The King- of fake.

The King- of fake. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The King- of fake., Baby & children's clothing store, Koyra-Khulna, Khulna.

25/03/2024

# ভূত - ঈশ্বর - আত্মা-
সবগুলোই মিথ্যা।
🕋 বিধাতা তুমি জানো না, কী অপূর্ব পিপাসা আমার
অমৃতের তরে।
জাল কেটে উড়বো কবে
সেই বাসনা লালন করি,
একি বিষম জ্বলন- মা, গো-
জাল কেটে তবু জালেই পড়ি।
# Shahin Koyra-Khulna #

# ফিলিস্তিন, শাসকের লাল চোখের সামনে আবারও- বিশ্ব
ইনকিলাবের আওয়াজ নিয়ে ঘুরে দাঁড়াবেই ।
যুদ্ধ নেহি, ব্যাস পেয়ার চাহিয়ে
মুঝে গুলাব নেহি ইনকিলাব চাহিয়ে।
বাংলাদেশে সেই সব মানুষ জাতিও দেখছি -
যারা মরে যাওয়ার ভয়ে কখনো যুদ্ধ করেনি।
আমার এ জম্মভূমি মসজিদে - মন্দিরে মিথ্যে পূজো-
আরতি সমাপ্ত হলো- অতঃপর অন্ধকার খুঁজো।
বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি- লড়াই করে বাঁচতে চাই
হীরক রাজের শিক্ষানীতির এই বাংলায় ঠাঁই নাই ।
আমাদের সূর্য মেরুর - নাড়ির টানে সবুজ ঘাসে
আমাদের খুঁজলে পাবে, সোনায় মোড়া ইতিহাসে।
যৌবন তুমি আগুন হও - লাল সবুজের পতাকা হও
সেই যৌবন দিচ্ছে ডাক- ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ #

11/02/2024

কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ! ব্যাপ্তি চরাচর।
তুম জমিন পে জুলুম লিখো-
আসমান পে ইনকিলাব লিখা যায়গা ।
ঘাস থেকে মহাকাশ পর্যন্ত চলে কি এক দুর্বোধ্য মন্ত্রের আনাগোনা ।
আদিম হিংস্র মানবাধিকতার আমি যদি কেউ হই-
স্বজন হারানো শ্মশানে তোদের চিতা আমি তুলবোই ।
হাতে হাতে ছুরি আর
আঙুলে আঙুলে বাঁকা নখ-
প্রত্যেক শাসিত স্বরে কথা বলছে উলঙ্গ শাসক ।
পুবদিকে মাঝরাতে ছোপ দিয়ে রাঙা-
রাত কানা চাঁদ ওঠে আধখানা ভাঙা ।
অন্ধকারে জন্ম তোর
দেখেও যাবি অন্ধকার,
অন্ধকারে মৃত্যু হবে-
অন্ধকারে জন্ম যার ।
উঁকি দিয়ে দ্যাখ-
নিজের ভিতরে আজও তেমনিই হারামি
তুই; ততটাই ভীরু , তেমনি অনৃত
সেটুকু জীবিত তুই, ততখানি মৃত্ ।
যেন পারি জলে নামতে, ঢেউয়ে না পেছাই-
নম্র ও বিনিষ্ট হই, বৃথা না চেঁচাই ।
ধরা, অধরা আর ধামাধরা
রাম বাম আর গোদি মিডিয়ার-
ভৌ ভৌ কুত্তারা ।
তোমার মনের ভেতরে যাই
কলমের ভিড়ে মুখোশ পাই ।
অট্টহাসির উৎস কোথায়?
ঘাড়ে, গালে পাউডার লেপ চ্যানেলে চ্যানেলে তর্জন গর্জন তোলা
জনসেবক, দেশ সেবকরা ।
প্রতিক্ষাতে সন্ধে নামে মেঘের আঁচল পাতা-
থমকে আছে কলম নাকি- সত্য লেখার খাতা ।
কবর থেকে উঠে এলেন
সামনে মহত সভা,
অবাক হয়ে দেখেন তিনি-
ভাষণ দিচ্ছে বোবা।
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে!!
এতো কামনা, এতো সাধনা কোথায় মেশে ।
জন্মের পরে আশপাশ দেখে কতকিছু মোরা হই-
মরণের আগে এতো কিছু শিখেও মানুষ হলাম কই!

ঝড়ো সাগরে ঝুঁটি ধরে দিই নাড়া-
উপড়িয়ে আনি কারাকোরামের চূঁড়া ।
আমি তোমাদের পৃথিবীতে বড় হতে, হতে ছোট হয়ে উঠছি-
দেখো- জল পানে,পানে এখানে শুকিয়ে আসে দম !
মাটি কেটে টুকরো হলেও, আশপাশ থাকে বাকি-
কোথায় আমার দেশ আর আমি কোথায় থাকি ।
মাতৃ- জঠরের অন্ধকার থেকে ভূমিষ্ঠ হয়ে সেই দিন- কেঁদেছিলাম
এখন সভ্যতার আঁধারে থেকে হাসি থামাতে ভূলে গেয়েছি ।
তাদের ঠোঁট যখনই এসে
আমার গালে মেশে,
যেন স্বয়ং যীশু ধরলো আমায়-
পথ শিশুর ছদ্মবেশে ।
গুলির মুখে দাঁড়াই রুখে
অকাতরে হারায় প্রাণ,
রক্ত রাঙা মাটির পরে-
ওড়ে ওদের জয় নিশান ।
হে বাংলাদেশের নব্য প্রজন্ম- অন্তর হতে বিদ্বেষ-বিষ নাশে ।
পৃথিবী মানুষের হোক
ধর্ম থাকুক অন্তরে,
মসজিদে আজান হোক-
ঘণ্টা বাজুক মন্দিরে ।

নিশি অবসান প্রায়, এই পুরাতন সময় হয় গত
আমি আজ ধূলি তলে জীর্ণ জীবন করিলাম নত
বন্ধু হও, শত্রু হও যেখানে যে রও-
ক্ষমা করো আজিকার মতো
পুরাতন দিনগুলোর সাথে পুরাতন অপরাধ যতো ।

11/02/2024

কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ! ব্যাপ্তি চরাচর।
তুম জমিন পে জুলুম লিখো-
আসমান পে ইনকিলাব লিখা যায়গা ।
ঘাস থেকে মহাকাশ পর্যন্ত চলে কি এক দুর্বোধ্য মন্ত্রের আনাগোনা ।
আদিম হিংস্র মানবাধিকতার আমি যদি কেউ হই-
স্বজন হারানো শ্মশানে তোদের চিতা আমি তুলবোই ।
হাতে হাতে ছুরি আর
আঙুলে আঙুলে বাঁকা নখ-
প্রত্যেক শাসিত স্বরে কথা বলছে উলঙ্গ শাসক ।
পুবদিকে মাঝরাতে ছোপ দিয়ে রাঙা-
রাত কানা চাঁদ ওঠে আধখানা ভাঙা ।
অন্ধকারে জন্ম তোর
দেখেও যাবি অন্ধকার,
অন্ধকারে মৃত্যু হবে-
অন্ধকারে জন্ম যার ।
উঁকি দিয়ে দ্যাখ-
নিজের ভিতরে আজও তেমনিই হারামি
তুই; ততটাই ভীরু , তেমনি অনৃত
সেটুকু জীবিত তুই, ততখানি মৃত্ ।
যেন পারি জলে নামতে, ঢেউয়ে না পেছাই-
নম্র ও বিনিষ্ট হই, বৃথা না চেঁচাই ।
ধরা, অধরা আর ধামাধরা
রাম বাম আর গোদি মিডিয়ার-
ভৌ ভৌ কুত্তারা ।
তোমার মনের ভেতরে যাই
কলমের ভিড়ে মুখোশ পাই ।
অট্টহাসির উৎস কোথায়?
ঘাড়ে, গালে পাউডার লেপ চ্যানেলে চ্যানেলে তর্জন গর্জন তোলা
জনসেবক, দেশ সেবকরা ।
প্রতিক্ষাতে সন্ধে নামে মেঘের আঁচল পাতা-
থমকে আছে কলম নাকি- সত্য লেখার খাতা ।
কবর থেকে উঠে এলেন
সামনে মহত সভা,
অবাক হয়ে দেখেন তিনি-
ভাষণ দিচ্ছে বোবা।
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে!!
এতো কামনা, এতো সাধনা কোথায় মেশে ।
জন্মের পরে আশপাশ দেখে কতকিছু মোরা হই-
মরণের আগে এতো কিছু শিখেও মানুষ হলাম কই!

ঝড়ো সাগরে ঝুঁটি ধরে দিই নাড়া-
উপড়িয়ে আনি কারাকোরামের চূঁড়া ।
আমি তোমাদের পৃথিবীতে বড় হতে, হতে ছোট হয়ে উঠছি-
দেখো- জল পানে,পানে এখানে লুকিয়ে আসে দম !
মাটি কেটে টুকরো হলেও, আশপাশ থাকে বাকি-
কোথায় আমার দেশ আর আমি কোথায় থাকি ।
মাতৃ- জঠরের অন্ধকার থেকে ভূমিষ্ঠ হয়ে সেই দিন- কেঁদেছিলাম
এখন সভ্যতার আঁধারে থেকে হাসি থামাতে ভূলে গেয়েছি ।
তাদের ঠোঁট যখনই এসে
আমার গালে মেশে,
যেন স্বয়ং যীশু ধরলো আমায়-
পথ শিশুর ছদ্মবেশে ।
গুলির মুখে দাঁড়াই রুখে
অকাতরে হারায় প্রাণ,
রক্ত রাঙা মাটির পরে-
ওড়ে ওদের জয় নিশান ।
হে বাংলাদেশের নব্য প্রজন্ম- অন্তর হতে বিদ্বেষ-বিষ নাশে ।
পৃথিবী

11/02/2024

কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ! ব্যাপ্তি চরাচর।
তুম জমিন পে জুলুম লিখো-
আসমান পে ইনকিলাব লিখা যায়গা ।
ঘাস থেকে মহাকাশ পর্যন্ত চলে কি এক দুর্বোধ্য মন্ত্রের আনাগোনা ।
আদিম হিংস্র মানবাধিকতার আমি যদি কেউ হই-
স্বজন হারানো শ্মশানে তোদের চিতা আমি তুলবোই ।
হাতে হাতে ছুরি আর
আঙুলে আঙুলে বাঁকা নখ-
প্রত্যেক শাসিত স্বরে কথা বলছে উলঙ্গ শাসক ।
পুবদিকে মাঝরাতে ছোপ দিয়ে রাঙা-
রাত কানা চাঁদ ওঠে আধখানা ভাঙা ।
অন্ধকারে জন্ম তোর
দেখেও যাবি অন্ধকার,
অন্ধকারে মৃত্যু হবে-
অন্ধকারে জন্ম যার ।
উঁকি দিয়ে দ্যাখ-
নিজের ভিতরে আজও তেমনিই হারামি
তুই; ততটাই ভীরু , তেমনি অনৃত
সেটুকু জীবিত তুই, ততখানি মৃত্ ।
যেন পারি জলে নামতে, ঢেউয়ে না পেছাই-
নম্র ও বিনিষ্ট হই, বৃথা না চেঁচাই ।
ধরা, অধরা আর ধামাধরা
রাম বাম আর গোদি মিডিয়ার-
ভৌ ভৌ কুত্তারা ।
তোমার মনের ভেতরে যাই
কলমের ভিড়ে মুখোশ পাই ।
অট্টহাসির উৎস কোথায়?
ঘাড়ে, গালে পাউডার লেপ চ্যানেলে চ্যানেলে তর্জন গর্জন তোলা
জনসেবক, দেশ সেবকরা ।

11/02/2024

কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ! ব্যাপ্তি চরাচর।
তুম জমিন পে জুলুম লিখো-
আসমান পে ইনকিলাব লিখা যায়গা ।
ঘাস থেকে মহাকাশ পর্যন্ত চলে কি এক দুর্বোধ্য মন্ত্রের আনাগোনা ।
আদিম হিংস্র মানবাধিকতার আমি যদি কেউ হই-
স্বজন হারানো শ্মশানে তোদের চিতা আমি তুলবোই ।
হাতে হাতে ছুরি আর
আঙুলে আঙুলে বাঁকা নখ-
প্রত্যেক শাসিত স্বরে কথা বলছে উলঙ্গ শাসক ।
পুবদিকে মাঝরাতে ছোপ দিয়ে রাঙা-
রাত কানা চাঁদ ওঠে আধখানা ভাঙা ।
অন্ধকারে জন্ম তোর
দেখেও যাবি অন্ধকার,
অন্ধকারে মৃত্যু হবে-
অন্ধকারে জন্ম যার ।
উঁকি দিয়ে দ্যাখ-
নিজের ভিতরে আজও তেমনিই হারামি
তুই; ততটাই ভীরু , তেমনি অনৃত
সেটুকু জীবিত তুই, ততখানি মৃত্ ।

02/02/2024

জনগণের ঘাড়ে বন্দুক রেখে চলছে
ক্ষমতায় যাওয়া আর আসা-
ধনসম্পদ লুটে তাদের পুষ্টিহীন,
রক্তশূন্য রেখে গণতন্ত্রের নামে চলছে তামাশা
চলছে সব শয়তানের খেলা-
রক্তের বন্যায় ভেসে চলছে গণতন্ত্রের ভেলা ।
স্বাধীনতা তুমি গণতন্ত্রের খোলসে বন্দী
দালাল চাটুকর পাচাটিরা করে চলছে-
সুবিধাবাদী লুটেরাদের সাথে সন্ধি ।
অবাক বিস্ময়ে চেয়ে দেখি-
বাংলাদেশ সবই মেকি,
আমরা এখন লজ্জা পাই
চলছে শুধু হাত সাফাই ।
মানুষ পিছু হাটছে,
পৃথিবীতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত ঘটলেও
মানুষ হিসেবে স্বীয় ধর্মের বাহিরে চিন্তার জগতে
ইহকাল ও পরকালের ভোগ উপভোগের রশি ধরে
আমরা 'শত বছর' পিছিয়ে গেছি ।
পদলেহেনের সংস্কৃতি, আত্মমর্যাদার বিকৃতি
এমন চরিত্র দিয়ে কখনো মিলবে না মুক্তি-
নিজেদের রক্ত দিয়ে কেনো বৃদ্ধি করবে শাসকের শক্তি
নতুন কথা নয়-
শুয়োরে যখন অকাতরে কচুঘেচু খাওয়া ধরে
দেশের গরীব মানুষের তখন কুড়িয়ে পাওয়া
খাদ্যের অভাবে মরে ।
মিথ্যা আর নকলের দেশ-
হুশ না ফিরলে সব হয়ে যাবে শেষ ।
চোখ থাকতে অন্ধ যখন
বেঁচে থাকার প্রতিষ্ঠা হয়না তখন ।
জনসাধারণ মানুষরা লেবণ চোস, চুষে চুষে বিক্রি করো চেতনার ট্যাবলেট ।
হে বন্ধু- আলোক ধাঁধার পিছনে আর কতদিন নিজেকে করবে সোপর্দ
মিথ্যার বিরুদ্ধে শত প্রতিষ্ঠায় প্রতিবাদ মূখর হও তানাহলে হতে হবে নিস্তব্ধ ।
রাষ্ট্র শাসকরা যখন হয় নীতি ভ্রষ্ট-
জনগণ হয় শোষিত বঞ্চিত বাড়ে কষ্ট ।
এ কথার মাঝেও রয়েছে প্রতিবাদের ভাষা
মিথ্যার মুখোমুখি সত্য বলতে হবে তবেই মুক্তির আশা ।
আমার ভাষায় কথা বললে প্রাণে দোলা লাগে
সত্যের অবিনাশী ধারায় হৃদয়ে ব্যাথা জাগে

খবর কুড়োই খবর লিখি
গল্প লিখি অল্প
সাদা চোখের সরল দেখায়
কল্প মেশাই স্বল্প ।
আবার ঝড়ঝঞ্ঝা পার করে উঠবো আমি গা ঝেড়ে
বলে দিস মেঘ আকাশ কে
এখনো জ্যান্ত আমি
যাই নি মরে ।
যারা আমায় বারুদ ছুড়ে
ঝলছে দিতে চায়
তাদের আমি গোলাপ ফুলের
সুবাস দিতে চাই..........

(শাহিন কয়রা-খুলনা, তাং- ০১/০২/.২৪)

02/02/2024

The King- of fake.
False stus.. False ego.
ভোঁতা কলমে আজকাল ঈশ্বর বসে না ।
কি বলবো ভাই....
মানুষের স্বপ্নগুলো ওরা গুড়িয়ে দিলো-
স্বপ্নবাজরা সব লুটে নিলো..
তুমি নিজেকে যতই লুকিয়ে রাখো পাতার আড়ালে-
আগামীতে তোমার শ্রাদ্ধ হবে রান্নার পাতিলে।
শিক্ষকদের স্বভাব-
নিজেরা আর শিখতে চান না
সবাইকে ছাত্র মনে করে শিক্ষক সুলব আচারণ করেন ‌।
হাদারামদের দেশে গদারাম বাজায় বাঁশি-
জ্ঞানীগুণি মহাত্মণ বুদ্ধিজীবিরা
জোরে দেয়না কাশি ।
আমাদের অর্থ আমাদের দেয়-সেবার আলখেল্লা গায় !
দিতে হয় বিত্তবান লুটেরাদের-
ভোগ বিলাসের অর্থের যোগান,
জনগণের ভ্যাট ট্যাক্সের টাকা
ছয়লাব করে তারা মাল কামান ।
লুটেরা নেতার পিছনে স্লোগান দেয়,
তার ছবি বুকে ঝুলিয়ে মোরা নেতা বনে যায় জনতার পকেট কেটে খায়
এভাবে নেতা হতে চায়।
কোথাও কোনো ন্যায় বিচার নেই-
লুটেরাদের ভ্যাট ট্যাক্সের টাকায় তাদের ঘাড় মটকিয়ে
তপ্ত উনণে - উন্নয়নের খৈ ভাঁজ ।
সকল উৎপাদন ক্ষেত্রে ভঙ্গু করার উন্নয়ন
বেকারত্ব সৃৃষ্টির শিক্ষার আয়োজন-
দেশ ও রাষ্ট্রের জন্য মহাবিপদ সংকেত
ভেবে দেখো নাগরিকগণ।
সবই হাস্যকর স্বতন্ত্ররাও দলের-
সত্যই বলছি, তারা বৃক্ষবটে তবে
একই ফলের....
রাজ ভক্ত নই,
মিথ্যার তপ্ত বালুতে
ফুটাই না খই-
আমি কোনো রাজ প্রভূ ভক্ত প্রথা সিদ্ধ কবি নই
বিবেকের তাড়নায় গণমানুষের দুঃখ কষ্টে সিক্ত হই-
মানবতা রক্ষায় মানবিক ধর্মের পক্ষে কথা কই
তোমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের চেতনার মাঠে চালাই মই ।
অস্ত্র জমা দিয়েছিলাম বিশ্বাস করে-
কণ্ঠ জমা দেইনি অস্ত্রগারে ।
যাহা ভাবি চিন্তা করি- তাহা লিখি
ভাব জগতে মস্তিষ্ক ঝলক লাগে-
চোখে দেখি- শুধুই ঝিকিমিকি।
বিবেক ও চেতনায় অধঃপতনে যাচ্ছি মোরা
সহসা আর যাচ্ছে না মানুষে-মানুষে সংহিত গড়া ।
পশুপাখির কলরব শুনে তাদের চেনা যায়-
মানুষের ভাষার শাব্দিক প্রয়োগ ছাড়া
মানুষ চেনা দায়।
বেদায় নেয়ার আগে স্পষ্ট কথা বলে যাওয়াই ভালো।
প্রজন্ম রাস্তা খোঁজার চেষ্টা করবে অন্ধকারে জ্বালাবে আলো ।
আমি লিখে যাই নতুন প্রজন্মের জন্য-
সুবিধা বাদীদের কাছে অর্থ হতে পারে ভিন্ন ।
এ কথা শুধু নয় আমার
প্রশ্ন, লক্ষ কোটি জনতার
কি জবাব দেবে তার !
অন্ধ তাঁবেদার হলে স্বৈরাচার- বুঝবেন না
নিজের মেরুদন্ডের ওপর ভর করে চলুন-
দেখবেন ব্যক্তির আচারণে অপ্রাসঙ্গিক টালবাহানা ।
মানুষের কথা বলা কিংবা লেখার
ওপর যদি হুমকি জারি হয়-
কে ,বাকি লেখা কমেন্টে দেখ

01/02/2024

জনগণের ঘাড়ে বন্দুক রেখে চলছে
ক্ষমতায় যাওয়া আর আসা-
ধনসম্পদ লুটে তাদের পুষ্টিহীন,
রক্তশূন্য রেখে গণতন্ত্রের নামে চলছে তামাশা
চলছে সব শয়তানের খেলা-
রক্তের বন্যায় ভেসে চলছে গণতন্ত্রের ভেলা ।
স্বাধীনতা তুমি গণতন্ত্রের খোলসে বন্দী
দালাল চাটুকর পাচাটিরা করে চলছে-
সুবিধাবাদী লুটেরাদের সাথে সন্ধি ।
অবাক বিস্ময়ে চেয়ে দেখি-
বাংলাদেশ সবই মেকি,
আমরা এখন লজ্জা পাই
চলছে শুধু হাত সাফাই ।
মানুষ পিছু হাটছে,
পৃথিবীতে বিগ্গান ও প্রযুক্তিগত ঘটলেও
মানুষ হিসেবে স্বীয় ধর্মের বাহিরে চিন্তার জগতে
ইহকাল ও পরকালের ভোগ উপভোগের রশি ধরে
আমরা 'শত বছর' পিছিয়ে গেছি ।
পদলেহেনের সংস্কৃতি, আত্মমর্যাদার বিকৃতি
এমন চরিত্র দিয়ে কখনো মিলবে না মুক্তি-
নিজেদের রক্ত দিয়ে কেনো বৃদ্ধি করবে শাসকের শক্তি
নতুন কথা নয়-
শুয়োরে যখন অকাতরে কচুঘেচু খাওয়া ধরে
দেশের গরীব মানুষের তখন কুড়িয়ে পাওয়া
খাদ্যের অভাবে মরে ।
মিথ্যা আর নকলের দেশ-
হুশ না ফিরলে সব হয়ে যাবে শেষ ।
চোখ থাকতে অন্ধ যখন
বেঁচে থাকার প্রতিষ্ঠা হয়না তখন ।
জনসাধারণ মানুষরা লেবণ চোস, চুষে চুষে বিক্রি করো চেতনার ট্যাবলেট ।
হে বন্ধু- আলোক ধাঁধার পিছনে আর কতদিন নিজেকে করবে সোপর্দ
মিথ্যার বিরুদ্ধে শত প্রতিষ্ঠায় প্রতিবাদ মূখর হও তানাহলে হতে হবে নিস্তব্ধ ।
রাষ্ট্র শাসকরা যখন হয় নীতি ভ্রষ্ট-
জনগণ হয় শোষিত বঞ্চিত বাড়ে কষ্ট ।
এ কথার মাঝেও রয়েছে প্রতিবাদের ভাষা
মিথ্যার মুখোমুখি সত্য বলতে হবে তবেই মুক্তির আশা ।
আমার ভাষায় কথা বললে প্রাণে দোলা লাগে
সত্যের অবিনাশী ধারায় হৃদয়ে ব্যাথা জাগে

খবর কুড়োই খবর লিখি
গল্প লিখি অল্প
সাদা চোখের সরল দেখায়
কল্প মেশাই স্বল্প ।
আবার ঝড়ঝঞ্ঝা পার করে উঠবো আমি গা ঝেড়ে
বলে দিস মেঘ আকাশ কে
এখনো জ্যান্ত আমি
যাই নি মরে ।
যারা আমায় বারুদ ছুড়ে
ঝলছে দিতে চায়
তাদের আমি গোলাপ ফুলের
সুবাস দিতে চাই..........

(শাহিন কয়রা-খুলনা, তাং- ০১/০২/.২৪)

01/02/2024

The King- of fake.
False stus.. False ego.
ভোঁতা কলমে আজকাল ঈশ্বর বসে না ।
কি বলবো ভাই....
মানুষের স্বপ্নগুলো ওরা গুড়িয়ে দিলো-
স্বপ্নবাজরা সব লুটে নিলো..
তুমি নিজেকে যতই লুকিয়ে রাখো পাতার আড়ালে-
আগামীতে তোমার শ্রাদ্ধ হবে রান্নার পাতিলে।
শিক্ষকদের স্বভাব-
নিজেরা আর শিখতে চান না
সবাইকে ছাত্র মনে করে শিক্ষক সুলব আচারণ করেন ‌।
হাদারামদের দেশে গদারাম বাজায় বাঁশি-
গ্যনীগুণি মহাত্মণ বুদ্ধিজীবিরা
জোরে দেয়না কাশি ।
আমাদের অর্থ আমাদের দেয়-সেবার আলখেল্লা গায় !
দিতে হয় বিত্তবান লুটেরাদের-
ভোগ বিলাসের অর্থের যোগান,
জনগণের ভ্যাট ট্যাক্সের টাকা
ছয়লাব করে তারা মাল কামান ।
লুটেরা নেতার পিছনে স্লোগান দেয়,
তার ছবি বুকে ঝুলিয়ে মোরা নেতা বনে যায় জনতার পকেট কেটে খায়
এভাবে নেতা হতে চায়।
কোথাও কোনো ন্যায় বিচার নেই-
লুটেরাদের ভ্যাট ট্যাক্সের টাকায় তাদের ঘাড় মটকিয়ে
তপ্ত উনণে - উন্নয়নের খৈ ভাঁজ ।
সকল উৎপাদন ক্ষেত্রে ভঙ্গু করার উন্নয়ন
বেকারত্ব সৃৃষ্টির শিক্ষার আয়োজন-
দেশ ও রাষ্ট্রের জন্য মহাবিপদ সংকেত
ভেবে দেখো নাগরিকগণ।
সবই হাস্যকর স্বতন্ত্ররাও দলের-
সত্যই বলছি, তারা বৃক্ষবটে তবে
একই ফলের....
রাজ ভক্ত নই,
মিথ্যার তপ্ত বালুতে
ফুটাই না খই-
আমি কোনো রাজ প্রভূ ভক্ত প্রথা সিদ্ধ কবি নই
বিবেকের তাড়নায় গণমানুষের দুঃখ কষ্টে সিক্ত হই-
মানবতা রক্ষায় মানবিক ধর্মের পক্ষে কথা কই
তোমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের চেতনার মাঠে চালাই মই ।
অস্ত্র জমা দিয়েছিলাম বিশ্বাস করে-
কণ্ঠ জমা দেইনি অস্ত্রগারে ।
যাহা ভাবি চিন্তা করি- তাহা লিখি
ভাব জগতে মস্তিষ্ক ঝলক লাগে-
চোখে দেখি- শুধুই ঝিকিমিকি।
বিবেক ও চেতনায় অধঃপতনে যাচ্ছি মোরা
সহসা আর যাচ্ছে না মানুষে-মানুষে সংহিত গড়া ।
পশুপাখির কলরব শুনে তাদের চেনা যায়-
মানুষের ভাষার শাব্দিক প্রয়োগ ছাড়া
মানুষ চেনা দায়।
বেদায় নেয়ার আগে স্পষ্ট কথা বলে যাওয়াই ভালো।
প্রজন্ম রাস্তা খোঁজার চেষ্টা করবে অন্ধকারে জ্বালাবে আলো ।
আমি লিখে যাই নতুন প্রজন্মের জন্য-
সুবিধা বাদীদের কাছে অর্থ হতে পারে ভিন্ন ।
এ কথা শুধু নয় আমার
প্রশ্ন, লক্ষ কোটি জনতার
কি জবাব দেবে তার !
অন্ধ তাঁবেদার হলে স্বৈরাচার- বুঝবেন না
নিজের মেরুদন্ডের ওপর ভর করে চলুন-
দেখবেন ব্যক্তির আচারণে অপ্রাসঙ্গিক টালবাহানা ।
মানুষের কথা বলা কিংবা লেখার
ওপর যদি হুমকি জারি হয়-
কে ,,বাকি লেখা কমেন্টে দেখ

14/12/2023

২য় অংশ:-
পাঁচশো, হাজার গিলছো তুমি-সন্তানের ঐ ভবিষ্যত
নেশার ঘোরে ডুবছো তুমি-ভাবছো এটাই স্বর্গবাস
হঠাৎ যদি নামে আঁধার-যৌবনের এই দীর্ঘশ্বাসে
জীবনবাতি নিভিয়ে দুঃখে-থাকবে তো মা সুখে ।
ভোটের পরে ভোট সেটে- জিতছে দেখো তোমার ভোটে
বেকার কোটায় ডুবছে চাঁদ-শাসক পেতে মস্ত ফাঁদ ।

বলি,মাগো জাগবে কবে? কাটবে কবে তোর নেশার ঘোর?
গভীর আঁধার কাটিয়ে দেখবে কবে? তোমার সন্তান ভোর
এ মাটিতে এতো রক্ত কেন?কেনো এতো অশ্রু জল?
ঘাম যেন কণায় কণায়- বীর্যে চ্যাট চ্যাট ।
আমি দাঁড়াবো না তোমার দ্বারে-
কি আছে ও দেশপ্রেম?
মরীচিকা বিষ ওতে- ধরিত্রী ভেজাল...

এখনও হৃদয়ে ধকধক শব্দ
রক্তে থপথপ আনাগোনা-
উড়ছে শরীর হীন স্বাধীন প্রাণ পতাকা
নাগাল বহুদূর ‌।
রঙে রঙে রাজনীতি- ভরপুর তৃষ্ণা
গিলে নেয় ঢকঢক, বকবক বমি আমাশা ।
করছি দূর্নীতি করবোই তো-তাতে তোদের কি?
ভোটে লুটে জনস্রোতের ফাঁদ পেতেছি...

আমি দৈহিক বয়সে যুবক,
চিন্তায় পৌঢ় তবে তারণ্যে সর্বকালেই ষোল...
বাঘের বাচ্চা ঘাস খায় না ।
আগুন থেকে বাঁচতে চরিত্র বদলিয়ে-
ধান থেকে হলাম খই,
চালুনি দিয়ে তোলে নি কেউ-
উপরে উঠিয়ে টান দিয়েছে মই...!
The King- of fake.
Shahin Koyra-Khulna.
কাব্য শাহিন- ১২/১২/.২৩

Address

Koyra-Khulna
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The King- of fake. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share