M Borhan Uddin Ratan

Directions Website

M Borhan Uddin Ratan সবার আগে বাংলাদেশ🇧🇩 ❤️🌾
Official page of M. Official Fan Page of M.
(229)

Borhan Uddin Ratan
Blogger, Atrist, graphic designer & Human Rights & Social Activist | Founder : Helping Hands Bangladesh, Nabo Torun Sporting Club. Borhan Uddin Ratan
Official Blogger of BNP & Social Activist
(মানবতার সেবক)
https://mborhanratan.blogspot.com

মুসলিম উম্মাহর পবিত্রতম নগরী মক্কা ও মাদিনা নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমগ্র পৃথিবীর সকল মসলিম দেশের উচিত ইয়েমেনের হুতি জঙ্গিদের...
16/09/2026

মুসলিম উম্মাহর পবিত্রতম নগরী মক্কা ও মাদিনা নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমগ্র পৃথিবীর সকল মসলিম দেশের উচিত ইয়েমেনের হুতি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।

একটা সমৃদ্ধি ইয়েমেনকে হুতি জঙ্গিরা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, ইয়েমেনে একমাত্র অস্ত্রই সহজলভ্য আরো কোনকিছু সেখানে নাই, না আছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, না আছে তাদের বহিঃবিশ্বের সাথে কোন কূটনৈতিক সম্পর্ক। না আছে একটা রাষ্ট্রের নূন্যতম ভিত্তি ধরে রাখার মত অর্থনীতি।

এদের ধ্বংসের জন্য কাউকে দায়ি করে কোন লাভ নেই, এরাই নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে এনেছে, ২ ভাগে বিভক্ত হয়ে দুই দেশের তাবেদারী করতে গিয়ে নিজেরাই এখন পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

নেই বলতে এখন তাদের কিছুই নেই.... সারাদিন একধনের গাছের শেকড় পাতা মুখে রেখে দাঁত মুখ নোংরা করে রাখে, আর বড় বড় অস্ত্র কাঁদে নিয়ে ঘুরাঘুরি করে।

ইয়েমেনে এখন দুটা সরকার রয়েছে, তবে একাধিক মুদ্রা, অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য সংকট, দারিদ্রতা, সব মিলে কিভাবে একটা জাতি কিছু ব্যক্তির স্বার্থে গোটা জাতিকে বিপদগ্রস্ত করে একটা দেশকে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে যায় তা হুতি জঙ্গিদের দেখলে বুঝা যায়।

আমরা চাই ইতিহাস ঐতিহ্য ও আগের মত সমৃদ্ধ মুসলিম দেশ ইয়েমেন দেখতে, তার জন্য সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সমর্থন করি।

শিবিরের রাজাকারদের ইতিহাস শিখতে হবে.... জিন্নাহ’র মুসলিম লিগকে মাওলানা মওদূদী বলতেন জামায়াত-ই-জাহিলিয়াত১৯৪০ সালে লাহোর অ...
15/09/2026

শিবিরের রাজাকারদের ইতিহাস শিখতে হবে....

জিন্নাহ’র মুসলিম লিগকে মাওলানা মওদূদী বলতেন জামায়াত-ই-জাহিলিয়াত

১৯৪০ সালে লাহোর অধিবেশনে পাকিস্তান নামক আলাদা রাষ্ট্রের প্রস্তাব যখন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক তখন জিন্নাহর মুসলিম লীগের বিরোধীতা করে মওলানা মওদুদ বলেছিলো "পাকিস্তান নামক কোনো রাষ্ট্রের জন্ম হলে সেটা “আহাম্মকের বেহেশত” এবং “মুসলমানদের কাফেরানা রাষ্ট্র” হবে"।

- মওদুদীকৃত তরজমাতুল কোরআনঃ (ফেব্রুয়ারী সংখ্যা, ১৯৪৩)

জিন্নাহ ও মুসলিম লিগের ‘মুসলিম জাতীয়তাবাদী’ অবস্থানের বিপরীতে অখণ্ড ভারতীয় জাতীয়তাবাদী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আলেমদের প্রধান কাফেলা মাওলানা মাদানি ও জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের বক্তব্যও সেখানে বলা হয়েছে।

জিন্নাহ ও লিগ ঐসময় মাওলানা সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদীর দিক থেকেও শক্ত মতাদর্শিক বিরোধিতায় পড়েছিলেন। ‘লাহোর প্রস্তাবের’ পরপরই ১৯৪১ সালে মওদূদী জামায়াতে ইসলামী গঠন করেন। ফলে শুরুতে যা তাত্ত্বিক মতভিন্নতা ছিল ক্রমে সেটা সাংগঠনিক বিরোধিতায়ও রূপ নিয়েছিল। ৩১ বছর (১৯৪১-১৯৭২) মওদূদী ঐ দলের নেতৃত্ব দেন।

‘পাকিস্তান’ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকালে মাওলানা মওদূদী ও ‘তার দলের দিক থেকে মুসলিম লিগ অভিমুখে তিন ধরনের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমত জিন্নাহ’র সমালোচনা; দ্বিতীয়ত, পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান দাবির বিরোধিতা; তৃতীয়ত মুসলিম লিগের সাংগঠনিক সংস্কৃতির বিরোধিতা। এর সম্পূরক আরও দুটি ঘটনা হলো খোদ ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরোধিতা এবং তাতে অংশগ্রহণকারী দেওবন্দের আলেম সমাজের প্রভাবিত দল জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের বিরোধিতা। এসবের বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী ও এই দলের জন্মদাতার দিক থেকে বলা হচ্ছিলো ‘ইসলামী বিপ্লবের’ প্রয়োজনীয়তার কথা।

মওদূদী ভবিষ্যতের একটা ‘গণতান্ত্রিক পাকিস্তান’ এই কারণে গ্রহণ করতে অনিচ্ছুক ছিলেন যে, এটা স্রষ্ঠার সার্বভৌমত্বের জায়গায় জনগণের সার্বভৌমত্বের কথা বলে। আবার এটা ‘তার দৃষ্টিতে ‘পশ্চিমা ধারণাও’ বটে।

জাতীয়তাবাদ সম্পর্কও মওদূদীর অভিমত ছিল বিরূপ। জাতীয়তাবাদকে ‘ইউরোপীয় ধারণা’ হিসেবে চিত্রিত করে তিনি বলেন, এই ধারণার আলোকে এক রাষ্ট্রের নাগরিক আরেক রাষ্ট্রের অনুগত হতে পারে না। অথচ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস হলো ইসলামে সদস্যভুক্তির একমাত্র মানদণ্ড। ফলে এই দুইটি বিপরীতধর্মী।

তার মতে, যিনি জাতীয়তাবাদী তিনি যদি একই সঙ্গে ইসলামে আনুগত্যের দাবি করে বুঝতে হবে তার চিন্তায় সমস্যা আছে। মওদূদী এসব বলছিলেন, জিন্না ও লিগ এবং মাদানি ও জমিয়ত উভয় শিবিরকে লক্ষ্য করে।

এসময় স্বাধীনতাপন্থী মুসলমান প্রধান সংগঠনগুলোর ‘নিখিল ভারত আজাদ মুসলিম কনফারেন্স’ নামে যে সম্মেলন হয় মওদূদী তারও বিরোধী ছিলেন। সম্মেলনভুক্ত দলগুলো স্বাধীনতা চাওয়ার পাশাপাশি ভারত ভাগেরও বিরোধিতা করছিল। এতে যুক্ত ছিল জমিয়ত, আহরার, মমিন কনফারেন্স, মুসলিম মজলিস, আহলে হাদীস, শিয়া কনফারেন্সের মতো দলের পাশাপাশি শের-ই-বাংলা ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টিও। খেলাফত আন্দোলনের নেতাদেরও সমর্থন ছিল এই আন্দোলনে। ব্রিটিশরা এই সম্মেলনভুক্তদের বক্তব্যে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাতো। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ছিলো এই সম্মেলনভুক্তদের প্রধান শ্লোগান। মুসলিম লীগ ১৯৪০ এর ১৯ এপ্রিল যখন ‘পাকিস্তান দিবস’ পালন করতো আজাদ মুসলিম কনফারেন্স সেদিনকে পালন করতে ‘হিন্দুস্তান দিবস’ হিসেবে। জামায়াতে ইসলামী এই ইনকিলাব জিন্দাবাদপন্থীদেরও বিরোধী ছিল।

পাকিস্তান আন্দোলনকালে, ১৯৪৭ এর আগে, নিজ দল গঠনকালে মওদূদী বলছিলেন, কোরআনে জাতির ধারণা নেই, আছে দল-উপদলের (হিযব) ধারণা। এসব বলছিলেন তিনি ভারতবর্ষের মুসলমান সমাজে তখনকার উদীয়মান জাতীয়তাবাদী চৈতন্যের বিরোধিতার অংশ হিসেবে।

জামায়াত গঠনের আগে-পরের ফারাক হলো আগে মওদূদী মূলত কংগ্রেস-মাদানি জোটের বিরুদ্ধে বলছিলেন। কিন্তু ১৯৪১ এর পর তিনি প্রধানত লিগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ১৯৪৬ পর্যন্ত মওদূদী প্রায় ধারাবাহিকভাবে লিগ ও জিন্নাহ’র সমালোচনা করেন।

লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের চার মাস আগে মওদূদী লিখছেন, মুসলিম লিগের প্রধানতম নেতা থেকে কনিষ্ঠ নেতৃবৃন্দ পর্যন্ত এককভাবে কারোই মন ও চিন্তা ইসলামি ধাঁচের নয়। মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষা করতে তারা যেসব সম্ভাব্য কৌশল নিচ্ছে সেটাকেই তারা ইসলামি রাজনীতি ভাবছে। প্রকৃত সত্য হলো, এটা ইসলামের মানহানি। (তরজুমান উল কোরআন, নভেম্বর ১৯৩৯, পৃ. ৭৯)

লিগ পরিবার থেকে এই বক্তব্যের সমালোচনা হলে পরের মাসে নিজের পত্রিকা তারজুমান-উল-কোরআনে (ডিসেম্বর ১৯৩৯, পৃ. ১১) মওদূদী লিখলেন,

ইসলাম যদি একটা আন্দোলনের নাম হয়, তাহলে এর নেতা তারাই হবেন যাদের এই আন্দোলন সম্পর্কে সঠিক ধারণা আছে। ‘তার বা তাদের সেই গুন না থাকলে যতই তারা প্রজ্ঞাবান ও জ্ঞানী হন তারা এরকম আন্দোলনের নেতা হতে পারেন না। তোমাদের নেতাদের দেখ, কায়েদ-ই-মিল্লাত, আমির-ই-লস্করদের দেখ। পুরো বিশ্ব জানে, প্রথম ভদ্রলোকের (জিন্নাহ) ইসলামের মৌলিক বিষয়ে কোন ধারণা নেই। দ্বিতীয় ভদ্রলোকের (আল্লামা মাশরেকি, খাকসার আন্দোলনের নেতা) প্রধান যোগ্যতা হলো তিনি ইসলামের মৌলিক নিয়মগুলোকে বিকৃত করে ইসলামের নামে নতুন একটা বিষয় দাঁড় করিয়েছেন।

ভারতে ব্রিটিশ দখলদারিত্বের অবসান হয়ে এখানে মুসলমানদের জন্য পৃথক একটা রাষ্ট্র গঠিত হয়ে সেখানে একটা গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠাকে মওদূদীর কাছে ছিল ‘কওমি জমহুরিয়াত’। কওমি জমহুরিয়াত বা জাতীয় গণতন্ত্রকে তিনি মনে করতেন ‘ইসলামপূর্ব মক্কায় মানাত দেবীর মূর্তির বদলে লাত দেবীর মূর্তি পূজার মত। (তারজুমান, মে-জুন ১৯৪০, পৃ. ১২।)

বিপরীতে নিজের লক্ষ্য হিসেবে বলছিলেন তিনি ‘হুকুমাত-ই-ইলাহিয়ার’ কথা। তিনি এমনকি হুকুমাত-ই-ইলাহিয়ার পথে প্রস্তুতিমূলক মধ্যবর্তী পর্যায় হিসেবেও পাকিস্তানকে মানতে প্রস্তুত ছিলেন না। (তারজুমান, ডিসেম্বর ১৯৪০-জানুয়ারি ১৯৪১, পৃ. ১৫৪-৫৫)

ব্রিটিশ চলে যাওয়ার পর ভারতবর্ষের মুসলমানরা যে এক বা একাধিক পৃথক রাষ্ট্র চাইছিল মাওলানা মওদূদীর কাছে এটা ছিল ‘নগণ্য প্রশ্ন’। তার বিবেচনায় ভারতের মুসলমানদের দরকার ‘জাতীয় আবাসভূমি’ ও ‘স্বাধীনতার’ প্রশ্ন বাদ দিয়ে একটি আদর্শিক দল গঠন করা (উপমহাদেশে স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুসলমান, খণ্ড-২, পূর্বোক্ত, পৃ. ২১৭)।

লাহোর প্রস্তাবের পরপরই তিনি এরকম বলছিলেন। তবে পরবর্তীকালে আমরা দেখবো মওদূদী পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর সেখানেই গিয়েছিলেন। অথচ ১৯৪১ সালে মুসলিম লিগ সংগঠকরা যখন তাকে বলছিলেন মুসলমানদের জন্য একটা পৃথক রাষ্ট্র হলে তাকে ইসলামী রাষ্ট্রেও রূপান্তর করা যাবে তখন মওদূদী এরকম সম্ভাবনার দাবিকে ‘মিথ্যা আশ্বাস’ বলতেন। তার মতে এরকম পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত হবে ‘মুসলমানদের কাফির সরকার।’ (তারজুমান, মার্চ ১৯৪১, পৃ. ২৯)

এরকম অবস্থান থেকেই তার দল ১৯৪৬ এর নির্বাচনেও অংশ নেয়নি। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তিও তুলল তার দল। দাপ্তরিকভাবে বলা হচ্ছিলো নির্বাচনে জামায়াত ‘নিরপেক্ষ’ থাকবে। তবে মওদূদী এও বললেন, গণতান্ত্রিক নীতির উপর যে পার্লামেন্টারি ব্যবস্থা তাতে ভোট দেয়া বা এর সদস্য হওয়া হারাম। (তারজুমান, ডিসেম্বর ১৯৪৫, পৃ. ৫২)

তবে এরকম ফতোয়ার পরও মুসলমান সমাজ বিপুলভাবে নির্বাচনে মুসলিম লিগকে ভোট দিতে কেন্দ্রে গিয়েছিল। ব্রিটেন শাসনের শেষ দিকে দেখা গেছে, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে পাকিস্তানভুক্তি প্রশ্নে গণভোটে মওদূদী আপত্তি তোলেননি। এই মর্মে প্রশ্ন উঠেছিল তখন, মওদূদী কেন উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের গণভোটের বেলায় পূর্বতন অবস্থান বদলাচ্ছেন? তখন উত্তরে তিনি বলেন, পার্লামেন্ট নির্বাচন ও গণভোট পৃথক ধরনের নির্বাচন!

প্রধানত ১৯৩৯ এর শেষে এবং পরের বছরের শুরু থেকে তিনি সরাসরি লিগকে এই মর্মে দোষারোপ করেন যে, তারা ইসলামি জাতিরাষ্ট্রের বদলে কেবল পৃথক একটা দেশ চাইছে। ‘ইসলাম কি হুকুমতে’র বদলে ‘মুসলমান কা হুকমত’ চাওয়ার জন্য তিনি লিগকে দোষারোপ করে বলছিলেন জামায়াত-ই-জাহিলিয়াত (তারজুমান, জুলাই ১৯৩৯, পৃ. ৫)।

তিনি লিখলেন, ভারতের যেসব অংশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানে মুসলমানদের শাসন কায়েম হওয়ার বিষয়ে একজন মুসলমান হয়েও আমি আগ্রহী নই। আমার কাছে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো কথিত এই ‘পাকিস্তানের সরকার ব্যবস্থা আল্লাহ’র সার্বভৌমত্বের উপর স্থাপিত হবে কি না? নাকি সেটা চলবে পশ্চিমা গণতান্ত্রিক নীতির আলোকে জনগণের সার্বভৌমত্বের আলোকে। প্রথম নীতিতে চললে এটা অবশ্যই ‘পাক-ই-স্তান’ই হবে। না হলে সেটা ভারতের অন্য অংশের অমুসলিমদের দ্বারা শাসিত ‘না-পাকি-স্তান’ হবে। আপনাদের পরিকল্পনার পাকিস্তান নামের এই না-পাকি-স্তান স্রষ্ঠার দৃষ্টিতে অধিকতর নাপাক এবং ‘তার বেশি অভিশাপ প্রাপ্য। কারণ এখানকার মুসলমানরা সেটাই করছে যা অমুসলমানরা করে।...এই যে মুসলমান জাতীয়তাবাদ সেটা ভারতীয় জাতীয়তাবাদের মতোই স্রস্টার শরিয়তের দিক থেকে নিন্দার উপযুক্ত। (তারজুমান, মে-জুন ১৯৪০, পৃ. ১১)

বোকাচো-- জামাত-শিবিরের আদর্শিক পিতা, জিন্নাহর কারণে ভারত শক্তিশালী ভূখণ্ডের মালিক হইছে।আমরা জানি কোন কিছু ভাগ করতে হইলে ...
14/09/2026

বোকাচো-- জামাত-শিবিরের আদর্শিক পিতা, জিন্নাহর কারণে ভারত শক্তিশালী ভূখণ্ডের মালিক হইছে।
আমরা জানি কোন কিছু ভাগ করতে হইলে সমতার ভিত্তিতে করতে হয়।

কিন্তু বৃটিশরা ভারতের দাদের সাথে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে ভারতবর্ষের চার ভাগের এক ভাগের কম ভুখন্ড ধরাই দিছে বোকাচো-- জিন্নাকে।
তা নিয়ে খুশির ঠেলায় বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্বপ্নের দেশ ছিল একটি স্বাধীন, সার্বভৌম, অসাম্প্রদায়িক ও অবিভক্ত বাংলা রাষ্ট্র, সেই স্বপ্ন চুরমার করেছে শিয়া ও পাকিস্তানীদের পক্ষে স্বজনপ্রীতি করা সাম্প্রদায়িক নেতা জিন্নাহ।

যদি দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হয়, হায়দারাবাদ পাঞ্জাব, মুর্শিদাবাদ, করিমগঞ্জ, কেরলা, বিহার, @লাক্ষাদ্বীপ, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের দখলে কেন?

কেন এখনো ২৪ কোটিরও বেশি মুসলমান ভারতে?

আর ভারত আয়তনে কেন ৩২৮৭২৬৩ বর্গকিলোমিটার
আর পাকিস্তান + বাংলাদেশ মিলে হয়

আয়তন ৮,৮১,৯১৩ + ১৪৭৫৭০ = আয়তন প্রায় ৯ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬৬৫ বর্গকিলোমিটার থেকে ১০ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৮৩ বর্গকিলোমিটার।
যা ভারতের বর্তমান মানচিত্রেরও তিন ভাগের একভাগের কম!

কিন্তু কেন?
কেন অর্ধেক ভূখণ্ডও চিনিয়ে নিতে পারেনি?

আর সেই বিতর্কিত জিন্নাহকে কারা এখন বাপ ডাকছে?

শিবির সুকৌশলে ডাকসুতে তাদের পাকিস্তানি বাপ জিন্নাহকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে, এই নিয়ে যখন যারদিকে যখন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ক...
14/09/2026

শিবির সুকৌশলে ডাকসুতে তাদের পাকিস্তানি বাপ জিন্নাহকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে, এই নিয়ে যখন যারদিকে যখন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে তখন বলে নিচের ক্যাপশনে জিন্নাহর বাংলা ভাষা বিরোধিতার কথা ইংরেজিতে লিখা আছে।

পাকিবীজ বাইনচোদরা তোদের কু-মতলব আমরা বুঝি...
কারণ তোরা বেশ কয়দিন আগে তোদের অনলাইন পীর পিনাকী বোকাচোদা তোদের বলছে তোদের বাপ জিন্নাহ না থাকলে আমরা ভারতীয় হিন্দুদের কাছে আমাদের ইসলামী ভাবমূর্তি খোয়াতাম, তারপর থেকে শিবিরের সব গান্ডু শিয়া মতাদর্শী জিন্নাহকে তাদের বাপ হিসেবে জাহির করতে চাচ্ছে সোস্যাল মিডিয়াতে।

অথচ এই ভূখণ্ডের মুসলামদের ধর্মীয় রিতি নীতি আচার অনুষ্ঠান আবহমানকাল ধরে পালন করে আসছে এখানে আমরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলাম সব সময়।

ডাকসুর এই ফটো গ্যালারিতে যাদের ছবির সাথে জিন্নাহ ছবি রাখছোস, সেই ছবি এখানে রাখার কোন কারণ আছে কি?

ছবিতে সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধ বা তার আগে স্বাধিকার আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের ছবি আছে।

মওলানা ভাসানী, শেখ মুজিব,, জেনারেল ওসমানী, শহীদ জিয়া, এই ছবি গুলোর পাশে তোরদের বাপ জিন্নাহ কিভাবে স্থান পায়?

তোরা তো দাবি করস তোদের আরেক বাপ গো..আজম ভাষা সৈনিক, তো গো আজম কার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলো, কার বিরুদ্ধে ভাষা আন্দোলন করেছে তা জেনে নিবি।

বিখ্যাত ব্যক্তিদের সাথে কোনদিন কুখ্যাত ব্যক্তিদের প্রদর্শন করা হয় না গান্ডুর দল।

তোদের যুক্তি যদি সঠিক হয় তবে এই পোস্টের যে ছবিটি দিলাম সেটা তোরা ডাকসুতে বেঁধে রাখিস, মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী গো আজম যখন ১৯৮১ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকায় আসে তখন উপস্থিত জনতা তাকে জু'তা নিক্ষেপ করেছিলো।

এটাও ইতিহাসের অংশ তো এই ছবিটা সেখানে ঝুলিয়ে রাখ।

তোরা দাবি করিস জিন্নাহ না থাকলে পাকিস্তান সৃষ্টি হতো না, আর পাকিস্তান না হলে নাকি বাংলাদেশ হতো না, গান্ডুরা জিন্নাহ ষড়যন্ত্র করে বাংলা ভাগ না করলে আমরা আজ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ভূখণ্ডের মালিক হতাম সেই স্বপ্ন দেখেছিলো মাওলানা ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

আর লীগ যখন দাবি করে শেখ মুজিব না থাকলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না, তখন তোরা ঠিকই যুক্তি দিছস তার বিপক্ষে অথচ সময়ের প্রয়োজনে সময় নেতা তৈরি করে কেউ, সময় বা স্রোত কারো জন্য নির্ধারিত থাকে না।

14/09/2026

ডাকসুতে পাকিচানা শিবিরের রাজাকাররা জিন্নাহর ছবি টাঙ্গাইছে, তোদের বাপ জিন্নাহর প্রতি যদি এত দরদ উতলাই উঠে তোরা পাকিস্তান চলে যা।

বাঁধনের উপর হামলাকারী মনিরুলের ঘর বাড়ির অবস্থা দেখেন....!তার নিজের ভাঙা ঘর ঠিক করা জরুরি নাকি অধঃপতনে ছন্নছাড়া লীগের মের...
09/09/2026

বাঁধনের উপর হামলাকারী মনিরুলের ঘর বাড়ির অবস্থা দেখেন....!

তার নিজের ভাঙা ঘর ঠিক করা জরুরি
নাকি অধঃপতনে ছন্নছাড়া লীগের মেরামত জরুরি?

আর সে কিসের ছাত্র?
ইতালির কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র?

এসব রাজনৈতিক ধাপ্পাবাজি একমাত্র ফকিন্নির পোলারাই করে। এটি আবারো প্রমাণিত।

আজকের পর  এই ভন্ড মুনাফেক, জীবিত শয়তানকে আর নূন্যতম সম্মান করবো না।কারণ সে গালিবাজদের সরাসরি সমর্থন করে পবিত্র ধর্ম ইসল...
05/09/2026

আজকের পর এই ভন্ড মুনাফেক, জীবিত শয়তানকে আর নূন্যতম সম্মান করবো না।

কারণ সে গালিবাজদের সরাসরি সমর্থন করে পবিত্র ধর্ম ইসলামের বিপক্ষে গিয়ে মুশরিক মুরতাদের পক্ষ নিয়েছে।

সে পবিত্র কুরআন ও রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর আদেশ অমান্য করেছে।

এই বুড়া একজন শয়তান, কোন মুমীন গালাগালিকে সমর্থন করতে পারে না।

-----------------------------------------------
“প্রকৃত মুসলিম সে, যার মুখ ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে। আর প্রকৃত মুহাজির সে, যে আল্লাহ যা থেকে নিষেধ করেছেন তা ত্যাগ করে।”

[সহীহ বুখারী ও মুসলিম]
[ সহীহ বুখারী - 10 ]

দ্বিমত কিংবা সহমতপক্ষে কিংবা বিপক্ষেঐক্যমত কিংবা ভিন্নমত একইপথ কিংবা অন্যপথ। অনুরোধ  শুধু একটাই  🙏থাকুক সবার শান্তিপূর্ণ...
03/09/2026

দ্বিমত কিংবা সহমত
পক্ষে কিংবা বিপক্ষে
ঐক্যমত কিংবা ভিন্নমত
একইপথ কিংবা অন্যপথ।

অনুরোধ শুধু একটাই 🙏
থাকুক সবার শান্তিপূর্ণ সহবস্থান।

আমার ও আপনার অবস্থান যেন,
জুলুম, অন্যায়, অবিচার
অসত্য এবং অসুন্দরের পক্ষে না যায়।

Address

Dagonbhuiyan
Feni
3900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M Borhan Uddin Ratan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share