাগ) খুলে গেলো । সাইদুল তখন চিটাগাং । খবর পেয়ে চিটাগাং থেকে সে কুষ্টিয়া গেলো । মিনুকে নিয়ে এলো ডি এম সি তে শুধু stoma bag লাগানোর জন্যে।

একবার কাধে আস্তো এক বস্তা ঝুলিয়ে ২১৭ নম্বর ওয়ার্ডে এলো সাইদুল । বস্তা খুলে দেখা যায় সেখানে রয়েছে লাউ, পালং শাক, চাউলের গুরা, দেশি মুড়ি,চিড়া, মিস্টি। এতো দূর থেকে এগুলো সে ডাক্তারদের জন্যে বয়ে নিয়ে এসেছে। অথচ তখনো পর্যন্ত তার স্ত্রী সম্পুর্ন সুস্থই হয়নি। এতোকিছু আনাতে স্যার তাকে কড়া করে বকা দিলেন। বকা শুনে লজ্জিত সাইদুলের মাথা নীচু করে রইলো । বিদায় নেবার আগে আমাদের বলে গেলো- “স্যার আমার বউ এখন অনেক ভালো আছে । বাচ্চাটরে মায়ের কোলে ফিরাইয়া দিছেন । বাড়ির সবাই ধরে নিছিলো মিনু মা*&রা যাবে, সেখান থেকে আপনারা ওরে ফিরাইয়া আনছেন ।আমার পোলাটা এতিম হয় নাই। আপনাদের উসিলায় আমার বউটারে আল্লাহ আবার নতুন জীবন দিছে ।আবার আলোর মুখ দেখাইছে। আমি গরীব মানুষ, ইচ্ছে করে আপনাদের জন্যে অনেক কিছু করি। কিন্তু আল্লাহ সেই তৌফিক আমারে দেন নাই”।

অসুস্থ স্ত্রীর পাশে থেকে পরম মমতার দিয়ে তার সেবা করে সাইদুল যে নজির স্থাপন করেছে তা এই জামানায় বিরল। এই যুগের প্রেম ভালোবাসা ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ ।নীল দেয়াল এর বাইরে এরা বড় ফ্যাকাশে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার আগে এই ছবিটা তোলা হয়। ছবিটা দেখে মিনু মুখ কালো করে বলে “হাইরে আমি দেখতে কি বিশ্রি হইয়া গেছি” ।
মিনু ,তুমি যতই বিশ্রি হও্না কেনো, সাদা মনের সাইদুলের অন্তরের সৌন্দর্যে আলোকিত রাজপ্রসাদে তুমিই রাজরানী । যেখানে রানীর জন্যে থাকবে “অনব ভালোবাসা” ।

লিখা: তানভীর শুভ।

Address

Dhaka
1216

Telephone

+8801841073162

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Artist - আর্টিস্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share