Aizah Couture - Redefine your closet

Aizah Couture - Redefine your closet Nowadays, however, people are turning often to online shopping. Buyers, due to lack of time, prefer to be able to order through 1 click. Let Fashion Reign!!

Online shopping represents the possibility to save time and get it delivered in just a few days.

07/05/2026

আমার স্বামী যে দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন, বিষয়টি অনেকেই জানেন। ব্যক্তিগত মর্যাদার কারণে সব কথা প্রকাশ না করলেও এটুকু বলতে চাই,এই জায়েজ বিষয়টিকে মেনে নেওয়ার পথে আমি তেমন ইহসান দেখিনি, আর ইনসাফও সহজভাবে পাইনি। আর এটা অনেক বেশি কঠিন যখন আমি নিজেই মেনে নিয়েছি, তবুও। হ্যাঁ এটা আমার স্ট্রেইট রিভিউ।
তবে আমি দোয়া করি আল্লাহ উনার জন্য সব সহজ করুন।

নিঃসন্দেহে ইসলামে একাধিক বিবাহ জায়েজ। তবে প্রতিটি জায়েজ বিষয় সব পরিস্থিতিতে সবার জন্য কল্যাণকর হয়ে ওঠে না। কারণ ইসলাম শুধু হালাল-হারামের সীমাবদ্ধ শিক্ষা নয়; এর সাথে জড়িয়ে আছে তাকওয়া, দায়িত্ববোধ, ইনসাফ ও ইহসানের মতো গভীর মূল্যবোধ।

একজন পুরুষ যখন দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন, তখন বিষয়টি শুধু তার অধিকার বা ব্যক্তিগত ইচ্ছার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর সাথে জড়িয়ে থাকে একজন স্ত্রীর অনুভূতি, তার মানসিক নিরাপত্তা, বহু বছরের সংসার, সন্তানের ভবিষ্যৎ ও একটি পরিবারের স্থিতি। তাই শরীয়ত যেখানে অনুমতি দিয়েছে, সেখানে ইনসাফের কঠিন দায়িত্বও আরোপ করেছে। আর ইনসাফ শুধু সময় বা খরচ সমান ভাগ করার নাম নয়; মানসিক দায়িত্ব ও উত্তম আচরণও এর অন্তর্ভুক্ত।

প্রায়ই নারীদের বলা হয়, স্বামীর প্রতি ইহসান করুন, কম মোহর নির্ধারণ করুন, সহজ হোন। অথচ পুরুষদের খুব কমই বলা হয়,স্ত্রীর প্রতিও ইহসান করুন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না যা তাকে অকারণে ভেঙে দেয়। অথচ কুরআনের নির্দেশ স্পষ্ট,“তোমরা তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করো।” এই সদ্ব্যবহারই তো প্রকৃত ইহসান।

মূল কথা হলো, কোনো কিছু জায়েজ হলেই তা প্রয়োগের প্রতিটি ক্ষেত্র উত্তম হয়ে যায় না। এর জন্য প্রয়োজন প্রজ্ঞা, চরিত্র, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতা। কারণ ইসলাম শুধু অধিকার দেয় না, সেই অধিকার সুন্দরভাবে প্রয়োগ করার শিক্ষাও দেয়।

আর এটাও সত্য, একাধিক বিবাহ ফরজ নয়। উম্মাহর এই নাজুক সময়ে এটিকে অতিরিক্ত প্রচার করারও প্রয়োজন নেই। ফেতনা থেকে বাঁচার জন্য অনেক সময় ধৈর্য ও আত্মসংযমের পরীক্ষাও দেওয়া যায়। কারণ একাধিক বিবাহের পর ইনসাফ রাখতে না পারার অভিযোগও কম শোনা যায় না।

কেয়ামতের দিনের সেই হাদিসটিও স্মরণ রাখা প্রয়োজন যেখানে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি স্ত্রীদের মাঝে ন্যায়বিচার করতে ব্যর্থ হবে, সে কেয়ামতের ময়দানে অসম অবস্থায় উপস্থিত হবে।

বিঃদ্র: আমি জানি এই পোস্ট টা পুরুষদের ভালো লাগবেনা,তারা এখন আমাকে বেদ্বীন,ঈমানহীন, স্বামীর আদর্শ স্ত্রী না এসব তকমা দিবে.. অথচ আমি স্বামীকে লিস্টে রেখেই এই পোস্ট করেছি। নিঃসন্দেহে আমি শুধু বাস্তবতা ও অসুস্থ চিন্তাকে তুলে ধরেছি। একাধিক বিবাহকে নাজায়েজ বা মানছিনা এরকম কিছু বলিনি। আরনা রফিকুল ইসলাম মাদানী সাহেবের প্রাসঙ্গিক কিছু্ ।
বুদ্ধিমান ও জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিরা নিশ্চয় লিখার বিষয়বস্তু বুঝবে।

ধন্যবাদ।

ইভা_

14/03/2026

এক গ্রামে এক অত্যন্ত পরহেযগার ও পর্দানশীন নারী বাস করতেন। বিয়ের পূর্বে তাঁর একটিই শর্ত ছিল, যিনি তাঁকে আজীবন পর্দার সাথে রাখবেন, তিনিই তাকে বিয়ে করতে পারবেন। পরিশেষে এক যুবক এই শর্ত মেনে তাঁকে বিয়ে করেন।

সময়ের সাথে সাথে তাঁদের সংসার বড় হতে থাকে। প্রথম সন্তান জন্মের পর স্বামী বললেন, "আমি সারাদিন মাঠে কাজ করি, দুপুরে খাবার খেতে বাড়ি আসা কঠিন হয়ে যায়। তুমি যদি কষ্ট করে খাবারটা মাঠে দিয়ে আসতে!" স্ত্রী রাজি হলেন।

দ্বিতীয় সন্তান জন্মের পর স্বামী বললেন, "সংসারের খরচ বেড়েছে, তুমি একটু মাঠে সাহায্য করলে ভালো হতো।" এভাবে পর্দা থেকে তিনি ধীরে ধীরে আধা-পর্দায় চলে এলেন।

তৃতীয় সন্তানের জন্মের পর স্বামী তাঁকে একদম বেপর্দা অবস্থায় মাঠে কাজ করতে বাধ্য করলেন।

বছর যায়, সন্তানরা বড় হলো। একদিন স্বামী উপহাস করে স্ত্রীকে বললেন, "বিয়ের সময় তো পর্দার জন্য কত বায়না ছিল! এখন তো সেই পর্দা নেই। জীবন তো আগের মতোই কাটছে, লাভ কী হলো?"

স্ত্রী বললেন, "তুমি পাশের ঘরে লুকিয়ে থাকো, আমি তোমাকে পর্দা ও বেপর্দার পার্থক্য বুঝিয়ে দিচ্ছি।"

স্ত্রী নিজের চুল এলোমেলো করে কান্নার অভিনয় শুরু করলেন।

বড় ছেলে এসে কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, "তোর বাবা আমাকে মেরেছে।" বড় ছেলে মাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, "বাবা মারলে কী হয়েছে? তিনি তো আমাদের ভালোবাসেন, আমাদের জন্য কত কষ্ট করেন।" সে বাবার সম্মান বজায় রাখল।

মেজো ছেলে এসে একই কথা শুনে রেগে গিয়ে বাবাকে দু-একটা কটু কথা বলল এবং মাকে চুপ করিয়ে চলে গেল।

ছোট ছেলে সব শুনে আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়ল। সে গালিগালাজ করতে করতে লাঠি তুলে নিল বাবাকে মারার জন্য।

তখন স্ত্রী তাঁর স্বামীকে ডেকে বললেন,
"শোনো! প্রথম ছেলেটি যখন পেটে ছিল, আমি তখন পূর্ণ পর্দার ভেতর ছিলাম। তাই সে আজ তোমার 'সম্মানের পর্দা' বজায় রাখল।

দ্বিতীয়টির সময় আমি অর্ধেক পর্দায় ছিলাম, তাই সে তোমার অর্ধেক সম্মান রাখল।

আর এই ছোটটি যখন জন্মালো, আমি তখন সম্পূর্ণ বেপর্দায় ছিলাম! তাই আজ সে তোমার সম্মানের পর্দাটি টেনে ছিঁড়ে ফেলতে দ্বিধা করল না।"

নারীর পর্দা এবং পবিত্রতা কেবল তাঁর নিজের জন্য নয়, বরং তাঁর সন্তানদের চরিত্র গঠনের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। পর্দা কেবল নারীর পোশাক নয়, বরং এটি একটি পরিবারের ইজ্জত ও বংশের পবিত্রতার ঢাল।

© Salman Farsi
উর্দু আর্টিকেল থেকে অনূদিত

09/03/2026

কেউ যখন ক্ষমতার জোরে বা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিনা কারণে মনে আঘাত দেয়, তখন অনেক সময় আমাদের কিছুই করার থাকে না। আমরা নীরবে সেই কষ্ট সহ্য করি এবং বিচার সৃষ্টিকর্তা বা সময়ের ওপর ছেড়ে দিই।

সাধারণ দৃষ্টিতে এটিকে 'দুর্বলতা' বা 'অসহায়ত্ব' মনে হলেও, মনোবিজ্ঞান বা সাইকোলজি এটিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং শক্তিশালী একটি প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করে!

১. নীরবতা এবং র‍্যাডিক্যাল অ্যাক্সেপ্টেন্স:

যখন আমরা পাল্টা আঘাত না করে বা রিঅ্যাক্ট না করে চুপ থাকি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক 'র‍্যাডিক্যাল অ্যাক্সেপ্টেন্স' বা চরম বাস্তবতাকে মেনে নেওয়ার স্তরে চলে যায়। সৃষ্টিকর্তার ওপর ছেড়ে দেওয়ার এই বিশ্বাস আমাদের মস্তিষ্কের 'কগনিটিভ লোড' একধাক্কায় কমিয়ে দেয়। এর ফলে আমাদের 'কর্টিসল' নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে না। অর্থাৎ, আপনার এই নীরবতা মূলত আপনার নিজের মানসিক সুস্থতা ও ব্রেনকে সুরক্ষিত রাখার একটি ডিফেন্স মেকানিজম!

২. অপরাধীর মনস্তত্ত্ব ও প্রজেকশন:

যারা অন্যকে বিনা কারণে কষ্ট দেয় বা ক্ষমতার অপব্যবহার করে, সাইকোলজির ভাষায় তারা মূলত নিজেদের ভেতরের অস্থিরতা, হতাশা বা ইনসিকিউরিটি অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়। একে বলা হয় 'প্রজেকশন'। এরা বাইরে শক্তিশালী দেখালেও ভেতরে মানসিকভাবে চরম অসুস্থ থাকে।

সাইকোলজির ভাষায়, যারা প্রতিনিয়ত অন্যের ক্ষতি করে বা টক্সিক আচরণ করে (যাকে Dark Triad Personality বলা হয়), তারা ধীরে ধীরে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হতে থাকে। তাদের এই নেতিবাচক আচরণ তাদের নিজেদের ব্রেনেই এক ধরণের দীর্ঘমেয়াদী স্ট্রেস তৈরি করে। একটা সময় তাদের মস্তিষ্ক এই নেতিবাচকতার ভার আর নিতে পারে না। ফলে তারা নিজেরাই গভীর বিষণ্ণতা, প্যারানয়া (সবাই আমার ক্ষতি করবে এই ভয়) এবং মানসিক শূন্যতায় নিপতিত হয়। ❤️‍🩹

24/02/2026

অফিসের নতুন পলিসি:

১. যদি কোনো এমপ্লয়ি একদিনও সময় মত আসে তাহলেও তাকে এই মাসে বোনাস দেওয়া হবে

২. যদি প্রতি দিন টাইম মত আসে, প্রতিদিন একটা করে বোনাস দেওয়া হবে

৩. যদি একদিনও সময় মত না আসতে পারে, জাস্ট একটা অ্যাপোলজি মেইল দিবে, তাতেও বোনাস দেওয়া হবে

৪. যদি কোনো এমপ্লয়ি কোনো টাস্ক কমপ্লিট করে, সে প্রতি টাস্কে একটা করে বোনাস পাবে

৫. টাস্ক কমপ্লিট করতে না পারলে আর একটা অ্যাপোলজি মেইল দিবে, তাতেও বোনাস দেওয়া হবে!

মাস শেষ!

সবার অ্যাকাউন্টে স্যালারি হিট করলো

সবার তো চোখ ছানাবড়া!

সবাই এইচ আর এ হুমড়ি খেয়ে পরলো

সবাই জানতে চায়!

এইচ আর জানলো,

এই মাসে ম্যানেজমেন্ট কোনো এক উদ্ভূত কারণে এক্সট্রা জেনেরাস হয়ে গিয়েছিল

সবাইকে খালি বোনাস দিয়ে বেরিয়েছেন

সবাই আফসোস করা স্টার্ট করলো

ইশ! কেন প্রতিদিন টাইমমত আসলাম না!

ইশ! কেন প্রতিটা টাস্ক কমপ্লিট করলাম না!

তবে এক জন এমপ্লয়ীকে পাওয়া গেলো,

কিউবিকোলের কর্নারের মন খারাপ করে চুপচাপ বসে আছে

কারণ আজ তার অ্যাকাউন্ট কোনো বোনাস ঢুকে নাই!

অর্থাৎ

সে একদিনও টাইমমত অফিসে আসে নাই

সারা মাসে একটা টাস্কও কমপ্লিট করে নাই

এমনকি একটিবারের জন্য কোনো অ্যাপোলজি ইমেইল থ্রো করে নাই

উলটো এখন ভাবছে

চাকরিটা না যায় যায়!

তার এই অবস্থা দেখে

এক কলিগ ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে বলে উঠলো

"কি বলেন আপনি!

এই মাসেও কেউ আবার বোনাস না পায় কিভাবে!

কি করলেন আপনি সারা মাস!

আপনি ভাই দূরে গিয়ে মরেন!"

পাশ থেকে আরেক কলিগ ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে বলে উঠেন

জি ভাই ঠিকই বলছেন

"আমিন!"

-
-
-

এটা একটা কল্পকাহিনি,

তবে সম্ভবত একই ধরনের ফ্রাস্ট্রেশন জিব্রাইল আমিনকেও পেয়ে বসে ছিল!

যেদিন তিনি এসে বললেন

"ধ্বংস হোক সেই ব্যক্তি যে রামাদান পেলো

অথচ নিজেকে মাফ করাতে পারলো না!

যার জবাবে আমার নবীও বলেছিলেন

"আমিন!

কারণ এই মাসে আল্লাহ এতটাই জেনেরাস হয়ে উঠেন

কেউ আবার মাফ পায় না কি করে!!!

-
-

জীবনে তো অনেক ভুল করলাম

তবে বুকে আশা

এখনো সুযোগ আছে

চলেন দৌড়াই!

বেশি বেশি মাফ চাই!

তাড়াতাড়ি ইমেইল ড্রাফট করি

এই বলে যে

ডিয়ার সারা জাহানের ম্যানেজমেন্ট,

শুনেছি আপনি ক্ষমাশীল

শুনেছি ক্ষমা করতেই আপনি ভালোবাসেন

আমাকে কি কাইন্ডলি একটু ক্ষমা করে দেয়া যায়?
©️

20/07/2025

বেশিরভাগ নারীই বিয়ের পর মানসিকভাবে সাইলেন্টলি ভেঙে পড়েন এই ৫টি কারণে:

১.স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের একটানা বারবার দোষারোপ ও সমালোচনা । সে যাই করুক না কেন খালি ভুল ধরে দিতে থাকে কিংবা কথায় কথায় বা হাসির ছলে তার নিজের পরিবারকে ছোট করে খোঁটা দেয় ।

২. যখন একজন নারী ঠিকভাবে ভালোবাসা পায় না, অনেক অবহেলিত থাকে, তার কথা কেউ শোনে না সে নীরবে ভেঙ্গে পরে । এরচেয়েও ভয়ংকর কষ্টের হয় যখন সে বুঝে ফেলে যে তার স্বামী মানসিক বা শারীরিকভাবে প্রতারণা করছেন, কোনও নারী কিংবা পর্ন কিংবা জাস্ট সেক্সটিং এর মাধ্যমে । এটা যে “ জাস্ট “ একটা ব্যাপার না মেয়েটার কাছে সেটা ছেলেটা বোঝে না । এছাড়া স্বামীর বিয়ের আগের কথা আর এখনকার কথায় যখন সে মিল পায় না, তখনও সে প্রতারিত বোধ করে আর এগুলো তাঁকে ভিতরে ভিতরে ভেঙে ফেলে।

৩. একেবারে গালি, চিৎকার বা অপমানজনক কথা প্রতিদিনের ব্যাপার হয়ে গেলে তা নিঃশব্দে মানসিক নির্যাতনে রূপ নেয়। এছাড়া আরও কিছু প্রতিদিনের অপমানজনক ব্যাপারের কিছু উদাহরণ দিচ্ছি :
• প্রতিদিনের ব্যর্থতার ব্লেইম মেয়েটার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া
• শরীর নিয়ে কটাক্ষ, বডি শেমিং করা
• মেয়েটার আয়/বেতন কীভাবে খরচ হবে তা নিয়ে সন্দেহ বা নিয়ন্ত্রণ
• আশেপাশের সব মেয়েকে “তোমার চেয়ে সুন্দরী” কিংবা “বেটার দ্যান ইউ”বলে স্ত্রীর আত্মসম্মান ভেঙে ফেলা
• বানিয়ে বানিয়ে মেয়েটার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা, যার বেশিরভাগই মিথ্যা

৪. মেয়েটার নিজের পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে রাখা একজন নারীকে একা করে তোলে, যার ফলে সে ভীষণ অসহায় বোধ করে। আর বিয়ের পরপর বাচ্চা হয়ে গেলে তো আর কোনও কথাই নেই, সে তার নিজের দুনিয়া থেকে পুরো ছিটকে পড়ে একা হয়ে যায়, যা সে চাইলেও ফিক্স করার এফোর্ট দিতে পারে না ।

৫. অতিরিক্ত দায়িত্ব ও চাপ দিয়ে ঘর, সন্তান, সংসার এবং চাকরি একা সামলাতে বলার প্রেসার তাঁকে সাইলেন্টলি ফ্রাস্ট্রেটেড করে ফেলে। সে নিজের যত্ন নেওয়া ভুলে যায়, এক সময় মানসিক ও শারীরিকভাবে পুরোপুরি ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

ভালোবাসা, বিশ্বাস, সম্মান আর সহমর্মিতা এই চারটি ছাড়া কোনো সম্পর্কই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এটা মেয়েটা বুঝে যখন সব ভুলে নিজের পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে যেতে চায় তখন শুরু হয় “বেশি বেড়ে গেছে“ নামক খোঁটা দেয়ার যন্ত্রণা।

(এটা আমার ২০১৯ সালের একটা লেখা, জীবনে বইটই আর লেখা হবে না। এসব লেখা জমিয়ে রেখে কি লাভ?)

A Husband understands everyone,except his own wife.He feels sad for the sorrow of others”He listens to everyone,except h...
20/07/2025

A Husband understands everyone,except his own wife.
He feels sad for the sorrow of others”
He listens to everyone,except his own wife.

but when it comes to his wifes pain and struggles,he calls it mere drama .😩😭

15/07/2025

কম বয়সে বিয়ে বা সন্তান লাভ কোন আবেগ কিংবা ফ্যান্টাসির বিষয় নয়, বরং দায়িত্বের ভার।

বিয়ে কিংবা সন্তান বড় একটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে, দায়িত্বের বোঝা কাধে তুলে নিতে শেখায়। এখানে শুধুমাত্র ফ্যান্টাসির কোন অপশনই নেই।

এখন বলতে পারেন, ভাই কি কম বয়সের বিয়ের বিপক্ষে?
একদমই নই। আমি আমার সন্তানকেও সর্বাত্মক কম বয়সেই বিয়ের ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। তবে...

তবে, দায়িত্বশীলতা শেখাতে হবে। আপনি একজন দায়িত্বশীল পুরুষ হতে না শিখলে, সংসার সুখময় হবে না। অল্পতেই হতাশ হয়ে বিচ্ছেদের পথে পা বাড়াবেন।

বিশ্বাস করুন ভাইয়েরা বিয়ের পর স্ত্রীর কটু একটা কথাও হজম করতে শিখতে হবে, স্ত্রীর কাজে সাহায্য করতে জানতে হবে, ভবঘুরে জীবনটাকে শৃঙ্খলায় আনতে হবে, নিজের পরিবারের সাথে আরেকটি পরিবারের দায়িত্ব নিতে শিখতে হবে, নিজের শখের খাবারটুকু অন্যের পাতে দিতে জানতে হবে, পছন্দের ঘুম বিসর্জন দিতে শিখতে হবে। এমন কত কত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়ে আপনাকে সংসার আঁটকে ধরার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কারণ শয়তান ও সমাজ আপনাদের বিচ্ছেদের সব প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

তারপরও দিনশেষে, সুখ আছে, ভালোবাসা আছে, আল্লাহ তা'আলার রহমত আছে। তবে সবটুকু তখনই পাবেন, যখন আপনি একজন দায়িত্বশীল পুরুষ হতে শিখবেন।

তাই প্লিজ ফ্যান্টাসি নয়, দায়িত্বশীল পুরুষ হতে শিখুন।

✍️জাহিদ হাসান
০৮/০৭/২৫

🌳আপনারা জানেন দীর্ঘদিন ধরে "শিশু লালন-পালন | শিশু শিক্ষা" গ্রুপে আদর্শ সন্তান প্রতিপালন সম্পর্কে আপনাদের বিভিন্ন টিপস, সেমিনার, ওয়েবিনারের আয়োজন করা হচ্ছে। এছাড়াও সন্তানদের বিভিন্ন তারবিয়াহ মূলক শিশু শিক্ষার আয়োজনও এখানে রয়েছে।

🌳

09/07/2025

কোন এক গ্রুপে একটা বিবাহিত মেয়ের পোস্ট চোখে পড়লো।

বাবা আর ভাই মেয়েটার বাসায় ঘুরতে গেছে।

বাসায় রান্না বান্না হয়েছে। বাট রোস্ট একটা কম পড়েছে।

স্বামীর বাসার সবাই একটা করেই রোস্ট খেয়েছে।

খালি মেয়েটার ভাই আর বাবাকে একটা রোস্ট অর্ধেক করে দিতে বলেছে জামাই।

এন্ড এরপর থেকে মেয়েটা নাকি ঘুমাইতে পারতেছে না।

না পারাটাই স্বাভাবিক।

বছরে এক দুইবার বেড়াতে আসা বাবাকেও যখন অর্ধেক রোস্ট দিয়ে আপ্যায়ন করতে হয়, দুনিয়ার কোন মেয়েই এরপর ঘুমাতে পারবে না।

এই কাহিনী শুধু ছেলেদের মধ্যে না মেয়েদের মধ্যেও আছে।

আমার এক কাকার বৌ ছিল এমন।কাকা ভালো বেতনের চাকরি করে। বাট কাকার মা বাপ ঘুরতে গেলে কাকি দুইটার বেশি পদ রানত না।

বলেও রানত না।

কাজেই, বিয়ে করার সময় ফকিন্নির ছেলে বা মেয়ে থেকে সাবধান।

ফকিন্নিদের সবচেয়ে বড় সমস্যা, ওরা নিজেরা যেমন ফকিন্নি, আপনাকেও তেমন ফকিন্নি বানাবে। আপনার ছেলে মেয়েদের আরও বেশি ফকিন্নি বানাবে।

বলাই বাহুল্য, এখানে ফকিন্নি বলতে টাকা পয়সা কম আছে, সেটা বোঝাচ্ছি না। ফকিন্নির পকেটে দুই কোটি টাকা থাকলেও সে ফকিন্নিই। তার হাত উঠবে না। সে নিজেও খাবে না, মানুষকেও খাওয়াবে না।

আভিজাত্য জিনিসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আভিজাত্য জিনিসটা কেমন?

হুমায়ূন আহমেদদের বাসায় একবার আত্মীয় আসলো। এদিকে উনার বাবা বাসায় নাই। বাসায় নগদ টাকাও নাই। হুমায়ূনের মা আয়েশা ফয়েজ হুমায়ুনের হাতে হাতের বালা দিয়ে বললেন, এটা বিক্রি করে টাকা আন।অতিথি আপ্যায়নে কমতি করা যাবে না।

আভিজাত্য জিনিসটা রক্তে থাকতে হয়।

ছোটলোকরা কখনও অভিজাত হতে পারে না। এরা অবাক হয়।

এরা বোঝে না, বহু ফ্যামিলির সম্মানের দাম তাদের স্বর্নের চেয়ে বেশি।

বিয়ে বা প্রেম করার আগে তাই সবার আগে কী দেখবেন?

পরিবার। আর আভিজাত্য।

বাকি সব কিছু পরে।

এমন কোন ফ্যামিলিতে কখনও বিবাহ করবেন না যেখানে গেলে আপনার বাপ, মা বা ভাইকে অর্ধেক রোস্ট পাতে দিয়ে খেতে দিতে হয়।

বিয়ের বাজারে আমরা সাধারণত সৌন্দর্য, সোনা দানা আর কাবিন নামার হিসাবটাই আগে করি।

বাট আমাদের সবার আগে করা উচিত আভিজাত্যের খোজ। দেখা উচিত ,ছেলেটা বা মেয়েটার রক্তে কী মিশে আছে? আভিজাত্য নাকি ছোটলোকি?

কারণ, আভিজাত্য জিনিসটা যতটা রেয়ার, ততটাই প্রয়োজনীয় । বাট এটা বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না।

13/01/2025

বাঙালি মেক্সিমাম পুরুষদের স্ত্রীকে আলাদা হাত খরচ দেয়ার অভ্যাস নেই।

কারণ অনেক ছেলেই তার বাবাকে দেখেনি মাকে আলাদা খরচ দিতে

বাবাকে দেখেনি মায়ের জন্য পছন্দের কিছু কিনে নিয়ে আসতে।(ব্যতিক্রম আছে তবে হাতেগোনা)।

অনেক স্বামীরা স্ত্রীকে বলে,

তোমার কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে আমাকে বলবে।অথচ বেশীরভাগ মেয়েই লজ্জা ও সংকোচে প্রয়োজন থাকা সত্বেও স্বামীকে অনেক কিছুই বলে না।

বেশির ভাগ মেয়েরা নিজের প্রয়োজন নিজের বাবা ও ভাইয়ের কাছেই বলেনা।

সেখানে বিয়ের পর হাজবেন্ডকে কিভাবে বলবে??


তাছাড়া স্ত্রীর ইচ্ছে হতে পারে দান সাদকা করতে।

প্রিয়জনদের ছোটখাটো গিফট দিতে,

পছন্দের বই কিনতে,

পছন্দের কোনো খাবার খেতে।

পুরুষ ভাবে মেয়েরা তো বাসায় ই থাকে,তাই টাকা লাগবে না।

অথচ একটা মেয়ের কি আসলেই কিছুর পার্সোনাল কোনো প্রয়োজন হয় না??


ছেলে বাড়িতে থাকলেও হাত খরচ পাবে,

বাইরে বের হলেও পাবে।

মেয়ে মানুষের আবার কিসের খরচ??

মেয়েরা বাড়িতে থাকে তাই তাদের টাকার প্রয়োজন নেই এটা একটা অযৌক্তিক কথা।

প্রয়োজনে ভিক্ষুককেও টাকা দেয়ার টাকাও অনেক মেয়েদের থাকেনা।


কয়জন বাবা,ভাই,স্বামী তার মেয়ে,বোনকে,স্ত্রীকে হাতখরচের টাকা দিচ্ছে??

হাত খরচ দেয়ার কথা অনেক পুরুষদের মাথায় ই থাকেনা।

বাসায় খাচ্ছে পরছে আবার এক্সট্রা টাকা লাগবে কেন??


পরিবার থেকেই আগলে রাখুন নারীদের।

আপনি নিজের মেয়ের জন্য সব করবেন,

স্ত্রীর জন্য কিছুই না।

এটা কখনোই ইসলাম বলেনা।
.

জননীর কদর নেই।জননীর বাচ্চার কদর!!!!

ইসলাম নারীর যে অধিকার দিয়েছে,

একজন পুরুষ হিসেবে নিজের ঘরেই সে

অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।


নিজের ঘরের মেয়েদের কে সামান্য করে হলেও হাত খরচের অভ্যাস গড়ে তুলেন ভাইয়েরা।

কারণ মেয়েদের এমন অনেক খরচ আছে,

যা মেয়েরা বাবা,স্বামী,ভাই থেকে চাইতে লজ্জাবোধ করে।


বাবা ও ভাই থেকে অনেক মেয়েরা টাকা চেয়ে নিতে পারে।

কিন্তু স্বামীর কাছে অনেক মেয়েরাই টাকা চাইতে পারেনা।

বউদের দোষ বেশী থাকে।

কিছু টাকা খরচ করলেও দিন শেষে হিসাব হয় এই টাকা কোথায় খরচ হল?

বউ অনেক বেহিসেবী খরচ করে!!

মেয়েরা যেহেতু লাজুক তাই মাসে একটা ফিক্সড এমাউন্ট বউকে দিয়ে বলুন,

এই টাকা তোমার,তুমি তোমার ইচ্ছেমতো খরচ করো।

আপনি আপনার স্ত্রীকে তার ন্যায্য প্রয়োজনে টাকা দেওয়ার পর কখনো খোঁটা দিতে পারবেন না।

এই অধিকার আপনার নেই।

বরং তার ভরণ-পোষণ সহ নিত্য প্রয়োজনাদি মেটানো আপনার নৈতিক দায়িত্ব এবং ধর্মীয় কর্তব্য। বাড়িওয়ালার ভাড়া চুকানোর সময় আমরা কখনো এমনটা ভাবি না যে, এটা তার প্রতি আমার অনুগ্রহ। দোকানীকে বিল দেয়ার সময় আমরা কখনো মনে করি না যে, তার প্রতি দয়া করছি।

বরং কেউ যদি কখনো এদের সাথে অনুগ্রহ সূলভ আচরণ করে,

তার কপালে চড় থাপ্পড়ও জুটতে পারে।

কখনো স্ত্রীকে বলবেন না,

'সারাদিন এতো টাকা টাকা করো কেন?

টাকা দিয়ে কী করো?

কামাই করো না তো,

তাই বুঝো না কত কষ্টে এই টাকা কামাই।'

আপনিই তাকে তার পরিবার থেকে নিয়ে এসেছেন একমাত্র অভিভাবকের দাবি করে।

এখন অভিভাবক হিসাবে কি দায়িত্ব আপনি পালন করলেন তার জবাব সৃষ্টিকর্তাকে কি দিবেন?

বাবা ভাই যখন অভিভাবক ছিলেন তখন আরাম আয়েশে নানান আবদারে জীবন কাটানো মেয়েটিও আপনার কাছে এসে হাসিমুখে বলে "কিছু লাগবে না।" তার এই কথার পিছনের প্রয়োজন আপনি না বুঝলেও তার বাবা ভাই কিন্তু বুঝতেন।

#সংগৃহীত_সংশোধিত

কপি,,,,,,,

゚ ゚viralシfypシ゚viralシalシ

28/11/2024

পারিবারিক শিক্ষা কি জানেন??
একেই বলে পারিবারিক শিক্ষা !!
বিয়ে করতে যাওয়া এক পুত্রকে তার পিতার উপদেশ মালা।
বাবা বললেন, তোমার দাদা বলেছিলেন,
১. নতুন বউকে পালকি করে কেন আনা হয় জানিস? তাকে তো গরুর গাড়িতেও আনা যেত।
তা না করে পালকিতে আনা হয়, কারণ সে কত সম্মানিত তা বোঝানোর জন্য।
পালকিতে নামানোর পর এ সম্মান কমানো যাবে না। সারাজীবন পালকির সম্মানেই তাকে রাখতে হবে।
২. নতুন বউ পালকিতে উঠে কী করে জানিস?
কাঁদে। কেন কাঁদে?
শুধু ফেলে আসা স্বজনদের জন্য না।
নতুন জীবন কেমন হবে সে ভয়েও কাঁদে।
তোর চেষ্টা হবে পালকির কান্নাই যাতে তার শেষ কান্না হয়।
এরপর আর মাত্র দুটো উপলক্ষ্যে সে কাঁদবে।
একটি হলো মা হওয়ার আনন্দে, আরেকবার কাঁদবে তুই চলে যাওয়ার পর।
মাঝখানে যত শোক আসবে তুই তার চোখের পানি মুছে দিবি।
৩. স্ত্রী সবচেয়ে কষ্ট পায় স্বামীর বদব্যবহারে,
দ্যাখ, আমি খুবই বদমেজাজি,
কিন্তু কেউ বলতে পারবে না আমি তোর মায়ের সামনে কোনোদিন উঁচু গলায় কথা বলেছি।
৪. বিয়ে মানে আরেকটি মেয়ের দায়িত্ব নেওয়া।
এটা ঠিকভাবে পালন না করলে আল্লাহর কাছে দায়ী থাকতে হয়।
৫. আরেকটি কথা, সব মেয়ের রান্নার হাত ভালো না, কিন্তু সবাই রান্না ভালো করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।
তাই রান্না নিয়ে বউকে কখনো খোঁটা দিবি না।
৬. বউয়ের মা-বাবাকে কখনো 'আমার শ্বশুর, আমার শাশুড়ি' এগুলো ডাকবি না।
মা-বাবা ডাকবি।
আগের ডাকগুলো কোনো মেয়ে পছন্দ করে না, তুই ওগুলো ডাকলে বউও আমাদের ওই ডাকেই ডাকবে।
তুই ওনাদের সম্মান না করলে সে আমাদের সম্মান করবে না। এটাই নিয়ম।
আল্লাহ্ তায়ালার পাল্লা সমান, এক পাল্লায় তুই যা করবি, আরেক পাল্লায় তিনি তাই রেখে দুই পাল্লার ওজন ঠিক রাখেন..?

- সংগ্রিহীত

Address

Dhaka

Telephone

+8801674532287

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aizah Couture - Redefine your closet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Aizah Couture - Redefine your closet:

Share