24/07/2020
⚠️ হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে সতর্কতা ⚠️
হ্যান্ড স্যানিটাইজার, বিগত তিনমাসে ঘরে ঘরে খুব চেনা নাম হয়ে উঠেছে তো বটেই, সর্বক্ষণের সঙ্গীও হয়ে উঠেছে আমাদের। দিনে অন্তত সাত থেকে আট বার সাবান দিয়ে হাত ধুচ্ছি সবাই। আর যেখানে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া সম্ভব নয়, সেখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করছি । কোনো কিছু স্পর্শ করার পরই হ্যান্ড স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিচ্ছি । এক্ষেত্রে অবশ্যই অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছি । কারণ করোনা ভাইরাস দূর করতে বার বার ৯১ শতাংশ আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল বা রাবিং অ্যালকোহল রয়েছে এমন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের উপকারিতা থাকলেও তা ব্যাবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক।
হ্যান্ড স্যানিটাইজার লাগিয়ে আগুনের সামনে একেবারেই যাওয়া উচিত নয়। কারণ হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৯১ শতাংশ আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল থাকার কারণে চট করে আগুন লেগে যাওয়ার মত বিপদ ঘটে যেতে পারে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারে উঁচু মাত্রায় অ্যালকোহল থাকায় একে "Class l flammable liquid substance" এর দলে ফেলা হয়। অর্থাৎ এটি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার কমেই আগুন ধরতে পারে। বিশেষ করে রান্নাঘরে যাওয়ার আগে কখনোই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না।
চুলার আশপাশে, সুইচসহ যেখানে যেখানে বৈদ্যুতিক সংযোগ আছে সেখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখলে আগুন ধরে যাওয়ার আশংকা আছে।
অসাধু ব্যবসায়ী বা ভীত হয়ে যারা প্রচুর পরিমাণে হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনেছেন সেগুলো দীর্ঘদিন রোদের স্পর্শে রাখলে অধিক তাপমাত্রায় বিস্ফোরিত হতে পারে।
হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ‘ভ্যাপার’ নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া ভ্যাপারে কার্বন ডাই অক্সাইড (co2) বা কার্বন মনোক্সাইড (CO) এর মতো বিষাক্ত গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে।
হ্যান্ড স্যানিটাইজার অবশ্যই শিশুদের নাগালের বাইরে রাখবেন।