Lookoj লোকজ

Lookoj  লোকজ Lookoj Online Shopping represents your stylish and unique trend. Choice is yours and responsibility is ours. Enjoy Shopping On " Lookoj.

28/03/2024

তুলসীমালা চাল শেরপুরের গর্ব। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে তুলসীমালা ধান।

তুলসীমালা চাল সুগন্ধীযুক্ত ও আকারে চিকন।

পোলাও, ফ্রাইড রাইস, বিরিয়ানি, খিচুড়ি, ফিরনি, পায়েস ও পিঠা তৈরিতে তুলসীমালা বিশেষ উপযোগী।

বিভিন্ন উৎসব, পার্বণ ও অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নে বেশি ব্যবহৃত হয় তুলসীমালা চাল।

কয়েক বছর আগে সরকার সব জেলাকে স্থানীয় বিশেষত্ব দিয়ে পরিচিত করানোর উদ্যোগ নেয়। সে সময় জেলা প্রশাসন শেরপুরের জন্য তুলসীমালা ধানকেই বেছে নেয়।

শেরপুরকে ‘পর্যটনের আনন্দে, তুলসীমালার সুগন্ধে’ স্লোগানে ব্র্যান্ডিং করার পর থেকে বাড়ছে সুগন্ধী তুলসীমালা ধানের চাহিদা।

শেরপুর জেলাকে ব্র্যান্ডিং করার জন্য তুলসীমালা ধান বেছে নিয়ে প্রচার চালানোর কারণে এর চাহিদা ও আবাদ দিন দিন বাড়ছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উৎসবে এর চাহিদা বেড়েই চলেছে।

সমগ্র শেরপুর জেলায় এ ধানের আবাদ হলেও শেরপুর সদর ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় বেশি হয়। নালিতাবাড়ীর মাটি তুলসীমালার জন্য খুবই উপযোগী।

তুলসীমালা ধানের বীজ বোনার সময় শ্রাবণ মাসের প্রথম থেকে তৃতীয় সপ্তাহ। ধানের রং কালচে ধূসর। একরপ্রতি এ ধানের ফলন ২৫ থেকে ৩০ মণ। বন্যায় এ ধান নষ্ট হলে পুনরায় রোপণ করে আশাতীত ফলন পাওয়া যায়।

মোটা ধানের চেয়ে এই ধানের উৎপাদন কম হলেও বাজারে দাম অনেক বেশি। তাই চাষিরা দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

জেলার লক্ষাধিক কৃষক কমবেশি জমিতে তুলসীমালা ধান আবাদ করেন। আনুমানিক ৪০ বছর ধরে এ জেলায় তুলসীমালা ধানের আবাদ হয়ে আসছে।

জেলার সদর, নালিতাবাড়ী, নকলা, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে এ ধানের আবাদ করা হয়।

ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই তিন মাস তুলসীমালা ধান বাজারে মেলে। এ সময় কিনে রাখা ধান দিয়ে চলে সারা বছর বেঁচাকেনা করে চালের আড়তদার ও মিল মালিকেরা।

আগে চাষিরা নিজেদের প্রয়োজনে ঈদ, বিয়েশাদি, পূজা ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের জন্যে খুব কম পরিমাণ জমিতে এ ধান আবাদ করতেন। এখন অনেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশে চাষ করছেন।

বর্তমানে শেরপুর বাজারে এক মণ তুলসীমালা ধান কমবেশি ২০০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তথ্যসূত্র
১. মো. আব্দুর রহিম বাদল, সুগন্ধী তুলসীমালা ধানে আগ্রহ বাড়ছে শেরপুরে, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ২২-০২-২০২০

২. জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল শেরপুরের তুলসীমালা ধান, শেরপুর প্রতিনিধি, প্রথম আলো ২৫ জুন ২০২৩

ছবি- পথ্য, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ও প্রথম আলো।

#তুলসীমালা #তুলশীমালা #তুলসিমালা #ধান #চাল #শেরপুরের_ঐতিহ্য #শেরপুরের_ধান #শেরপুরের_চাল

*****

বিজ্ঞাপন

পথ্য এ পাবেন শেরপুরের তুলসীমালা চাল, ১৩৫ টাকা/ কেজি। যে কোন পরিমাণ অর্ডার করতে পারবেন।

📲 অর্ডার করতে
ফোনে বা হোয়াটসঅ্যাপে - 01639-455748
মেসেঞ্জারে অর্ডার- m.me/pathyabd

🚚 সারাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন।

***
তুলসীমালা চাল বিক্রির সমস্ত লাভাংশ শেরপুরের নালিতাবাড়ী অঞ্চলের আউশ মৌসুমের দেশি জাতের ধানের বীজ সংরক্ষণে ব্যয় করা হবে।

ঔষধের সঙ্গে সেব্য উপকরণ পথ্য।

27/03/2024
ঢাকা থেকে বিলুপ্ত/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।(পঞ্চম পর্ব)লালবেগিএরা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের একটি অংশ বলে ধরে নেওয়া হয়। উত্...
19/03/2024

ঢাকা থেকে বিলুপ্ত/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।
(পঞ্চম পর্ব)

লালবেগি
এরা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের একটি অংশ বলে ধরে নেওয়া হয়। উত্তর ভারত থেকে আসা ও মুসলিম হিসেবে পরিচিত; তবে সমাজকর্ম ও ধর্ম অনুসরণের ক্ষেত্রে এরা মুসলিম ও হিন্দু উভয় ধর্মের বৈশিষ্ট্যই লালন করতো বলে ইতিহাসবিদ জেমস ওয়াইজ উল্লেখ করেছেন। তাঁর ঢাকা অবস্থানের সময় তিনি তখন ঢাকায় ২০ ঘর লালবেগির বসবাস ছিল উল্লেখ করেন।

সুজনগর:
বিভিন্ন ধরনের ছোটখাট অলংকার তৈরি যারা করতেন তাদেরকে বলা হতো সুজনগর। এরা দস্তার জিনিসপত্র ও মালার উপর অলঙ্করণে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। তারা গিল্টি করাতেও চৌকোষ ছিলেন। সাধারণত মনোহরি দোকান থাকতো তাদের। পেশাটি বর্তমানে দেখাই যায় না।

সাইকালগার:
ধারণা করা হয় যে, মুঘলদের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে এ পেশার উদ্ভব। সাইকেলগার বলা হতো তাদের যারা তামা ও দস্তার জিনিসপত্র পালিশ করতেন। উনিশ শতকের শেষের দিকে এ পেশা বিলুপ্ত হয়। হাকীম হাবিবুর রহমান লিখেছেন তার সময় কয়েক ঘর সাইকালগার তখনও ছিল। এ পেশায় যারা নিয়োজিত ছিলেন তারা ছিলেন মুসলমান।

শ্রফ:
১৮ শতক থেকে ১৯ শতক পর্যন্ত ঢাকার মুদ্রা বাজার যারা নিয়ন্ত্রণ করতেন তাদের বলা হত শ্রফ। অনেক ক্ষেত্রে তাদেরকে পোদ্দার বলা হতো। ঢাকা বা বাংলায় তখন প্রায় ৫২ রকম মুদ্রা প্রচলিত ছিল। কলকাতায় সিক্কা বেশি চললেও ঢাকায় চলতো আর্কট। ঢাকার রপ্তানি বাণিজ্য যেহেতু ছিল জমজমাট সেহেতু আর্কট মুদ্রার প্রাধান্য ছিল এই অঞ্চলে বেশি। এসব মুদ্রার বছরভেদে মানের তারতম্য হতো। এই বিশৃঙ্খল বাজারে মুদ্রার মান নিয়েও মহাজনি ব্যবসায় যারা এগিয়ে এলেন তাদের বলা হতো শ্রফ। বলা যেতে পারে তারা ছিল বাংলার বা ঢাকার আদি ব্যাংক।

কাঁসারি
এই পেশাটি এখনও সকলের কাছে পরিচিত। পিতল ও কাঁসার জিনিস বানাতো এরা। এককালে খুব পরিচিত হলেও ঊনবিংশ শতকেই ঢাকা শহর থেকে এ পেশাটি বিলুপ্তির দিকে যাত্রা করায় জেমস ওয়াইজ লিখেছেন, ঢাকায় তাদের ২০০টি পরিবার আছে। আজকাল কাঁসারি দেখা যায় না ঢাকায়। কামাররাই বানায় কাঁসার বাসনপত্র। বর্তমানে কাঁসা-পিতলের বাসনপত্রের ব্যবহার কম থাকায় এবং নির্মাণ কারখানা গড়ে ওঠায় ঢাকা শহরে এ পেশাজীবী শ্রেণিটি অনেকটাই বিলুপ্তির পথে।

হাকাক:
ঢাকায় উনিশ শতকে শেষার্ধে ঢাকা শহরে একটি পেশাজীবী শ্রেণির সৃষ্টি হয়। এ পেশার সাথে সম্পৃক্ত মানুষজন চশমার ডাট তৈরি করতেন। হীরা-মতি বসানো, পালিশ করা এবং কুন্দন করা ছিল এই হাকাকদের কাজ। বর্তমান ঢাকায় এই হাকাক শ্রেণি বিলুপ্ত বললেই চলে।

হাক্কাক:
ঢাকায় উনিশ শতকে কাচের পুতির বেশ চাহিদা ছিল। যারা কাচ দিয়ে পুতি বানাতেন বা এ পেশায় নিযুক্ত ছিলেন তাদের বলা হতো হাক্কাক। যন্ত্রে তৈরি কাচের পুতি বর্তমানে দেখা গেলেও হাক্কাক পেশাটি ঢাকা শহরে আর সচরাচর দেখা যায় না।

চামার
চামড়া পাকা করা ও জুতা বানানোর কাজে নিয়োজিত চামার নামের পেশাজীবীরা বিহার-উত্তর প্রদেশ থেকে এসেছিল বলে মনে করা হয়। এদের মধ্যে নারীরা দেহে উল্কি আঁকতো এবং ধাত্রী বা দাইয়ের কাজ করতো। একসময় সন্তান প্রসবের জন্য এদের ওপরে ব্যাপকভাবে নির্ভর করা হতো। বর্তমানে চামড়া পাকা করা ও জুতা বানানোর কারিগর থাকলেও এ শিল্পটি যন্ত্রের সহায়তায় চলে গিয়েছে এবং চামড়ার সাথে সম্পৃক্ত মানুষজন নিজেদের ব্যবসায়ী হিসেবেই পরিচয় দিচ্ছেন। ফলে চামাড় শব্দটি ব্যবহার করার সুযোগ এখন একেবারেই নেই।

মাহুত
মুঘল আমলে সামরিক বাহিনীতে হাতি ছিল আবশ্যক অনুসঙ্গ। ঢাকার পিলখানার নাম হয়েছে হাতি বা পিল শব্দ থেকে। হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড প্রভৃতি জায়গার নামও মুঘল ও কোম্পানি আমলের স্মৃতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। হাতি পরিচালনাকারী।ব্যক্তির পরিচিতি ছিল মাহুত নামে। মাহুতটুলীকে মাহুতদের আবাসস্থল বলে মনে করা হয়। বর্তমানে কিছু মানুষ হাতির মাধ্যমে খেলা দেখানো বা চাঁদা উঠানোর কাজ করলেও মাহুত নামের পেশাটির বিলুপ্তি ঘটেছে আমাদের মধ্য থেকে।

বাজিগর
শহরের বিভিন্ন স্থানে শারীরিক কসরত প্রদর্শন ও হাতুড়ে চিকিৎসার মতো কাজগুলো এরা করতো বলে জেমস ওয়াইজ উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে সার্কাসে শারিরিক কসরত কিংবা রাস্তার পাশে হাতুড়ে ডাক্তারের কার্যক্রম চোখে পড়লেও বাজিগর নামে যে পেশাটি সৃষ্টি হয়েছিল তা এখন পুরোপুরি বিলুপ্ত।

তথ্যসূত্র:
ক। বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া।
খ। নোটস অন রেসেস, কাস্টস অ্যান্ড ট্রেডস অব ইস্টার্ন বেঙ্গল, জেমস ওয়াইজ।
গ। ঢাকা: স্মৃতি-বিস্মৃতির নগরী: মুনতাসীর মামুন।

ঋষনা রুপকথা- THE First Myth ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

17/03/2024

Address

Khulna
9000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801749697006

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lookoj লোকজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Lookoj লোকজ:

Shortcuts

Share