যুব কাফেলা সামাজিক সংগঠন

যুব কাফেলা সামাজিক সংগঠন (যুব কাফেলা সামাজিক সংগঠন) পেইজে আপনাকে স্বাগতম 🌹 আমাদের জন্য দোয়া করবেন 🤲 ইনশাআল্লাহ

আমাদের কাছে ভালমানের এক্সপোর্ট কোয়ালিটি মানের সকল ধরনের শার্ট, টিশার্ট ও প্যান্ট পাবেন।এবং যে কোনো অনুষ্ঠানের আপনার পছন্দের এক কালার টিশার্ট, পাঞ্জাবি, শার্ট অর্ডার দিয়ে বানাতে পারবেন।
মনে রাখবেন অনলাইনে অনেকেই প্রতারণার শিকার হউন,কিন্তু আমাদের কাছে পাবেন যেমন কথা তেমন কাজ ২ নাম্বারির কোনো অপশন নেই। কেননা বিজনেস "!একদিনের জন্য করতে আসিনাই'!

31/12/2025

সমাজ পরিবর্তন হবে যুবকরা সৎ হলে

06/08/2025
06/08/2025

গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান।

23/07/2025
20/07/2025
27/04/2025

স্বাধীনতার পর আওয়ামীলীগ ৬ বার, বিএনপি ৪ বার ও জাতীয় পার্টি ২ বার রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলো। কিন্তু প্রত্যেক দলই ক্ষমতায় গিয়ে স্বৈরতান্ত্রিকতার প্রতি আশক্ত হয়ে পড়ে। কারচুপি, জালিয়াতি, অনিয়ম, ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড কেউই যেন কোনোটা বাদ রাখেনি।

▪️১৯৭৩ সালে শেখ মুজিবুর রহমান এর শাসনামলে ১ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিরোধিদল সহ আন্তর্জাতিক অনেক মিডিয়া এই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনে। যার প্রমাণও মেলে আওয়ামীলীগের পরবর্তী কার্যকলাপে।
ততকালীন ২/১ টি পত্রিকা ছাড়া বাকি সবগুলো জাতীয় দৈনিক তাদের দখলে নিয়ে নেয় এবং আওয়ামীলীগের পক্ষে একপেশে সংবাদ প্রচার করতে থাকে। মানুষের বাকস্বাধীনতা পর্যন্ত কেড়ে নেয়া হয়। ফলশ্রুতিতে ক্রসফায়ারে শেষ হয় শেখ মুজিবুর রহমান অধ্যায়। ক্ষমতার স্থায়িত্ব হয় মাত্র ২ বছর ৬ মাস। দেশে শুরু হয় ইতিহাসের প্রথম সামরিক শাসন।

▪️ ১৯৭৯ সালে ২য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে মেজর জিয়াউর রহমান নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এই নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এই সংসদেরও মেয়াদ স্থায়ীত্ব হয় মাত্র মাত্র ৩ বছর।

▪️১৯৮৬ সালে ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। অন্যান্য নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এই সংদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১৭ মাস।

▪️১৯৮৮ সালে ৪র্থ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরশাদের স্বৈরতান্ত্রিক অবস্থানের কারণে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির কেউই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। এ সংসদেরও মেয়াদ ছিলো মাত্র ২ বছর ৭ মাস।

▪️১৯৯১ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথম নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষমতায় আসে বিএনপি।

▪️১৯৯৬ সালে মোট ২ টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন বি এন পি আয়োজন করে একটি একতরফা নির্বাচন। যেখানে তারা ২৭৮ টি আসন দখল করে নেয়। আওয়ামিলীগ, জাতীয় পার্টি ও জামায়াত ইসলামি সহ অধিকাংশ দল এ নির্বাচন বর্জন করেন। এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিলো ১০ শতাংশেরও কম। এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১১ দিন।

▪️১৯৯৬ সালে আবার আয়োজন করা হয় ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন । যে বিএনপি নিজেদের অধিনে নির্বাচন দিয়ে ২৭৮ টি আসন পেয়েছিলো, সেই বিএনপি এই নির্বাচনে আসন পায় মাত্র ১১৬ টি।

▪️২০০১ সালে অনুষ্ঠিত হয় ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
এই নির্বাচনে বিএনপি ১৮৩ টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে। তাদের শাসনামলে ব্যার্থতার পার্সেন্টেজ এতোটাই বেশি ছিলো যে তীব্র আন্দোলনের মুখে রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে সেনাবাহিনী। জারি করা হয় জরুরি অবস্থা।

▪️২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত হয় ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
পরবর্তী ১৬ বছর আওয়ামিলীগ পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম স্বৈরাচারীর অবস্থান নেয়।

ফাইনালি ৫৩ বছরে আমরা পেলাম
ভোটাধিকার হরন, নির্লজ্জ সরকার, উলঙ্গ প্রশাসন, বিবস্র স্বাধীনতা, নগ্ন সমাজ ও বিপন্ন মানবতা।

তাই ১৮ কোটি জনগণ নতুন দিগন্তের খোঁজে। তারা আর ঠকতে চায়না। তারা ইনসাফ চায়। জুলাই-আগস্টের বিপ্লব বাংলা রাজনীতির নয়া দ্বার উন্মোচিত করেছে।
আশা করি "নির্বাচন চাই, নির্বাচন চাই" বলে ৫৩ বছরের পুনরাবৃত্তি করবেন না। দেশ সংস্কার হোক। প্রয়োজনে উপদেষ্টা পরিষদে সব দলীয় উল্লেখযোগ্য নেতা অন্তর্ভুক্ত হোক।

দেশে ৯২% মুসলমান ও ৮% অন্যান্য জাতি এবং অধিকাংশ মানুষই ধর্মানুরাগী। সেক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল
বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোট, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এই দলগুলো ৫৩ বছরের তেতো অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে জাতির সামনে নতুন ভিশন তুলে ধরুক, ঐক্যের মিশন গড়ে তুলুক। ছাত্রদের নতুন দল "এনসিপি" দেশের জন্য ইউনিক কিছু করে দেখাক।
মানুষ নতুনত্ব খুজছে। আপাতত ভোট দেয়ায় অনাগ্রহী।

স্বাধীনতার পর আওয়ামীলীগ ৬ বার, বিএনপি ৪ বার ও জাতীয় পার্টি ২ বার রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলো। কিন্তু প্রত্যেক দলই ক্ষমতায় গিয়ে স্বৈরতান্ত্রিকতার প্রতি আশক্ত হয়ে পড়ে। কারচুপি, জালিয়াতি, অনিয়ম, ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড কেউই যেন কোনোটা বাদ রাখেনি।

▪️১৯৭৩ সালে শেখ মুজিবুর রহমান এর শাসনামলে ১ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিরোধিদল সহ আন্তর্জাতিক অনেক মিডিয়া এই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনে। যার প্রমাণও মেলে আওয়ামীলীগের পরবর্তী কার্যকলাপে।
ততকালীন ২/১ টি পত্রিকা ছাড়া বাকি সবগুলো জাতীয় দৈনিক তাদের দখলে নিয়ে নেয় এবং আওয়ামীলীগের পক্ষে একপেশে সংবাদ প্রচার করতে থাকে। মানুষের বাকস্বাধীনতা পর্যন্ত কেড়ে নেয়া হয়। ফলশ্রুতিতে ক্রসফায়ারে শেষ হয় শেখ মুজিবুর রহমান অধ্যায়। ক্ষমতার স্থায়িত্ব হয় মাত্র ২ বছর ৬ মাস। দেশে শুরু হয় ইতিহাসের প্রথম সামরিক শাসন।

▪️ ১৯৭৯ সালে ২য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে মেজর জিয়াউর রহমান নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এই নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এই সংসদেরও মেয়াদ স্থায়ীত্ব হয় মাত্র মাত্র ৩ বছর।

▪️১৯৮৬ সালে ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। অন্যান্য নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনেও ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এই সংদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১৭ মাস।

▪️১৯৮৮ সালে ৪র্থ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরশাদের স্বৈরতান্ত্রিক অবস্থানের কারণে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির কেউই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। এ সংসদেরও মেয়াদ ছিলো মাত্র ২ বছর ৭ মাস।

▪️১৯৯১ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথম নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষমতায় আসে বিএনপি।

▪️১৯৯৬ সালে মোট ২ টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন বি এন পি আয়োজন করে একটি একতরফা নির্বাচন। যেখানে তারা ২৭৮ টি আসন দখল করে নেয়। আওয়ামিলীগ, জাতীয় পার্টি ও জামায়াত ইসলামি সহ অধিকাংশ দল এ নির্বাচন বর্জন করেন। এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিলো ১০ শতাংশেরও কম। এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১১ দিন।

▪️১৯৯৬ সালে আবার আয়োজন করা হয় ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন । যে বিএনপি নিজেদের অধিনে নির্বাচন দিয়ে ২৭৮ টি আসন পেয়েছিলো, সেই বিএনপি এই নির্বাচনে আসন পায় মাত্র ১১৬ টি।

▪️২০০১ সালে অনুষ্ঠিত হয় ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
এই নির্বাচনে বিএনপি ১৮৩ টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে। তাদের শাসনামলে ব্যার্থতার পার্সেন্টেজ এতোটাই বেশি ছিলো যে তীব্র আন্দোলনের মুখে রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে সেনাবাহিনী। জারি করা হয় জরুরি অবস্থা।

▪️২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত হয় ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
পরবর্তী ১৬ বছর আওয়ামিলীগ পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম স্বৈরাচারীর অবস্থান নেয়।

ফাইনালি ৫৩ বছরে আমরা পেলাম
ভোটাধিকার হরন, নির্লজ্জ সরকার, উলঙ্গ প্রশাসন, বিবস্র স্বাধীনতা, নগ্ন সমাজ ও বিপন্ন মানবতা।

তাই ১৮ কোটি জনগণ নতুন দিগন্তের খোঁজে। তারা আর ঠকতে চায়না। তারা ইনসাফ চায়। জুলাই-আগস্টের বিপ্লব বাংলা রাজনীতির নয়া দ্বার উন্মোচিত করেছে।
আশা করি "নির্বাচন চাই, নির্বাচন চাই" বলে ৫৩ বছরের পুনরাবৃত্তি করবেন না। দেশ সংস্কার হোক। প্রয়োজনে উপদেষ্টা পরিষদে সব দলীয় উল্লেখযোগ্য নেতা অন্তর্ভুক্ত হোক।

দেশে ৯২% মুসলমান ও ৮% অন্যান্য জাতি এবং অধিকাংশ মানুষই ধর্মানুরাগী। সেক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল
বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোট, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এই দলগুলো ৫৩ বছরের তেতো অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে জাতির সামনে নতুন ভিশন তুলে ধরুক, ঐক্যের মিশন গড়ে তুলুক। ছাত্রদের নতুন দল "এনসিপি" দেশের জন্য ইউনিক কিছু করে দেখাক।
মানুষ নতুনত্ব খুজছে........ #নিউজ

19/03/2025

#নিউজ

15/01/2025
25/10/2024

Address

Muhammadpur

Telephone

+8801787662835

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when যুব কাফেলা সামাজিক সংগঠন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to যুব কাফেলা সামাজিক সংগঠন:

Shortcuts

Share