Kidimoy

Kidimoy KidiMoy (কিডিময়) — Elegance for every little Champ. 💖

Welcome to KidiMoy—Your Trusted Baby Product Brand in Bangladesh 👶💛
We offer safe, colorful & affordable essentials that make parenting easier and babies happier!
🧸 Baby clothes | 🍼 Feeding | 🎲 Toys | 🧴 Skincare | 🎁 Accessories
✨ Safe & tested materials
💕 Budget-friendly quality
🚚 Nationwide delivery in Bangladesh
At KidiMoy,every product is made with love, care & trust—because your baby deserves the best! 🌈

13/07/2026

কি রাগ করলা?? 😁

ভিডিও পুরোটাই আব্দুল্লাহ দুষ্টুমি করে বলেছে। আশাকরি বাচ্চাদের এই দুষ্টুমিটাকেও আপনারা ভালোবেসে নেবেন। 🥰

আর আমার বাবাটাকে অনেক বেশি দোয়ায় রাখবেন। আল্লাহুম্মা বারিক। 🤲



ছোট বাচ্চাদের মায়েদের শরীরে অনেক রকম পরিবর্তন হয়। বিশেষ করে একটু খাওয়া-দাওয়া কম হলে প্রেসার লো হয়ে যায়। তার সাথে যদি ২টা...
09/07/2026

ছোট বাচ্চাদের মায়েদের শরীরে অনেক রকম পরিবর্তন হয়। বিশেষ করে একটু খাওয়া-দাওয়া কম হলে প্রেসার লো হয়ে যায়। তার সাথে যদি ২টা বাচ্চা থাকে, তাহলে তো কথাই নেই—কোন সময় যে শরীর খারাপ লাগবে, মাথা ঘুরবে, তা বলা মুশকিল।

তবে সবকিছুর মাঝেও যখন সব কাজ বন্ধ থাকে, আর পেজে এমন ভালোবাসার মেসেজ আসে, তখন অন্যরকম একটা ভালো লাগা কাজ করে। মনে হয়, পরিবারের বাইরেও আরও একটা পরিবার তৈরি হচ্ছে—যে আপুরা আমাকে না দেখে, না চিনেও আমাকে ভালোবাসেন, দোয়া করেন।

আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছুর জন্য। ❤️

01/07/2026

যদিও বেশিরভাগ মা Avent Natural Feeder-কেই সবচেয়ে ভালো মনে করেন, তবে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় Pigeon Wide Neck Feeder-টাই সবচেয়ে ন্যাচারাল লেগেছে।
আমার বেবি খুব সহজেই এটি গ্রহণ করেছিল, আর বোতল থেকে খাওয়ার সময় ল্যাচটাও অনেকটা স্বাভাবিক মনে হয়েছে। তাই আমার মনে হয়, সুযোগ থাকলে মায়েদের অন্তত একবার Pigeon Wide Neck Feeder ট্রাই করে দেখা উচিত।
অবশ্যই প্রতিটি বেবি আলাদা, তাই সবার অভিজ্ঞতাও এক হবে না। এটা শুধুই আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। 🤍
#বাংলা_মা #মাতৃত্ব #ফিডার #বেবিকেয়ার #নবজাতক #প্যারেন্টিং

30/06/2026

ব্রেস্টপাম্পিং ক্লিনিং ও ২৪ ঘণ্টার সিস্টেম – আমার অভিজ্ঞতা

ব্রেস্টপাম্পিং-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক সময় সবচেয়ে বিরক্তিকর অংশ হলো পাম্প করার পর সব কিছু ভালোভাবে পরিষ্কার করা। কারণ, যদি প্রপার উপায়ে ক্লিন না করা হয়, তাহলে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে এবং বাবুর পেটে সমস্যা হতে পারে।

অনেক মা দিনে ৬-৮ বার পাম্প করেন। প্রতিবার পাম্প করার পর সেটাকে আবার ক্লিন করতে হয়, স্যানিটাইজ করতেও হয়। প্রতিদিন ৬-৮ বার এভাবে সময় নিয়ে পাম্পের পার্টস ক্লিন করতে করতে তারা মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এতে পাম্পিং প্রক্রিয়াটি অনেক সময় বিরক্তিকর মনে হতে শুরু করে। তখন অনেক মা উপায় না পেয়ে ফর্মুলাকে বেস্ট অপশন হিসেবে বেছে নেন।

যাদের সাহায্য করার মতো মানুষ থাকে, তাদের কথা আলাদা। কিন্তু নতুন মা বা যারা একা বাচ্চাকে নিয়ে থাকেন, তাদের জন্য এটি অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। পাম্পিং টাইম এবং ক্লিনিং মিলিয়ে দেখা যায় মিনিমাম ৪০ মিনিটের মতো সময় লাগে।

আমি এই পর্যায়টা সামলানোর জন্য একটি সিস্টেম অনুসরণ করি। আমি বিদেশে যারা পাম্পিং করেন তাদের অনেক ভ্লগ দেখতাম। তারপর প্রতিবার পাম্প করার পর আমি দুধ আলাদা ফিডারে রাখি। পাম্পের অংশগুলো এয়ারটাইট বাক্সে রেখে ফ্রিজে সংরক্ষণ করি। পরের বার পাম্প করার সময় ফ্রিজ থেকে বের করে আবার ব্যবহার করি, পাম্প শেষ হলে আবার ফ্রিজে রাখি। এভাবে আমি ২৪ ঘণ্টা এই পদ্ধতি ব্যবহার করি।

তবে ২৪ ঘণ্টার আগেই আমি পাম্পিং-এর সকল অংশ প্রপারভাবে ফিডার ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করি এবং ফুটানো পানিতে ১৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখি। এর ফলে বারবার ক্লিনিং-এর ঝামেলা নিতে হয় না। পাম্পিং-এর পরে আমি বিশ্রামের সময় পাই। এবং সময় শেষ হওয়ার আগে সব কিছু প্রপারভাবে ক্লিন ও স্যানিটাইজ করি। গত ৪ মাসেরও বেশি সময় আমি এভাবে বাবুকে খাওয়াচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার বাবুর স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি।

এই “২৪ ঘণ্টায় একবার প্রপারভাবে ক্লিন করা এবং বাকি সময় ফ্রিজে রাখা” পদ্ধতি আমি বিদেশের অনেক আর্টিকেল এবং ব্রেস্টপাম্পিং মায়েদের জার্নি শেয়ার করা ব্লগ দেখে শিখেছি। অনেকেই একই পদ্ধতি অনুসরণ করতেন—পাম্পের অংশগুলো ফ্রিজে রাখা এবং ২৪ ঘণ্টায় একবার ক্লিন করা।

আমি ও আমার বেবির ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি অনুসরণ করি। আলহামদুলিল্লাহ, এখনো আমার বেবির কোনো সমস্যা হয়নি। এভাবে আমি আমার বেবির জন্য পাম্পিং এবং ক্লিনিং প্রক্রিয়াটি মেইনটেইন করি।

তাই ব্রেস্টপাম্পিং-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পাম্পিং-এর পরে যন্ত্রাংশ এবং ফিডারগুলো সঠিকভাবে পরিষ্কার করা। কারণ, সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে পারে এবং বাচ্চার পেটে সমস্যা হতে পারে।

🚰তাই আমি যা মেইনটেইন করি, তা হলো—

1. পাম্পিং শেষ হওয়ার সাথে সাথে দুধ আলাদা ফিডারে রাখি।

2. পাম্পের অংশগুলো (বিভাগ, সিল, ভ্যাকুয়াম পাইপ ইত্যাদি) এয়ারটাইট বাক্স বা ঢেকে ফ্রিজে সংরক্ষণ করি।

3. ২৪ ঘণ্টার শেষে সমস্ত পাম্পিং অংশকে ফিডার ক্লিনজার দিয়ে ধুয়ে নিই। ফ্রিজে রাখা অংশগুলোও এই সময় বের করে পরিষ্কার করি।

4. পরিষ্কার অংশগুলো ফুটানো পানিতে গরম থাকা অবস্থায় কমপক্ষে ১৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখি। পানি ফুটিয়ে ডুবিয়ে রাখলে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ হয় এবং স্বাস্থ্য সমস্যা কমে।

5. এরপর সবগুলো একটি ঝুড়িতে রেখে পানি ঝরিয়ে শুকনো বাক্সে রাখি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করি।

এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে বারবার পুরো ক্লিনিং-এর ঝামেলা নিতে হয় না।


#মায়ের_অভিজ্ঞতা #ব্রেস্টপাম্পিং

30/06/2026

যদি কোনো বেবি পুরোপুরি পাম্পিং এর ওপর নির্ভরশীল হয় এবং বাজেট সমস্যা না থাকলে, তাহলে অবশ্যই একটি ভালো মানের ব্রেস্ট পাম্পে বিনিয়োগ করা উচিত।
কারণ দিনে ৮–১০ বার পর্যন্ত পাম্প ব্যবহার করতে হতে পারে। তাই আরামদায়ক, কার্যকর এবং টেকসই একটি পাম্প বেছে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বাজারে অনেক ধরনের ব্রেস্ট পাম্প পাওয়া যায়। তবে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় NCVI ব্রেস্ট পাম্পটি সবচেয়ে ভালো লেগেছে। এটি আমার পাম্পিং জার্নিকে অনেক সহজ করেছে। অবশ্যই সবার অভিজ্ঞতা এক নাও হতে পারে, তাই নিজের প্রয়োজন ও সুবিধা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো।
আল্লাহ প্রতিটি মায়ের মাতৃত্বের পথ সহজ করে দিন। আমীন। 🤍
#বাংলা_মা #মাতৃত্ব #বুকের_দুধ #এক্সক্লুসিভ_পাম্পিং #ব্রেস্টপাম্প #নবজাতক #মায়ের_ভালোবাসা

29/06/2026

আল্লাহ যার রিজিকে যতটুকু লিখে রেখেছেন, তার চেয়ে এক বিন্দুও কেউ বেশি পাবে না, কমও পাবে না। 🤍
আমার প্রথম সন্তান জন্মের পর প্রথম দুই দিন যখন ক্ষুধায় কাঁদছিল, তখন নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যর্থ মা মনে হয়েছিল। নিজের কিছু ভুল আর অজ্ঞতার কারণে ওকে ফর্মুলা দুধ দিতে হয়েছিল। তখনই বুঝেছিলাম, একজন মা কতটা অসহায় হলে এই সিদ্ধান্ত নেন।
এক ফোঁটা বুকের দুধের জন্য কত রাত কান্না করেছি, সেটা শুধু আল্লাহই জানেন। কত মানুষ বলেছিল, "তোমার দ্বারা ব্রেস্টফিডিং হবে না, ফর্মুলাই দাও।" কিন্তু আমার মনে একটাই বিশ্বাস ছিল—আমি দুই বছর পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব, আর বাকিটা আমার রবের ওপর ছেড়ে দেব।
ডাক্তারদের কাছে পাগলের মতো ছুটেছি। অবশেষে, ছয় মাস পর আমার সন্তান নিজে থেকেই বুকের দুধ খাওয়া শুরু করল। আলহামদুলিল্লাহ। সেই প্রতিটি কষ্ট, প্রতিটি সংগ্রাম আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।
আর সেই অভিজ্ঞতাই আমার দ্বিতীয় সন্তানের সময় সবচেয়ে বেশি কাজে দিয়েছে। আজ আলহামদুলিল্লাহ, এমন অবস্থায় আছি যে জমিয়ে রাখা বুকের দুধ ফেলে দিতে হচ্ছে।
অনেকেই হয়তো বলবেন, দান করে দিতে। কিন্তু এতদিন সংরক্ষণ করা দুধ অন্য কোনো শিশুর জন্য নিরাপদ হবে কি না, সেই ঝুঁকি আমি নিতে চাই না। তাই মন খারাপ হলেও ফেলে দিতে হচ্ছে।
জীবনের প্রতিটি নিয়ামত, প্রতিটি অভাব, প্রতিটি প্রাচুর্য—সবই আমার রবের পক্ষ থেকে। তিনিই সবচেয়ে ভালো জানেন, কখন, কীভাবে এবং কতটুকু দেবেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর ফয়সালার ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
আল্লাহ, আমার ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিন।

28/06/2026

আসলে এক্সট্রা মিল্ক প্রপারভাবে সংরক্ষণ করা গেলে ৬ মাস পর্যন্ত খাওয়ানো যায়। তাই দুধ স্টোর করার সঠিক নিয়ম মেনে স্টোর করা উচিত।

যদি ডিপ ফ্রিজে রাখতাম তাহলে কখন দুধ এক্সপ্রেস করলাম সেটা আমি সবসময় ব্যাগ বা বোতলে লিখে রাখি, যাতে পুরোনো দুধ আগে খাওয়ানো যায়।

আমি সাধারণত নরমাল ফ্রিজে আগে রাখতাম। তারপর প্রয়োজন মতো খাওয়াই। এভাবে ২ দিনের খাওয়ার পর যদি এক্সট্রা ২০০ মি.লি. আপ থাকে সেটা পরে স্টোরেজ ব্যাগে ডিপে রাখি।

স্টোরেজ ব্যাগে রাখার পর আমি ব্যাগগুলো ফ্রিজে ফ্ল্যাট আকারে রাখি, যাতে পরে বের করার সময় সহজে ব্যবহার করা যায়। এর ফলে জায়গা কম নেয় এবং স্টোর করাও সহজ হয়।

❤️ফ্রিজের দুধ আমি সাধারণত গরম পানি করে একটা বাটিতে নেই তারপর ফিডারটা পানির ওপরে দিয়ে হালকা গরম করতাম। কখনোই মাইক্রোওভেন ব্যবহার করি না, কারণ এতে দুধের পুষ্টিগুণ নষ্ট হতে পারে।

সব সময় পুরোনো দুধ আগে ব্যবহার করি (First in – First out সিস্টেম)।

25/06/2026

সন্তান দূরে চলে যায় কেনো?
আপনি বাচ্চা কে ছোট থেকে বড় করছেন, ভালো স্কুলে পড়াচ্ছেন, টাকা খরচ করছেন, যা দরকার সব কিনে দিচ্ছেন তবুও একসময় টের পাচ্ছেন আপনার নিজের গর্ভের সন্তান কেমন যেনো মানসিক দিক দিয়ে দূরে চলে যাচ্ছে.... অনেক ভেবেও হয়তো বা এর কারন বের করতে পারছেন না।

তাহলে একবার চিন্তা করে দেখুন তো সেই বাচ্চা টাকে ছোট থেকে কথায় কথায় ব্লেইম দিচ্ছিলেন কিনা?

"তোর জন্য এত টাকা পয়সা খরচ করছি"

"তোর জন্য এই সংসারে পড়ে আছি"

"সবাই পারে, তুই কেনো পারিস না"

"তোর পিছনে এই করি সেই করি তাও আমার মান রাখলি না"
অথবা, চিন্তা করেন তো বাচ্চার সামনে মা বাবা দুইজনেই তুমুল ঝগড়াঝাটি করতেন কিনা?

অথবা, অন্যদের সামনে সন্তান কে ছোট করা, অপমান করা, লজ্জা দেয়া, ভয় দেখানো এসবের চর্চা আপনার ফ্যামিলি তে ছিলো কিনা?
আপনি হয়তো করেন নি, অন্যরা যখন আপনার সন্তান কে অপমান করতেছে তখন কি আপনি তাকে প্রটেক্ট করেছিলেন?
অথবা, সব সময় বাচ্চার সমালোচনা করেছিলেন কিনা?
অতিরিক্ত কড়া শাসনে রেখেছিলেন যেনো বাচ্চা আপনার সাথে মন খুলে কথা বলতেও ভয় পায়? ভেবেছিলেন বাচ্চার সাথে বেশি হাসি খুশি থাকলে ওরা পেয়ে বসবে? মাথায় উঠে যাবে? সবসময় টাইট দিয়ে রাখতে হবে?

বাচ্চাকে নিজের মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছেন কখনো?
এক বাচ্চার সাথে অন্য বাচ্চার তুলনা করতেন? একজনের মতামত থেকে আরেকজন কে প্রাধান্য দিতেন?

দিনে ঠিক কত টুকু কোয়ালিটি টাইম দিতেন বাচ্চা কে?

কতবার বাচ্চাকে তার ভুলের জন্য বকাঝকা না করে মাফ করে দিয়েছেন?

এই প্রশ্ন গুলো নিজেকে করবেন। তাহলে হয়তো উত্তর পেতে পারেন। আপনি নিজেই যদি দূরত্ব তৈরি করেন ও কিভাবে শিখবে যে কাছে আসা যায়?

সন্তানের সাথে মা বাবার দূরত্ব একদিনে তৈরি হয় না। এটা দীর্ঘদিনের একটা মানসিক রাগ অভিমান ক্ষোভ সব মিলিয়ে তৈরি হয়।

একটা মানুষ যখন নিজের ফ্যামিলি তে মন খুলে কথা বলতে না পারে, তাকে সব সময়ই যখন একটা প্রতিযোগিতায় থাকতে হয়, নিজের আবেগের মুল্য যখন পরিবারে না পায় তখন ই সে বাহিরমুখী হয়ে যায়। বন্ধুদের উপর মানসিক ভাবে নির্ভরশীল হয়ে যায়। অনেক সময় খারাপ সঙ্গে পড়ে।

অতিরিক্ত কঠোর নজরদারি, সন্তানের উপর বিশ্বাস না রাখা তাকে অবাধ্য ও জেদি করে তুলে।

সংসারে অশান্তির জন্য যখন তাকে দায়ী করা হয় এটা বাচ্চার উপর কি ভয়ানক মানসিক চাপ তৈরি করে বলে বোঝাতে পারবো না।
প্রায় সময় খেয়াল করবেন মা বাবা যখন একটা ভালো সম্পর্কে থাকে বাচ্চারাও কেমন হাসি খুশি থাকে।
আল্লাহ আমাদের বাচ্চাদের আমানত দিয়েছেন। আমরা তার খেয়ানত করছি না তো? নবীজি (সঃ) বাচ্চাদের সাথে কেমন নরম ছিলেন জানেন তো?
সময় থাকতেই সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলুন "you are very special to me as you are!"

Copy from Free parenting course from Muslimah's Ayaah - MA

ইউটিউবে প্লে জোনের ভিডিও দেখে গুলশান ১-এর Chef’s Table-এ গিয়েছিলাম। কিন্তু গিয়ে দেখি প্লে জোনটাই বন্ধ! 😅 পরে আবার গুলশান...
23/06/2026

ইউটিউবে প্লে জোনের ভিডিও দেখে গুলশান ১-এর Chef’s Table-এ গিয়েছিলাম। কিন্তু গিয়ে দেখি প্লে জোনটাই বন্ধ! 😅 পরে আবার গুলশান ২-এর ব্রাঞ্চে গেলাম। সেখানে ৯০ মিনিটের এন্ট্রি ফি ৪০০ টাকা। আর খাবারের দামও অন্য জায়গার তুলনায় একটু বেশি মনে হলো। অবশ্য গুলশানের মতো জায়গায় এমন দাম হওয়াটা স্বাভাবিকই।
তবে মজার ব্যাপার হলো—প্লে টাইম শেষ হওয়ার পর নিচের ফ্লোরে Carnival-এ বাচ্চাদের জন্য একটা ফ্রি প্লে জোন দেখে নিজের কাছেই একটু বোকা বোকা লাগছিল 😄
কারণ ৪০০ টাকা দিয়ে ৯০ মিনিটের যে প্লে জোনে ঢুকলাম, তার চেয়ে নিচের সেই ফ্রি প্লে জোনটাই আমার আর বাচ্চার কাছে বেশি ভালো লেগেছে!
এজন্যই বলে, নতুন কোথাও গেলে আগে একটু দেখে-শুনে, বুঝে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। হুট করে কিছু করে ফেললে পরে আফসোসও হতে পারে।
একই কথা বাচ্চাদের জন্য educational জিনিস কেনার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কেনার আগে একটু ভেবে দেখা দরকার—জিনিসটা সত্যিই বাচ্চার পছন্দ হবে তো? নাকি শুধু শুধু কিনে রেখে দিতে হবে! 🤍
#মা_ও_বাচ্চা #প্যারেন্টিং #বাচ্চাদের_প্লেজোন #মায়ের_ডায়েরি #গুলশান_ডায়েরি #শেখার_আগে_ভাবুন #বাচ্চাদের_জিনিস #মমলাইফ #বাস্তব_অভিজ্ঞতা

Address

Dhaka
1229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kidimoy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share