Chittagong Fashion BD

Chittagong Fashion BD All kinds of Western Dress,All Indian Clothes & Pakistani cattalog Dress Dress. Only Chattagram City Cash On Delivery.

17/06/2026

আপনি নিজেই নিজের প্রতি 'টক্সিক' বা ক্ষতিকর—তার ১০টি লক্ষণ!

​১. অন্যেরা আপনাকে নিয়ে কী ভাবছে, তা নিয়ে আপনি সারাক্ষণ অতিরিক্ত মাথা ঘামান।

​২. আপনি নিজের মানসিক বা শারীরিক সীমানা বুঝতে পারেন না, অথবা সঠিক সময়ে তা অন্যদের বুঝিয়ে বলতে পারেন না।

​৩. অন্যদের খুশি বা ভালো রাখার জন্য আপনি নিজের ওপর প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চাপ বা দায়িত্ব নিয়ে নেন।

​৪. ভালোবাসা, সম্পর্ক, চাকরি কিংবা টাকা-পয়সা—সব ক্ষেত্রেই আপনি আপনার যোগ্যতার চেয়ে কম কিছুতেই সহজে আপস করে নেন।

​৫. আপনি নিজেকে এবং নিজের ভেতরের অনুভূতি বা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে (Instincts) বিশ্বাস করতে পারেন না।

​৬. অন্যদের কাছে সবসময় নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার চেষ্টা করেন, সারাক্ষণ অন্যের সাথে নিজের তুলনা করেন এবং নিজের খামতিগুলো নিয়ে লজ্জিত বোধ করেন।

​৭. আপনি নিজের প্রয়োজনের কথা মুখে বলতে পারেন না এবং অন্য মানুষদের আপনার ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সুযোগ করে দেন (আপনাকে ব্যবহার করতে দেন)।

​৮. আপনি নিজের শরীরের যত্ন নেন না এবং নিজের একটু বাড়তি যত্ন বা আরাম-আয়েশ দিতে গেলে উল্টো অপরাধবোধে ভোগেন।

​৯. আপনি স্বাধীনভাবে নিজের চিন্তাভাবনা বা আইডিয়াগুলো সবার সামনে প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।

​১০. আপনার চারপাশের মানুষ যাতে আপনাকে মানসিক বা সামাজিকভাবে টেনে নিচে নামাতে পারে, আপনি তাদের সেই সুযোগ দিয়ে দিচ্ছেন।

16/06/2026

আমার সাথেই কেন সবসময় এমন হয়?

যখন কোনোকিছু আমাদের মন মতো হয়না তখন পরিস্থিতি বা ভাগ্যকে দোষ দিতে থাকি

জীবনের সব সমস্যার জন্য মানুষ, পরিস্থিতি বা ভাগ্যই দায়ী

আমরা খুব সহজেই নিজেদের 'পরিস্থিতির শিকার' বা ভিকটিম ভাবতে শুরু করি

জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হলো প্রতিটি ভালো বা খারাপ ঘটনার মধ্যে নিজের ভূমিকা খুঁজে দেখা

আমরা সবসময় শুধু অন্যের ভুল অন্যের আচরণ বা পরিস্থিতির কঠিন দিকগুলো দেখি

আমাদের কিছু সিদ্ধান্ত কিছু প্রতিক্রিয়া বা কিছু অভ্যাসও সেই ফলাফলের পেছনে ভূমিকা রেখেছে

এর মানে এই নয় যে সব দোষ নিজের কাঁধে নিতে হবে। নিজের দায়িত্বের অংশটুকু সৎভাবে বুঝে নেওয়া

জীবনের যেকোনো সমস্যা, সম্পর্কের দ্বন্দ্ব বা ভুল বোঝাবুঝির ক্ষেত্রে নিজেকে শুধু পরিস্থিতির শিকার ভাবলে আমরা অসহায় বোধ করি

কিন্তু যখন নিজের অবদানটুকু খুঁজে দেখি তখন পরিবর্তনের দরজাও খুলে যায়

কারণ আমরা অন্য মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না কিন্তু নিজের চিন্তা, সিদ্ধান্ত ও কাজকে পরিবর্তন করতে পারি

প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাদের কিছু না কিছু শেখায়

অন্যের ভুল খোঁজার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন,এই পরিস্থিতি থেকে আমি কী শিখতে পারি?

পরেরবার আমি কী আরও ভালোভাবে করতে পারি?

আপনার জীবনের ভালো কিংবা খারাপ যে কোন ঘটনায় আপনার কতটুকু কন্ট্রিবিউশন আছে সেটা খুঁজে বের করার অভ্যাস করুন, সব সময় নিজেকে পরিস্থিতির শিকার ভাববেন না

যেকোন problem solving বা conflict resolution এর ক্ষেত্রে নিজের অবদানটুকু কে পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করুন।

15/06/2026

আইইএলটিএস ছাড়াই ৮০০+ স্কলারশিপ ➤ Abroad Updates

বিস্তারিত তথ্য জানতে কমেন্ট চেক করুন।

15/06/2026
15/06/2026

কাশফিয়া আমিনা নামে একজন ইনফ্লুয়েনসার গত কয়দিন ধরে ভীষণ সমালোচিত।
তার লাইভটা আমি দেখতে পাইনি। কিন্তু তিনি নাকি সেখানে খুবই বাজে একটা টার্ম ইউজ করেছেন ভাইয়ের সাথে বোনের সম্পর্ক নিয়ে।
ভাইকে বোনের "ইমোশনাল হাজবেন্ড" বলেছেন শুনেছি।
ব্যক্তিগতভাবে আমি কাশফিয়া আমিনাকে পছন্দ করি না।
কেন করি না সেই বক্তব্য থাক।
আমার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দে কারো কিছু আসে যায় না।
কিন্তু আমি এই টার্মটা নিয়ে একটু কথা বলতে চাই।
আমার কেন যেন মনে হয়েছে উনি যা বলতে চেয়েছেন সেটা আসলে বুঝিয়ে বলতে পারেননি।
এই টার্মটা কিন্তু দারুণ ইন্টারেস্টিং এবং অনেক কিছু জানার এবং বোঝার আছে।
কেন বোঝার আছে জানেন??
বাংলাদেশের অসংখ্য নারী এই বিষয়টার শিকার।
অসংখ্য মানে অসংখ্য ।
কেন আপনি দেখেননি কখনো,
আপনার হাসবেন্ড সারাদিন পরে বাসায় এসে সরাসরি আপনার শাশুড়ির রুমে ঢুকে যায় মা কেমন আছে জানার জন্য এবং মার সাথে কিছুক্ষণ গল্প করে তারপর আপনার রুমে আসে?
এই জিনিসটা নিয়ে আপনি কখনো ভেবেছেন?
না এটা খারাপ কিছু না।
আমাদের বাংলাদেশের মতো দেশে এটা অবশ্যই খুব পজিটিভলি দেখা হয়।
মা ভক্ত ছেলে মনে করা হয়।
শুধু তাই নয়, আমার একজন আত্মীয়ের কথা বলি।
মা ছেলের দারুণ বন্ডিং।
বাইরে থেকে দেখে মা ভক্তই মনে হবে।
কিন্তু তার ওয়াইফের বক্তব্য হচ্ছে, ছেলের মন খারাপ হলে, ছেলে মেন্টালি আপসেট থাকলে, ছেলের কিছু খেতে ইচ্ছে করলে,
ছেলে তার ওয়াইফের কাছে না গিয়ে তার মায়ের কাছে যায়। তার সব ধরনের ইমোশনাল সাপোর্ট সে তার মায়ের কাছ থেকে নেয়।

কলম: Manira Sultana Papri.

তার সংসারে কি হবে না হবে, সংসারের ভবিষ্যৎ প্ল্যান সে সব তার মায়ের সাথে করে।
ওয়াইফের সাথে না।
হাজব্যান্ড ওয়াইফ মিলে হানিমুনে কোথায় যাবে মা ঠিক করে দেয়। আজকে ঘরে রান্না কি হবে মা ঠিক করে।
ওয়াইফকে কি শাড়ি
কিনে দেবে ঈদে সেটাও মা ফিক্স করে দেয়।
ভুলেও যদি সে তার ওয়াইফের জন্য কিছু কেনে তার মা প্রশ্ন করে আমার শাড়ি কই?

অস্বাস্থ্যকর কোন খাবার যদি ছেলেটা খেতে চায়,
তার ওয়াইফ মানা করে। কিন্তু মা বলে আহা থাক না আমার ছেলেটা।
তুমি শুধু ওর খাওয়ার মধ্যে টোকাটুকি কর।
একটু খেতেই তো চায়।
ছেলে তখন বলে, দেখেছো আমার মা বোঝে আমার কি লাগবে। তুমি বোঝ না।
ওয়াইফের তখন মনে হয় আসলে তার এই ছেলের সাথে কোন সম্পর্কেই নাই।
একজন লাইফ পার্টনার হিসেবে যেসব বিষয়ে তার ওয়াইফের সাথে তার শেয়ার করার কথা সেগুলো সে তার মায়ের সাথে করছে।
ওয়াইফের নিজেকে মা ছেলের মধ্যে কাবাব মে হাড্ডি মনে হয়।
ওয়াইফ নিজের কোন ভূমিকাকেই গুরুত্বপূর্ণ মনে করে না আর।
ছেলেটার লাইফে তার ওয়াইফ কোন জায়গাই পায়না।

এমনকি ওয়াইফের সাথে ঝগড়া হলেও ছেলে গিয়ে সব কিছু বলে দেয় তার মাকে কি কি নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হলো। মায়ের পাশে গিয়ে শুয়ে পড়ে।
মা তাকে সান্ত্বনা দেয়।

এমনকি দুজনের একান্ত ব্যক্তিগত আলাপ সেগুলোও ছেলে গিয়ে তার মাকে বলে দেয়।
এবং পরবর্তীতে সেই মা এইসব বিষয় নিয়ে ছেলের বউকে খোঁচাখুঁচি করে এবং অপমান করে।
এবার বলেন এই সম্পর্কটা কিংবা এই অভ্যাসগুলো কি হেলদি অভ্যাস??
এই কাজটাই যদি কোন নারী তার বাবা বা ভাইয়ের সাথে করে তাহলে কি সমাজ মেনে নেবে??

আপনারা ফেইস করেননি কখনো এরকম??
এমনটা যে শুধু মায়েরা করে তা না।
এমনটা অনেক সময় বোনেরাও করে।

এবার বলুন আপনারা কেউ কি এই ধরনের সিচুয়েশনে পড়েননি??
যদি পড়ে থাকেন তাহলে এটা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত কিনা??

এর মানে এই না যে মায়ের সাথে সন্তানের বা বোনের সাথে ভাইয়ের কোন খারাপ সম্পর্ক আছে।
কিন্তু ইমোশনালি তারা একে অন্যের প্রতি ভীষণভাবে ইনভলভড এবং ডিপেন্ডেড যে সম্পর্কের হেলদি বাউন্ডারিটা তারা ক্রস করে যায়।
কিংবা প্রত্যেকটা সম্পর্কের একটা রোল থাকে সেই রোলটা তারা ভুলে যায়, কিংবা অন্য একটা রোল প্লে করা শুরু করে।
যে সিদ্ধান্তটা ঘরের বউয়ের নেয়ার কথা, যে তথ্যটা ঘরের বউয়ের আগে জানার কথা,
সেই তথ্যটা আগে ছেলের মা বা ছেলের বোন জানতে পারে।
সেই অর্থে "ইমোশনাল হাজব্যান্ড" টার্মটার ব্যবহার হয়।
এই ধরনের অসংখ্য ঘটনা ঘটে বলেই
সমাজে এগুলো নিয়ে কথা হয়, এই টার্ম গুলো কয়েন আউট হয়।
আমি একটা ভিডিও কমেন্ট সেকশনে দিয়ে দেব, আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে।

এটাকে হিউম্যান সাইকোলজির ভাষায় ইডিপাস কম্পলেক্সও বলা হয়।
ইডিপাসের গল্পটা জানেন??
ইডিপাস তার বাবাকে হত্যা করে তার মাকে বিয়ে করেছিল।
ইডি পাস' (Oedipus) মূলত প্রাচীন গ্রিক পুরাণের (Greek Mythology) একটি কালজয়ী চরিত্র ও ট্র্যাজেডি।তিনি থিবস (Thebes) শহরের রাজা ছিলেন।
দৈববাণী অনুযায়ী অনিচ্ছাকৃতভাবে নিজের বাবাকে হ ত্যা এবং মাকে বিয়ে করার পর, চরম সত্য জানার পর তিনি নিজের চোখ উপড়ে ফেলেছিলেন—যা গ্রিক সাহিত্যে অমোঘ নিয়তির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

পরবর্তীতে
সিগমুন্ড ফ্রয়েড (Sigmund Freud) যিনি বিশ্ববিখ্যাত অস্ট্রিয়ান নিউরোলজিস্ট এবং মনোবিশ্লেষণের (Psychoanalysis) জনক।
তিনি এই "ইডিপাস কমপ্লেক্স" টার্মটা Coin out করেন।

যদিও ইডিপাসের গল্পের সাথে এই টার্মটার লিটারালি
কোন মিল নেই।
কিন্তু মেটাফোরিক্যাল কানেকশন আছে।
Freud-এর মতে, শিশুর জীবনের একটি পর্যায়ে মা-বাবাকে ঘিরে জটিল আবেগ তৈরি হতে পারে। আধুনিক মনোবিজ্ঞান অবশ্য এই ধারণাকে আক্ষরিকভাবে নয়, বরং শিশুর আবেগগত বিকাশের প্রতীক হিসেবে দেখে।

সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন একটি ছেলে বড় হলেও আবেগগতভাবে পুরোপুরি স্বাধীন হতে পারে না।
বিশেষ করে যখন স্বামী-স্ত্রীর emotional connection দুর্বল হয়ে যায় এবং মা
অজান্তেই নিজের একাকীত্ব, কষ্ট বা অপূর্ণ আবেগগত চাহিদার একটি অংশ ছেলের ওপর স্থানান্তর করতে শুরু করেন।
এটা তো সত্যি আমাদের সমাজের সব স্তরের নারীরাই কমবেশি অবহেলিত এবং অত্যাচারিত।
ছেলের মাও তার স্বামীর কাছ থেকে তার উপযুক্ত সম্মান যত্ন এবং মেন্টাল কেয়ার পায় না।
কিচেনে কখনো হাসবেন্ড তাকে হেল্প করেনি।
কোনদিন তার মনের কোন দুঃখ শোনেনি ঠিকমতো।
তার কোন কথা মানা তো দূরে থাক।
কারণ তার শাশুড়ি সেটা হতে দেয়নি।

তখন সেই মা টা কি করে??
তার যত মেন্টাল Dillema গুলো আছে সেগুলো তার ছেলের সাথে শেয়ার করা শুরু করে।
কারণ ছেলেটা তো তার নিজের সন্তান। ছেলে তো মা'কে ভালবাসে।
মায়ের কথা তো সে অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে শুনবে। মায়ের ব্যথা সে অনুভব করবে।
করেও।
আস্তে আস্তে ছেলে বুঝতে পারে সে তার মায়ের কাছে অনেক ইম্পরট্যান্ট।
আস্তে আস্তে ছেলে বুঝতে পারে তার মায়ের মনের অনেক কষ্টের কথা তার মাথার সাথে শেয়ার করে।
সেও নিজেকে বয়সের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে শুরু করে।
আর এদিকে মাকে কষ্ট দেয় বলে ছেলের বাবার প্রতি এক ধরনের বিদ্বেষ এবং ক্ষোভ তৈরি হয়।

আস্তে আস্তে ছেলের সাথে বাবার দূরত্ব বাড়তে থাকে
আর মায়ের সাথে ছেলের মানসিক ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে।
এর মধ্যে কোন অসংলগ্ন কিছু নেই কিন্তু
মা এবং ছেলে দুজনেরই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য এটা ক্ষতিকর কারণ এরা এমনভাবে একজন আরেকজনের উপরে ইমোশনালি ডিপেন্ডেন্ট হয়ে যায় যে
মায়ের যে সব কথা তার হাজবেন্ডের সাথে শেয়ার করার কথা ছিল সেগুলো সে তার ছেলেকে শেয়ার করা শুরু করে।
আর ছেলেটা বড় হতে হতে বয়স্ক নারীকে যে কথাগুলো তার শেয়ার করার কথা বা তার লাইফ পার্টনারকে যেগুলো শেয়ার করার কথা সেগুলো সে তার মাকে শেয়ার করে অভ্যস্ত হয়ে যায়।

তখন ছেলে শুধু সন্তান থাকে না। ধীরে ধীরে সে মায়ের emotional support system, closest ally, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে Emotional Husband বা Surrogate Husband-এর ভূমিকায় চলে যায়।
এখানে হাজব্যান্ড বলতে কোন
অশ্লীলতা বা অশ্লীল সম্পর্ক বোঝানো হয়নি।
মেন্টাল ডিপেন্ডেন্স বুঝিয়েছে
মনোবিজ্ঞানীরা।
এই ধারণাটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি লিখেছেন মনোবিজ্ঞানী Kenneth M. Adams,চাইলে উনার কিছু বই পড়তে পারেন।

বিষয়টি সম্পূর্ণ আবেগগত। এর মানে কোন রোমান্টিক সম্পর্ক না। এটা একটা নির্ভরশীলতার সম্পর্ক।

যে মানসিক সমর্থন, বোঝাপড়া এবং সঙ্গ একজন স্বামীর কাছ থেকে পাওয়ার কথা ছিল, তার একটি অংশ অজান্তেই ছেলের কাছ থেকে নেওয়া শুরু হয়।

এর ফলে তৈরি হয় Emotional Enmeshment।

ছেলের মনে ধীরে ধীরে একটি বিশ্বাস জন্মায়—"মা কষ্ট পেলে সেটা লাঘব করা শুধু আমারই দায়িত্ব।"
ফলে সে বড় হয়ে নিজের সংসার, স্ত্রী এবং মায়ের মধ্যে আটকে যায়।

বাইরে থেকে তাকে সবাই "মা-ভক্ত ছেলে" বলে প্রশংসা করে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে প্রায়ই guilt, emotional pressure এবং loyalty conflict-এর মধ্যে বাস করে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একজন ছেলে তার মাকে ভালোবাসবে, সম্মান করবে, খোঁজ নেবে—এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু সুস্থ family system-এ মা সম্মানের জায়গায় থাকেন, আর spouse থাকে জীবনের অগ্রাধিকারের জায়গায়।

কারণ একজন মা সন্তানের প্রথম ভালোবাসা হতে পারেন, কিন্তু সন্তানের ভবিষ্যৎ সংসারের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারেন না।

যেখানে love আছে কিন্তু boundary নেই, সেখানে ভালোবাসা ধীরে ধীরে Emotional Enmeshment-এ পরিণত হতে পারে।
আর তখন সম্পর্কগুলো ভালোবাসার চেয়ে বেশি guilt, obligation এবং emotional dependency দিয়ে পরিচালিত হতে শুরু করে।

কাশফিয়া আমিনা হয়তোবা এই ইমোশনাল পার্টনারশিপ এর কথাই বোঝাতে চেয়েছেন তার হাজবেন্ডের সাথে হাজবেন্ডের বোনের।

আর যদি তিনি সেটা নাও বুঝিয়ে থাকেন,
আমি চাই আপনি এই বিষয়টা নিয়ে পড়ুন।
মা হিসেবে এই বিষয়টা নিয়ে সচেতন হোন।
ওয়াইফ হিসেবে এই বিষয়টা নিয়ে সচেতন হোন।

তাহলে হয়তো বা প্রত্যেকটা সম্পর্ক হেলদি বাউন্ডারিতে থাকবে।
ছেলের বউ এবং শাশুড়ি একে অন্যকে সতীনের মত
মনে করবে না।
আর ছেলেটাও মা আর বউয়ের মাঝখানে স্যান্ডউইচ হয়ে যাবে না।

আমাদের সমাজের সব কিছু একটা আবেগের ভেতর দিয়ে চালিত হয় বলে আমরা যুক্তি দিয়ে চিন্তা করতে পারি না আর পড়াশোনা করতে তো আমরা ইন্টারেস্টটেড নই।
এ কারণে আমাদের সামাজিক কুসংস্কার এবং
অস্বাভাবিক বিষয়গুলোকে খুব স্বাভাবিক ভাবে চালিয়ে দেয়া হয়।
এতে করে ভেঙে যাচ্ছে অসংখ্য সংসার,
দিনশেষে নারীরা ভুগছে, কাঁদছে।

তাই পড়ুন জানুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন।
জানার কোন বিকল্প নেই।

তবে শেষ বেলায় জানতে চাই থেকে এই ধরনের সিচুয়েশন কখনো হয়নি??
এই ঘটনা কি ঘটনা আমাদের সমাজে?


( পোস্ট শেয়ার করতে পারেন কিন্তু কপি করবেন না!)

11/06/2026

আমার মতে বিয়ে খুব বিশেষ একটা দিন। জীবনের সুন্দর একটা transition! অবশ্যই সব মেয়ে চায় তাকে সুন্দর লাগুক, দিনটা মেমোরেবল হোক এবং সুন্দর কিছু মূহুর্ত তৈরী হোক! কিন্তু লেবু বেশি কচলালে যেমন তিতা হয়, বিয়ের অনুষ্ঠান গুলো এখন তেতো হয়ে যাচ্ছে, মিষ্টতা হারাচ্ছে!

It’s like a day of photo sessions, which is becoming an obsession!

ছবি তোলার জন‍্যই যদি অনুষ্ঠান করতে হয়, photo session তো বিয়ের পরেও photographer দিয়ে করানো যায়! শত শত মানুষের সামনে বা বিয়ের অনুষ্ঠানটাকে enjoy না করে যদি শুধু ছবি তোলাই বিয়ের অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ হয়, তাহলে কি দরকার এত মানুষ ডেকে? ছবি তোলেন, কিন্তু special day টা enjoy ও করেন, ছবি তুলতে তুলতে তুলতে বউ tired হয়ে যায়! মানুষজন ও বুঝে উঠতে পারে না কি করবে? খাবে আর চলে যাবে, নাকি ছবি তোলা শেষ হবার জন‍্য অপেক্ষা করবে?

Try to be in the present, try to feel how your parents are feeling, how this transition is happening, how people come to give you blessings, try to feel, try to interact! Common what are we doing?

Address

Goni Bekary Circle, Chawkbazer, Chittagong
Muradpur
4000

Telephone

+8801638289622

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong Fashion BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chittagong Fashion BD:

Shortcuts

Share