Momora Life

Momora Life Deshi Mela,-Basically Fair to 365 days 24 Hours

✨ Baby Care • Mom Care • Happy Family Life
💖 Trusted tips, products & love for every mom

👶 Caring for Babies, Supporting Moms
🌸 Daily tips, lifestyle & family moments with Momora Life

নিচে তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে কিছু কার্যকর উপায় :-তৈলাক্ত ত্বক বা Oily Skin-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সেবাম (Sebum) বা প্রাকৃত...
26/07/2026

নিচে তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে কিছু কার্যকর উপায় :-

তৈলাক্ত ত্বক বা Oily Skin-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সেবাম (Sebum) বা প্রাকৃতিক তেলের অতিরিক্ত উৎপাদন। এর ফলে মুখ সবসময় চকচকে দেখায় এবং ধুলোবালি জমে ব্রন বা ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা বেশি হয়। তবে সঠিক পরিচর্যা করলে তৈলাক্ত ত্বককেও একদম পরিষ্কার ও প্রাণবন্ত রাখা সম্ভব।

নিচে তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে কিছু কার্যকর উপায় দেওয়া হলো:

১. প্রতিদিনের ত্বকের যত্ন (Daily Skincare Routine)

সঠিক ক্লিনজার ব্যবহার: দিনে অন্তত দুবার (সকালে ও রাতে) স্যালিসিলিক অ্যাসিড (Salicylic Acid) বা টি ট্রি অয়েল (Tea Tree Oil) যুক্ত ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করতে এবং ব্রন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তবে খুব বেশি ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না, এতে ত্বক উল্টো শুষ্ক হয়ে আরও বেশি তেল তৈরি করতে পারে।

অ্যালকোহল-মুক্ত টোনার: মুখ ধোয়ার পর একটি ভালো টোনার ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উইচ হেজেল (Witch Hazel) বা নিয়াসিনামাইড (Niacinamide) যুক্ত টোনার দারুণ কাজ করে। এটি ত্বকের পোরস বা লোমকূপ সংকুচিত করতে সাহায্য করে।

হালকা ময়েশ্চারাইজার: অনেকেই ভাবেন তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই, যা একটি ভুল ধারণা। ত্বক আর্দ্রতা হারালে আরও বেশি তেল উৎপন্ন করে। তাই তৈলাক্ত ত্বকের জন্য জেল-বেসড (Gel-based) বা ওয়াটার-বেসড (Water-based) এবং নন-কমেডোজেনিক (Non-comedogenic) ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন, যা পোরস বন্ধ করবে না।

২. সানস্ক্রিন নির্বাচন

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভারী বা ক্রিম-বেসড সানস্ক্রিন একদমই উপযুক্ত নয়। তাই সবসময় ম্যাট ফিনিশ (Matte finish), জেল-বেসড বা ফ্লুইড সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে চটচটে না করে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করবে।

৩. সাপ্তাহিক বাড়তি যত্নএক্সফোলিয়েশন বা স্ক্রাবিং:

সপ্তাহে ২ বার ত্বক স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েট করুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য BHA (যেমন- স্যালিসিলিক অ্যাসিড) যুক্ত কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েটর খুব ভালো, যা লোমকূপের গভীরে গিয়ে জমে থাকা তেল ও ময়লা পরিষ্কার করে।

ক্লে মাস্ক (Clay Mask): সপ্তাহে একবার বেন্টোনাইট ক্লে (Bentonite Clay), কাওলিন ক্লে (Kaolin Clay) বা মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন। এগুলো ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে জাদুর মতো কাজ করে।

৪. কিছু জরুরি সতর্কতা ও লাইফস্টাইল টিপস

ব্লটিং পেপার ব্যবহার: দিনের বেলা মুখ অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়ে গেলে জোরে মোছার পরিবর্তে ব্লটিং পেপার (Blotting paper) দিয়ে আলতো চেপে অতিরিক্ত তেল শুষে নিন।

মেকআপের ক্ষেত্রে: অয়েল-ফ্রি এবং ম্যাটিফাইং মেকআপ প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন। আর দিনশেষে ঘুমানোর আগে অবশ্যই ডাবল ক্লিনজিং (প্রথমে মাইসেলার ওয়াটার বা অয়েল ক্লিনজার, তারপর ফেসওয়াশ) করে মেকআপ তুলবেন।

খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো সেবাম উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। এর বদলে প্রচুর পানি পান করুন এবং শাকসবজি খান।

স্বাভাবিক ত্বকের যত্ন ( Normal skin ) করার উপায় ঃ- স্বাভাবিক ত্বক (Normal skin) হলো সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ত্বকের ধরন—এটি ...
23/07/2026

স্বাভাবিক ত্বকের যত্ন ( Normal skin ) করার উপায় ঃ-

স্বাভাবিক ত্বক (Normal skin) হলো সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ত্বকের ধরন—এটি খুব বেশি তৈলাক্তও নয়, আবার খুব বেশি শুষ্কও নয়। তবে এই সুন্দর ত্বককে দীর্ঘদিন সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে নিয়মিত যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।
স্বাভাবিক ত্বকের যত্নে প্রতিদিনের ও সাপ্তাহিক কিছু সহজ উপায় নিচে দেওয়া হলো:

১. প্রতিদিনের ত্বকের যত্ন (Daily CTM Routine)

ক্লিনজিং (Cleansing): দিনে দুবার (সকালে ও রাতে) একটি মাইল্ড বা ফেনা কম হয় এমন ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল না কমিয়েই ধুলোবালি ও ময়লা পরিষ্কার করবে।

টোনিং (Toning): মুখ ধোয়ার পর অ্যালকোহল-মুক্ত একটি টোনার ব্যবহার করুন। গোলাপ জলও স্বাভাবিক ত্বকের জন্য চমৎকার টোনার হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বকের pH ব্যালেন্স ঠিক রাখে।

ময়েশ্চারাইজিং (Moisturizing): ত্বক স্বাভাবিক হলেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি। একটি হালকা, ওয়াটার-বেসড বা জেল ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন, যা ত্বককে হাইড্রেটেড রাখবে কিন্তু চটচটে করবে না।

২. সুরক্ষার জন্য সানস্ক্রিন

বাইরে যাওয়ার অন্তত ১৫-২০ মিনিট আগে এবং ঘরের ভেতরে থাকলেও SPF 30 বা তার বেশি মাত্রার একটি সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। এটি সূর্যরশ্মির কারণে ত্বকে অকাল বার্ধক্য বা কালচে ছোপ পড়া রোধ করবে।

৩. সাপ্তাহিক বাড়তি যত্ন

এক্সফোলিয়েশন বা স্ক্রাবিং: সপ্তাহে ১-২ বার হালকা কোনো স্ক্রাব দিয়ে ত্বক এক্সফোলিয়েট করুন। এতে ত্বকের মৃত কোষ দূর হবে এবং ত্বক সতেজ দেখাবে।

ফেস প্যাক: সপ্তাহে একবার ঘরে তৈরি বা ভালো ব্র্যান্ডের হাইড্রেটিং ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। যেমন: মধু ও টকদইয়ের প্যাক স্বাভাবিক ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে দারুণ কাজ করে।

৪. জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন

পর্যাপ্ত পানি পান: দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। ভেতর থেকে ত্বক হাইড্রেটেড থাকলে বাইরেও তার প্রভাব পড়বে।

পুষ্টিকর খাবার: খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি, ফলমূল এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: বাদাম, মাছ) রাখুন।

পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম ত্বকের কোষগুলোকে নিজে থেকেই মেরামত হতে সাহায্য করে।

একটি জরুরি টিপস: ঘুমানোর আগে অবশ্যই মুখের মেকআপ খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে ঘুমাবেন। মেকআপ নিয়ে ঘুমালে পোরস বন্ধ হয়ে ব্রন হতে পারে।

ত্বকের ধরন অনুযায়ী এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার ত্বক দীর্ঘদিন প্রাণবন্ত ও সুস্থ থাকবে।

কীভাবে চিনবেন আপনার ত্বকের ধরন  (স্বাভাবিক ত্বক, তৈলাক্ত ত্বক, শুষ্ক ত্বক, সংবেদনশীল ত্বক ও মিশ্র ত্বক)How to Identify Y...
22/07/2026

কীভাবে চিনবেন আপনার ত্বকের ধরন (স্বাভাবিক ত্বক, তৈলাক্ত ত্বক, শুষ্ক ত্বক, সংবেদনশীল ত্বক ও মিশ্র ত্বক)

How to Identify Your Skin Type (Normal skin, Oily skin, Dry skin , Sensitive skin & , combination skin)

সাধারণত মানুষের ত্বক বা স্কিনকে প্রধানত ৫টি ভাগে ভাগ করা হয়। আপনার ত্বক কোন ধরনের, তা জানতে পারলে সঠিক যত্ন নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।

নিচে প্রতিটি ত্বকের বৈশিষ্ট্য সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

১. নরমাল স্কিন (Normal Skin): এই ধরনের ত্বক খুব বেশি তৈলাক্তও না, আবার খুব শুষ্কও না। ত্বকে তেলের ভারসাম্য ঠিক থাকে, সহজে কোনো দাগছোপ পড়ে না এবং এটি দেখতে বেশ মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর মনে হয়।

২. অয়েলি স্কিন বা তৈলাক্ত ত্বক (Oily Skin): এই ত্বকে সেবাম বা প্রাকৃতিক তেলের উৎপাদন বেশি হয়। বিশেষ করে কপাল, নাক ও থুতনিতে সারাক্ষণ তেল তেলে ভাব থাকে। অয়েলি স্কিনে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস এবং লোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

৩. ড্রাই স্কিন বা শুষ্ক ত্বক (Dry Skin): এই ধরনের ত্বকে পর্যাপ্ত তেলের অভাব থাকে, যার কারণে ত্বক খসখসে, টানটান বা রুক্ষ মনে হয়। শীতকালে বা মুখ ধোয়ার পর এই ত্বক অতিরিক্ত ফ্যাকাশে দেখায় এবং চামড়া ওঠার সমস্যা হতে পারে।

৪. কম্বিনেশন স্কিন বা মিশ্র ত্বক (Combination Skin): এটি হলো তৈলাক্ত ও শুষ্ক ত্বকের মিশ্রণ। সাধারণত মুখের T-Zone (কপাল, নাক ও থুতনি) বেশ তৈলাক্ত থাকে, কিন্তু দুই গাল ও এর চারপাশের অংশ শুষ্ক বা নরমাল থাকে।

৫. সেনসিটিভ স্কিন বা সংবেদনশীল ত্বক (Sensitive Skin): এই ধরনের ত্বক খুব দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। নতুন কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করলে বা আবহাওয়া পরিবর্তন হলে ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া করার সমস্যা দেখা দেয়।

একটি সহজ পরীক্ষা: সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ ধোয়ার পর কোনো ক্রিম না লাগিয়ে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর যদি দেখেন পুরো মুখ তেলতেলে হয়ে আছে, তবে আপনার স্কিন অয়েলি। যদি শুধু নাক ও কপাল চকচক করে, তবে কম্বিনেশন। আর যদি পুরো মুখ টানটান লাগে, তবে আপনার স্কিন ড্রাই।

আপনি কি আপনার ত্বকের ধরন বুঝতে পেরেছেন, নাকি নিজের ত্বকের জন্য সঠিক যত্ন (Skin Care Routine) জানতে চান?

নবজাতক শিশুর যত্ন কি ভাবে করবেন ঃ- নবজাতক শিশুর আগমন যেকোনো পরিবারের জন্যই পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত। তবে আনন্দের প...
21/07/2026

নবজাতক শিশুর যত্ন কি ভাবে করবেন ঃ-

নবজাতক শিশুর আগমন যেকোনো পরিবারের জন্যই পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত। তবে আনন্দের পাশাপাশি নতুন বাবা-মায়ের মনে কিছুটা ভয় ও দুশ্চিন্তাও কাজ করে—কীভাবে ছোট্ট সোনামণির যত্ন নেবেন, তা নিয়ে।

একটি নবজাতক শিশুর প্রথম কয়েক সপ্তাহ অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই সময়ে শিশুর সঠিক বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা ও ভালোবাসা।
নবজাতকের যত্নে প্রধান কিছু জরুরি বিষয় নিচে আলোচনা করা হলো:

১.বুকের দুধ খাওয়ানো (Feeding)

নবজাতকের জন্য মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই। এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

শালদুধ: জন্মের পর শিশুর প্রথম খাবার হলো মায়ের বুকের শালদুধ (Colostrum)। এটি শিশুর প্রথম প্রাকৃতিক টিকা হিসেবে কাজ করে।

ঘন ঘন খাওয়ানো: প্রথম দিকে শিশু প্রতি ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পরপর দুধ খেতে চায়। ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৮ থেকে ১২ বার শিশুকে দুধ খাওয়ানো উচিত।

ঢেকুর তোলা: প্রতিবার দুধ খাওয়ানোর পর শিশুকে কাঁধে নিয়ে আলতো করে পিঠে চাপড়ে ঢেকুর তোলানো অত্যন্ত জরুরি। এতে পেটে গ্যাস জমে না।

২.শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ (Warmth)

নবজাতক খুব দ্রুত তার শরীরের তাপমাত্রা হারিয়ে ফেলে। তাই তাকে উষ্ণ রাখা জরুরি।

ত্বকের সংস্পর্শ (Skin-to-Skin): জন্মের পর শিশুকে মায়ের বুকের ওপর রাখলে (ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার) শিশুর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে।

আরামদায়ক পোশাক: আবহাওয়া বুঝে সুতির নরম ও ঢিলেঢালা পোশাক পরানো উচিত। খুব বেশি ভারী কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখা যাবে না, এতে শিশুর দম বন্ধ হতে পারে বা অতিরিক্ত ঘেমে যেতে পারে।

৩.নাভির যত্ন (Umbilical Cord Care)

জন্মের পর শিশুর নাভি কাটার অংশটি অত্যন্ত সংবেদনশীল থাকে। এটি সাধারণত ১ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে শুকিয়ে নিজে থেকেই পড়ে যায়।
শুকনো ও পরিষ্কার রাখা: নাভি সবসময় শুকনো রাখতে হবে। ডায়াপার পরানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন তা নাভির নিচে থাকে।

কোনো কিছু না লাগানো: ডাক্তার নির্দেশ না দিলে নাভিতে তেল, পাউডার, ডেটল বা অন্য কোনো ক্রিম লাগানো যাবে না।

৪.গোসল এবং ত্বক পরিষ্কার রাখা

নবজাতককে প্রতিদিন গোসল করানোর প্রয়োজন নেই।

স্পঞ্জ বাথ: নাভি না পড়া পর্যন্ত হালকা কুসুম গরম পানিতে নরম কাপড় ভিজিয়ে শিশুর শরীর আলতো করে মুছে দেওয়া ভালো (Sponge Bath)।

গোসল: নাভি পড়ে যাওয়ার পর সপ্তাহে ২-৩ দিন কুসুম গরম পানি ও মৃদু
(Mild) বেবি সোপ ব্যবহার করে গোসল করানো যেতে পারে।

ডায়াপার পরিবর্তন: প্রস্রাব বা মলত্যাগ করার সাথে সাথে ডায়াপার বদলে দিতে হবে এবং জায়গাটি সুতির ভেজা কাপড় বা অ্যালকোহল-মুক্ত বেবি ওয়াইপস দিয়ে পরিষ্কার করে শুকনো রাখতে হবে।

৫.পর্যাপ্ত ঘুম

একটি সুস্থ নবজাতক দিনে প্রায় ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমাতে পারে

ঘুমানোর পজিশন: শিশুকে সবসময় চিত করে (পিঠের ওপর) ঘুমাতে দেওয়া উচিত। উপুড় করে ঘুমাতে দিলে শ্বাসরোধের ঝুঁকি থাকে।

বিছানা: শিশুর ঘুমানোর জায়গাটি যেন সমতল ও শক্ত হয়। বিছানায় অতিরিক্ত নরম বালিশ, খেলনা বা ভারী কম্বল রাখা যাবে না।

⚠️ ডাক্তারের পরামর্শ কখন নেবেন? শিশুর যদি অতিরিক্ত জ্বর (১০০.৪° ফারেনহাইট বা তার বেশি) থাকে, দুধ খেতে না চায়, সারাদিন ঝিমিয়ে থাকে, নাভি লাল হয়ে পুঁজ বের হয় কিংবা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়—তবে দেরি না করে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

বাঙালি বিয়ে মানেই এলাহী কাণ্ড! কেনাকাটা থেকে শুরু করে অনুষ্ঠানের আয়োজন—সবকিছু ঠিকঠাক সামলানো বেশ বড় একটা চ্যালেঞ্জ। আপনা...
20/07/2026

বাঙালি বিয়ে মানেই এলাহী কাণ্ড! কেনাকাটা থেকে শুরু করে অনুষ্ঠানের আয়োজন—সবকিছু ঠিকঠাক সামলানো বেশ বড় একটা চ্যালেঞ্জ। আপনার সুবিধার্থে একটা বিয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যা যা লাগে, তা সুন্দর করে ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজিয়ে দিলাম:

১. বিয়ের আগের প্রস্তুতি ও বুকিং
বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরপরই এই কাজগুলো সবার আগে সেরে ফেলা উচিত:

ভেন্যু বা কমিউনিটি সেন্টার: বিয়ের মূল অনুষ্ঠান এবং গায়ে হলুদের জায়গা বুকিং।

ক্যাটারিং (খাবার): কাচ্চি বিরিয়ানি বা মোরগ পোলাও, রোস্ট, কাবাব, বোরহানি এবং মিষ্টির মেন্যু ও বাবুর্চি ঠিক করা।

ডেকোরেশন ও লাইটিং: স্টেজ ডিজাইন, গেইট এবং পুরো বাড়ির আলোকসজ্জা।

ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি: স্পেশাল মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দী করার জন্য ভালো টিম বুক করা।

পার্লার বা মেকআপ আর্টিস্ট: বর ও কনের সাজগোজের জন্য ডেট বুক করে রাখা।

২. বর ও কনের কেনাকাটা (পোশাক ও গহনা)
বিয়েতে বর-কনের লুকই সবচেয়ে প্রধান। তাই এই তালিকায় কোনো কমতি রাখা যাবে না:

👰 কনের জন্য:
পোশাক: বিয়ের শাড়ি (বেনারসি/লেহেঙ্গা), গায়ে হলুদের সুতি বা জামদানি শাড়ি, এবং বউভাতের রিসেপশন ড্রেস।

গহনা: সোনার গহনা (নেকলেস, কানের দুল, টিকলি, সীতাহার, চুড়ি) এবং হলুদের জন্য ফ্লাওয়ার বা মেটালের গহনা।

জুতো ও ব্যাগ: শাড়ি বা লেহেঙ্গার সাথে ম্যাচিং হিল এবং পার্স/ক্লাচ।

কসমেটিকস বক্স: স্কিন কেয়ার, মেকআপের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং আলতা-মেহেদি।

🤵 বরের জন্য:
পোশাক: শেরওয়ানি, পাজামা/ধুতি, গায়ে হলুদের পাঞ্জাবি এবং রিসেপশনের জন্য ফরমাল স্যুট-টাই।

এক্সেসরিজ: পাগড়ি, নাগরা জুতো, ওড়না, পার্লের মালা (শেরওয়ানির সাথে) এবং ঘড়ি।

৩. গায়ে হলুদ ও বিয়ের অন্যান্য ডালা (তত্ত্ব)
বাঙালি বিয়েতে বরপক্ষ ও কনেপক্ষের মধ্যে তত্ত্ব বা ডালা বিনিময়ের রেওয়াজ বেশ জনপ্রিয়:

হলুদের ডালা: কাঁচা হলুদ, মেহেদি, উপটান, চন্দন এবং হলুদের মিষ্টি।

পোশাকের ডালা: বর ও কনের বাড়ির সদস্যদের জন্য উপহারের কাপড়।

ফল ও মিষ্টির ডালা: রকমারি ফল সুন্দর করে সাজানো এবং বড় সাইজের মিষ্টির থাল বা সন্দেশ।

মাছ সাজানো: বরপক্ষ থেকে কনের বাড়িতে বড় রুই বা কাতল মাছ সুন্দর করে সাজিয়ে পাঠানো।

৪. বিয়ের মূল দিনের আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র
ছোটখাটো কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিস যা বিয়ের দিন অবশ্যই লাগবে:

বিয়ের আংটি: বর ও কনে উভয়ের জন্য এনগেজমেন্ট রিং।

কাজী ও কাবিননামা: বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, কাজীর ফি এবং সাক্ষী ঠিক রাখা।

ড্যাশিং এন্ট্রি ও গেইট ধরা: গেইট কাটাকাটির জন্য নগদ টাকা (খুচরা টাকা রেডি রাখা ভালো), গোলাপ জল ছিটানোর স্প্রে এবং ফুলের মালা।

মিষ্টি মুখ: বর-কনেকে খাওনোর জন্য স্পেশাল মিষ্টি, বাটি এবং চামচ।

৫. অন্যান্য ও বিবিধ
ডিজে বা সাউন্ড সিস্টেম: গায়ে হলুদ এবং বিয়েতে গানের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরির জন্য।

আমন্ত্রণ পত্র (বিয়ে কার্ড): আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত দেওয়ার জন্য ডিজিটাল বা প্রিন্টেড কার্ড।

গাড়ি রেডি করা: বরযাত্রী যাওয়ার জন্য মাইক্রোবাস বা বাস এবং বরের গাড়ি সাজানো।

এই চেকলিস্টটি ধরে এগোলে আশা করি বিয়ের কোনো জরুরি জিনিসই বাদ পড়বে না। আপনার কি নির্দিষ্ট কোনো অনুষ্ঠানের (যেমন শুধু গায়ে হলুদ বা শুধু বিয়ের দিন) জন্য আরও ডিটেইলস লাগবে?

26/05/2026

Trend....😁

13/05/2026

Address

House No/10, Road No-10 , East Vatara, Madhani Avenue, 100 Fit Road, Gulshan
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Momora Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Momora Life:

Shortcuts

Share