14/06/2026
অনলাইনে কেউ ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি করছে, কেউ ১৪০ টাকায় করছে, কেউ ১২০ টাকায় করছে। এটা তাদের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত। সে যদি ২০০ টাকাতেও বিক্রি করে, সেটাও তার এক ধরনের অধিকার।
কিন্তু কিছু পাবলিক মেসেঞ্জারে এসে বলে রাজশাহীর আম তো ৫০-৬০ টাকা কেজি?
ভাই, আপনি যদি বিভিন্ন পেইজ, ইউটিউবে দেখা বাগানের দামে আম কিনতে চান তাহলে একদিন রাজশাহী চলে আসুন।
ইনশাআল্লাহ, বাগান পর্যন্ত নিয়ে যাব।
আম কিনতেও সাহায্য করব।
কিন্তু সমস্যা হলো, অধিকাংশ মানুষ রাজশাহীর দামে আম কিনতে চান রাজশাহী থেকে না, নিজের বাসা থেকে।
সেখানেই হিসাবটা বদলে যায়। কারণ তখন শুধু আম থাকে না।
এখানে থাকে:
১. আম
২. প্যাকেজিং ইলিমেন্ট (ক্যারেট, বস্তা, পেপার, সুতা)
৩. কুরিয়ার চার্জ
৪. গাড়ি ভাড়া
৫. লেবার খরচ
৬. অফিস খরচ, স্টাফ বিল
৭. বুস্টিং / প্রমোশন
৮. প্রফিট
মানুষ অধিকাংশ সময় শুধু আমের দামটা দেখে। কিন্তু আমটা যে এতগুলো হাত ঘুরে নিরাপদে তার দরজায় পৌঁছায়, সেই গল্পটা আর দেখে না।
তাই বাজারের বাগানদর আর বাসায় পৌঁছে দেওয়া দামের তুলনা করা একটু কঠিন।
আমরা চেষ্টা করি ন্যায্য দামে ভালো আম পৌঁছে দিতে। যারা বরাবরই অনলাইন থেকে আম অর্ডার করেন তারা অনেকেই এই ধাপগুলো জানেন।
যাই হোক, রাজশাহীর অথেন্টিক আম অর্ডার করতে E shop পেজে মেসেজ দিন। আম্রপালি বেস্ট হবে এই সিজনেও।