মায়া জ্বাল

মায়া জ্বাল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মায়া জ্বাল, Clothing Store, Manda.

22/03/2022

স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে কৃত্রিম পুরুষাঙ্গ বিতরণ

বিস্তারিত পড়ুন কমেন্টে...

ভাই তগো এতো কারেন্ট কই পাস??ছেলেটা দেখতে সুন্দর না??তদের থেকে অনেক সুন্দর😠দিনশেষে আবার পোষ্ট করস মাইয়ারা শুধু রুপ দেখে ম...
23/09/2020

ভাই তগো এতো কারেন্ট কই পাস??

ছেলেটা দেখতে সুন্দর না??তদের থেকে অনেক সুন্দর😠দিনশেষে আবার পোষ্ট করস মাইয়ারা শুধু রুপ দেখে মন দেখে প্রেম করেনা,,,
আরে ভাই তদের এই নিচু লেভেলের মন মানসিকতা থেকে ছেলের মন টা অনেক ভালো,,,,

আবার ক্যাপশন দেস বিদায় পৃথিবী,,কি করলাম জীবনে!!আসলেই কি করছোস জীবনে?তোদের মতো ছাগল কয়েকটা মরে গেলে কিছু হবেনা...

নিজেরে আগে দেখ তারপর অন্যদের নিয়া ট্রল করিস,,,,,,,,,

আমরা সবাই মানুষ,ভালোবাসার অধীকার সবার আছে,,,মানুষের বন্ধন সৌন্দর্যের উর্দ্ধে,,,🙂

 #ভাবুনবাম পাশ থেকে :-➪︎১ম জন-টাকা উপার্জন করতে করতে পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখতে পাচ্ছে না।➪︎২য় জন-শুধু শিক্ষা অর্জন করতে করত...
31/08/2020

#ভাবুন

বাম পাশ থেকে :-
➪︎১ম জন-টাকা উপার্জন করতে করতে পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখতে পাচ্ছে না।

➪︎২য় জন-শুধু শিক্ষা অর্জন করতে করতে পরিপূর্ণ সুন্দরটা দেখতেছে না।

➪︎৩য় জন-শিক্ষা ও অর্থ উপার্জন দুটা একসাথে করতেছে তাই পৃথিবীর আসল
সৌন্দর্য্য উপভোগ করতেছে।

➪︎৪র্থ জন- শিক্ষা এবং অর্থ কিছু না থাকাতে পুরো পৃথিবী তার জন্য অন্ধের মতো।

মূলকথাঃ শিক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ও চেষ্টা করতে হবে।

06/08/2020

কি সাংঘাতিক বেহায়া! এমন বেহায়া এই জগতে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তবুও মাঝে মাঝে প্রায়ই দু একটা বেহায়ার আবির্ভাব ঘটে। এরা প্রায়ই কথা দেয়, " তোমাকে আর কখনো বিরক্ত করবোনা। আর কখনো মেসেজ কিংবা কল দিবোনা। " কিন্তু খানিক পরেই আবার দেওয়া কথার মান ভাঙ্গবে। বারবারই কথা দিবে, "চলে যাচ্ছি তোমার থেকে অনেক দূরে আর ফিরবোনা। আসবোনা আর তোমার দ্বারে।" কিন্তু নিয়ম ভেঙ্গে আবার ও সে ফিরবে।

বেহায়া এই মানুষগুলি বড় অভিমানী হয়। চলে যাচ্ছি বলে বারবার ফিরে আসে। অথচ মানুষগুলোর কান পর্যন্ত এ কথাটুকু আমরা পৌঁছে দিতে পারিনা, "কেনো চলে যাবে! তোমার সাথে হৃদয়ের বিনিময় হয়েছে। তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্ত চলবে কেমন করে!" কথা দিয়ে কথা রাখবেনা ঠিকই। কিন্তু কখনো কারো মন ভাঙ্গবেনা৷ এরকম একটা বেহায়া ভাগ্যের ব্যাপার। কিন্তু যাদের জীবনে রয়েছে, তারা মানুষটাকে আঁকড়ে ধরে জীবন পাড়ি দিতে পারেনা। ওরা মানুষটার খুঁত নিয়ে পড়ে থাকে। মানুষটা কালো, বেঁটে, বাঁচাল ইত্যাদি নানান অজুহাতে ছেড়ে দেয়। ভাগ্য করে পাওয়া মানুষটার কদর করতে পারে না।

আমি দেখেছি এই মানুষগুলো কতটা বেহায়া। আমি দেখেছি এদের সব নিরবে সয়ে যেতে। আমি দেখেছি আড়ালে চোখের পানি মুছতে। বরাবরই ওপাশের মানুষটাকে চেয়েছে। নিজের করে নিতে চেয়েছিলো। কিন্তু ভাগ্যের নিদারুণ পরিহাসে এরা সবচেয়ে অবহেলিত। চোখ বন্ধ করে প্রিয় মানুষটার ওপর বিশ্বাস করে। সেই বিশ্বাস নিয়েই খেলতে থাকে কেউ কেউ। এদের বোকা বানানো খুব সহজ। সৃষ্টিকর্তা যেনো এদের অন্যরকম এক সহ্য ক্ষমতা দিয়ে দুনিয়াতে প্রেরণ পাঠিয়েছেন। নতুবা প্রিয় মানুষের এতো কর্কশ ভাষা শুনে ও এরা ঠায় দাঁড়িয়ে ভালোবাসি বলে ফেলে। লজ্জা শরম বলতে কিছু নেই। এরা ফিরে আসবেই। এদের ছেড়ে যত দূরেই যান না কেন আপনি! এরা ঠিক হামাগুড়ি দিয়ে আপনার কাছে ভিড়বে। তারপর আপনার বকুনি আপনার বিরক্তির কারণ ভেবে নিজেকে গুটিয়ে নেবে। সেই যে সরে যাবে আর ফিরবেনা। ক্ষণে ক্ষণে আপনাকে মনে করে ঠিকই। আপনার জন্য রাত জেগে বালিশ ভেজাবে ঠিকই। কিন্তু আর ফিরবেনা।

সবই বুঝি। একটা জিনিসই বুঝিনা, মানুষ কেনো এহ বেহায়া পাগলগুলোকে ছেড়ে যায়! এরা তো বেশী কিছু চাই না। একজীবন আপনার সাথে কাটাতে চাওয়া কি খুব বেশী দোষের! হয়তো দোষের। আপনি হয়তো সুখ সন্ধানী। আপনার ধারণা হয়তো এই বেহায়ার চাইতে বড় বেহায়া আপনার জন্য অপেক্ষা। কিন্তু সত্যি হচ্ছে, এই বেহায়ার বিলুপ্তি ঘটলে আর কখনো এমন দ্বিতীয় বেহায়া পাবেন না। আফসোসের সাগরে ভকসে গেলে ও তাকে আর পাবেন না। আর কত! একটা মানুষ আপনার দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে ক্লান্ত। তবুও ক্ষান্ত হন নি আপনি। একের পর এক আঘাত হৃদয়ের মাঝখানটায় করেছেন।

আপনার এতো আঘাত এতো অপমান এতো অভিযোগ সত্বেও মানুষটা আপনাকে ভুলে যাবে না। লুকিয়ে লুকিয়ে আধারে ঠিকই আপনার ছবিতে চেয়ে থাকবে। যদি কোনোদিন আপনি ফিরে ও আসেন। মুখ দিয়ে বলবে ঠিকই এ মনের ঘরে প্রবেশ নিষেধ। অথচ হৃদয়ের কার্নিশ ঘেঁষে ঝড় উঠবে আপনাকে ফিরিয়ে দিয়েছি ভেবে। শেষ বেলায় আসলে কি থেকে কি করবে ভেবে পায় না মানুষটা। কিন্তু ঔ যে হৃদয়ের ক্ষত তা আজীবন বুকে নিয়ে বেড়ায় বেহায়া নামক জড় পদার্থ।

#বেহায়া
লিখা_ মুশফিকুর রহমান।

রিলেশনশিপে যাওয়ার পর একটা মেয়ের পুরো পৃথিবীটাই বদলে যায়🙂একটা মেয়ে যখন কাউকে ভালোবাসে,নিজের সর্বস্ব দিয়ে ভালোবাসে❤এতো ভাল...
25/07/2020

রিলেশনশিপে যাওয়ার পর একটা মেয়ের পুরো পৃথিবীটাই বদলে যায়🙂
একটা মেয়ে যখন কাউকে ভালোবাসে,নিজের সর্বস্ব দিয়ে ভালোবাসে❤
এতো ভালোবাসার পরও দিনের পর দিন তাকে কষ্ট সহ্য করে থাকতে হয়🙂
সারাদিন হাসিখুশি থাকা মেয়েটা দিন শেষে রাতের অন্ধকারে কোনো এক মায়ায় পড়ে বালিশ বেজায়💔😭

যে মেয়ে একটু ব্যাথা পেলে পুরো বাসা মাথায় তুলতো,সে মেয়েই একটা সময় হাসির আড়ালে ব্যাথা লুকিয়ে রাখে🙂

যে মেয়ে হাসির আওয়াজে পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখত,সেই মেয়েই একসময় চুপচাপ থাকতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করে🙂

যে মেয়ে শতভুল করেও বাবা মায়ের বকা শুনাত দূর সরিও বলত না,সেই মেয়েই এখন ভুল না করেও সরি বলা লাগে🙂

যে মেয়েটা ৫ মিনিট কারো জন্য অপেক্ষা করতে রাজি না,সেই মেয়েই কারো জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে🙂

যে মেয়ে ডিপ্রেশন কি সেটাই বুঝত না,সেই মেয়ের এখন ডিপ্রেশন নিত্য দিনের সঙ্গী🙂

এতো কিছুর পরেও মেয়েরা এডজাস্ট করে নেয়,এসবে ইউস টু হয়ে যায়..কিন্তু যার জন্য এসব করে,সেই তার ভালোবাসার বিন্দু মাত্র দাম দেয় নাহ!অনেক তুচ্ছ করে কথা বলে তাকে,অনেক অপমান করে,যখন ইচ্ছা তখন তার লাইফ থেকে তাড়িয়ে দেয় আবার প্রয়োজনে ফিরে আসে😦

ভালোবাসে বলেই সেই মেয়েটা শত অপমানের পরেও তাকে ছাড়া এক সেকেন্ডও থাকতে পারে নাহ😍

হ্যাঁ ভালোবাসে বলেই থাকতে পারে না❤❤

20/07/2020

অনেক মেয়েই ফেসবুক ব্যাবহার করে তাদের প্রোফাইলে সবুজ বাতিটা জ্বলতে থাকে..!

এদের মধ্যে সবাই কিন্তু প্রেম নিয়া ব্যস্ত থাকে না, এরা সবাই কিন্তু Messenger গল্পের আসর জমায় না, কিছু কিছু মেয়েরা অনলাইনে থেকেও একটা কথাও বলে না কারো সাথে প্রয়োজন ও মনে করে না,

এদের কাজ হলো নিউজফিডে উপর থেকে নিচে আর নিচ থেকে উপরে ঘুরাঘুরি করা.

কিন্তু সবাই কি মনে করে বলেনতো.?

একজন মেয়ে ফেসবুক ব্যাবহার করলে সবাই ধরে নেয় যে, মেয়েটা ভালো না একজনকে অনলাইনে বেশী দেখলে সবাই ভাবে, সে হয়তো অনেক জনের সাথে চ্যাট করে নয়তো প্রেম টেম করে.

আসলে সবার দৃষ্টিটাই বাঁকা..

এমন অনেক মেয়ে আছে দশ-টা মেসেজ দিয়েও একটা রিপ্লাই পাওয়া যায় না,
তখন সবাই ভাবে ওই মেয়েটা খুব অহংকারী হিংসুটে এরকমটাই সবাই ভেবে থাকে.

কিন্তু আসলেই কি কখনো ভেবে দেখেছেন,

আপনে যে তাকে জিজ্ঞেস করেছেন কেমন আছেন এটা জানা কি আপনার সত্যি কি
প্রয়োজন,,,,,,,,,,নাকি আপনার আলাপ করার প্রয়োজন.

মনে রাখবেন নিজের আলাপের চাহিদা সব মেয়েদের সাথে খাটে না,

ফেসবুক ব্যাবহার করা মানেই প্রেম করা নয়,

অনলাইনে থাকা মানেই প্রেম করা নয়,

চুপ থাকা মানেই অহংকারী করা নয়,

সবাই যদি সবার মতো করে থাকে তাহলে কাউকে অহংকারী মনে হবে না...

সংগৃহীত.

19/07/2020

ছ'মাসের সন্তান গর্ভে নিয়ে যে মেয়েটি ফ্লোরে ফাইভার দিচ্ছে সে আমার বোন। সেদিনের আমার দুষ্টু মিষ্টি আর লক্ষীসোনা ছোট্ট বোনটাকে আজ এভাবে তাঁর শশুর বাড়িতে ঝিয়ের মতো কাজ করতে দেখবো সেটা কখনো কল্পনাও করিনি আমি। এমন অসময়ে কলিংবেলের আওয়াজে সে ধারণাও করেনি যে আমি আসতে পারি। কোন খবরও যে দিইনি আগে। তাই কলিংবেল বাজানোর পর দরজা খুলে দিতে পাঠিয়েছিলো তার ননদের ছোট ছেলে তাসনিমকে। ওরা হয়তো বেড়াতে এসেছে। আমার উপস্থিতি টের পেয়ে ঘাবড়ে যায় মারিয়া। তড়িঘড়ি করে হাত থেকে ফাইভারটা রেখে দেয় ও। ওড়না দিয়ে নাক-মুখের ঘাম মুছতে মুছতে এগিয়ে আসে আমার দিকে। চোখে মুখে তাঁর বিস্ময়! সাথে ভুবন ভরা আনন্দের ছাপ! এসেই আমার সামনে দাঁড়িয়ে বলে ওঠে,

- আরে ভাই আমার! হঠাৎ এসময়ে কি করে আসলে? কেমন আছো তুমি? বাড়িতে বাবা-মা তাঁরা কেমন আছেন?

আমি চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। মুখে কোন কথা আসছিলো না। এমন সময় ভেতরের রুম থেকে আওয়াজ আসলো,
- ও জমিদারের বেটি মারিয়া, এতক্ষণ লাগে এইটুকু ঘর ফাইভার দিতে? বাবা-মায়ে কি কাজ না শিখিয়েই আমার ছেলের গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছিলো তোমায়? ফাইভার দেয়া শেষ করে তাড়াতাড়ি এসে এখান থেকে প্লেটগুলো নিয়ে যাও। সায়েম আসার আগেই গোসল করে ফ্রেশ হতে হবে। আমার ছেলে যেনো আবার এসব এসে না দেখে হু।

পুরো বিষয়টা আমার কাছে দিবালোকের ন্যায় পরিষ্কার হয়ে গেলো। তারমানে সায়েম এবিষয়ে কিছুই জানেনা। তার অজান্তেই আমার বোনটাকে দিয়ে বাসার সকল কাজ করানো হয়। রক্ত মাথায় উঠে গেলো আমার। মারিয়াকে বললাম,

- ফাইভারটা নিয়ে কাজ করা শুরু কর। আমি দাঁড়াচ্ছি।

আমার মুখে এমন কথা শুনে ও অবাক হয়ে আমতা আমতা করে বললো,
- এটা কেন বলতেছো? আমি তো এমনিতেই একটু এটা নিয়ে কাজ করে দেখছিলাম। আমি এতসব কাজ করিনা। সব কাজ এখন মা'ই করেন।

রাগান্বিত স্বরে বললাম,
- যা বলেছি তা কর। আমি দাঁড়াচ্ছি।

সেই ছোটবেলা থেকেই মারিয়াকে কোলেপিঠে করে বড় করেছি। বড় ভাই হয়েও সবসময় বন্ধুর মতো ওর পাশে থেকেছি। আদর স্নেহ, মমতা আর ভালোবাসার কখনো কোন কমতি দিইনি ওর ক্ষেত্রে। আমাকে ও ছোটবেলা থেকেই যেমন ভালোবাসতো, ভরসা করতো তেমন ভয়ও পেতো। কখনোই আমার অবাধ্য হতোনা। এবার ও চুপচাপ গিয়ে ফাইভারটা নিয়ে কাজ করতে লাগলো। আমি পকেট থেকে ফোনটা বের করে মিনিট তিনেকের একটি ভিডিও বানালাম ওর কাজের। এরপর এগিয়ে গিয়ে সোফায় বসিয়ে দিলাম ওকে। ফাইভারটা নিজ হাতে নিলাম। গোটা রুম ভালো করে ফাইভার দিলাম। আমি এসবে ওস্তাদ। ট্যুরিজমের হাউজকিপিং ডিপার্টমেন্টের কোর্স করে ফাইভ স্টার হোটেলে ইন্টার্নিও করা আছে। সেখান থেকেই এসব শেখা। চোখের পলকেই রুমের সবগুলো কাজ করে ফেললাম। বোন আমার বিস্ময় হয়ে শুধু দেখেই যাচ্ছে।

কিছুক্ষণ পর ভদ্রমহিলা আবার চেঁচালো। মারিয়া আমার কথা বলতে চাইলেও ওকে থামিয়ে দিলাম। ঐ রুমটা ভেতরের দিকে। এদিক থেকে খুব জোড়ে কথা না বললে সেখান থেকে শোনা যাবার কথায় নয়। তাই আমাদের কথোপকথন শোনেননি তিনি। মারিয়াকে বললাম,

- এখানে চুপচাপ বসে পিঠাগুলো খেয়ে নে। মা বানিয়ে পাঠিয়েছেন। আমি আসছি।

ও বাধ্য মেয়ের মতো হাত ধুয়ে সেগুলো খেতে থাকলো। আমি এগিয়ে গেলাম ভেতরের দিকে। দরজায় নক করলাম। হুট করেই তো আর কারোর রুমে ঢুকা যায়না। এটা ভদ্রতাও নয়। ভেতর থেকে অনুমতি এলো, 'এসো নবাবজাদী।' ঢুকলাম রুমে। তিনি ও তার মেয়ে টিভিতে ভারতীয় সিরিয়াল দেখছেন। সেখানেও দেখাচ্ছিলো কিভাবে নিজেদের পুত্রবধূদের দিয়ে বাড়িতে ঝিয়ের মতো করে কাজ করাতে হয়। আমি এমন একটা পরিবেশে আর সালাম দিলাম না। সরাসরি সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। তাদের চোখে এখন আর আমি মারিয়ার বড় ভাই রিয়াদ নই। যেনো আজরাইল! দুজনের চক্ষুই চড়কগাছে রূপান্তরিত হয়ে গেলো। বললাম,

- তা এখান থেকে কি কি নিয়ে যেতে হবে দয়া করে যদি বলতেন!

মারিয়ার শাশুড়ি আমার মায়ের বয়সী। আমতা আমতা করে আমাকে বললেন,
- বাবা তুমি এখানে!

বললাম,
- যদি অনুমতি দেন তাহলে একটু বসতে চাই।

উনি টিভি বন্ধ করে দিয়ে বললেন,
- হ্যা বাবা বসো।

দুজনের কেউই বুঝতে পারছেন না আমি ঠিক কি করতে চলেছি। বসে পকেট থেকে ফোনটা বের করে ডাটা অন করলাম। ইমুতে গিয়ে কল দিলাম তানহাকে। আমাদের বাসায় ওয়াইফাই রয়েছে। তাই নেট নিয়ে কোন সমস্যা পোহাতে হয়না। কয়েক মুহুর্ত পরই রিসিভ করলো তানহা। ওকে দেখা যাচ্ছে বিছানায় বসে আছে। বললাম,

- কি করছো?

- আর কি করবো, মা এত্তগুলো ফল এনে দিয়ে বললেন যেনো বসে বসে খাই। আমি কি সারাদিন এখন শুধু ফলই খাবো বলো?

- তুমি কি কি খাচ্ছো সবগুলো একটু দেখাও তো!

এই বলে ফোনটা মারিয়ার শাশুড়ির হাতে দিয়ে দিলাম। উনি ফোনটা নিয়ে দেখতে লাগলেন। কিছুক্ষণ পর তানহা মারিয়ার শাশুড়িকে দেখে অবাক হয়ে যায়। সালাম বিনিময় করে ভালোমন্দ জিজ্ঞেস করে। উনার স্বাস্থ্যের খবর নেয়। প্রেসার ঠিক আছে কিনা আর ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করেন কিনা সেসবও জিজ্ঞেস করে। জিজ্ঞেস করে উনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে পারেন কিনা। জিজ্ঞেস করে উনি আমাদের সকলের জন্যে দোয়া করেন কিনা। কারণ তিনি মুরুব্বি, গুরুজন। মারিয়ার কথা জিজ্ঞেস করে। সেমুহুর্তেই ভদ্রমহিলা কেঁদে ফেললেন। আঁচল দিয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন,

- আমাকে ক্ষমা করে দাও মা। আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করো যেনো আমার দ্বারা এমন অবিচার আর কখনো না হয়।

কথাগুলো বলতে বলতে তিনি ফোনটা এগিয়ে দিলেন আমার দিকে। তানহা বিস্মিত হয়ে গেলো। জানতে চাইলো হঠাৎ কি হয়ে গেলো। বললাম,
- বাড়ি এসে বলবো। এখন রাখছি।

উনি বিছানায় বসে কাঁদছেন। ততক্ষণে আমি মারিয়ার ভিডিওটা সায়েমকে সেন্ড করে দিয়েছি। সাথে লিখেছি,
- ভুল মানুষই করে। তোমার মা-ও একজন মানুষ। আমি চেষ্টা করেছি উনার ভুল ভেঙে দিয়ে উনাকে শোধরাবার সুযোগ করে দেয়ার। আশা করছি উনি নিজেকে শোধরে নিবেন। তবে নাও নিতে পারেন। তাই এটি পাঠাতে হলো। এখন কোন পদক্ষেপ নেয়ার আর দরকার নেই। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নিও। সেটুকুই করো যেটুকু একজন স্বামী হিসেবে স্ত্রীর প্রতি থাকা দায়িত্ব আর কর্তব্য পালনের দায়বদ্ধতা থেকে করতে হয়।

ভদ্রমহিলা উঠে দাঁড়ালেন এবার। প্লেটগুলো নিজ হাতে উঠিয়ে নিয়ে গেলেন কিচেন রুমে। ততক্ষণে মারিয়াও সেখানে গিয়ে হাজির। মারিয়াকে দেখে তিনি আর কোন কালক্ষেপণ না করে ওকে গিয়ে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কান্না শুরু করে দিলেন। বুঝতে পারলাম মানুষটির ভেতরে থাকা মমত্ববোধ আর মনুষ্যত্ব জাগ্রত হয়ে গিয়েছে। মারিয়া আমার দিকে বিস্ময়ের নজরে তাকালো। ওর চোখে পানি। সেখানেই যেনো লেখা, 'আমার ভাই কোন যাচ্ছেতাই ভাই নয়, যেনো একটা হীরকখণ্ড! আমি খুব ভাগ্যবতী এমন একজন ভাই পেয়ে।' আমিও মনে মনে বলে উঠলাম, 'আমার আদরের বোনটাকে কেউ কষ্ট দিবে সেটা কিভাবে চুপ করে সহ্য করবো আমি। আমি আমার কলিজার বোনের চোখে পানি আসতে দিবো না কখনো। প্রয়োজনে সাত জমিন ওলট-পালট করে দিতেও আমি কোন দ্বিধাবোধ করবোনা।

#বোন


প্রথম প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২০ খ্রিস্টাব্দ।

15/07/2020

সুইসাইড করবে? এ জীবন রেখে কি লাভ,আর জীবন রাখবেই না তাই না? সবার জীবনের কাঁটা তুমি,সবাই কে মুক্তি দিতে চাচ্ছো? তুমি মরে বোঝাতে চাও তুমি কার জীবনে কি ছিলে, এই তো?
,
তাহলে একবার ভবো তো, কি দিয়ে সুইসাইড করবে?
বিষ জাতীয় কিছু খাবে?তাহলে সেই বিষক্ত বিষটা খাওয়ার আগে একটু হাতে লাগিয়ে দেখো সহ্য করতে পারবে তো?
না উপর থেকে লাফিয়ে পরবে? তার আগে সিড়ি দিয়ে একটু নিচে পরে দেখো পারবো তো ছিলে গেলে বা হাত-পা ভাঙ্গলে তা সহ্য করতে?
নাকি গলায় ফাঁস দিবে? তার আগে হাত দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাসটা বন্ধ করে দেখো কতখন থাকতে পারো,পারবে কি সব সহ্য করতে?
তারপরও সুইসাইড করবেই? জীবন রাখবে না,মরার পর যা হবার হবে, জীবনের কষ্টের থেকে সুইসাইড অনেক ভালো,তাইতো?

তাহলে বেশ ভালো একবার মন থেকে ভাবো তো কার জন্য তুমি তোমার সুন্দর জীবন নষ্ট করব

🔸যে তোমার সাথে প্রতারনা করেছে তার জন্য?
🔸না কারো সাথে রাগ করে?
🔸নাকি কাউকে আপসুসের সাগরে ডুবাতে?
🔸না তোমার স্বপ্ন পূরণ হবে না এটা ভেবে?
🔸নাকি জীবনে এমন ভুল করেছ যা চাইলেই শুধরে নেওয়া যাবে না তার জন্য?

যদি এসবই হয়, তাহলে মন থেকে একবার ভাবো আত্মহত্যাই কি জীবনের সমাধান? জীবন তো একটাই,এটা শেষ করলে যাদের তুমি অপসুসের সাগরে ডুবাতে চাও তুমি চলে গেলে তারা কি আদৌ আপসুস করবে?

মনে রেখ আত্মহত্যা কিছুর সমাধান নয়,যে তোমাকে ঠকিয়েছে,যে তোমাকে ছেড়ে গেছে সে তো প্রতারক।
সে কখনোই তোমাকে ভালোবাসেনি, যা ছিলো তা শুধু কিছু দিনের অভিনয়, সে তো প্রতারক সে চলে যাওয়াই তোমার মঙ্গল।
তুমি তোমার সুন্দর জীবন নষ্ট করলে সে না করবে আপসুস, না বুঝবে তোমার ভালোবাসা।
তুমি চলে গেলে তার জন্যই ভালো কারন তুমি ছিলে তার পথের কাঁটা। বরং সুইসাইড না করে জীবনে সফলতা টেনে আনো, দেখবে একদিন তোমাকে ছেড়ে যাওয়ার আক্ষেপে জ্বলে পুরে ছারখার হবে।

তোমার স্বপ্ন পূরণ হয় নি? তুমি ব্যর্থ?
তাহলে ভেবে নাও ব্যর্থতাই তোমার জীবনের সফলতা। বড় বড় মানুষেরা ব্যর্থতা ছাড়া সফলতা আনতে পারেনি। তুমি চেষ্টা করো যতবার না পারো ততবার। এক মুহূর্তের জন্য ভুলে যাবে না তোমার স্বপ্ন কে। তুমি সফল হবেই কারন চেষ্টায় সফলতার চাবিকাঠি।

জীবনে অনেক ভুল করেছ?জেনে বুঝে অনেক ভুল করেছ যা এখন তোমার জীবন চলের পথের কাঁটা।
যে ভুল চাইলেই শুধরে নেওয়া যাবে না?
তাহলে ভাবো এ ভুলও তোমার আর একটা সফলতা পথ। কোনো জ্ঞানি গুনি মহিয়ানরা সঠিক থেকে ভুল করনি বরং ভুল থেকে সঠিক করেই সফলতা এনেছে।
যে যাই বলুক,যতই ভুলই করো তুমি তোমার লক্ষ্য পূরণে পিছ পা যেওনা।

পরিশেষে এটাই মনে রেখ আত্মহত্যা কোনো কিছুর সমাধান দিতে পারে না, পারে শুধু একটা সুন্দর জীবনের ইতি টানতে।

11/07/2020

একটা সময় কোন একজনের উপর আমি খুব নজর দারি করতাম, সে কবে কোথায় কি কমেন্টস করলো, কোথায় কি রিয়েক্ট দিলো, কই গেলো, কার সাথে মিশলো,কোন মেয়ে তার কোন পোষ্টে কি রিয়েক্ট দিলো, সবই খুঁজে বের করতাম! তার স্ট্যাটাস বা ছবিতে কেউ একটু লুতুপুতু অথবা বাজে কমেন্টস করলে প্রচুর জেলাস হতাম, রাগারাগি করতাম, ঝগড়া করতাম!

আমি ব্যতিত অন্য কারো সাথে কথা বললে আমি ভেঙে-চুঙে যেতাম, অভিমান করতাম। সে অভিমানে তার কিচ্ছু যায় আসে না, অভিমানের ভাষা সবাই বুঝতে পারে না, অভিমানের মূল্য সবাই দিতে পারে না।

সে সময়টা পার হয়ে গেলো, আমার আর কোন কিছুতে কিছু যায় আসে না; তার উপর মায়া ভালোবাসা সবই চলে গেলো আস্তে আস্তে, কোন কিছুতে আমি আর জেলাস হই, না আমি আর ভেঙে যাই না। বরং আমি হাসি আমার হাসি পায়, আমি কি করেছিলাম, অপাত্রে ভালোবাসা, মায়া দান করেছিলাম।

সারাদিন ব্যস্ত থাকার পরেও আমি তার উপর নরজদারি করতাম, খুবই হাস্যকর ব্যাপার ছিলো। এখন আমার আর কোন কিছুতে কিছু যায় আসে না, যা ইচ্ছা করুক, মরে গেলেও হয়তো আর দুঃখ হবে না।

আমার সময়টা হয়তো ভালো হয়ে গিয়েছে, সময় সব সময় খারাপ থাকে না একটা সময় ঠিকই সময় বদলে যায় সব। সবার বদলাবে, শুধু অপেক্ষায় থাকুন, যে অপাত্রে ভালোবাসা দান করেছেন অথবা করতেসেন তাকে ছেড়ে দিয়ে বুঝিয়ে দিন আপনার ভালোবাসা অমূল্য না, আপনার কেয়ার অমূল্য না।

কোন এক দিন কেউ একজন আসবে যে আপনাকে বুঝবে, ভালোবাসবে সব রকমের না পাওয়া, ডিপ্রেশন সব কষ্ট ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিবে। অপেক্ষা করুন সময়টা আসবেই.. ♥

🗨রুহেল আহমেদ ভাই

01/07/2020

কিছু জিনিস আপনাকে করতে হবে।

১:প্রথম সাক্ষাতেই বিশ্বাস করা পরিহার করুন।

২:অনেক দিন আপনার কেউ খোঁজ নিচ্ছেনা।কিন্তু ইদানীং প্রচুর খোঁজ নিচ্ছে এমন মানুষ পরিহার করুন।

৩:যদি বুঝতে পারেন কেউ আপনাকে ঠকাচ্ছেন,তবুও তাকে ঠকাতে দেন।সে একদিন নিশ্চয় এর শিক্ষা পাবে।

৪:কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই করবেন।তবে যে আপনার সাহায্য চায়না,এগিয়ে গিয়ে তাকে সাহায্য করার কোন দরকার নেই।

৫:যাইহোক না কেন নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখুন।অন্যের জন্য নিজেকে বদলাবেন না।

৬:কাউকে দেখানোর জন্য কোন কিছু করবেন না।নাহলে সারাজীবন মানুষকে দেখাতেই যাবে,নিজে কখনো শান্তি নিতে পারবেন না।

৭:যাকে ভালোবাসেন তার সামনে ওয়াদা করবেন না।বরং নিজের মধ্যে ওয়াদা করুন এবং তা পুরনের জন্য ১০০% চেষ্টা করুন।

৮:মানুষকে অপমান করা ছেড়ে দিন।এটা অনেক কঠিন কাজ তবুও চেষ্টা করতে হবে।

৯:সব সময় নিজেকে জানুন।নিজের গুরুত্ব বাড়ান।

১০:বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে যাকে সহ্য হয়না,তাকে সরাসরি বন্ধুর লিষ্ট থেকে বের করে দেন।

লেখা:সৈয়দ শামিম আল মাহমুদ

ধন্যবাদ

পানির নিচ থেকে ৭২ ঘন্টা পর উদ্ধারের ঘটনা ও রয়েছে ! আজকের বুড়িগঙ্গাতে লঞ্চ দূর্ঘটনার ১২ ঘন্টা পর একজনকে জীবিত উদ্ধার করায়...
30/06/2020

পানির নিচ থেকে ৭২ ঘন্টা পর উদ্ধারের ঘটনা ও রয়েছে !

আজকের বুড়িগঙ্গাতে লঞ্চ দূর্ঘটনার ১২ ঘন্টা পর একজনকে জীবিত উদ্ধার করায় নেটিজেনদের মনে জন্ম নিয়েছে নানান প্রশ্ন।
অনেকেই জানতে চাচ্ছে এও কি সম্ভব?
কিন্তু ২০১৫ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে জাহাজডুবির ৭২ ঘণ্টা পরও পানির নিচ থেকে অবিশ্বাস্যভাবে জীবিত ফিরেছিলেন নাইজেরিয়ার এক যুবক হ্যারিসন ওদজেগবা ওকেনো।

জানা যায়, নাইজেরিয়ার হ্যারিসন পেশায় একজন রাঁধুনি। কাজ করতেন জাহাজে। হঠাৎই একদিন অ্যাটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় জাহাজটি। জাহাজ থেকে বের হতে পারেননি হ্যারিসন। সেই সময় জাহাজের শৌচাগারে ছিলেন তিনি।

সৌভাগ্যবশত, পুরো জাহাজটি আটলান্টিক মহাসাগরের পানির নিচে চলে গেলেও পানি ঢোকেনি শৌচাগারে। ফলে সেখানে তৈরি হয় ছোট একটি এয়ার পকেট। কিছুটা বাতাস পান হ্যারিসন। সেই এয়ার পকেটে থাকা অক্সিজেনের সাহায্যেই টানা তিন দিন অ্যাটলান্টিকের গভীরে কাটিয়ে দেন ওকেনো।

এর তিন দিন পর উদ্ধারে নামেন ডুবুরিরা। মৃতদেহ ভেবেই ওকেনোর হাত ধরে তাকে তুলতে যান উদ্ধারকারী দলের সদস্য টনি ওয়াকার। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে দেখা যায় বেঁচে আছেন ওকেনো। গত ২০১৫ সালের মে মাসের ঘটনা এটি। এ ঘটনার ছয় মাস পর ইউটিউবে আপলোড কারা হয়েছে উদ্ধারের ছবি। এরপরই রীতিমতো শিরোনামে ওকেনো। ইউটিউবের সেই ভিডিও দেখে ওকেনোকে নিয়ে পড়ে যায় হইচই।

তখন এক সাক্ষাৎকারে উদ্ধারকারী টনি ওয়াকার বলেন, অ্যাটলান্টিকের মতো গভীর মহাসাগরের এতো ঠাণ্ডায় ওকেনো যে বেঁচে ছিলেন এটাই অবিশ্বাস্য। তাপমাত্রা যেখানে হিমাঙ্কের বহু নিচে সেখানে এই তিন দিন শুধুমাত্র একটি হাফপ্যান্ট পড়ে কাটিয়ে দিয়েছেন ওকেনো।

উদ্ধারকারীদের মতে, আরও দেরি হলে হয়তো আর বাঁচানোই যেতো না ওকেনোকে। কারণ এরই মধ্যে অক্সিজেন শেষ হয়ে আসছিল এয়ার পকেটে।

ওকেনো তার অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে বলেন, চারিদিকে শুধুই অন্ধকার ছিল। যখন হাঙর ও অন্যান্য মাছের আওয়াজ শুনতম, ভয়ে গা শিউরে উঠতো।

নতুন করে জীবন ফিরে পাওয়া ওকেনো বলেন, সত্যিই এটি তার জীবনে ঘটে যাওয়া মিরাকেল।

https://www.bbc.com/news/av/world-africa-25205914/moment-divers-found-man-trapped-alive-in-sunken-ship

29/06/2020

"একটা সময় ছিলো যখন আমি মানুষের উপর প্রচুর আশা রাখতাম, বিশ্বাস করতাম...
ভাবতাম আমার চারপাশে যারা আছে তারা প্রত্যেকই অনেক ভালো মনের মানুষ !!
আমি ধরে নিতাম আমার বন্ধু বান্ধুবী সবাই আমাকে খুব ভালোবাসে...
আমি ধারণা করতাম আমার কাছের মানুষগুলো সব সময়ই আমার পাশে থাকবে...
কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করলাম আমার এসব ধারণা একদমই ভুল ছিলো !!
আমার জীবনে অনেকেই সুখ পাখি হয়ে এসে আমাকে আকাশে উড়িয়ে দিয়ে চলে গেছে...
ছোট ভাই, বড় ভাই, বন্ধু, বান্ধুবী ও প্রেমিকা কিছুই বাদ যায়নি...
কিন্তু এখন অনেকেই নাই, আবার কেউ কেউ থেকেও নাই...
অনেকের কাছে আমি ঘৃণার পাত্র হয়েছিও বটে !!
তখন ঠিক অতটা বুঝতাম না মানুষের স্বার্থ এতটাও খারাপ হতে পারে...
আমার কাছে যারা আসছিলো তারা সবাই কোনো না কোনো স্বার্থ নিয়ে আসছে, যখনই তাদের স্বার্থ শেষ হয়েছে ঠিক তখন থেকেই আমাকে ভুলতে তারা দ্বিতীয়বার ভাবেনি !!
ভাবতেও অবাক লাগে কিছুদিন আগেও আমি এমন ছিলাম যে,
কেউ আমার কথা না রাখলে খারাপ লাগতো...
আমাকে কেউ হার্ট করলে চোখে পানি এসে যেতো...
অনেকদিন ধরে কেউ খবর না নিলে মন খারাপ করতাম !!
অথচ সময়ের সাথে সাথে এমনই শক্ত হয়েছি এখন কেউ কথা রাখা তো দূরের কথা আমি কারো কাছে কিছু আশাই করি না...
এখন কেউ হার্ট করলে আমার হাসি পায়...
কেউ খবর না নিলে আমারো কিছুই যায় আসে না...
কোনো কিছুই মনে থাকে না !!
অনেকে হয়তো বলবে সবকিছু ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে গেছে...
আসলে কিছুই ঠিক হয়নি, সবকিছু আগের মতই আছে শুধু আমি নিজেই এসবের সাথে মানিয়ে নিয়েছি...
আগে অল্পতেই মন খারাপ হতো এখন হয়না...
অল্পতেই অভিমান করতাম এখন অভিমানও হয়না...
কাউকে না কাউকে পাশে পেতে চাইতাম এখন আমার কাউকে দরকার হয়না... পার্থক্যটা এখানেই !!
চাইলেই একা থাকা যায়...
তুমি চাইলেই নিজেকে শক্ত করে রাখতে পারো...
চাইলেই তুমি কারোর উপর আশা ছাড়াই থাকতে পারবে...
স্বার্থ না রেখে চলতে পারবে...
অতিরিক্ত আশা মানুষকে ছোট করে রাখে আবার অতিরিক্ত স্বার্থ ও আবেগ মানুষকে তার নিজের ক্ষমতাকে জাগ্রত হতে দেয় না !!
জীবনে কখনো কারোর উপর আশা রাখতে নাই...
স্বার্থ রাখতে নাই...
একমাত্র আশা বিহীন মানুষই জীবনে সবচেয়ে সুখী...
বাঁচতে চাইলে একাই বাঁচতে শিখো...
একা একা অনেকদূর এগিয়ে যাওয়া যায়, যেখানে মাঝপথে কাউকে হারিয়ে ফেলার ভয় থাকে না !!
জীবনে একা তুমি যতই সামনে যাওনা কেনো চাইলেই একা পিছনে চলে আসতে পারবে...
কিন্তু যদি কারোর উপর ডিপেন্ড হয়ে সামনে আগাও এবং সে যদি মাঝপথে তোমাকে রেখে চলে যায়, তাহলে তুমি পিছনে আসতে পারবে না... হারিয়ে যাবে !!"

Address

Manda

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মায়া জ্বাল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মায়া জ্বাল:

Shortcuts

Share

Category