03/03/2026
একদিকে ইরান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন হামলা, নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন—রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামরিক হুমকির মাধ্যমে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। বরং পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়েছে।
এই প্রক্রিয়ায় ইসরাইল শুধু নিজেই ঝুঁকির মধ্যে পড়েনি, বরং তার ঘনিষ্ঠ মিত্র আমেরিকা-কেও সরাসরি সংঘাতের ভেতরে টেনে এনেছে। এর প্রভাব পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে—অস্থিতিশীলতা, সহিংসতা এবং নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে বহুগুণ।
ইরান আগেই ঘোষণা দিয়েছিল—যদি তাদের ওপর সরাসরি হামলা চালানো হয়, তবে তারা আমেরিকান ও ইসরাইলি স্বার্থকে লক্ষ্য করে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে দেখা যাচ্ছে, সেই হুঁশিয়ারি কেবল বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।
একদিকে যেমন ইরান ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে, অন্যদিকে আমেরিকার ক্ষতি হয়েছে আরও গভীরভাবে। বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের সেনা হতাহত হয়েছে, যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর এসেছে, সামরিক ঘাঁটি আক্রান্ত হয়েছে এবং একাধিক দূতাবাস হামলার শিকার হয়েছে—যেখানে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক—দুই ক্ষেত্রেই ট্রাম্প প্রবল চাপের মুখে পড়েছেন।
শুধু বিদেশে নয়, আমেরিকার ভেতরেও ট্রাম্প ব্যাপক সমালোচনা ও বিক্ষোভের সম্মুখীন হয়েছেন। তার যুদ্ধকেন্দ্রিক নীতি প্রশ্নের মুখে পড়েছে, আর বিশ্বজুড়ে শান্তিকামী মানুষের উদ্বেগ আরও গভীর হয়েছে।
এই সংঘাত আবারও প্রমাণ করে—যুদ্ধ কোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। আগ্রাসন শেষ পর্যন্ত আগ্রাসনকেই ডেকে আনে, আর তার মূল্য দিতে হয় সাধারণ মানুষ ও গোটা বিশ্বকে।
ড্রেস পয়েন্ট ক্লাব
০১৭৫৩-৫৬২৫২৫