24/09/2026
আমাদের আউটলেটে তিন ধরনের সঙ্গী আসেন। সাত বছরে আমরা এদের শ্রেণীবিভাগ সম্পন্ন করেছি।
এক — স্বামী। সোফায় বসেন, ফোন বের করেন, এবং একটা অদৃশ্য জগতে চলে যান। যেকোনো জুতা দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলে বলেন, "সুন্দর।" দ্বিতীয়টা দেখান — "এটাও সুন্দর।" চার নম্বরে গিয়ে একটু নড়েচড়ে বলেন, "তুমি যেটা ভালো বোঝো।" এই বাক্যটা বলার পর তিনি আবার নিরাপদ জগতে ফিরে যান।
দুই — বান্ধবী। সবচেয়ে বিপজ্জনক। উনি দশ মিনিটে সাতটা জুতা পছন্দ করে ফেলেন, সবগুলোর প্রশংসা করেন, এবং শেষে দুইজনের কেউই কিছু কিনতে পারেন না। কারণ সাতটার মধ্যে বেছে নেওয়া তখন অসম্ভব হয়ে গেছে।
তিন — মা। চুপচাপ ঢোকেন। কিছু বলেন না। মেয়ে পাঁচটা জুতা পরে দেখে, মা তাকিয়ে থাকেন। তারপর ছয় নম্বরটার দিকে আঙুল তুলে শুধু বলেন — "ওইটা।"
এবং ওইটাই কেনা হয়। সবসময়। ব্যতিক্রম আমরা দেখিনি।
আমাদের ধারণা মায়েরা জুতা দেখেন না। মায়েরা মেয়ের মুখ দেখেন। পাঁচটার সময় মুখে কিছু ছিল না, ছয় নম্বরটার সময় কিছু একটা হয়েছিল — মা ওটাই ধরে ফেলেছেন।
এই ব্যাপারটার কোনো ডিগ্রি থাকলে আমরা ফেল করতাম। "মাতৃ-অন্তর্দৃষ্টি" বিষয়টা আমাদের সিলেবাসের বাইরে।
আজকে বিক্রির কথা না, শুধু একটা আমন্ত্রণ: আউটলেটে চলে আসুন, এই পোস্টের স্ক্রিনশট দেখান, এক কাপ চা খান, যত ইচ্ছা ট্রায়াল দিন। কিছু না কিনলেও কেউ আপনার পিছনে দাঁড়িয়ে থাকবে না। এটা আমরা নিশ্চিত করবো।
(মা সাথে নিয়ে আসলে সিদ্ধান্তটা দ্রুত হয়। এটা পরামর্শ না, পরিসংখ্যান।)