কৃষি নিয়ে কথা ৪.০

কৃষি নিয়ে কথা ৪.০ juju officials সাপোর্ট করো সবায়

16/11/2024

আজকে ৫০০ কোয়েল পাখি বাচ্চা নিয়ে খামার শুরু করলাম

06/11/2024

দেখুন আজকে আমরা কি কি করলাম

06/11/2024

কোয়েল পাখি পালন

চারি দিকে পানি আর পানি
31/10/2024

চারি দিকে পানি আর পানি

31/08/2023
19/07/2023

Fish cutting review show

24/08/2022

#কালোজাদু_নিয়ে_একটা_সত্য_ঘটনা_লিখছি।

যখন আমার ৫বছরের ছোট বোনের পেট ফুলে বিবাহিতা মহিলাদের মতো হয়ে গেছিলো।সবাই বলছিল আমাদের পরীবারে আবার অভিশাভ নেমে আসছে।বোনের অপশন করতে তার পেটে ৭টি ব্যাঙ পাওয়া যায়।
আমরা সবাই সেদিন সুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিলাম।আমাদের কিছু করার ছিলনা।
ডাক্তারা ব্যাঙগুলো কে বাইরে বের করে তাকে মেডিকেল থেকে রিলিজ করে দেই।
তারা অনেক চেষ্টা করেও বোনের কিছুই করতে পারেনি।
আমাদের চোখের সামনে আমার বোন ছটফট করে মারা যাচ্ছে।আমরা চেয়ে চেয়ে দেখছি আর অঝোরে কান্না করছি।

ছটফট করতে করতে আমার ফুলের মতো বোনটা আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেল।

এর আগেও আমার ৩টা বোন হয়ে ছিল।তারাও ঠিক এই ভাবে ৫বছরের মাথায় মারা যায়।
আমরা অনেক কবিরাজ দেখাইছি।কিন্তু সবাই ব্যার্থ হয়েছে।কেউ আমাদের পরিবারের মেয়েদের রক্ষা করতে পারেনি।
এই পরিবারের সুধু মেয়েরাই মারা যায়।ছেলেদের কিছু হয়না।সবাই একবছরে একি মাসে একি সপ্তাহের একি দিনের একি সময়েই মারা যায়।
এরকম করে আমার ৩টা বোনও মারা গিয়েছে।পরিবারে আমি একটা মাত্র ছেলে।

এই বোনটাকে বাচানোর জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করছি।অনেক কবিরাজ, উঝা দেখাইছি।ওরা অনেক দোয়া কালাম পড়ে দিয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।আমি নিজেও আমার বোনকে নিয়ে অনেক জায়গাই ঘুরেছি।
এখন কবিরাজরাও ভয় করে।

কারন,
এই বোনের আগে যে বোনটা ছিল।তাকে দেখানোর জন্য একটা কবিরাজের কাছে নিছিলাম।কবিরাজটার খুব নাম ডাক আছে।
কবিরাজটা বলে ছিল আমি তোমার বোনকে মরতে দিব না।ওই কালো শক্তি তোমার বোনকে মারার আগে আমাকে মারতে হবে।আমি ওর সামনে দেওয়াল হয়ে দাঁড়াবো।
যখন ই ওই সময়টা চলে আসে,তখন ই আমার বোনের ওই রকম শুরু হয়ে যায়।কবিরাজটা মন্ত্র-তন্ত্র পড়তে লাগে।কিন্তু একটু পরেই কবিরাজটা মাটিতে পড়ে ছটফট করতে থাকে।
সে বলে,"আমার পেটের ভিতর নাড়িতে গিট্টু বেধে গিয়েছে।খুব যন্ত্রনা হচ্ছে।
সাথে সাথে তার মুখ দিয়ে গলগল করে রক্ত পড়তে শুরু করে।আমরা কিছু বুঝে উঠার আগেই তার মৃত্যু হয়ে যায়।

আমার ফুলের মতো বোনের নিস্তেস দেহটা পড়ে আছে।চাঁদের মতো চেহারাটা কালো হয়ে গিয়েছে।লম্বা লম্বা চুল গুলো ঝরে পড়ে গিয়েছে।পরিবারের সবাই পাথর হয়ে গিয়েছে।একের পর এক নিষ্পাপ প্রাণের বলি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কারো কিছু করার নেই। আমি সবাইকে সামলিয়ে বোনের গোসল করার ব্যবস্থা করলাম।গোসল শেষে জানাজা নামাজ পড়ে বোনকে দাফন করে মাটি দেওয়া হলো।
সারা পরীবারে সোকের ছায়া।চারদিকে সুধু নিস্তব্ধা।কারো মুখে কোন কথা নেই।

আমরা হলাম জমিদারের বংশধর।আমার দাদার বাবা ছিল ৭গ্রামের জমিদার।প্রচুর জমি জায়গা ছিল তিনার।রাজার মতো একটা মহলও ছিল।প্রতি রাতে নর্তকির নাচ হতো।
তিনাদের বাড়িতে একটা মহিলা কাজ করতো।মহিলার একটা অদ্ভুত শক্তি ছিল।তিনার কাছে যেকোন হিংস পশু পাখি বশ মানতো।তিনি যেমনে চাইতেন তাদেরকে তেমনেই ঘুরাতে পারতেন।তিনার একটা ৫বছরের মেয়ে ছিল।খুব মিষ্টি আর সুন্দরী।দাদার বাবা একদিন মদ খেয়ে নেশা অবস্থায় ওই মেয়ের সাথে জোর জবরদস্তি করে।তারপর তাকে খুন করে দেই।
তার মাকে ডায়নি বলে গ্রাম থেকে তাড়াই দেই।
মহিলা যাওয়ার আগে অভিশাভ দিয়ে যায়।
তোর বংশে আমি কোন মেয়েকে বড় হতে দিবনা।তুই আমার মেয়েকে যেই দিন যেই সময় যত বছরে মেরেছিস আমিও তোর বংশের মেয়েদের ঠিক তখন ই মারবো।

তারপর মহিলা চলে যায়।আর তাকে দেখা যায়নি।তিনি বেচে আছে নাকি মরে গিয়েছে এটা সবার অজানাই রয়ে গিয়েছে।কিন্তু তখন থেকে এই মরন খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে।দাদার বাবার ভুলের শাস্তি এখন আমাদের সবাইকে পেতে হচ্ছে।

আম্মু নানুদের বাড়ি যাবে।আমাকেও সঙ্গে যেতে বললো।আম্মু আবার প্রেগনেন্ট হয়েছে।৮মাস চলছে।
আমরা নানুদের বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হলাম।কিন্তু হঠাৎ পথের মাঝে আম্মুর পেটে ব্যাথা উঠে।
আমি তাড়াতাড়ি আম্মুকে নিয়ে হসপিটালো যায়।
ডাক্তার আম্মুর পরীক্ষা করে জানায়,আম্মুর পেটে ৭টা সাপের বাচ্চা আছে!১ঘন্টার ভিতরে সাপগুলো বাইরে বের না করলে আম্মু মারা যাবে!

চলবে?

গল্পের নাম: #রক্ষা_কবজ।
পার্ট:1
লেখক:alexjihad

রাত তখন ১টা।হঠাৎ করে ৩টা চলন্ত সিলিং ফ্যান এক সাথে খুলে পরে।বাথরুমে,কিচেন এর কল থেকে সমানে পানি পরতে থাকে আর জালানার সব ...
23/08/2022

রাত তখন ১টা।
হঠাৎ করে ৩টা চলন্ত সিলিং ফ্যান এক সাথে খুলে পরে।
বাথরুমে,কিচেন এর কল থেকে সমানে পানি পরতে থাকে আর জালানার সব কাচ ভাঙ্গে যায়।
পুরো পরিবার তখন একসাথে এক রুমে ডুকে যায়।আর অন্য রুম থেকে আসে পৈশাচিক আওয়াজ।
তখনই জাহিদ ভাইকে ফোন দেয় তারা আর ...........................জাহিদ ভাই বের করে ৭০টি কাফনের টুকরা।
মনে আছেনা ঘটনা টা, কি আবার মনে করতে চান, চলুন তাহলে ঘুরে আসি,ভৌতিজ্ঞতার ১৭ তম এপিসোড থেকে।

😢 মৃতেরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে?  *"ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!!*         মৃত ব্যক্তি বুঝতে পা...
23/08/2022

😢 মৃতেরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে?

*"ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!!*
মৃত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে সে শুরুতেই মারা গেছে। মৃত্যু পরবর্তী ----আত্মীয় স্বজনের কান্নাকাটি, গোসল, কাফনের কাপড় পরানো এমন কি তাকে কবরস্থ করা পর্যন্ত নিজেকে সে মনে করে মৃত্যুর স্বপ্ন দেখছে। তার মনে সবসময় স্বপ্ন দেখার ছাপ থাকে। তখন সে চিৎকার করে কিন্তু কেউ তার চিৎকার শুনতে পায় না।
পরবর্তীতে, যখন সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং মাটির নিচে একা থাকে, আল্লাহ তার আত্মাকে পুনরুদ্ধার করেন। সে তার চোখ খোলে এবং তার "খারাপ স্বপ্ন" থেকে জেগে ওঠে। প্রথমে তিনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ যে তিনি যা দেখেছিলেন তা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন ছিল এবং এখন সে তার ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। তারপর সে তার শরীরকে স্পর্শ করতে শুরু করে, যা সবেমাত্র একটি কাপড়ে মোড়ানো হয়েছে, অবাক হয়ে প্রশ্ন করে;
"আমার জামা কোথায়, আমার অন্তর্বাস কোথায়?"
তারপর তিনি বলতে থাকেন: " আমি কোথায়, এই জায়গাটি কোথায়, কেনো সর্বত্র ময়লা-কাদার গন্ধ, আমি এখানে কী করছি? তারপর সে বুঝতে শুরু করে যে সে আন্ডারগ্রাউন্ড, এবং সে যা অনুভব করছে তা স্বপ্ন নয়! হ্যাঁ, তিনি সত্যিই মারা গেছেন।
তিনি যতটা সম্ভব জোরে চিৎকার করেন, ডাকেন: তার আত্মীয়রা যারা তাকে বাঁচাতে পারে:
"রাজ্জাক..!!!"
"আব্দুল্লাহ..!!!"
"খাদিজা....!!!!"
"আয়েশা....!!!!"
কেউ তার উত্তর দেয় না। তখন তার মনে পড়ে যে এই মুহূর্তে আল্লাহই একমাত্র ভরসা। তখন তিনি কাঁদেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন-------
"ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর ইয়া আল্লাহ...!!!
সে এমন এক অবিশ্বাস্য ভয়ে চিৎকার করে যা সে তার জীবদ্দশায় আগে কখনো অনুভব করেনি।
যদি সে একজন নেক মানুষ হয়,তবে হাস্যোজ্জ্বল মুখের দুইজন ফেরেশতা তাকে সান্ত্বনা দিতে বসবে, তারপর তার সর্বোত্তম সেবা করবে।
যদি সে খারাপ লোক হয় তবে দুইজন ফেরেশতা তার ভয় বাড়িয়ে দেবে এবং তার কুৎসিত কাজ অনুযায়ী তাকে নির্যাতন শুরু করবে।
হে আল্লাহ, আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন, নেক কাজের তৌফিক এবং ঈমান নিয়ে পরকালে পাড়ি দেওয়া নসিব দান করুন,,আমিন... 🤲🤲🤲😭

ধারালো নতুন ব্লেড দিয়ে হাত কেটেছে মাহতা। রক্তে বাথরুমের টাইলস ভেসে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে শেষবার অয়নের কণ্ঠ শোনার তীব্র আকা...
20/08/2022

ধারালো নতুন ব্লেড দিয়ে হাত কেটেছে মাহতা। রক্তে বাথরুমের টাইলস ভেসে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে শেষবার অয়নের কণ্ঠ শোনার তীব্র আকাঙ্খা অনুভব করছে সে। তাই কাঁপা হাতে মেঝেতে পড়ে থাকা ফোনটা তুলে নিল। নাম্বার ডায়েল করতেই সেই অতি পরিচিত প্রিয় কণ্ঠটা বলে উঠল,

"এই, তোকে না কতবার বলেছি হুটহাট ফোন দিবি না? তার পরও এভাবে সময় অসময়ে ফোন দিয়ে জ্বালাতন করিস কেন? আমি কি তোর বাপের চাকর? হ্যাঁ?"

"আমি চলে যাচ্ছি ভাইয়া।" মাহতার গলাটা ধরা।

"যাচ্ছি মানে? কোথায় যাচ্ছিস?"

"যেখানে গেলে কেউ আর ফিরে আসে না। সেখানেই চলে যাচ্ছি। আর কোনোদিন ফিরব না। আজ থেকে তোমাকে ছুটি দিলাম। আজকের পর কেউ আর তোমাকে বেলা অবেলায় ডিস্টার্ব করবে না। তোমাকে জ্বালাবে না। ভালো থেক ভাইয়া। ইউ আর অ্যা ফ্রি বার্ড নাউ।"

"এই তোর ফোন দেওয়ার কারণ? এত রাতে ঘুম ভাঙিয়ে এখন ইমুশনাল কথাবার্তা বলছিস? দেখ, আমার কিন্তু এমনিতেই মেজাজ খারাপ হয়ে আছে। কাল সকাল আটটায় মিটিং। রাতে ঠিকমতো না ঘুমাতে পারলে মিটিংয়ে বসে ঝিমাতে হবে।"

"বললাম তো ভাইয়া, আজকের পর আর কোনোদিন তোমাকে জ্বালাব না। শুধু আজ শেষবার তোমার কণ্ঠ শুনতে ইচ্ছে করছিল। তাই ফোন দিয়েছি।"

"তা কণ্ঠ শোনার পর্ব শেষ তো? এবার ফোন রাখি?"

"না, রেখ না প্লিজ। আমি তোমার কণ্ঠ শুনতে শুনতে মরতে চাই। তুমি বলো, কথা বলো আমার সাথে।"

"এক চড় মারব বজ্জাত মেয়ে কোথাকার! তুই মরবি, না? মরা কি অতোই সোজা? আরেকবার বলিস, দেখিস কী করি।"

"কী করবে তুমি? মারবে?"

"হ্যাঁ, তা-ই করব। পিটিয়ে পিঠের ছাল তুলে ফেলব একদম।"

"তা হলে মারো। মারতে মারতে মেরেই ফেল আমাকে। তবুও কথা বলা বন্ধ করো না। এই, ভাইয়া, আমার মাথা ঘুরছে। চোখে ঝাপসা দেখছি। কানের ভেতর ভনভন করছে। এই, আমি আর বসে থাকতে পারছি না। আমাকে তুমি ধরো না! ও ভাইয়া, অয়ন ভাইয়া! ধরো না প্লিজ! এই শেষবার! আমার জীবনের শেষ ইচ্ছে তুমি পূরণ করো। আমাকে তুমি একবার জড়িয়ে ধরো। ধরো না ভাইয়া!"

"জড়িয়ে ধরব? ফোনের মাঝে? এই, তুই কি নেশাপানি কিছু করেছিস নাকি? ফোনে জড়িয়ে ধরব কীভাবে? আর তোকে আমি জড়িয়ে ধরবই বা কেন? আমার কি জড়িয়ে ধরার মানুষের অভাব আছে?"

কথাটা তিরেন মতো বিঁধল মাহতার বুকে। সে লম্বা শ্বাস টেনে বলল, "এরচে' তুমি আমাকে মেরেই ফেলতে!"

"হ্যাঁ, তোকে মারি তারপর জেলে যাই! অতো শখ নেই আমার। তুই বরং কী যে বলছিলি? সুইসাইড? হ্যাঁ, হাত কেটেছিস। এবার সত্যি সত্যি কেটে ফেল। মরে যা।"

মাহতা মৃদু হাসে, "কেটেছি ভাইয়া। সত্যিই কেটেছি। আমার হাতে আর বেশি সময় নেই। একটু পরেই আমি হারিয়ে যাব। আর কোনোদিন আমাকে ফিরে পাবে না। কোনোদিন না।"

"এক চড় মারব! বেয়াদব! ফোন রাখ! যত্তসব ফালতু মেয়েছেলে!"

"না, প্লিজ! ফোন কাটবে না। আমি কথা বলব তোমার সাথে। শেষ নিঃশ্বাস অবধি। তারপর তোমার ছুটি। চিরদিনের ছুটি।"

"এসব ফালতু কথা শোনার টাইম নাই।" বলে ফোন রেখে দিলো অয়ন। মাহতা ফোনটা নামিয়ে রেখে হুহু করে কেঁদে উঠল। চোখ মুছে আবারো অয়নের নাম্বার ডায়েল করল।

"আবার ফোন দিয়েছিস! এই, তোর কাজকাম নেই বলে সবাইকে তোর মতো ভাবিস নাকি? বারবার মানা করার পরও আবার ফোন দিলি কেন?"

"আজ আমার জন্মদিন ছিল ভাইয়া।"

"তো? আমি কী করব?"

"কাল এত করে বললাম, ২৮শে নভেম্বর আমার জন্মদিন। আমার জন্য একটা ফুল নিয়ে এসো। তুমি এলে না। আমি আজ সারাদিন তোমার অপেক্ষা করেছি। তুমি আসোনি। এখন বলছো আমার জন্মদিনে তুমি কী করবে। কাউকে এতটা অবহেলা করা কি ঠিক?"

"কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক সেটা এখন তোর কাছ থেকে শিখতে হবে?"

"না। আমিই পাগল। মনে যা আসে সব তোমাকে বলে বেড়াই। আ'ম স্যরি। আর কোনোদিন তোমাকে জন্মদিনের উইশ করতে বলব না।"

"বহুত উপকার হইলো! এখন রাখি?"

"না।"

অনেক্ষণ চুপচাপ কানের কাছে ফোন ধরে রাখে দু'জন। একসময় মাহতা জিজ্ঞেস করে, "ঘুমিয়ে পড়েছ ভাইয়া?"

"নাহ্! সেই কপাল কি আমার আছে? তোর মতো কুফা ছাত্রী যার কপালে থাকে সে আবার ঘুমাতে পারে নাকি!"

"পুরনো কথা বারবার তুলো কেন ভাইয়া?"

"ভুলতে পারি না যে! তাইতো তুলি। তোর বাবা যেদিন ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তোদের বাসা থেকে বের করে দিয়েছিল, সেদিন খুব ইগোতে লেগেছিল রে! কিন্তু আমি নিরুপায় ছিলাম। শহরে আসার পর থাকা খাওয়া সব তোকে পড়িয়ে যা পেতাম তাই দিয়ে পুষিয়ে নিতে হত। সেদিন টিউশানিটা হাতছাড়া হওয়ার পর দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। রাতে আবারো গিয়েছিলাম তোর বাবার কাছে মাফ চাইতে। সে আমাকে সবার সামনে জুতাপেটা করে তাড়িয়ে দিলো। আচ্ছা, তুইই বল, সেদিন কি আমি কোনো দোষ করেছিলাম? তুই যে আমাকে ঘুম পাড়ানোর ওষুধ খাইয়ে এতকিছু করেছিস আবার ছবিও তুলে রেখেছিস তা কি আমি জানতাম রে?"

"সব আমার ভুল। তাইতো এতটা বছর ধরে শাস্তি পাচ্ছি। সহ্য করছি অসহ্য যন্ত্রণা। সেটা কি তুমি বুঝো না অয়ন ভাইয়া?"

"এখন আমি কোনোকিছুই বুঝি না।"

"কিন্তু আমি যে বুঝি! আমি যে একটা মানুষের জন্য তীব্র টান অনুভব করি! আমি যে একটা মানুষের মুখে আমার নাম শোনার জন্য আজ এতটা বছর ধরে অপেক্ষা করি! আমি যে মন থেকে একটা মানুষকে ভালোবাসি! মানুষটাকে যে আর পাওয়া হলো না অয়ন ভাইয়া! আমি যে হেরেই গেলাম তোমার কাছে!"

"তোর কথা শেষ?"

"না ভাইয়া। আমি ফুরিয়ে যাব তোমার সাথে কথা ফুরাবে না।"

ফোন রেখে দিয়ে বালিশে মুখ গুঁজে নেয় অয়ন। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে হাতের কাছে ফেলে রাখা ফোনটা কাঁপুনি দিয়ে বেজে উঠে। অয়ন তীব্র বিরক্তি নিয়ে স্মার্টফোনের দিকে তাকায়। মাহতা কল দিচ্ছে। ভিডিও কল। অয়ন অবাক হয়। মাহতা তো কখনোই ভিডিও কল দেয় না! আজ হঠাৎ!

তাচ্ছিল্য করে আবার বালিশের ভেতর মুখ গুঁজে নেয় অয়ন। হঠাৎ তার মাথায় আসে, মাহতা সত্যি সত্যি হাত কাটেনি তো! তখনও ফোন বাজছে। অয়ন এক লাফে উঠে বসে। তারপর...

চলবে...

গল্পঃ রঙিন ঘুড়ি
পর্ব ০১
লেখাঃjihad

Address

খুলনা বাংলাদেশ
Jessore
7420

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কৃষি নিয়ে কথা ৪.০ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share