11/02/2024
কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ! ব্যাপ্তি চরাচর।
তুম জমিন পে জুলুম লিখো-
আসমান পে ইনকিলাব লিখা যায়গা ।
ঘাস থেকে মহাকাশ পর্যন্ত চলে কি এক দুর্বোধ্য মন্ত্রের আনাগোনা ।
আদিম হিংস্র মানবাধিকতার আমি যদি কেউ হই-
স্বজন হারানো শ্মশানে তোদের চিতা আমি তুলবোই ।
হাতে হাতে ছুরি আর
আঙুলে আঙুলে বাঁকা নখ-
প্রত্যেক শাসিত স্বরে কথা বলছে উলঙ্গ শাসক ।
পুবদিকে মাঝরাতে ছোপ দিয়ে রাঙা-
রাত কানা চাঁদ ওঠে আধখানা ভাঙা ।
অন্ধকারে জন্ম তোর
দেখেও যাবি অন্ধকার,
অন্ধকারে মৃত্যু হবে-
অন্ধকারে জন্ম যার ।
উঁকি দিয়ে দ্যাখ-
নিজের ভিতরে আজও তেমনিই হারামি
তুই; ততটাই ভীরু , তেমনি অনৃত
সেটুকু জীবিত তুই, ততখানি মৃত্ ।
যেন পারি জলে নামতে, ঢেউয়ে না পেছাই-
নম্র ও বিনিষ্ট হই, বৃথা না চেঁচাই ।
ধরা, অধরা আর ধামাধরা
রাম বাম আর গোদি মিডিয়ার-
ভৌ ভৌ কুত্তারা ।
তোমার মনের ভেতরে যাই
কলমের ভিড়ে মুখোশ পাই ।
অট্টহাসির উৎস কোথায়?
ঘাড়ে, গালে পাউডার লেপ চ্যানেলে চ্যানেলে তর্জন গর্জন তোলা
জনসেবক, দেশ সেবকরা ।
প্রতিক্ষাতে সন্ধে নামে মেঘের আঁচল পাতা-
থমকে আছে কলম নাকি- সত্য লেখার খাতা ।
কবর থেকে উঠে এলেন
সামনে মহত সভা,
অবাক হয়ে দেখেন তিনি-
ভাষণ দিচ্ছে বোবা।
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে!!
এতো কামনা, এতো সাধনা কোথায় মেশে ।
জন্মের পরে আশপাশ দেখে কতকিছু মোরা হই-
মরণের আগে এতো কিছু শিখেও মানুষ হলাম কই!
ঝড়ো সাগরে ঝুঁটি ধরে দিই নাড়া-
উপড়িয়ে আনি কারাকোরামের চূঁড়া ।
আমি তোমাদের পৃথিবীতে বড় হতে, হতে ছোট হয়ে উঠছি-
দেখো- জল পানে,পানে এখানে শুকিয়ে আসে দম !
মাটি কেটে টুকরো হলেও, আশপাশ থাকে বাকি-
কোথায় আমার দেশ আর আমি কোথায় থাকি ।
মাতৃ- জঠরের অন্ধকার থেকে ভূমিষ্ঠ হয়ে সেই দিন- কেঁদেছিলাম
এখন সভ্যতার আঁধারে থেকে হাসি থামাতে ভূলে গেয়েছি ।
তাদের ঠোঁট যখনই এসে
আমার গালে মেশে,
যেন স্বয়ং যীশু ধরলো আমায়-
পথ শিশুর ছদ্মবেশে ।
গুলির মুখে দাঁড়াই রুখে
অকাতরে হারায় প্রাণ,
রক্ত রাঙা মাটির পরে-
ওড়ে ওদের জয় নিশান ।
হে বাংলাদেশের নব্য প্রজন্ম- অন্তর হতে বিদ্বেষ-বিষ নাশে ।
পৃথিবী মানুষের হোক
ধর্ম থাকুক অন্তরে,
মসজিদে আজান হোক-
ঘণ্টা বাজুক মন্দিরে ।
নিশি অবসান প্রায়, এই পুরাতন সময় হয় গত
আমি আজ ধূলি তলে জীর্ণ জীবন করিলাম নত
বন্ধু হও, শত্রু হও যেখানে যে রও-
ক্ষমা করো আজিকার মতো
পুরাতন দিনগুলোর সাথে পুরাতন অপরাধ যতো ।