08/10/2026
তাজিংডং থেকে আমিয়াখুম -পাহাড়, ঝিরি আর খুমের রাজ্যে মেঘে মোড়া এক অনন্য এডভেঞ্চার
তাজিংডং, দোতং পাহাড়, আমিয়াখুম ও মাথভারাখুম ঢাকা টু ঢাকা স্পেশাল ট্যুর (৪ দিন / ৫ রাত)
🗓️ ভ্রমণ পরিকল্পনা (এক নজরে)
* রওনা: ১৯ অক্টোবর, রাত ৯:০০ টা (ঢাকার সায়দাবাদ থেকে)।
* ফেরা: ২৪ অক্টোবর, ইনশাআল্লাহ্ সকালে ঢাকায় পৌঁছাবো।
💰 ইভেন্ট ফি ও বুকিং
* জনপ্রতি খরচ: ১০,৪৯৯ টাকা (সকল খরচসহ)।
* বুকিং ফি: ২৫০০ টাকা (বুকিং ফি জমা দিয়ে এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন)।
💳 পেমেন্ট মাধ্যমঃ
বিকাশ মার্চেন্ট (বিকাশ পেমেন্টের জন্য)
বিকাশ পেমেন্ট করুন: 01324556500
➖➖➖➖➖➖
বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল বিকাশ):
📲 +88 01626001500
🏦 ব্যাংক অ্যাকাউন্টঃ
➖➖➖➖➖➖➖➖
The City Bank PLC
Amarlodge Ltd.
A/C No: 1253386727001
Banani Branch
প্রতিদিনের বিস্তারিত ভ্রমণসূচি:
বিদ্রঃ
তাজিংডং ও আমিয়াখুম সামিটের জন্য একাধিক সম্ভাব্য রুট পরিকল্পনা বিদ্যমান রয়েছে; তবে বাস্তব পরিস্থিতি, আবহাওয়া এবং সময়ের উপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত রুটটি আপনাদের হোস্ট ও গাইড মিলে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে পারে। রুট পরিকল্পনার পরিবর্তন হলেও সকল স্পট কভার করা হবে।
🌙 ১ম রাত
ঢাকা → চকরিয়া (কক্সবাজারগামী বাস)
চকোরিয়া → আলিকদম (বাস/ চাঁদের গাড়ি)
আলিকদম থেকে সকালে নাস্তা শেষে চাঁদের গাড়িতে থানচি
১ম দিন
শহুরে যান্ত্রিকতা পেছনে ফেলে যখন আপনি ‘চাঁদের গাড়ি’তে উঠবেন, তখনই শুরু হবে আপনার আসল রূপকথা। বিশ্বাস করুন, পাহাড়ের আঁকাবাঁকা পথে বাতাসের ঝাপটা যখন আপনার গায়ে লাগবে, নিমিষেই ধুয়ে যাবে নির্ঘুম রাতের সব ক্লান্তি। ডিম পাহাড় পেরিয়ে থানচি যাওয়ার পথে আপনার মনে হবে—ব্যস্ততা আর নেটওয়ার্কের মায়াজাল ছিঁড়ে আপনি ঢুকে পড়েছেন এক অপার্থিব নিস্তব্ধতায়।
থানচিতে দুপুরের আহার শেষে আমাদের গন্তব্য ‘১৩/ ৮/ ৬ কিলো’। সেখান থেকেই শুরু হবে স্বপ্ন ছোঁয়ার সেই কাঙ্ক্ষিত ট্রেকিং। পাহাড়ের বুক চিরে যখন আমরা শেরকর পাড়ায় পৌঁছাব, আপনার মনে হবে আপনি ভুল করে কোনো গল্পের বইয়ের পাতায় ঢুকে পড়েছেন! পাহাড়ের গহিনে ছবির মতো সাজানো-গোছানো এই পাড়াটি যেন এক অন্য জগৎ। পাহাড়ি মানুষের সারল্য আর নির্ভেজাল আতিথেয়তায় শুরু হবে জীবনের অন্যতম রোমাঞ্চকর এক রাত।
এবারের পূজার ছুটি’টা না হয় পাহাড়ের কোলেই কাটুক, যেখানে কেবল পাহাড় আর আপনার হৃদস্পন্দনের শব্দ শোনা যাবে।
দর্শনীয় স্পট:
চকরিয়া → আলিকদম → ডিম পাহাড় → থানচি বাজার → তমাতুঙ্গী → ‘১৩/ ৮/ ৬ কিলো’ → বোডিং পাড়া → কাইতন পাড়া → শেরকর পাড়া
🌙 ২য় রাত: শেরকর পাড়ায় অবস্থান। (১ম রাত যাপন)
২য় দিন
ভোরের পাহাড় যে কতটা মায়াবী হতে পারে, তা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। শেরকর পাড়ার সেই স্নিগ্ধ সকাল দেখে আপনার মনে হবে—এমন একটি মুহূর্তের জন্য শত রাত নির্ঘুম কাটানো যায়। সকালের সেই মায়া চোখে মেখেই আমরা পা বাড়াবো তাজিংডং জয়ের নেশায়।
বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত অফিশিয়াল সর্বোচ্চ চূড়ায় যখন আপনি পা রাখবেন, তখন বুক চিরে আসা বাতাসের ঝাপটা আপনাকে বলবে— "আমি পারি, আমি পেরেছি!" এই সামিট কেবল উচ্চতা জয় নয়, বরং নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করার এক জীবন্ত ইতিহাস। সেই গর্ব আর সাহস নিয়ে আমরা হাঁটবো বুনো পথের নেশায়। পথে পড়বে দোতং পাড়া, যেখানে আনমনেই গেয়ে উঠবেন— “চলো দোতং পাহাড় জুম ঘরে, পূর্ণিমা রাত বর্ষা জুড়ে, জীবন জুয়ার আসর বসাবো”।
পড়ন্ত বিকেলে আমাদের গন্তব্য হবে দেবতাপাহাড়ের কোলঘেঁষা গহীন অরণ্যের নিভৃত জনপদ দোতং পাড়া /থুইছা পাড়া/ অতিরঙ পাড়া। ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর তাঁরার মেলায় যখন রাত নামবে, পাড়ার সেই বন্য নিস্তব্ধতা আপনার কানে কানে জীবনের নতুন কোনো মানে বলে দিয়ে যাবে।
দর্শনীয় স্পট: দোতং পাড়া → জুম জঙ্গল → ঝিড়ি → বাঁশবন আর পাহাড়ি ট্রেইল।
🌙 ৩য় রাত: দোতং পাড়া /থুইছা পাড়া/ অতিরঙ পাড়া (২য় রাত যাপন)
৩য় দিন: খুমের রাণী আমিয়াখুম ও ভেলাখুম
ভোর সকালে দেবতা পাহাড় জয় করে আমরা নামবো আমিয়াখুমের বুকে।
দেবতা পাহাড় থেকে নামার সময় দোতং পাহাড়ের বিশালতা দেখে আপনি সৃষ্টির মহিমা আর নিজের ক্ষুদ্রতা অনুভব করবেন। এরপরই দেখা মিলবে মায়াবী আমিয়াখুমের—যেখানে পাথুরে ক্যানভাসে আছড়ে পড়া ঝর্ণার সুর আর নীলচে স্বচ্ছ জলরাশিতে মনে হবে প্রকৃতি আপনাকে গভীর মমতায় ছুঁয়ে দিচ্ছে। সবশেষে সাতভাই খুমের সেই আদিম হাতছানি। দুই পাশে পাহাড়ের দেয়াল আর সরু জলপথে ভেলায় চড়ে ভেসে যাওয়ার সময় আপনার মনে হবে, এই বুনো সৌন্দর্যে হারিয়ে যাওয়াই বুঝি জীবনের চরম সার্থকতা।
বিশাল পাথরের বাধা পেরিয়ে কিছুটা উপরে উঠতেই আমাদের সামনে ধরা দেবে এক মায়াবী বিস্ময়—"নাইক্ষ্যং মুখ"।
খানিকটা দূরে পাথরের ওপর শরীর এলিয়ে দিয়ে যখন আপনি এই রূপসীর দিকে অপলক তাকিয়ে থাকবেন, আমরা কথা দিচ্ছি—পাহাড়ের বুক চিরে ঝরে পড়া সেই ঝর্ণার দৃশ্য আপনার কল্পনার জগৎকেও হার মানাবে। ঝর্ণার সেই শীতল পরশ আর বুনো নিস্তব্ধতায় আপনার মনের কোণে জমে থাকা সব ক্লান্তি, হতাশা আর দীর্ঘশ্বাস নিমেষেই ধুয়ে যাবে। মনে হবে, জীবনের সব বিষাদ বুঝি এই গহীন অরণ্যেই চিরতরে মুক্তি পেল।
* দর্শনীয় স্থান:
আমিয়াখুম→ সাতভাই খুম→ ভেলাখুম→ নাইক্ষ্যং মুখ→ মাথাভারা খুমসহ আরো নাম না জানা বেশ কিছু খুম ।
* ভেলাখুমের কাঁচের মতো স্বচ্ছ জলে বাঁশের ভেলায় চড়ে হারিয়ে যাবো অন্য এক জগতে।
* রাতে আবারও পাহাড়ি পাড়ায় অবস্থান এবং মেঘের রাজ্যের গল্প।
🌙 ৪র্থ রাত: থুইছা পাড়া/ নতুন পাড়া (৩য় রাত যাপন)
৪র্থ দিন: পদ্ম ঝিরি ও বিদায় বেলা
পরদিন সকালে আমাদের এই সফরের শেষ এবং সবচেয়ে মায়াবী ট্রেকিং শুরু হবে পদ্ম ঝিরির হাতছানিতে। সবুজে মোড়ানো এই শান্ত পথে হাঁটতে হাঁটতে আপনি দেখা পাবেন অসংখ্য নাম না জানা ছোট-বড় ঝর্ণা, বুনো ঝিরি আর পাহাড়ের বুকে মিশে থাকা নিভৃত পাড়াগুলোর। এই যাত্রাটি হবে এক প্রশান্তির নাম।
এই দিনে আমাদের দুচোখ ভরে দেখব রহস্যময় থিংকশন গুহা, বিশাল বুনো ঝিরি আর প্রকৃতির শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক চন্দ্র পাহাড়ের চূড়ায় সামিট। ভিউ পয়েন্ট থেকে যখন দূরে সাকা হাফং আর তাজিংডংয়ের গর্বিত চূড়াগুলো চোখে পড়বে, তখন মনে হবে পাহাড়ের সাথে মিতালি পূর্ণতা পেল। পথে দেখা মিলবে ৪/৫টি পাহাড়ি পাড়া, নজরকাড়া পদ্ম ঝর্ণা এবং যদি ভাগ্যে থাকে—রোমাঞ্চকর ঝুলন্ত বাঁশের ব্রিজ ও বেশ কিছু নাম না জানা খুম।
পদ্ম ঝিরির এই নিস্তব্ধতা আর পাহাড়ের মায়া বুকে নিয়ে আমরা ফিরব থানচিতে। দুপুরে তৃপ্তির আহার শেষে চাঁদের গাড়িতে করে আলিকদমের পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথে ছুটে চলা—সেও এক না ভোলা অনুভূতি। সব শেষে বাসে করে ঢাকার পথে রওনা দেব, কিন্তু মনের কোণে রয়ে যাবে পাহাড়ের সেই চিরন্তন আদিমতা আর একরাশ দীর্ঘশ্বাস।
দর্শনীয় স্পট:
পদ্মমুখ→ পদ্ম ঝর্না→ থিংকশন গুহা→ চন্দ্র পাহাড়→ সালাথ্রুং পাহাড়→ সাদরা ঝিড়ি→ রেমাক্রী মুখ→ রাজার পাথর→ কুমারী ঝর্ণা→ বাঘের মুখ
🌙 ৫ম রাত: চকরিয়া (ঢাকাগামী বাস) → ঢাকা
খাবারের মেন্যু (পাহাড়ি স্বাদ)
যেহেতু রুটটি দুর্গম, তাই স্থানীয় পাড়া থেকে সংগ্রহ করা টাটকা ও হালাল খাবার সরবরাহ করা হবে:
* সকাল: ভুনা খিচুড়ি + ডিম অথবা এক প্লেট নুডলস + ডিম সেদ্ধ।
* দুপুর: ভুনা খিচুড়ি + ডিম অথবা এক প্লেট নুডলস + ডিম সেদ্ধ। (ট্রেকিংগত অবস্থায় অনেক সময় ভাতের ব্যবস্থা সম্ভব হয়না সেক্ষেত্রে নুডলস/ শুকনা খাবার খেতে হবে)
*বিকাল/ সন্ধ্যা: সুপ/ সেমাই/ চা
* রাত: ভাত + মোরগ/ডিম ভুনা + ডাল + পাহাড়ি স্পেশাল ভর্তা।
🎒 সাথে যা যা অবশ্যই নিতে হবেঃ
✔️ NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন (১০ কপি)
✔️ ট্রেকিং জুতা
✔️ টর্চ লাইট
✔️ পানির বোতল + স্যালাইন
✔️ ছাতা/ক্যাপ + গামছা
✔️ পাওয়ার ব্যাংক + ক্যামেরা
✔️ শুকনা খাবার (খেজুর, কিসমিস, বাদাম ইত্যাদি)
❌ খরচে যা অন্তর্ভুক্ত নয়
✘ হাইওয়ে খাবার
✘ প্রথম দিনের রাতের খাবার
✘ অতিরিক্ত খাবার
✘ ব্যক্তিগত খরচ
✘ ওষুধ
✘ শুকনা খাবার
এডমিনঃ
📞 Jawadul Islam — +880 1689-342100,
📞 Office Number — +880 1531-885553 (whatsapp)
⛔ গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলী
🚫 আচরণবিধি
❌ অশালীন আচরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
❌ অ্যাডমিন ছাড়া আলাদা হওয়া যাবে না
❌ সমস্যা হলে সরাসরি অ্যাডমিনকে জানান
🌱 পরিবেশ সচেতনতা
🚯 ময়লা ফেলা যাবে না
🚭 বাসে ধূমপান নিষিদ্ধ
⚠️ টার্মিনেশন
❌ হ্যারাসমেন্ট
❌ অ্যাডমিনকে অসম্মান
❌ নেশাজাত দ্রব্য
---
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ নোটিস
🔸 দুর্ঘটনা আল্লাহর ইচ্ছাধীন
🔸 এটি একটি বাজেট ট্যুর
🔸 প্রয়োজনে রুট প্ল্যান এবং সময়ের পরিবর্তন হতে পারে
---
💚 শেষ কথা…
এটা শুধু একটা ট্যুর না—
এটা আপনার জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অধ্যায় হতে যাচ্ছে…
👉 সিট খুবই সীমিত! এখনই বুকিং করুন।
🔥 চলুন, একসাথে পাহাড় জয় করি… আর হারিয়ে যাই খুমের রাজ্যে!
বিস্তারিত জানতে কল করুন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন:
+88 01766-948957
ঠিকানা: ৫/২, ব্লক-ই, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭