10/04/2020
আসলে আমরা সবাই কম আর বেশি বা খুব বেশি পাপী। কেউ তার বাইরে না।কেউ শতভাগ ভালো নই।
তবে এ জীবনে আল্লাহ সবাইকে সে পাপ মোচন করার কিছু সুযোগ ঠিকি দিয়ে থাকেন।কিন্তু আমরা মানুষ এতটা অবুঝ, আমরা সেই সুযোগ টাও কাজে লাগাতে পারিনা।
কেউ এই কঠিন বিপদের দিনেও একবার নিজের কথা,নিজের মরণের কথা, পাপের কথা চিন্তা করিনা।
চিন্তা করিনা,এখন যদি মরণ হয় আমরা কি নিয়ে দাড়াঁবো আল্লাহর কাছে? কারন সব কিছুর টাইম ট্যাবল থাকলেও মরণের কোন টাইম ফিক্সড করা নাই।
গতরাত শবে বারায়াতের রাত ছিল,এ রাত বেশি নফল নামাজ বা অন্যান্য নফল ইবাদতের রাত ছিল।আল্লাহ এ রাতে অনেক পাপী ব্যক্তি কে ক্ষমা করে দেন,রহমত দান করে কিছু উল্লেখিত ব্যক্তি ছাড়া।
তবে আমরা এ রাতেও আমাদের পাপের জন্য ক্ষমা না চেয়ে,খারাপ কাজ করতে বাধি না।আমরা কিছু এলিয়েন আছি যারা মানুষের কাতারে পরবোনা কোনদিনও। সব সময় ই পাপের বোঝা টা বাড়িয়েই যাবো।আরে বাবা পাপ সবাই করি কম আর বেশি।তাই বলে আরে পাপ তো করিই,আর এই পাপ করলে কি হবে? এটা ভেবে অন্য একটা পাপ বাড়িয়ে যাই দিনের পর দিন। যেটা এক সময় পাহাড় পরিমান হয়ে যায় কখন তা আমরা নিজেরাও বুঝিনা।😥😥
এ রাতেও দেখলাম একজন লোক ৬ বছরের একটা বাচ্চা কে রেপ করেছে।এটা তো গেল এক রকম পাপ,এর বাইরে হাজার রকম পাপ আছে,যা আমরা জানতে বা অজান্তে করে গেছি হয়তো।যা আমরা জানিনা বা হয়তো জানি।😥😥
এই কঠিন মহামারী তেও আমরা অসহায় মানুষের কথা চিন্তা না করে, তাদের হক কিভাবে মেরে খাওয়া যায় সেই চিন্তা করি।😡নিজের ঘর পূর্ন করি।আল্লাহ আমাদের কবে সঠিক বুঝ দিবেন আল্লাহই ভালো জানেন।
আল্লাহ গতরাতেই উছিলাই বা সামনে রমজানের উছিলাই যেন সকল জীর্নতা কাটাতে সাহায্য করে সেই দোয়া করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে যেন মাফ করে দেন।হেদায়েত দান করে সঠিক ভাবে পথ চলার।
তবে সবশেষে কথা একটাই আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন। আমরা খুব বেশিই পাপে নিমজ্জিত হয়ে গিয়েছিলাম যা আল্লাহ সহ্য করতে পারেনাই। আর প্রকৃতিও তার প্রতি করা অনিয়মের হিসেব সুদে আসলে উঠাই নিচ্ছে।যে হারে সব পাপ বেড়ে যাচ্ছিলো এমন দিন আসবে একদিন আমরা সবাই জানতাম। আল্লাহ এমন ধ্বংস এর আগে অনেক বার করেছেন।
তবুও আল্লাহ ক্ষমাশীল।আল্লাহ যেন আমাদের সব কিছু ভূলে ক্ষমা করে দেন। আমাদের এ অবস্থা থেকে মুক্তি দেন।আর কেবল এখন না সব সময় যেন পাপ থেকে দূরে রাখেন এবং বোঝার তৌফিক দান করেন।
আমীন।