12/05/2026
👉 মোহরানা বেশি চাস? - তুই ফেমিনিস্ট
👉 আল্লাহ্ তা'আলার দেওয়া হক্বের কথা বলবি ক্যান? - তুই রোকেয়া ভার্সন।
👉 তুই পুরুষলোকের কথা বিবেচনা করবি, ফকির যেন রাজকন্যা পায়, চারটা বউ পালা যেন সহজ হয় এজন্য মাহরই নিবিনা, নাহলে তুই গুপ্ত নারীবাদী।
👉 আল্লাহ্ একাধিক বিয়ে জায়েয করছে, তুই না মানলে কাফির।
👉 আল্লাহ্ মেয়েদের জন্য ইচ্ছামত অনেক বেশি মাহর নেওয়ার সুযোগ দিছেন, কিন্তু আমরা মানিনা। না মানলেও আমাদের ঈমান চির অক্ষত।
👉 তুই মাহর নিবি ক্যান, তুই তো নববী যুগের নারী না!
👉 কিন্তু আমরা সস্তায় ৪ বিয়ে করব, কারণ আমরা নববী যুগের পুরুষ।
👉 সাহাবায়ে কেরাম বহুবিবাহ করছেন, তাই করব কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম একাধিক বউয়ের পূর্বের স্বামীর সন্তানদেরও লালনপালন করছেন, সেটা করব না। বরং নামমাত্র মাহর দিয়ে কুমারি বিয়ে করব।
👉 স্বামী অসুস্থ হলে ধৈর্য ধরবি কিন্তু বউ অসুস্থ হলে আমাদের গুনাহ যেন না হয় তাই আরেকটা বউ আনব।
👉 স্বামী মা*রধোর করলে ধৈর্য ধরবি, বউ একটু কথা না শুনলে কিস্তি তুলে ডিভোর্স।
এই হচ্ছে ফেইসবুকের ভেড়ার পালের অবস্থা। আল্লাহ তা'আলা মেয়েদের জন্য মাহরের হক্ব দিয়েছেন, সেটা নিলে ঈমানে সমস্যা নেই। অথচ আল্লাহ একাধিক বিয়ে জায়েয করেছেন শর্তসাপেক্ষে, সেই শর্তগুলো এড়িয়ে গেলে কিন্তু সমস্যা আছে। কিন্তু এসব ভেড়ার পালের লজিক শুনলে স্পষ্টই বুঝবেন, এরা সিলেক্টিভ ইসলাম পালনকারী। যেখানে সুবিধা, সেখানে বলবে সুন্নাহ আর যেখানে দায়িত্ব, সেখানে বলবে - যুগ বদলেছে, নববী যুগের মতো নারী এখন নাইইই...