Bongo Lolona : বঙ্গ ললনা

Bongo Lolona : বঙ্গ ললনা নতুন সব ডিজাইনের নন স্টিচ থ্রী পিচ ও লন কালেকশন। আমরা আপনাকে দিচ্ছি আকর্ষণীয় সব পোশাক।

নতুন সব ডিজাইনের নন স্টিচ থ্রী পিচ ও লন কালেকশন। আমরা আপনাকে দিচ্ছি আকর্ষণীয় সব পোশাক আপনার সাধ্যের মধ্যে।

Cutton three pcs
07/04/2022

Cutton three pcs

29/03/2022
19/03/2022
Ac cotton three pcs
19/03/2022

Ac cotton three pcs

14/12/2018

হে বাংলার বীর সন্তান ।
তোমাদের প্রতি রইল হাজার সালাম।।

08/02/2018

>> আদিকালের সাজ-পোশাক

সৃষ্টির শুরুতে, আদিমযুগেও মানুষ কখনো নিরাবরণ থাকেনি। প্রাচীনকালে গাছের পাতা আর ছাল-বাকলে নিজেকে আবৃত করেছে মানুষ। পোশাকের আদি ফ্যাশনে ছিল পাতার নান্দনিক ব্যবহার। মানুষের প্রথম অলংকার ছিল পাখির পালক, সুদৃশ্য লতাপাতা। রঙিন ফুল-ফলের নির্যাস ছিল নারীর আদি প্রসাধন।
প্রাচীন বাংলার নারী পুরুষ এক প্রন্ত কাপড় পরতেন। এটা নিম্নাঙ্গের পোশাক। আবক্ষ নগ্ন থাকাটা তখন স্বাভাবিক রীতি ছিল। সংস্কৃতি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের পোশাক-আশাক, অলংকার আর প্রসাধন সামগ্রীতে নানা পরিবর্তন এসেছে।

Collected.

08/02/2018

শাড়ী #৫

শাড়ির জনপ্রিয়তা এখন শুধু বাঙালি নারীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, শাড়ির ফ্যাশন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পেয়েছে পরিচিতি। ভিনদেশি অনেক নারীকে আকৃষ্ট করেছে শাড়ি। আর বাঙালি নারী তো শাড়িতেই সুন্দর। অস্বীকার করার জো নেই, বাঙালি নারীর সৌন্দর্যের সঙ্গে শাড়ির আলাদা এক যোগ আছে। আভিজাত্যে, আকর্ষণে শাড়ির বিকল্প আর কিছু কী হতে পারে!

Collected.

08/02/2018

শারী #৪

শাড়ি পরার নতুন নতুন স্টাইল যোগ হতে থাকে বিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে। শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজের ব্যবহার এসেছে মুসলমান শাসনের সময়। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসনের সময় এই ব্লাউজের চলটা ব্রিটিশ নারীদের জ্যাকেট ব্যবহার থেকে কিছুটা অনুপ্রানিত হয়। ব্লাউজ পরার প্রচলনটা প্রসার পায় ঠাকুরবাড়ির নারীদের হাত ধরে। জোড়াসাঁকোর অন্দরে নারীর পোশাকে আধুনিকতার ছোঁয়া এসেছিল সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী জ্ঞাননন্দিনী দেবীর সৌজন্যে। ‘বোম্বাই’-এ গিয়ে তিনি পারসী মেয়েদের শাড়ি পরার আধুনিক ভঙ্গিটি শিখে ফেরেন। এই নতুন স্টাইলের নাম হয়েছিল ‘বোম্বাই দস’র’ শাড়ি। কলকাতার নারীদের কাছে যা ব্রাক্ষ্মিকা শাড়ি বা ঠাকুর বাড়ির শাড়ি নামে পরিচিত ছিল।

Collected.

08/02/2018

শাড়ী #৩

সাটি বা সারঙ্গ শাড়ির আদি নাম। প্রাচীনকালে নারীরা যে নিুবাস পরতেন, সেটিই শাড়ির আদিরূপ। সে সময় নাভির নিচ থেকে দুই-তিন প্যাঁচের একটি কটিবন্ধের সাহায্যে কাপড়টি কোমরে আটকানো হতো। কটিদেশের গিঁট ঝুলতো নাভির নিচে। এর নিুভাগ থাকত পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত।
আজকের দিনে বাঙালি নারী যেভাবে কোমরে এক বা একাধিক প্যাঁচ দিয়ে শাড়িতে অধোবাস তৈরি করে, প্রাচীনকালে অধোবাস পরার পদ্ধতিও তা-ই ছিল। তবে এখনকার মতো শাড়ি দিয়ে উত্তরবাস রচনা করে দেহ আবৃত করা হতো না তখন। দেহের উপরের অংশ অনাবৃত থাকাই সাধারণ নিয়ম ছিল। মূলত মধ্যযুগ থেকেই শাড়ি উর্ধ্ব ও অধোবাস হিসেবে ব্যবহূত হতে থাকে।

Collected.

08/02/2018

শাড়ী #২

সভ্যতা বিকাশের পর শাড়িই বাঙালি নারীর আদি ও অনন্য পোশাক। ধর্মীয় মতামত, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, আন্তর্জাতিক পোশাকসংস্কৃতির আগ্রাসন কোনোটিই শাড়িকে নিজস্ব অবস্থান থেকে সরাতে পারেনি। বাংলায় ফ্যাশনের ক্রমবিকাশে অন্যান্য সব পোশাকই এসেছে শাড়ির সহ-পোশাক হিসেবে, বিকল্প হিসেবে নয়। ব্যাপক রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে পোশাক-আশাক পরিবর্তনেরও কিছু যোগসূত্র আছে। বাংলায় বিভিন্ন রাজবংশের রাজত্ব স্থাপন, একাধিক ধর্মের আবির্ভাব, মুসলমানদের বঙ্গ বিজয়, ব্রিটিশ শাসন ইত্যাদি রাজনৈতিক পরিক্রমা নানা মাত্রার প্রভাব ফেলেছে বাঙালি সংস্কৃতি ও জীবনচর্চায়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আদান-প্রদান ঘটেছে লক্ষণীয় মাত্রায়। কিন’ পোশাক হিসেবে শাড়ি কোনো পরিবর্তনের স্র্র্র্র্রোতেই ভেসে যায়নি। বঙ্গ ভঙ্গ হয়েছে, পূর্ব বাংলা হয়েছে পূর্ব পাকিস্তান, অতঃপর স্বাধীন বাংলাদেশ। এত পরিক্রমার পরেও বাঙালি নারীর পোশাক হিসেবে শাড়ি ধরেছে সমান মর্যাদা আর ঐতিহ্য। শাড়ি পরার ধরনে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে কেবল।

collected.

08/02/2018

শাড়ী #১

সৌন্দর্যের সংজ্ঞা বিবিধ। অন্তর্গত আর বাহ্যিক সৌন্দর্য আলাদা বিষয়। কথায় আছে, আগে দর্শনধারী পরে গুণ বিচারি। উপস্থাপনার গুণেই সৌন্দর্য উদ্ভাসিত হয় ভিন্ন ভিন্ন রূপে। তাই সাজ-পোশাকও একটি শৈল্পিক বিষয় বটেই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত সেই উক্তিটা মনে পড়ে গেল, ‘ফ্যাশন হলো মুখোশ আর স্টাইল মুখশ্রী’। ফ্যাশন এবং স্টাইল সদাপরিবর্তনশীল। তারপরও কিছু ফ্যাশন শাশ্বত, চিরন্তন। সাজ-পোশাকেরও আছে ব্যাকরণ। আর এই ব্যাকরণ একটি ধারবাহিক প্রক্রিয়া মেনেই চলে। কী ইউরোপ-আমেরিকা, কী ভারতবর্ষ, প্রত্যেকের ফ্যাশনেই নিজস্ব ধারা আছে। তবে এখন আদান-প্রদানের সহজ প্রক্রিয়া ফ্যাশনকে দিয়েছে অন্যরকম এক মাত্রা। প্রযুক্তির উৎকর্ষতা আর যোগাযোগের সহজ উপায় পৃথিবীকে আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। মুহূর্তেই আমরা জানতে পারি, বিশ্বের কোন প্রান্তে চলছে ফ্যাশনের কোন ধারা। ফলে এক অঞ্চলের ফ্যাশনে প্রবেশ করছে অন্য অঞ্চলের ধারা। সেই কোন আদিকাল থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত ফ্যাশন বয়ে গেছে নানা আঙ্গিকে। ফ্যাশনের কতশত ধারা, তবু বাঙালি নারী আজও শাড়িতেই অনন্য। ফ্যাশনে বিবিধ পোশাকের আধিপত্যকে থোড়াই কেয়ার করে অনন্য স্থানটি ধরে রেখেছে শাড়ি।

Collected.

07/02/2018

বঙ্গ ললনা > বঙ্গদেশীয় নারী #১

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম নারী শহীদ—প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, বিপ্লবের মূর্ত প্রতীক। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা ও প্রথম বিপ্লবী মহিলা শহীদ ব্যক্তিত্ব।

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯১১ সালের ৫ই মে মঙ্গলবার চট্টগ্রামের ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মিউনিসিপ্যাল অফিসের হেড কেরানী জগদ্বন্ধু ওয়াদ্দেদার এবং মাতা প্রতিভাদেবী। তার পাঁচ ভাই বোনের নাম গুলোও অদ্ভুত সুন্দর মধুসূদন, কনকলতা, শান্তিলতা, আশালতা ও সন্তোষ।

ডা. খাস্তগীর সরকারী বালিকা বিদ্যালয় ছিল প্রীতিলতার প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯১৮ সালে তিনি এই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন।প্রতি ক্লাসে ভালো ফলাফলের জন্য তিনি সব শিক্ষকের খুব প্রিয় ছিলেন। স্কুলে আর্টস এবং সাহিত্য প্রীতিলতার প্রিয় বিষয় ছিলো। ১৯২৮ সালে তিনি কয়েকটি বিষয়ে লেটার মার্কস পেয়ে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাশ করেন। আই.এ. পড়ার জন্য তিনি ঢাকার ইডেন কলেজে ভর্তি হন। ১৯৩০ সালে আই.এ. পরীক্ষায় তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম এবং সবার মধ্যে পঞ্চম স্থান লাভ করে। বৃত্তি পেয়ে কলকাতার বেথুন কলেজ়ে বি এ পড়তে যান। প্রীতিলতার বি.এ. তে অন্যতম বিষয় ছিল দর্শন।ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকায় কৃতিত্বের সাথে স্নাতক পাস করলেও তিনি এবং তাঁর সঙ্গী বীণা দাসগুপ্তর পরীক্ষার ফল স্থগিত রাখা হয়। অবশেষে তাঁদেরকে ২২ মার্চ, ২০১২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে মরণোত্তর স্নাতক ডিগ্রী প্রদান করা হয়।

ঢাকায় যখন প্রীতিলতা পড়তে যান তখন “শ্রীসংঘ” নামে একটি বিপ্লবী সংঘঠন ছিল। এই দলটি প্পকাশ্যে লাঠিখেলা, কুস্তি, ডনবৈঠক, মুষ্টিযুদ্ধশিক্ষা ইত্যাদির জন্য ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ক্লাব তৈরী করেছিল। ঢাকায় শ্রীসংঘের “দীপালী সঙ্ঘ” নামে একটি মহিলা শাখা ছিল। লীলা নাগ (বিয়ের পর লীলা রায়) এর নেতৃত্বে এই সংগঠনটি নারীশিক্ষা প্রসারের জন্য কাজ করত। গোপনে তাঁরা মেয়েদের বিপ্লবী সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ ও করত। ইডেন কলেজের শিক্ষক নীলিমাদির মাধ্যমে লীলা রায়ের সাথে প্রীতিলতার পরিচয় হয়েছিল। তাঁদের অনুপ্রেরণায় দীপালী সঙ্ঘে যোগ দিয়ে প্রীতিলতা লাঠিখেলা, ছোরাখেলা ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষন গ্রহণ করেন।

মাস্টারদা সূর্য সেন এর সাথে প্রীতিলতার বহুল প্রতীক্ষিত সাক্ষাৎ হয় ১৯৩২ সালে। মাষ্টারদা এবং প্রীতিলতার প্রথম সাক্ষাতের বর্ণনাতে মাষ্টারদা লিখেছেন “তার চোখেমুখে একটা আনন্দের আভাস দেখলাম। এতদূর পথ হেঁটে এসেছে, তার জন্য তার চেহারায় ক্লান্তির কোন চিহ্নই লক্ষ্য করলাম না। যে আনন্দের আভা তার চোখে মুখে দেখলাম, তার মধ্যে আতিশয্য নেই, Fickleness নেই, Sincerity শ্রদ্ধার ভাব তার মধ্যে ফুটে উঠেছে। একজন উচ্চশিক্ষিত cultured lady একটি পর্ণকুটিরের মধ্যে আমার সামনে এসে আমাকে প্রণাম করে উঠে বিনীতভাবে আমার দিকে দাঁড়িয়ে রইল, মাথায় হাত দিয়ে নীরবে তাকে আশীর্ব্বাদ করলাম..."

সারা জীবন ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন করে যাওয়া প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার সেপ্টেম্বর ২৪, ১৯৩২ পাহাড়তলী ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণ শেষে পূর্বসিদ্বান্ত অনুযায়ী পটাসিয়াম সায়ানাইড মুখে পুরে দেন। ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণে অংশ নেয়া অন্য বিপ্লবীদের দ্রুত স্থান ত্যাগ করার নির্দেশ দেন প্রীতিলতা। পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়া প্রীতিলতাকে বিপ্লবী শ্রদ্ধা জানিয়ে সবাই স্থান ত্যাগ করে।

Address

4, Ahsanullah Road, Royal Tower
Islampur
1100

Telephone

01713586221

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bongo Lolona : বঙ্গ ললনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bongo Lolona : বঙ্গ ললনা:

Shortcuts

Share