PN Boutiques

PN Boutiques Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PN Boutiques, Clothing (Brand), Jurain.

প্রিয়জনকে খুশি করুন সামর্থের মধ্যে🖤
সকল ধরনের হ্যান্ড মেইড ও কাস্টমাইজ চুড়ি, গয়না,দেশী বুটিকস্ এর ড্রেস,কাপল ড্রেস,কাস্টমাইজ ফ্যামিলি কম্বো সব কিছু পেয়ে যাবেন আপনার বাজেটের মধ্যে আমাদের কাছে।
ধন্যবাদ ❤️

একটা কথা আছেনা? 'ছবি কথা বলে'এইটা তার আসল উদাহরণ! ছবি ই সব কথা বলে দিচ্ছে!একজনের হাতে দেওয়া মেহেদী এখনো লালে লাল, একজনের...
26/03/2026

একটা কথা আছেনা? 'ছবি কথা বলে'

এইটা তার আসল উদাহরণ! ছবি ই সব কথা বলে দিচ্ছে!

একজনের হাতে দেওয়া মেহেদী এখনো লালে লাল, একজনের হাতে ঘড়ি; কেউ ই দুনিয়ায় নাই! বাচ্চার হাত মুঠ করা, হয়তো 'অভ্যাস' বশত পানির নিচে অন্য কারো আঙ্গুল শক্ত করে ধরার জন্য ই হাত মুঠ করেছিলো! পানির উপরে কারো আঙ্গুল ধরার জন্য পেলেও পানির নিচে আর কাউকে পায়নাই! শেষ!

একেকটা ছবি একেক টা মানুষের জীবন তুলে ধরলো! কারো হাতে শখের ঘড়ি, কারো হাতের শখের মেহেদী!

কেউ ই ভাবতে পারেনাই এইটাই তাদের শেষ ঈদ!!

Cp

06/03/2026

এক্সক্লুসিভ শিবুরী ডাই সিল্ক থ্রিপিস❤️🤎💙💜

#

শাড়ী টা 👌👌🤎🤎
05/03/2026

শাড়ী টা 👌👌🤎🤎

একেক জনের প্রডাক্ট প্রমোশনের লেভেল দেইখা আমি বিমহিতো😁🤣🤣
05/03/2026

একেক জনের প্রডাক্ট প্রমোশনের লেভেল দেইখা আমি বিমহিতো😁🤣🤣

সোশাল মিডিয়াতে আমার দেখা চরমভাবে প্রতারিত হওয়া ৪ জন নারী 😢💔💔৩ জন মুব অন করতে পারলে ও লাস্টের জন (ইকরা) কোন ভাবে এটা মেনে...
04/03/2026

সোশাল মিডিয়াতে আমার দেখা চরমভাবে প্রতারিত হওয়া ৪ জন নারী 😢💔💔
৩ জন মুব অন করতে পারলে ও লাস্টের জন (ইকরা) কোন ভাবে এটা মেনে নিতে পারে নাই,,,
সত্যি বলতে সবাই সব কিছু মেনে নিতে পারে না,,
যারা খুব বেশি ইমোশনাল, এক পুরুষে আসক্ত তারা তো সবার আগেই এই বিষয় টা মেনে নিতে পারে না,,,

মৃত্যুর আগে ইরা 'পানি' খাওয়ার জন্য অনেক ছটফট করেছিলো, বারবার পানির জন্য আকুতি জানিয়েছিলো। কিন্তু শ্বাসনালী কাটার সার্জার...
03/03/2026

মৃত্যুর আগে ইরা 'পানি' খাওয়ার জন্য অনেক ছটফট করেছিলো, বারবার পানির জন্য আকুতি জানিয়েছিলো। কিন্তু শ্বাসনালী কাটার সার্জারির জন্য পানি দেওয়া নিষেধ ছিলো - সাংবাদিককে আফসোস করে জানাচ্ছিলো ইরার চাচা। ওর পরিবারের এই আফসোসে বুকটা ফেটে যাচ্ছে যে, শেষ মূহুর্তে মেয়েটিকে পানি খাওয়াতে পারেনি।

ওর চাচা দাবী করে , যে পাষণ্ড শিশুটিকে এত কষ্ট দিয়ে ইরাকে মেরেছে। পানি পর্যন্ত খেতে পারেনি। তাঁর ফাঁসি চাই।

রবিবার যা ঘটেছিলো ইরার ভাগ্যেঃ
কুমিরায় দাদার বাড়িতেই ইরার জন্ম। কিন্তু এই ভিটেতে জায়গা স্বল্পতার কারণে ভাড়া বাড়িতে থাকতো ইরারা। বেশী দূরে নয়। কাছাকাছিই। হেঁটেই আসা যায়। পেশায় ইরার বাবা একজন রিক্সাচালক।

জন্ম ভিটা হওয়ায় দাদুর বাড়ির প্রতি টান থেকেই প্রায়ই সে দাদুর বাসায় ছুটে আসতো। রবিবার সকাল ৯টায় সে দাদুর বাসায় যাওয়ার বায়না ধরলে, ওর মা নিষেধ করে। ছোট আরেকটি বোন ছিলো। তাকে কোলে নিয়ে খেলতে বলে। কিন্তু ইরা দাদু বাড়ি থেকে ফিরে এসে বোনকে কোলে নিয়ে খেলবে বলে, বের হয়ে যায়।

ইরার আরেকজন বড় বোন আছে। সম্ভবত ওরা মোট ৩ বোন।

ইরার মা জানে, মেয়ে তো দাদুর বাড়িতেই আছে। কিন্তু দুপুর ২টার দিকে ইরার স্বজনেরা ফেসবুকের মাধ্যমে ইকোপার্কে ইরার গলাকাটা ছবি দেখে চিনতে পারে, এটাই তাদের মেয়ে। স্থানীয় সড়ক নির্মান শ্রমিকরা ইরাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে ওর পরিবার পৌঁছালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানেই পরবর্তীতে ইরার মৃত্যু ঘটে।

খুনি কে? খুনি ইরাদের মতোই পাশের ঘরের ভাড়াটিয়া। যার সাথে ইরাদের পরিবারের প্রায়শই তর্ক-বিতর্ক, ঝগড়াঝাঁটি হয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই ইরার বাবাকে শায়েস্তা করার জন্য খুনি - ইরাকে বেছে নেয়।

দাদুর বাসায় যাওয়ার পথে ইরাকে খুনি একা পেয়ে চকলেট খাওয়ার লোভ দেখায় এবং কুমিরা বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে করে নিয়ে আসে সীতাকুণ্ড ইকো পার্কের গহিন জঙ্গলে। সেখানে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আদৌ করেছে কীনা সেটা ফরেনসিক রিপোর্টে জানা যাবে।

এক পর্যায়ে ইরা ওর বাবাকে বলে দিবে বলে হুমকি দিলে, কোমরে থাকা ছুরি দিয়ে ইরাকে জবাই দেয় এবং মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। কিন্তু মেয়েটি তখনও জীবিত এবং বেঁচে থাকার আকুল ইচ্ছেশক্তি নিয়ে সে রক্তাক্ত গলাকাটা শরীর নিয়ে জঙ্গল থেকে সড়কের দিকে এগিয়ে আসে।

সড়ক নির্মান কাজে থাকা লোকগুলো শিশুটিকে দেখতে পেয়ে দ্রুত গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসে এবং প্রায় দুইদিন মৃত্যু যন্ত্রনা সহ্য করে ইরা ইন্তেকাল করে। শুধু গলার ক্ষতই শিশুটিকে কাবু করেনি। ডাক্তার জানায়, অভ্যন্তণীন অংশে আঘাতের মাত্রা ছিলো বেশী। শরীরের বিভিন্ন অংশে কাঁটাছেঁড়া, আঘাতের চিহ্ন ছিলো।

প্রিয় ভাই-বোনেরা -
আসামী গ্রেফতার হয়েছে। আসামী অপরাধ স্বীকার করেছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ফুটেজ রয়েছে। তাহলে কেন প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় এই বিচারকে বছরের পর বছর আদালতে ঝুলিয়ে রাখবে? এরপর হয়তো যাবজ্জীবন কিংবা মৃত্যুদণ্ড রায় দিবে। কিন্তু কনডেম সেলে এই আসামী যুগের পর যুগ এই রাষ্ট্রের দেওয়া টাকায় তিনবেলা খাবে। অতঃপর কোন একদিন ছাড়াও পেতে পারে।

কেন এই আসামীকে আজকেই কিংবা এক সপ্তাহের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলানো হবে না? কেন একজন আসামীকে কঠিন শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে ২০ কোটি মানুষ তথা অপরাধীদেরকে সতর্ক করা হবে না?

কেন ভিক্টিমের পরিবারের মনকে অন্তত এই শান্তিটুকু দেওয়া হবে না? যে এই দেশ তোমার মেয়ের খুনিকে ক্ষমা করেনি।

তোমার মেয়ের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হয়েছে। ইরার খুনিকে জাহান্নামে পাঠানো হয়েছে? আমাদের বিচার ব্যবস্থা কবে বদলাবে?

যেই পুলিশ ভাইয়েরা এত কষ্ট করে আসামীকে ধরে, তাদের দায়িত্ব তো এখানেই শেষ। কিন্তু যেই শুয়োর, চাড়াল বিচারকেরা বছরের পর বছর আসামীকে পাপ্য সাজাটুকু দেয় না। যে উকিল এসব অপরাধীর পক্ষে জেনে শুনে লড়াই করে, যেই বিচারক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কম সাজা কিংবা তাদেরকে ছেড়ে দেয়। যেই চেয়ারম্যান-মেম্বার-প্রভাবশালীরা ধর্ষককে বাঁচাতে লবিং করে, মীমাংসা, সমঝোতা করানোর চেষ্টা করে, এদের কী পরিবারে মা-বোন-কন্যা নেই? কোন পরিবারটা পৃথিবীতে রয়েছে নারী ছাড়া? এই সমস্ত মানুষগুলোর বুক কাঁপে না? এই বিচার ব্যবস্থা বদলানোর ইচ্ছে হয় না?

একটি গ্রামে যখন আপনি একটি অপরাধ চোখের সামনে হতে দেখেও চুপ থাকবেন। প্রাপ্য বিচার করবেন না। তখন ঐ গ্রামে আরেকটি অপরাধ ঘটবে। তারপর আরেকটা...আর একদিন ঐ বিচারকের পরিবারের সাথেই ঘটে যাবে ভয়াবহ কোন অবিচার। আর ঠিক এভাবেই - গ্রাম থেকে জেলা, জেলা থেকে শহর। শহর থেকে বিভাগ। বিভাগ থেকে পুরো রাষ্ট্রই আজ অপরাধীদের অভয়ারাণ্য। শুধুমাত্র ভঙ্গুর বিচার ব্যবস্থার জন্য।

এই প্রকৃতি কিংবা পৃথিবী এক অদৃশ্য শৃঙ্খলার মধ্যে চলে। এই শৃঙ্খলা একটু এদিক সেদিক হলেই নেমে আসে প্রাকৃতিক দূর্যোগ। যার ভয়াবহতা কখনও দেখে না, আপনি কে? আপনার সামাজিক পরিচয় কী? আপনি কত অর্থের মালিক। সামাজিক শৃঙ্খলাও ঠিক তেমনই। এর ভয়াবহতা থেকে কেউই রক্ষা পাবে না। কেউ না।

নারী-শিশুর নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সরকারকে কঠোর হতে হবে। ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। অপরাধী যদি কনফেস করে/ ভিডিও প্রমাণ থাকলে ৭দিনের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলাতে হবে। যদি প্রমাণের ইস্যু থাকে তাহলে ৯০দিনের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন ও রায় কার্যকর করতে হবে।

আল্লাহ্‌ আমাদের সন্তানদেরকে হেফাজত করুন। ইরার হত্যার বিচার চাই। ইরার খুনির ফাঁ///সি চাই।

- অন্তর মাশঊদ

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন 😢রাব্বুল আলামিন আপনাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুক আমিন 🤲
01/03/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন 😢
রাব্বুল আলামিন আপনাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুক আমিন 🤲

অবশেষে সত্যিই মুক্তি দিয়ে গেলো,, 😢😢    ゚
28/02/2026

অবশেষে সত্যিই মুক্তি দিয়ে গেলো,, 😢😢


25/02/2026

চোখের পানি ধরে রাখা যায়না! অথচ রিজিক নিয়ে আমরা কি পরিমান পেরেশান থাকি!

সৌদি আরবে বসবাসকারী এক প্রবাসী বলছেন:

একদিন আমার কাফিল (স্পনসর) যাকাত বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমাকেও সঙ্গে নিলেন। গাড়িতে যাকাতের খাম রাখা ছিল, প্রত্যেক খামে পাঁচ হাজার রিয়াল ছিল। এটা ছিল পবিত্র রমজান মাস। আমরা দুজন উপকূলীয় এলাকার গ্রামের দিকে রওনা দিলাম, যেখানে দারিদ্র্য ও অভাবের বাস।

একটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে জেদ্দা-জাজান মহাসড়কে এসে দূর থেকে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেল। জ্বলন্ত রোদে এক বৃদ্ধ একা, খোলা মরুভূমির রাস্তায় হাঁটছেন। বয়স দেখে মনে হয় সত্তর বছর বা তার কিছু বেশি, কিন্তু শরীরে এখনও শক্তি অবশিষ্ট ছিল। বন্ধু বললেন: “এই বৃদ্ধ এই মরুভূমিতে কী অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন?” ড্রাইভার বলল: “নিশ্চয়ই এ কোনো ইয়েমেনি, অবৈধ পথে এসেছে।”

গাড়ি থামানো হল, বৃদ্ধের কাছে গিয়ে সালাম দিলাম। জিজ্ঞাসা করলাম: “কোথা থেকে এসেছেন?” তিনি বললেন: “ইয়েমেন থেকে।” তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “কোথায় যাচ্ছেন?” উত্তর এল: “মক্কা মুকাররমায়, বাইতুল্লাহর দর্শন করতে, উমরাহ করতে।”

আমরা বললাম: “আইনি পথে এসেছেন?”

তিনি বললেন: “না, আমার কাছে এত সম্পদ কোথায়। প্রবেশের জন্য দুই হাজার রিয়াল জামানত দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, আর আমার কাছে মোট দুইশ রিয়াল ছিল। একশ রিয়াল যানবাহনে খরচ হয়ে গেছে, একশ রিয়াল বাকি আছে। তারপর থেকে পায়ে হেঁটে চলছি।”

বন্ধু জিজ্ঞাসা করলেন: “কতদিন ধরে হাঁটছেন?”

তিনি বললেন: “ছয় দিন ধরে একটানা যাত্রায় আছি।”

তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “রোজা রেখেছেন?”

তিনি বললেন: “হ্যাঁ, রোজাদার।”

এটা শুনে আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম। রোদ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, দীর্ঘ যাত্রা—তবুও রোজা! আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: “এত চেকপয়েন্ট থেকে কীভাবে পার হয়ে গেলেন?”

বৃদ্ধ বললেন: “ওই রবের কসম যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি প্রত্যেক চেকপয়েন্টের কাছ দিয়ে গেছি কিন্তু কেউ আমাকে থামায়নি।”

তিনি আরও বললেন: “কিছুক্ষণ আগে একটা দল আমাকে ধরে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন আমি বললাম আমার উদ্দেশ্য শুধু বাইতুল্লাহর জিয়ারত, তখন তারা আমাকে ছেড়ে দিয়েছে।”

এটা শুনে আমাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ নিজেই এই বান্দার জন্য রাস্তা সহজ করে দিয়েছেন। আমার কাফিল সাহেব অজান্তেই দুটো খাম বৃদ্ধের হাতে দিয়ে দিলেন। তিনি ধন্যবাদ জানালেন কিন্তু জানতেন না যে তাতে কত টাকা আছে। আমি বললাম: “খাম খুলে টাকা নিরাপদে রাখুন।” যখন তিনি খাম খুলে দেখলেন দশ হাজার রিয়াল, তখন অবাক ও বিস্ময়ে গাড়ির মধ্যে পড়ে গেলেন। চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে লাগল আর জিভে শুধু এই কথা: “এসব আমার জন্য? এত বড় অঙ্ক সব আমার জন্য?”

আমরা তাকে সচেতন করতে পানি ছিটিয়ে দিলাম। হুঁশ ফিরে এলে তিনি বলতে লাগলেন: “ইয়েমেনে আমার একটা ছোট বাড়ি আছে। তার সঙ্গে একটা জমি ছিল যেটা আমি আল্লাহর নামে ওয়াকফ করে দিয়েছি। সেই জমিতে আমি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মিলে মসজিদ তৈরি করেছি। ভবন তৈরি হয়ে গেছে, কিন্তু মেঝে আর কিছু জিনিস বাকি আছে। আমি এই চিন্তায় ছিলাম যে টাকা কোথা থেকে আসবে। আজ আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে আমাকে তা দান করেছেন।”

এটা শুনে আমাদের চোখেও অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন মনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী গুঞ্জরিত হল:

“যার উদ্দেশ্য আখিরাত হয়, আল্লাহ তার অন্তরে স্বচ্ছলতা দান করেন, তার কাজগুলোকে সংগঠিত করে দেন এবং দুনিয়া নিজেই তার কাছে মাথা নত করে আসে। আর যার চিন্তা শুধু দুনিয়া নিয়ে, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে রেখে দেন, তার কাজগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দেন এবং দুনিয়া থেকে তাকে তাই দেওয়া হয় যা তার ভাগ্যে লেখা।”

আমার কাফিল ইশারা করলেন আর আরও দুটো খাম বৃদ্ধকে দিয়ে দিলেন। এভাবে মোট টাকা হল বিশ হাজার রিয়াল। বৃদ্ধের চোখ থেকে অশ্রুর ঝর্ণা থামছিল না। তিনি একটানা দোয়া করতে থাকলেন আর বারবার বলতে থাকলেন: “আল্লাহ পাখির মতো আমার রিজিক পৌঁছে দিয়েছেন।”

সত্যিই সেই মুহূর্তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস মনে পড়ে গেল:

“যদি তোমরা আল্লাহর উপর তেমনি ভরসা কর যেমনটা করা উচিত, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে তেমনি রিজিক দেবেন যেমন পাখিদের দেন সকালে খালি পেটে বের হয় আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।”

এই ঘটনা এটার জীবন্ত প্রমাণ যে, যে বান্দা খাঁটি মনে আল্লাহর দরজা আঁকড়ে ধরে, তার জন্য রাস্তাগুলো সহজ হয়ে যায়। এটা খাঁটি দিল থেকে বের হওয়া দোয়া ও তাওয়াক্কুলের শক্তির জ্বলজ্বলে প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকেও এই সম্পদ নসিব করুন।

© Rekaul SK

কালার টা এত্তো সুন্দর 🫣👌👌💙💙💙
24/02/2026

কালার টা এত্তো সুন্দর 🫣👌👌💙💙💙

Address

Jurain

Telephone

01955246797

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PN Boutiques posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share