RMG Consultancy Services BD.

RMG Consultancy Services BD. Bangladesh is a country rich in ready-made garments. We will make your drawing or imaginary style real.... That is why my experiences are always practical.

This page will work in collaboration with those who are currently established and new garment traders in different countries. In August 2020, I entered the world of ready-made garments with 18 years of experience. I started my working life from a knit garments factory seventeen years ago. It is my habit to work with utmost attention and responsibility and to look at how everything is done with a k

een eye. My calculation of the reasons for studying physics is quite formulaic and accurate. I have worked in a total of 4 knit garments factories. Since then I have worked with Knit Garments on as many complex items as oven production. I have also done the work of shipment documentation along with merchandising, marketing, and sourcing and production plan. My company has gained experience in making clothes for all classes of people including uniforms, jackets, children's items, old people's items. I have ample knowledge about the scope and limitations of the garment industry in Bangladesh. I know from which fabrics raw materials and trims are made in Bangladesh and it is possible to get tax easily and at low cost. Now working on a Canadian company's factory sourcing, trims supply and quality control. The company mainly buys exclusive formal pants, casual pants and shirts from several countries. Their customers are in Canada and America. It is not a salary based job. It is possible for such a company to provide more services at the same time. I maintain a personal office and some staff to make my work easier. I keep a full time quality controller for each production line to ensure timely delivery of the right quality work from the factories in Bangladesh. I do not neglect to keep in touch with customers and suppliers all the time with all the updates.

সামনে জেনুইন বিপ্লব অপেক্ষমান।  বিএনপি শীর্ষ নেতা তারেক রহমান ছাড়া অধিকাংশ বিএনপি নেতাই দেশের প্রতি দায়িত্বশীল নেই। হাজা...
11/10/2024

সামনে জেনুইন বিপ্লব অপেক্ষমান।
বিএনপি শীর্ষ নেতা তারেক রহমান ছাড়া অধিকাংশ বিএনপি নেতাই দেশের প্রতি দায়িত্বশীল নেই। হাজার হাজার কোটি টাকা খেকো আওয়ামীলী জালেমদের অবস্থা দেখে শিক্ষা না নিয়ে অধিকাংশ বিএনপি নেতাই সুযোগ খুঁজতে ব্যস্ত। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, যারা আমেরিকা ইন্ডিয়ার পা চাটা গোলামর রয়েছে আমেরিকা তাদের প্রতি আগ্রহী। কিন্তু দেশপ্রেমিক তারেক রহমানের প্রতি আগ্রহী নয়। সুতরাং একটি স্বঠিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে বাংলাদেশে জনাব তারেক রহমানের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত নয়। তাই দেশে ফেরার জন্য তারেক রহমানের স্বঠিক সময় এখনো আসেনি। দেশে আসলেই সস্তা আততায়ীদের হাতে জীবন বিপন্ন হতে পারে এই দেশপ্রেমিক নেতার। যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায় তবেই তারেক রহমান বিশ্বস্ত নিরাপত্তা নিয়ে দেশে ফিরবেন এবং জনতার জেনুইন বিপ্লব হবে সেই দিন।
টপ নেতৃত্বের মধ্যে যারা এখনো নিজেদের স্ট্যাটাসে সৎ ও ত্যাগী ঘোষণা করছেন তাদের অনেকের পিওন চাপরাশি জেলা ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আসছে এবং এর কারণ পাবলিক ঠিকই বুজতে পারে। জনাব তারেক রহমানের কাছে এই অজনপ্রিয় এবং অযোগ্য নেতাদের পাবলিক লেভেল অস্তিত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা অবহিত রয়েছে। সুতরাং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল লেভেল নেতা দিয়ে বিএনপি চলবেনা। জাস্ট ধৈর্যের বিষয়। ৩ বার দাখিল পরীক্ষা দিয়ে পাশ না ফেল জানা নেই এবং ২৫ গ্রেস মার্ক নিয়ে এসএসসি পাস ইন্টার ফেল এইটা মঠবাড়িয়া বিএনপির নেতৃত্ব লেভেল হতে পারেনা। হ্যা, মানা যেত যদি পাবলিক লেভেলে ব্লাইন্ড জনপ্রিয়তা থাকতো। নেক্সট এক্সপ্লানেশন আবার লিখবো।

ইমোশন কোনো রাজনীতির ফলাফল দাবি করেনা।  কর্তৃত্ব রাজনীতির  নেতা নির্বাচনের নির্ণায়ক। ষসেটা অবশ্যি সততা ও সমাজ হিতৈষী কর্ত...
12/09/2024

ইমোশন কোনো রাজনীতির ফলাফল দাবি করেনা। কর্তৃত্ব রাজনীতির নেতা নির্বাচনের নির্ণায়ক। ষসেটা অবশ্যি সততা ও সমাজ হিতৈষী কর্তৃত্ব। নেতার অনুসারী হয়ে যা খুশি করা সম্ভব এটা জিয়ার আদর্শ না। জিয়ার নাম বলে যেমন দুর্নীতি অসম্ভব তেমনি তার আদর্শের অনুসারী দাবি করলে কোনো আত্মীয়, পারিবারিক সদস্য বা অনুসারী হয়ে দুর্নীতি অসম্ভব। ব্যতিক্রম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আশির দশক ও নব্বইয়ের দশকে চেষ্টা থাকতো দলে অন্য দলের সমর্থক, কর্মী ও নেতাদের স্বাগত জানিয়ে বরণ করা।  আর গত দু'দশক ধরে ক্ল...
28/08/2024

আশির দশক ও নব্বইয়ের দশকে চেষ্টা থাকতো দলে অন্য দলের সমর্থক, কর্মী ও নেতাদের স্বাগত জানিয়ে বরণ করা। আর গত দু'দশক ধরে ক্লিন ইমেজের কেউ দলে আসলে হাইব্রিড আর ভিন্নমত থেকে আসলে অনুপ্রবেশকারী বলা হয়। যারা নিজেদের এতদিন নির্দলীয় দাবি করতো তারা নিঃসন্দেহে আওয়ামীলীগের দুঃশাসনকে ঘৃণা করতো এবং এদের ভিতর থেকেই কোটা সংস্কার দাবি থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সর্বসাধারণের একদফা সরকার পতন আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। আমার জানামতে এই আন্দোলনে কট্টরপন্থী অনেক আওয়ামীলীগারদের সন্তানরাও জীবনবাজি রেখে রাস্তায় সংগ্রামে যোগ দিয়েছিল। এতদিন যারা নিজেকে কোনো দলের কর্মী দাবি করেননি অথচ সুনাগরিক তাদের এবং আওয়ামীলীগ কর্মী(যারা অবশ্যই নিরপরাধ ও সৎ) তাদের দলে স্বাগত জানানো উচিত। রাষ্ট্রকে পরিবার ভাবতে হলে প্রতিটি নাগরিককেই সেই পরিবারের সদস্য ভাবতে হবে। পরিবারের কোন সদস্য বেয়ারা বা অপরাধী হলে তাকে আইনানুযায়ী শাস্তি পেতে হবে। শাস্তি শেষে সে নিরপরাধ হয়ে পরিবারে ফিরবে। কারো গুরুদন্ড হলে সবাই অপরাধ ও শাস্তি সম্পর্কে জেনে শিক্ষালাভ করবে। এভাবেই রাষ্ট্র হবে একটি দেশপ্রেমিক পরিবার এবং প্রতিটি সদস্য হবে একে অন্যের সহায়ক।
সমাজের একটি বিশাল গোষ্ঠীকে নিষ্ক্রিয় বা বঞ্চিত রেখে দেশকে পরিবার ভাবা যায়না এবং এগিয়ে নেওয়া যায়না। শত্রুতার মানে হলো একে অন্যকে বিপদে ফেলার চেষ্টায় ব্রতী হওয়া। এই চেষ্টা সামনে এগিয়ে যাওয়ার অন্তরায়। তবে শত্রুতা যদি ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণের প্রতিযোগিতা হয়, সেই শত্রুতা সবার উন্নতি ও উন্নত মানসিকতা তৈরির সহায়ক হতে পারে। কারো সম্মুখে যদি আপনি রাষ্ট্র ক্ষমতার অস্ত্র নিয়ে দাঁড়ান, সুযোগ বুঝে সে আপনার পিছনে ছুরি নিয়ে দাঁড়াবে। ক্ষমতা যখন নিজের স্বার্থে ব্যবহার করবেন তখন নিজেকে শত্রুবেষ্টিত ভাবতে হবে এবং ক্ষমতা শেষে দাম্ভিক আওয়ামীলীগের মতো পালিয়ে যেতে হবে এবং পালিয়ে বেড়াতে হবে। সুনির্দিষ্ট অপরাধে অপরাধীদের আইনের মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করুন। নিজেও ক্ষমতার এই দাম্ভিকতার সর্বশেষ চিত্র মনে রাখুন।

11/08/2024
10/08/2024

ক্যারিজমেটিক ব্যক্তিত্ব দিয়েই রাজনীতিতে অস্তিত্ব সৃষ্টি এবং রক্ষা করতে হয়।।
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাব মৃদু এবং ক্ষণস্থায়ী।

জামাতের ভাগিনাদের ১০ বছরের রাষ্ট্র লিজ নেওয়ার মামা বাড়ির আবদার: *********************************************** সব সময় ম...
10/08/2024

জামাতের ভাগিনাদের ১০ বছরের রাষ্ট্র লিজ নেওয়ার মামা বাড়ির আবদার:
***********************************************
সব সময় মোনাফেকীর শাস্তি বরাবর পেয়েও এই দলটি শিক্ষা নেয়নি।
১. স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার বিরোধিতা করেছে। কিন্তু মাতৃভূমি যখন রক্তাক্ত হয়েছিল তার বিরোধিতা করার অপরাধ স্বীকার করেনি এবং সেই অপরাধের জন্য আজও ক্ষমা চায়নি।
২. ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে জাতীয় বেঈমানের অংশীদার হয়েছিলো, ক্ষমা চায়নি।
৩. ১৯৯১ সালের বাংলাদেশের প্রথম অবাধ নির্বাচনে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ ও পতিত স্বৈরাচারের সাথে যুক্ত হয়ে ১ বছরের মাথায় সরকার পতন ও কেয়ারটেকার সরকারের দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছিলো, সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছিল। আওয়ামীলীগের বন্ধু হয়ে রাজাকারের খেতাব ঘোচাতে চেয়ে ছিলো। দুর্ভাগ্য, ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গেলেও জামাতের কপালে জোটে মাত্র ৩টি আসন এবং তারও একটি আবার আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাতিল হয়ে যায়। আওমীলীগের কেনু গুতা খেয়ে আবার ২০০১ সালে বিএনপির টেংরি হয়ে নির্বাচন করে সরকারের অংশীদার হয়ে। সারা বিশ্বে সেই চার দলীয় সকারের দিকে কঠিন পর্যবেক্ষণ ছিলো পশ্চিমা দেশগুলির। সরকারকে জনপ্রিয় করার মিথ্যা কু পরামর্শে RAB গঠন ও ছাত্রদল যুবদলের সবচেয়ে সাহসী নেতাদের ক্রস ফায়ার করে হত্যা করা হয়। এই মুনাফেকদের ধারণা ছিল যুবদল ছাত্রদলের নেতৃত্বে থাকা সাহসীদের খতম করতে পলে শিবিরের নেতৃত্ব সামনের সারিতে থাকবে। ছাত্রদল যুবদলের সেইসব সাহসী নেতৃত্ব না থাকায় আওমী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন দুর্বার হয়নি ঠিকই কিন্তু সূর্যোদয়ের আগে শিবিরের ঝটিকা মিছিল ছাড়া প্রকাশ্যে কোন আন্দোলনের মিছিলে শিবিরকে দেখিনি।
৪. ওয়ান ইলেভেন সরকার নির্বাচন দেওয়ার আগে বেগম জিয়ার সাথে ক্ষমতার দেন দরবার করছিলো। আপোষহীন নেত্রী কোন ম্যানুপুলেটেড বিজয় গ্রহণে রাজি হননি। শেষে তারা খুনি হাসিনার আশ্রয় নেয় এবং একটি কারসাজির নির্বাচন করে আওয়ামীলীগ এর ইচ্ছামত আসন দিয়ে নির্বাচন করে। বেগম জিয়া ঐ ধরণের নির্বাচন চাননি এবং নির্বাচনে যাবার ব্যাপারে সময় নিচ্ছিলেন। কিন্তু জামান নির্বাচনে যেতে মরিয়া হয়ে যায় এবং বেগম জিয়ার সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করেনি।
৫. বিগত ১৫ বছরের যতগুলো জোটবদ্ধ সরকার বিরোধী সমাবেশ হয়েছে তাতে গর্জনের মতো বর্ষণ নিয়ে জামাতকে হাজির হতে দেখা যায়নি।
৬. স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির ট্যাগ জামাতের গায়ে। বিনপির সাথে এই ট্যাংরি জোটবদ্ধ থাকায় বহির্বিশ্বে বিএনপির ভাবমূর্তি বারবার ক্ষুন্ন হয়েছে। ইসলামবিদ্ধেষী পশ্চিমা শক্তিকে শেখ হাসিনা জামাতের সাথে বিএনপিকে জড়িয়ে একটি মুসলীম মৌলবাদী শক্তি হিসেবে বার বার বুঝতে সক্ষম হয়েছিল এবং ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে পেরেছিলো।
৭. জামাতযে বিধর্মীদের জন্য বিপদ নয় এই ব্যাপারে বিগত ৫০ বছরেও ভারত কিংবা পশ্চিমা দেশগুলিকে তাদের উদার ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী দল হিসেবে প্রচার করেনি বা উগ্র ধর্মান্ধ নয় এটাও প্রচার বা প্রমান করেনি।
৮. সাধারণ ছাত্র ও অভিভাবকের সম্মিলিত দুর্বার গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা ও তার দল পালানোর পর বিশ্বের সবচেয়ে ক্লিন ইমেজের নিজ গুনে যোগ্য মানুষ জনাব প্রোফেসর ড. মুহাহাম্মাদ ইউনুছের নেতৃত্বে একটি নির্ভেজাল নির্মোহ অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছে। মুনাফেকের দলটির মিডিয়া সেল এখন বিএনপিকে ইউনুছ সরকারের বিরোধী শক্তি হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টায় নানান প্রোপাগান্ডা ছড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর সুযোগে পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের ফিরে আসার পথ তৈরী হচ্ছে।
৯. দাবি করছে ১০ বছরের বিনাভোটে ক্ষমতা নেওয়ার। আঃ কি মামাবাড়ির আবদার। ২০ জন নাই উপযুক্ত মন্ত্রিত্ব করার, ৩০০ আসনে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান দেওয়ার মত নেতা নাই দলে তারা চাইছে ১০ বছরের জন্য রাষ্ট্রের লিজ চুক্তি।
১০. আয়নাঘরে জামাতের আটক নেতারা জীবিত আছেন। কিন্তু ইলিয়াস আলী সহ বিএনপির নেতারা বেঁচে নাই কেন?
১১. ছাত্র জনতার গণআন্দোলনে শিবিরের কে নিহত হয়েছে? ছাত্রদলের অনেকেতো জীবন দিলো।
১২. বাংলাদেশে যদি বর্তমানে ১ লক্ষ পবিত্র কুরআনের হাফেজ বা ১০ পারা পবিত্র কুরআন মুখস্থ থাকা মুসলিম থাকে তবে এদের কতজন জামাত শিবিরের তত্বাবধানে তৈরী হয়েছে ? কয়টা মাদ্রাসা বা হাফেজি মাদ্রাসা জামাত বা শিবিরের টাকাদিয়ে পরিচালিত? এই দলটি নিজেদেরকে ইসলামী প্রধান শক্তি ভাবছে। বাংলাদেশে আল কুরআনের হাফেজ, আলেম, ওলামা তৈরিতে অবদান রয়েছে প্রগতিশীলদের ও জামাতের সমালোচনার লক্ষবস্তু পীরদের ও হেফাজতের প্রতিষ্ঠানগুলির। জামাতের নয়।

08/08/2024

৫ বছর ড. ইউনুস। তার পর পরিশোধিত রাজনৈতিক সরকার। পেশী শক্তি সন্ত্রাস থাকবেনা।

08/08/2024

আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে ওঠা আওয়ামী শয়তান গুলা টাকা দিয়ে কাউকে যেন কিনতে না পারে।

07/08/2024

ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুর এলাকায় ডাকাতদের আবির্ভাব হয়েছে। সতর্ক থাকুন।

07/08/2024

প্রিয় প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস, দেশবাসী আপনার সাথে থেকে আপনার মত হাসি মুখে বাঁচতে চায়।

১. আওয়ামীলীগের অন্যায়, অবিচার, হামলা, মামলা এর ভয়ে মিনিমাম সম্মান নিয়ে বাঁচতে বহু মানুষ হাসিনা আওয়ামীলীগ মুজিব এসবের বির...
06/08/2024

১.
আওয়ামীলীগের অন্যায়, অবিচার, হামলা, মামলা এর ভয়ে মিনিমাম সম্মান নিয়ে বাঁচতে বহু মানুষ হাসিনা আওয়ামীলীগ মুজিব এসবের বিরুদ্ধাচরণ করতে সাহস করেনি। এইদলের সবচেয়ে নষ্ট, পথভ্রষ্ঠ, বেয়াদব, মিথ্যুক, সাইকোপ্যাথদেরও কেউ সমালোচনা করতে সাহস করেনি । বরং লোক দেখানো বন্ধনা করেছে। স্রোতে গা ভাসিয়ে ১৬ বছর কাটিয়েছে। এই মজলুম বিপথগ্রস্থরা স্বচরিত্রে ফেরত আসা মানে ভোল পাল্টানো নয়। এরা নিরাপরাধ অসহায়। এদের উপর জুলুম করবেননা। ভাবুন, অনুধাবন করুন এবং ন্যায় বিচার করুন।

২.
মনে রাখবেন ক্ষমা করার মহৎ গুনটি স্বয়ং ন্যায় বিচারক আল্লাহতালার। আল্লাহকে ভয় করুন। ফজরের প্রথম নফল নামাজের সূরা আল কাফিরুন পড়া সবচেয়ে বেশি ফজিলতের। অর্থাৎ এই সূরা তওয়াফ করে একজন মুসলিমের দিন শুরু হয়ে। এই সূরার মূল কথা হলো "ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নেই। যার ধর্ম তার কাছে।" আবার পবিত্র হজ বা উমরাহ এর প্রথম কাজ মহান আল্লাহর পবিত্র ঘর গর্বের সাথে এহরামের একটুকরা কাপড় ডান হাতের নিচ দিয়ে বাম কাঁধে তুলে ৭ বার আল্লাহর পবিত্র ঘর তওয়াফ করা। একজন মুসলমানের এটা একটা সবচেয়ে সাফল্যের মুহূর্ত। আর সর্বোচ সাফল্যের এই কাজটি শেষ করেই আবার সূরা আল কাফিরুন পাঠ করে নামাজ আদায় করতে হয়। অর্থাৎ আবার স্মরণ করতে হয় "ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নেই। যার ধর্ম তার কাছে। "
সুতরাং ভিন্ন ধর্মপালনকারী ব্যক্তি একজন মুসলমানের কাছে নিরাপদ থাকা মুসলিমদের জন্য একটি মহান দায়িত্ব। এদের উপর জুলুম করলে একজন মুসলিম তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ বলে গণ্য।

Address

Bashabo, Dhaka
Goran
1214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RMG Consultancy Services BD. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RMG Consultancy Services BD.:

Share