30/06/2026
শহরে পড়াশোনা বা চাকরির উদ্দেশ্যে পাহাড়ি মেয়েদের পাঠানোর পেছনে অভিভাবকদের মূল লক্ষ্য থাকে ভালো ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা—যাতে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরিবার ও সমাজের সম্মান বাড়াতে পারে।
কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে অল্প সংখ্যক তরুণীর দায়িত্বহীন আচরণ ও চলাফেরার কারণে ব্যক্তিগত জীবন এবং সামাজিক ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে পড়ে। তাই কয়েকজনের আচরণের প্রভাব যেন পুরো পাহাড়ি সমাজকে না আঘাত করে—এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকা জরুরি।
শুক্রবার (২৬/০৬/২০২৬) রাত প্রায় ১০টার দিকে নিউ মার্কেট এলাকায় চলার পথে একটি দৃশ্য আমার নজরে আসে। সময় স্বল্পতার কারণে পুরো ঘটনা ধারণ করা সম্ভব হয়নি, তবে কিছু অংশ ছবি তুলা হয়েছে।
এ ধরনের দৃশ্য নতুন নয়; শহরের বিভিন্ন পার্ক, কফি হাউস, রেস্টুরেন্ট এবং রাতের নির্জন এলাকায় আগেও বহুবার তরুণ-তরুণীদের সময় কাটাতে দেখা গেছে। এসব অভিজ্ঞতা সমাজ, পরিবার এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
আমরা মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, পাংখুয়া, গারোসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ হলেও আমাদের সমাজ এক। বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্য থাকাই আমাদের শক্তি।
শহরে থাকা অনেকেই ঘটনা দেখলেও বিভিন্ন কারণে প্রকাশ করেন না, কিন্তু নীরবতা সমস্যার সমাধান নয়। পরিবার, সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের সবাইকে নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।
বিঃদ্রঃ ছবিটি স্বল্প সময়ে ও তাড়াহুড়োর মধ্যে ধারণ করা হয়েছে, তাই পুরো পরিস্থিতি ছবিটি দিয়ে অনুমান করা সম্ভব নয়,তারা কথায় য়াবে?? আমার ধারণা হোটেলে উঠবে 😭
বিষয়টি হঠাৎ চোখে পড়ায় যতটুকু সম্ভব আপনার মাঝে ছবি দিয়ে তুলে ধরলাম এটি একক ঘটনা নয়—আগের অভিজ্ঞতার আলোকে বিষয়টি আমাকে ভাবিয়েছে এবং সমাজের সচেতনতার জন্য তুলে ধরা হয়েছে। কিছু বিষয় ফেসবুক নীতিমালার কারণে খোলাখুলি বলা সম্ভব নয়—আশা করি সবাই বিষয়টির গুরুত্ব বুঝবেন।
#সচেতনতা #পাহাড়ি_সমাজ #পারিবারিক_মূল্যবোধ #সমাজ #দায়িত্ববোধ #তরুণপ্রজন্ম #পরিবারের_সম্মান #একতাই_শক্তি