Flyshop.bd

Flyshop.bd Best quality for u...

এই অফারটি সীমিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য..
25/05/2023

এই অফারটি সীমিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য..

❤
27/09/2020

01/05/2018

যতহ্মণ প্রয়োজন
ততহ্মণ প্রিয়জন

#বাস্তবতা

I want to be the only hand u ever need to hold....
26/05/2017

I want to be the only hand u ever need to hold....

13/01/2017

একদিনেই তিন অর্জনের চমক দেখালেন সাকিব !

প্রকাশঃ ১৩-০১-২০১৭, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক-

From The Web
Generate A High-Quality User Experience with Revcontent
Sponsored by Revcontent
একদিনে তিন অর্জন বিশ্বসেরা অলারাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ৩ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করার পর এবার তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরী করেছেন সাকিব।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫১ (অপরাজিত) ইনিংসে মধ্যে ৭১ করেই এ মাইলফলক অতিক্রম করেন তিনি। এর আগে হাবিবুল বাশার সুমন ও তামিম ইকবাল বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে তিন হাজার রান পূর্ণ করেন। অপেক্ষমান রয়েছেন মুশফিকুর রহিমও।

সাকিব ২৯২৯ রান নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে মাঠে নামেন। বিশ্বের অন্যতম সেরা এ অলরাউন্ডার দারুণ ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২০তম হাফ-সেঞ্চুরি। হাফ-সেঞ্চুরির পরও ইনিংসটি বড় করছেন বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান।

টেস্ট ক্রিকেট বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন তামিম ইকবাল। ৪৫ ম্যাচে তামিমের রান ৩৪০৫। ৫০ ম্যাচ খেলে হাবিবুল বাশার সুমন করেছেন ৩০২৬ রান। বর্তমানে সাকিবের অবস্থান দ্বিতীয়। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতেও উজ্জ্বল সাকিব। ১৫৯ উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি এই স্পিনার।

রানের পাহাড় গড়ল বাংলাদেশ !
ওয়েলিংটন টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই বিদায় নেন মুমিনুল। মুমিনুল ৬৪ রান করে সাজঘরে ফিরে গেলে দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের ইনিংসে একটি ধাক্কা লাগে। সেই হতাশা কাটিয়ে অনবদ্য সেঞ্চুরি হাকিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সাকিব-মুশফিক। দুই জনেই পেয়েছেন শতকের দেখা।

কিউইদের বিপক্ষে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে অনুজ্জ্বল ছিল বাংলাদেশি ব্যাটসম্যারা। কিন্তু টেস্ট ফরম্যাটে এসেই যেন বদলে গেছে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। ওয়েলিংটনে দুই দিন ধরে অসাধারণ ব্যাট করছে টাইগাররা। দ্বিতীয় দিনে লাঞ্চের পর সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন সাকিব। এরপরই সেঞ্চুরি আসে মুশফিকের ব্যাট থেকে।

10/01/2017

হার্ট অ্যাটাকের পরে ভুলেও করবেন না এই ৭টি কাজ
হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক সাধারণ আর দশটি রোগের মত নয়। খুব সাধারণ কিছু লক্ষণ থেকে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক। আবার কোন লক্ষণ ছাড়াও হয়ে যেতে মাইনর
একবার হার্ট অ্যাটাক হয়ে গেলে রোগীকে একটু বেশি সচেতন থাকতে হয়। কারণ এরপরের বার মেজর অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পর পরিবর্তন করতে হয় লাইফ স্টাইল, ত্যাগ করতে হয় কিছু অভ্যাস।

১. ধূমপানঃ আপনি যদি অধূমপায়ী হয়ে থাকেন, তবে এটি আপনার জন্য নয়। ধূমপান হৃদযন্ত্র থেকে যে রক্ত প্রবাহিত হয়, তার প্রভাবিত করে থাকে এবং এর সাথে ধমনী ব্লক করে থাকে। তাই হার্ট অ্যাটাকের পরে অতি দ্রুত ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।

২. পরিপূর্ণ এবং ট্রান্স ফ্যাটঃ ট্রান্স ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে যাওয়া উচিত। এই খাবারগুলো ধমনীর গায়ে দেওয়াল তুলে দেয় এবং হৃদযন্ত্রে রক্ত পৌঁছাতে বাঁধা দিয়ে থাকে। জাঙ্ক ফুড, ফাস্ট ফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৩. চিনি এবং লবণঃ চিনি এবং চিনি জাতীয় খাবার যেমন চকলেট, পেস্ট্রি, মিষ্টি খাবার কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে। যা রক্ত ঘন করে রক্তনালী বন্ধ করে দেয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে হার্টের রোগীদের লবণ একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত খাওয়া উচিত। তারদের প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রামের নিচে লবণ খাওয়া উচিত।

৪. কোলেস্টেরলের মাত্রাঃ বিশেষজ্ঞদের মতে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করোনারি অ্যাটাকের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে থাকে। কোলেস্টেরলের মাত্রা ১৮০ এমজি তে রাখার চেষ্টা করুন। কোলেস্টেরলের বৃদ্ধি করে এমন খাবার যেমন মাখন,ঘি, তেল ইত্যাদি অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৫. শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে যাওয়াঃ অনেকেই হার্ট অ্যাটাকের পরে শারীরিক পরিশ্রম অথবা ব্যায়াম এড়িয়ে চলেন। কিন্তু হালকা ব্যায়াম করা হার্টের জন্য ভাল। আপনি প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে পারেন। তা হতে পারে সাইক্লেনিং, সাঁতার অথবা হাঁটা।

৬. উচ্চ রক্তচাপঃ American Heart Association এর মতে উচ্চ রক্তচাপ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে থাকে। রক্তচাপ ১৪০ থেকে ১৯০ এর মধ্যে থাকা উচিত। যদি এটি উঠানামা করে তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৭. অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা এড়িয়ে চলাঃ ডায়বেটিস বৃদ্ধি, হাইপারটেনশন, ডিপ্রেশন, হাইপোথাইরয়েডিজম ইত্যাদি সরাসরি হৃদযন্ত্রে প্রভাব ফেলে থাকে। তাই অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।

হার্টের রোগীদের অন্য দশজনের থেকে একটু বেশি সাবধানে থাকতে হয়। ছোট একটি ভুল বা অসাবধানতা বাড়িয়ে দিতে পারে মৃত্যু ঝুঁকি।

হার্টের ব্লক দূর করতে হোমিও ট্রিটমেন্ট অনেক কার্যকর। আপনি এলোপ্যাথি ঔষধের পাশাপাশি হার্টের ব্লক দূর করতে হোমিও ট্রিটমেন্টনিতে পারেন। তবে এর জন্য অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

10/01/2017

Sponsored by Revcontent
মাত্র ৪ দিন খালি পেটে কিশমিশের পানি খান ! কেন খাবেন জানলে এখনই খাওয়া শুরু করবেন?


রক্তস্বল্পতায় কিশমিশ যে উপকারী, সেটা অনেকেই জানেন। কারণ, কিশমিশ শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে। কিন্তু, এটা জানা আছে কি, আপনার লিভার বা যকৃত্ পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে। অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গন্ডগোল থাকবে না। সেইসঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন।
অনেক ডাক্তারও রোগীকে ওষুধের পাশাপাশি কিশমিশ প্রেসক্রাইব করেন। কারণ, কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে। সেইসঙ্গে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে।
কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না-খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। পানিতে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে।
রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষতিকারক পদার্থ শরীরে জমতে শুরু করে আমাদের অসুস্থ করে তোলে। তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে। যার দরুণ হজমশক্তিও বাড়ে।
যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ
২ কাপ পানি (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে। তা-ও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু-কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

10/01/2017

খালি পেটে ভুলেও খাবেন না যে খাবার গুলি


ঘুম থেকে উঠে অনেকে অনেক কাজ করে থাকেন। কেউ খালি পেটে পানি পান করেন কেউ বা চা আবার কেউ খালি পেটে কফি পান করে থাকেন।

কিন্তু আপনি কি জানেন খালি পেটে কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত আর কোন খাবারগুলো খাওয়া একেবারেই উচিত নয়? খালি পেটে লেবু পানি বা রসুনের কোয়া খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী তা আমরা জানি।

এমন কিছু খাবার আছে যা দারুন স্বাস্থ্যকর, কিন্তু খালি পেটে খাওয়া একদমই উচিত নয়।

১। সোডা জাতীয় পানি পান : খালি পেটে কোক, মিরিন্ডা, বা সোডা জাতীয় খাবার খেলে কি হবে? এই খাবারগুলো অ্যাসিড লেভেল বৃদ্ধি করে দেয়, যার কারণে অ্যাসিডিটি সমস্যা, বমি বমি ভাব এমনকি জ্বালাপোড়ার সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

২। কলা : স্বাস্থ্যকর এই ফলটি খালি পেটে খাওয়া বেশ ক্ষতিকর। আমরা সবাই জানি কলা ম্যাগনেসিয়ামের একটি বড় উৎস। কিন্তু খালি পেটে কলা খেলে শরীরের ম্যাগনেশিয়ামের পরিমাণ বৃদ্ধি করে দেয়। যার কারণে শরীরে ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। যা হৃদয় ও রক্ত ধমনী জন্য ক্ষতিকর হয়ে থাকে।

৩। টমেটো : টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে পেকটিন এবং ট্যানিক অ্যাসিড রয়েছে। টমেটো খালি পেটে খেলে, ট্যানিক এবং পেকটিন অ্যাসিডের সাথে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের বিক্রিয়া ঘটিয়ে থাকে। যা পাকস্থলীতে পাথর সৃষ্টি করে।

৪। টক দই : স্বাস্থ্যকর টকদই ও খালি পেটে খাওয়া অস্বাস্থ্যকর। এটি আপনার হজম শক্তি নষ্ট করে দেয়। এমনকি টকদইয়ে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায় খালি পেটে এটি খাওয়ার কারণে।

৫। মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলুতে টমেটোর মত পেকটিন এবং ট্যানিক অ্যাসিড রয়েছে। যার কারণে খালি পেটে খেলে পাকস্থলীতে পাথর হতে পারে। এমনকি এটি বুক জ্বালাপোড়া, গ্যাসিটের ব্যথার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

৬। মশলা জাতীয় খাবার : অতিরিক্ত ঝাল মশলা জাতীয় খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। খালি পেটে ঝাল মশলা জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে গ্যাস সৃষ্টি হয়ে থাকে, যা অ্যাসিডিটিসহ পেটে ব্যথার কারণ হয়ে থাকে।

07/01/2017

পুরী থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় লাক্সারি বাস, মৃত্যু কিশোরী সহ ৫ জনের
Last Updated: Saturday, January 7, 2017 - 15:10
2568
SHARES
Share on Facebook Share on Twitter
পুরী থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় লাক্সারি বাস, মৃত্যু কিশোরী সহ ৫ জনের

×
ওয়েব ডেস্ক: বেড়ানোই কাল হল। পুরী থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় লাক্সারি বাস। মৃত্যু এগারো বছরের এক কিশোরী সহ ৫ জনের। উলুবেড়িয়া থানার কুলগাছিতে ছ নম্বর জাতীয় সড়কে,নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রেলারের পিছনে ধাক্কা মারে বাসটি। আহত প্রায় সত্তর জন যাত্রী। হাসপাতালে ভর্তি কয়েকটি শিশু সহ তিরিশ জন। আশঙ্কাজনক দশ।

আরও পড়ুন রোজভ্যালিকাণ্ডে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিতে মোট বিরাশি জন যাত্রী ছিলেন। নিহত কিশোরীর নাম দেবস্মিতা ঘুকু। বাড়ি ডোমজুর থানা এলাকায়। দোসরা জানুয়ারি লাক্সারি বাস ভাড়া করে পুরী বেড়াতে যান হাওড়ার পাঁচলা, জগত্‍বল্লভপুর, ডোমজুড় এলাকার মোট বিরাশি জন বাসিন্দা। ফেরার পথে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। বেশ কিছুক্ষণ ভিতরেই আটকে ছিলেন যাত্রীরা। শেষপর্যন্ত দমকল গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও।

07/01/2017

রক্তে চর্বি বেড়ে গেলে কী করবেন
অনলাইন ডেস্কপ্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০১৭, ১২:১২:০১

অঅ-অ+
বয়সের সঙ্গে বাড়তে থাকে আমাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা। তবে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখা কঠিন কাজ নয়।

চর্বি জাতীয় খাবার, ভাজাপোড়া ও মসলা জাতীয় খাবার আমাদের শরীরে খারাপ চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। খারাপ চর্বি নিয়ন্ত্রণ করলেই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব।

উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপানের অভ্যাস, অতিরিক্ত মেদভুঁড়ি, রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেশি, জেনেটিক কারণ, অলস জীবনযাপন, কায়িক পরিশ্রম কম করে তাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার আশংকা থাকে। এছাড়া যাদের এই ঝুঁকি থাকে তাদের কম ঘনত্বের কোলেস্টেরল বা ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা ৭০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের নিচে থাকা উচিত।

রক্তে খারাপ চর্বি বেড়ে গেলে দুর্বলতা বা অবসাদগ্রস্ত, বুকে ব্যথা, বদ হজম হয়ে থাকে।

পরিবারের বা বাবা-মায়ের হৃদরোগের ইতিহাস এবং আপনার হৃদরোগ হওয়ার মতো ঝুঁকি রয়েছে কি না সেটা জেনে সাধারণত জীবনাচরণ পদ্ধতি পরিবর্তন, চর্বি জাতীয় খাবার বর্জ, শাকসবজী ও ফলমূল খেলে কোলেস্টেরল স্বাভাবিক মাত্রায় আনা সম্ভব।

এছাড়া কীভাবে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা নিম্নে আলোচনা করা হলো :

চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার : কোলেস্টেরল কমানোর সহজ উপায় হচ্ছে বেশি কোলেস্টেরলযুক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করা। তবে শুধু খাবারের কোলেস্টেরলই রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ানোর জন্য দায়ী নয়। সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যেমন- মাখন, চর্বিযুক্ত গরুর মাংস ও খাসির মাংসের কলিজা, মগজের পরিবর্তে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যেমন : সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, জলপাইয়ের তেল খাওয়া যেতে পারে।

ব্যায়াম : শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম শুধু রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় না, উপকারী কোলেস্টেরলের পরিমাণ (বেশি ঘনত্বের লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরল) ১০ শতাংশ বাড়ায়। জোরে জোরে হাঁটলেও এমন উপকার পাওয়া যায়। নৈশভোজের পর কমপক্ষে ৪৫ মিনিট তাহলে উপকৃত হবেন।

আঁশযুক্ত খাবার : সবজি এবং ফলমূল শরীরের জন্য উপকারী। এগুলো রক্তে কোলেস্টেরলও কমায়। দ্রবণীয় আঁশ পরিপাক নালি থেকে স্পঞ্জের মতো কোলেস্টেরল শুষে নেয়। রক্তচাপ বেশি হলে অতিরিক্ত রসালো জাতীয় ফল না খওয়াই ভালো।

মাছ : মাছ ও মাছের তেল কোলেস্টেরল হ্রাস করতে সাহায্য করে। মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। এটি রক্ত থেকে কোলেস্টেরল এবং অন্যান্য ক্ষতিকর চর্বি কমিয়ে ফেলে। সপ্তাহে অন্তত চার দিন মাছ খাওয়া উচিত। বিভিন্ন উদ্ভিদজাত খাবারেও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়। যেমন- সয়াবিন তেল, কাঠবাদাম তেল ইত্যাদি।

মদ্যপান পরিহার : অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। মদ সেবন থেকে বিরত থাকুন।

ধূমপান পরিহার করুন : ধূমপানে রক্তে উপকারী কোলেস্টেরল বা বেশি ঘনত্বের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই ধূমপান ছেড়ে দিতে হবে।

জন্ম নিয়েন্ত্রণ বড়ি : জন্ম নিয়েন্ত্রণ বড়ি সেবনে নারীদের তলপেটে খারাপ চর্বি জমে। এই বড়ি সেবন পরিহার করলে নারীদের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : ইউরিক এসিড যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রক্তের কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে হলে অবশ্যই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাদের অবশ্যই জীবনাচরণ পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। যদি হৃদরোগের উপসর্গ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ সেবন করতে হবে।

ডা. ফাহিম আহমদ রুপম, মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, সেন্ট্রাল হাসপাতাল, গ্রিনরোড, ঢাকা

Address

Fulbaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Flyshop.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Flyshop.bd:

Share