SafiaNoor

SafiaNoor SafiaNoor ✨🖤
Simple. Stylish. With Love.

Premium Baby & Ladies Fashion 👗
Elegant Designs | Soft Fabric | Unique Style
Dress Your Baby & Yourself with Grace 💗
📍Singra, Natore, Bangladesh
Inbox for Order 📲

🌸 সুপ্রভাত আপুরা 🌸ছোট্ট বাবুর সকালটা হোক আরাম আর মিষ্টি হাসিতে ভরা। 🥰💕গরমের দিনে বাবুর জন্য আরামদায়ক নিমা সেট হতে পারে এ...
09/08/2026

🌸 সুপ্রভাত আপুরা 🌸
ছোট্ট বাবুর সকালটা হোক আরাম আর মিষ্টি হাসিতে ভরা। 🥰💕
গরমের দিনে বাবুর জন্য আরামদায়ক নিমা সেট হতে পারে একদম পারফেক্ট। 🌿
আমাদের নিমা সেটের সুন্দর সুন্দর কালেকশন রয়েছে—
✨ সাইজ: ১, ২, ৩ ও ৪
পছন্দের ডিজাইন ও কালারটি বেছে নিতে আজই ইনবক্স করুন। 💌
স্টক সীমিত, তাই পছন্দেরটা শেষ হওয়ার আগেই অর্ডার করে ফেলুন। 🌼
শুভ সকাল সবাইকে। ❤️

চাচা শ্বশুরকে নাস্তা খাওয়াতে গিয়ে... যা কাণ্ড ঘটেছিল! 😄জীবনে কিছু স্মৃতি থাকে, যেগুলো যত পুরোনো হয়, ততই মিষ্টি লাগে। ...
08/08/2026

চাচা শ্বশুরকে নাস্তা খাওয়াতে গিয়ে... যা কাণ্ড ঘটেছিল! 😄

জীবনে কিছু স্মৃতি থাকে, যেগুলো যত পুরোনো হয়, ততই মিষ্টি লাগে। তখন যেগুলো ভীষণ টেনশনের ছিল, আজ সেগুলোই মনে পড়লে অজান্তেই মুখে হাসি চলে আসে। আমার নতুন সংসারের সময়ের এরকম একটা স্মৃতি আছে...

বিয়ের পরের প্রথম বছর। তখন আমার হাসব্যান্ডের অফিস ছিল নারায়ণগঞ্জে, আর আমরা থাকতাম ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারে। নতুন সংসার, নতুন দায়িত্ব, নতুন পরিবেশ—সবকিছুই তখন শিখছি। আমি তখন একেবারেই নতুন রাঁধুনি। বাসায় কেউ আসবে শুনলেই মনে হতো, এবার বুঝি আমার পরীক্ষা!

একদিন হঠাৎ আমার চাচা শ্বশুর ফোন করে বললেন,

— "মা, আমি তো তোমাদের বাসায় আসতেছি।"

শুনেই আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। এখন আমি কি রান্না করবো এই টেনশনে!কী করবো কিছুই মাথায় আসছিল না। তাড়াতাড়ি আমার হাসব্যান্ডকে ফোন করে বললাম,

— "চাচা আসতেছেন! আমি কী কী রান্না করব?"

এর কিছুক্ষণ পর আবার চাচার ফোন।
হেসে বললেন,
— "আরে মা, এমনি একটু মজা করলাম। আজ না, কাল আসব।"

তখন যেন বুক থেকে একটা বড় পাথর নেমে গেল। মনে হলো, আলহামদুলিল্লাহ! অন্তত একদিন সময় তো পেলাম।

সেদিন সন্ধ্যায় আমার হাসব্যান্ড অফিস থেকে বাসায় ফিরতেই আমরা দুজন খাতা-কলম নিয়ে বসে গেলাম। কী রান্না হবে, কখন কী করব, সকালের জন্য কী, দুপুরের জন্য কী—একেবারে তালিকা বানিয়ে ফেললাম।

এখন মনে হলে খুব হাসি পায়। কিন্তু তখন আমার অবস্থা একেবারে অন্যরকম ছিল। মনে হচ্ছিল, আমি বুঝি জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাটা দিতে যাচ্ছি! টেনশনে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। বারবার শুধু একটা কথাই মাথায় ঘুরছিল—চাচার যেন কোনো অযত্ন না হয়, উনাকে যেন মন ভরে আপ্যায়ন করতে পারি।

পরদিন সকাল থেকেই রান্না শুরু করে দিলাম। অনেক কিছু রান্না করলাম। ভাবলাম, চাচার জন্য নিজের হাতে কুশলি পিঠাও বানাব। আলু দিয়ে বানানো এই পিঠাটা আমাদের এলাকায় খুব জনপ্রিয়।

চাচা বাসায় এলেন। আমি তখনও রান্নার ব্যস্ততায় গোসল শেষ করতে পারিনি। উনি ঘরে ঢুকেই বললেন,
— "মা, তুমি আগে গোসল সেরে আসো। তারপর আমরা একসাথে খাব।"
কথাটা শুনে কী যে ভালো লেগেছিল! মনে হয়েছিল, উনি যেন একদম নিজের মেয়ের সঙ্গেই কথা বলছেন।

খাওয়ার সময় চাচাকে কুশলি পিঠা দিলাম। উনি একটার পর একটা খাচ্ছেন আর বলছেন,
— "মা, খুব টেস্ট হয়েছে! খুব টেস্ট হয়েছে!"
আমি তো মনে মনে ভীষণ খুশি। নতুন রাঁধুনি হিসেবে এর চেয়ে বড় প্রশংসা আর কী হতে পারে!

খাওয়া শেষ করে চাচা বললেন,
— "মা, তুমি একটা পিঠা খাও। আমার এখান থেকে নাও, নিয়ে খাও।"
আমি একটা পিঠা তুলে মুখে দিতেই তো অবাক!
লবণই দিইনি!
আমি হেসে বললাম,
— "চাচা! এতে তো লবণই হয়নি। আপনি এতক্ষণ বললেন খুব টেস্ট!"

চাচা হো হো করে হেসে উঠলেন।

তারপর বললেন,
— "তোমার চাচিও প্রথম প্রথম এমনই রান্না করত। এখন দেখো, কী সুন্দর রান্না করে! আস্তে আস্তে সব শিখে যাবে মা।"

সেদিন কথাটা শুনে মনে হয়েছিল, নতুন কিছু শিখতে গিয়ে ভুল হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। আর সেই ভুলে কেউ যদি হাসাহাসি না করে, বরং ভালোবেসে সাহস দেয়—তাহলে শেখার পথটা অনেক সহজ হয়ে যায়।

কিন্তু আসল কাহিনী তো হলো পরের দিন সকালে।

খুব ভোরে দরজায় নক করার শব্দে আমাদের ঘুম ভাঙল।
ঘুম ভাঙতেই দেখি, চাচা দাঁড়িয়ে আছেন।
হেসে বললেন,
— "মা, আমি এখনই বের হব।"
আমি তো কিছুতেই না খাইয়ে যেতে দেব না।
বললাম,
— "চাচা, একটু বসেন। আমি ঝটপট ভাত বসিয়ে দিচ্ছি।"
তিনি সঙ্গে সঙ্গে আমার হাত চেপে ধরে বললেন,
— "না মা, রান্না করতে হবে না। আমি তোমাদের সঙ্গে একটু গল্প করেই চলে যাব। তুমি যদি রান্নাঘরে চলে যাও, তাহলে গল্প করব কখন?"

তখনও বুঝিনি, উনার "এখনই বের হব" বলাটা শুধু আমাকে কষ্ট না করতে দেওয়ার জন্য। আসলে উনি আরও অনেকক্ষণ আমাদের সঙ্গে বসে গল্প করেছিলেন। উনার ইচ্ছেটাই ছিল আমাদের দুজনের সঙ্গে একটু সময় কাটানো। তাই আমাকে কোনোভাবেই রান্নাঘরে ঢুকতে দিচ্ছিলেন না।

শেষ পর্যন্ত ভাবলাম, ভাত নয়, ঝটপট একটা নাস্তা বানাই।
ফল কাটতে শুরু করলাম। আর মনে পড়ল, ছোটবেলায় আম্মু তাড়াহুড়ো হলে ডিম আর মুড়ি মেখে ছোট ছোট কাটলেটের মতো ভেজে দিতেন। ভাবলাম, সেটাই বানাই।

আমি আমার হাসব্যান্ডকে বললাম,
— "তুমি ডিমগুলো ফাটাও।"

দুজনেরই তখন চোখে ঘুম।ব্রাশও করা হয়নি, হাত-মুখ ধোয়ারও সময় পাইনি। ঘুম থেকে উঠেই তাড়াহুড়ো করে নাস্তা বানাতে নেমে পড়েছি। মাথায় তখন একটাই চিন্তা—চাচাকে কিছু না খাইয়ে যেতে দিবো না।

আমার হাসব্যান্ড ফ্রিজ থেকে একটা ডিম নিয়ে টেবিলে ঠুকল।
একবার...
দুইবার...
তিনবার...
কিন্তু ডিম আর ফাটে না!
আবার একটু জোরে মারল।
তবুও না!
ওর মুখটা একেবারে শুকিয়ে গেল।
বলল,
— "দেখো তো! ডিমটা ভাঙছে না কেন?"
আমি গিয়ে নিজেও চেষ্টা করলাম।

আমিও জোরে বাড়ি দিচ্ছি। কিন্তু ডিমটা শুধু একটু চ্যাপ্টা হচ্ছে, ভাঙছে না।

এবার তো দুজনেরই টেনশন শুরু!

মনে মনে ভাবছি, "আল্লাহ! এটা আবার কেমন ডিম? কাঁচা ডিম ভাঙছে না কেন? এত জোরে বাড়ি দিচ্ছি, তবুও ফাটছে না! এটা কি ভূতুরে ডিম নাকি?"

টেনশনে আমাদের দুজনের মুখই শুকিয়ে গেছে।
হঠাৎ করেই আমার মনে পড়ল...
আরে! আগের দিন তো আমি একটা সিদ্ধ ডিম ফ্রিজে রেখে দিয়েছিলাম!

মানে, কাঁচা ডিম ভেবে আমার হাসব্যান্ড সেই সিদ্ধ ডিমটাই ভাঙার চেষ্টা করছিল!

এক সেকেন্ড আমরা দুজন একে অপরের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম।

তারপর এমন হাসি শুরু করলাম যে হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে এসেছিল।

ঘুমের ঘোর, চাচাকে ঝটপট নাস্তা খাওয়ানোর টেনশন—সব মিলিয়ে আমরা এমন বোকা হয়ে গিয়েছিলাম যে সিদ্ধ ডিম আর কাঁচা ডিমের পার্থক্যটাই মাথায় ছিল না!

এরপর ঠিকঠাক নাস্তা বানিয়ে চাচাকে খাওয়ালাম। উনি অনেকক্ষণ আমাদের সঙ্গে গল্প করলেন।

যাওয়ার সময় আমার হাতে কিছু টাকা দিয়ে বললেন,
— "মা, এটা রাখো। নিজের জন্য কিছু কিনে নিও।"

মনে আছে, সেই টাকা দিয়ে আমি কয়েকটা প্লেট কিনেছিলাম।

আজও এই ঘটনাটা মনে পড়লে আমার খুব হাসি পায়। তখন যে ঘটনাগুলোতে টেনশনে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যেত, আজ সেগুলোই মনে পড়লে হাসি পায়।

কিছু স্মৃতি কেন এত আপন হয়ে যায়, সেটা হয়তো বলে বোঝানো যায় না। শুধু মনে পড়লেই মনটা ভালো হয়ে যায়।

আলহামদুলিল্লাহ, "কী সুন্দর একটা সময় ছিল!"

🖋️ Rukaiya Sultana Monira

আজকের এই রিভিউটা আমার জন্য একটু বেশি আনন্দের। ❤️কারণ এই অর্ডারটা নিয়ে আপুর সাথে প্রায় দুই দিন ধরেমাপজোক করতে হয়েছে। 😄নতু...
08/08/2026

আজকের এই রিভিউটা আমার জন্য একটু বেশি আনন্দের। ❤️

কারণ এই অর্ডারটা নিয়ে আপুর সাথে প্রায় দুই দিন ধরে
মাপজোক করতে হয়েছে। 😄

নতুন মাল আসার আগেই আপু মেসেজ করেছিলেন। আমি বলেছিলাম নতুন প্রোডাক্ট আসলে নক দিব। পরে দেখি নতুন মাল আসার পর আপুই আমাকে নক দিয়ে বলছেন, “আপু, এখন কিছু ছবি দেওয়া যাবে?”

তাড়াহুড়ো করে ছবি তুলে দিলাম। পছন্দ করলেন। এরপর একবার ১৬ সাইজের প্রতিটা মাপ দিলাম, আবার ১৮ সাইজের মাপ দিলাম। কারণ আপু বাবুর জন্য একটু লম্বা প্যান্ট চাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ৪টা ১৮ সাইজ আর ১টা ৬ সাইজের ফতুয়া নিলেন।

আপুর একটু আর্জেন্ট ছিল, আমিও চেষ্টা করছিলাম তাড়াতাড়ি পাঠানোর। কিন্তু মাঝখানে শুক্রবার পড়ে যাওয়ায় আজকে পার্সেল হাতে পেয়েছেন।

সত্যি বলতে কী, মাপ নিয়ে আমি কনফার্মই ছিলাম—তারপরও একটু টেনশন ছিল, ফেব্রিক কেমন লাগবে, ড্রেসগুলো পছন্দ হবে তো? 🥹

আলহামদুলিল্লাহ, আপু জানালেন সব ঠিকঠাক হয়েছে, সুন্দর হয়েছে। ❤️

অনলাইনে কাজ করার সবচেয়ে ভালো লাগার জায়গাটাই বোধহয় এটা—দূরে থাকা একজন মানুষ আপনার ওপর ভরসা করে কিছু কিনলেন, আর হাতে পেয়ে যখন বললেন “সুন্দর হয়েছে”, তখন নিজের অজান্তেই মনটা ভালো হয়ে যায়। 🥰
আলহামদুলিল্লাহ। ❤️

💎 আমাদের নতুন Top Fan! 💎আমাদের পরিবারের নতুন Top Fan Sweaty Sultana-কে জানাই অনেক অনেক ভালোবাসা ও স্বাগতম! 🥰🌸আপনাদের ভাল...
08/08/2026

💎 আমাদের নতুন Top Fan! 💎
আমাদের পরিবারের নতুন Top Fan Sweaty Sultana-কে জানাই অনেক অনেক ভালোবাসা ও স্বাগতম! 🥰🌸
আপনাদের ভালোবাসা আর সাপোর্টই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ❤️
সবাই মিলে আমাদের নতুন Top Fan-কে একটা Welcome জানিয়ে দিন তো! 🥰👇
fans

আলহামদুলিল্লাহ! 🤍অনেক অনেক নতুন নিমা সেট এসেছে আপুরা! 🥰একটার পর একটা এত সুন্দর কালেকশন আসছে যে, সবগুলো আপনাদের দেখানোর জ...
08/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ! 🤍
অনেক অনেক নতুন নিমা সেট এসেছে আপুরা! 🥰
একটার পর একটা এত সুন্দর কালেকশন আসছে যে, সবগুলো আপনাদের দেখানোর জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না। 😍
👶 সাইজ: ১, ২, ৩, ৪
জিরো থেকে ২ বছরের বাবুদের জন্য। 🌸
টুকটুক করে নতুন কালেকশনগুলো আপনাদের সামনে নিয়ে আসছি।
সাথে থাকবেন কিন্তু! ❤️

আজকে ছুটির দিন। ভেবেছিলাম বাসার টুকটাক কাজ শেষ করেই সারাদিন পেজে অ্যাক্টিভ থাকব। কিন্তু কিছুতেই আর সম্ভব হলো না। আল্লাহর...
07/08/2026

আজকে ছুটির দিন। ভেবেছিলাম বাসার টুকটাক কাজ শেষ করেই সারাদিন পেজে অ্যাক্টিভ থাকব। কিন্তু কিছুতেই আর সম্ভব হলো না। আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ভিন্ন।

সকাল থেকেই একের পর এক ব্যস্ততা। হাসব্যান্ডকে নিয়ে ডাক্তার, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিদ্যুতের ঝামেলা—সব মিলিয়ে পুরো দিনটাই দৌড়াদৌড়িতে কেটে গেল। বাসায় ফিরে বাচ্চাদের রান্না করে খাওয়ালাম, তারপর আবার রাতের রান্নায় ব্যস্ত হয়ে পড়লাম।

এইমাত্র রান্না থেকে একটু সময় বের করে পেজে আসছি। 😊

অনেক নতুন নতুন কালেকশন এসে গেছে। এখনো সবগুলোর ছবি তোলা শেষ করতে পারিনি। আস্তে আস্তে সবগুলো রেডি করছি, আর এক এক করে আপনাদের সামনে নিয়ে আসব, ইনশাআল্লাহ। একটু দোয়ায় রাখবেন। ❤️

06/08/2026

🌿 ছেলে বাবুর সফট কটন নিমা 🌿
গরমে ছোট্ট বাবুর আরামই সবার আগে! 💚
নরম, হালকা ও আরামদায়ক কটন কাপড়ে তৈরি এই নিমা সারাদিন পরার জন্য একদম উপযুক্ত।
👶 সাইজ: ১ | ২ | ৩ | ৪
🎈 উপযোগী: ০–২ বছর
⚠️ স্টক সীমিত
📩 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।
#ছেলেবাবু #কটননিমা

এই ফোনটা শুধু একটা ফোন না, আমার ধৈর্য, স্বপ্ন আর আল্লাহর রহমতের সাক্ষী। ❤️📱এটাই আমার বর্তমান ফোনের অবস্থা।আমাদের অনলাইন ...
06/08/2026

এই ফোনটা শুধু একটা ফোন না, আমার ধৈর্য, স্বপ্ন আর আল্লাহর রহমতের সাক্ষী। ❤️📱

এটাই আমার বর্তমান ফোনের অবস্থা।

আমাদের অনলাইন যাত্রা শুরু হয় ২০১৭ সালে। তখন আমার মেয়ের বয়স মাত্র তিন মাস। ছোট্ট একটা বাচ্চাকে সামলে হুট করেই একটা অনলাইন পেজ খুলেছিলাম। তখন জানতাম না সামনে কী অপেক্ষা করছে, শুধু একটা স্বপ্ন ছিল—নিজের একটা পরিচয় গড়ব, নিজের পরিশ্রমে কিছু করব, আর আমার হাজব্যান্ডের পাশে দাঁড়াব।

শুরুর পথটা সহজ ছিল না। ভালো ফোন ছিল না, ব্যবসায় ইনভেস্ট করার মতো সামর্থ্যও ছিল না। বাইরে থেকে হয়তো অনেকেই শুধু ফলাফল দেখেছেন, কিন্তু এই পথের প্রতিটা সংগ্রাম, প্রতিটা অপেক্ষা, প্রতিটা দোয়া—সেগুলো শুধু আল্লাহ জানেন।

২০২০ সালে আমার হাজব্যান্ড অনেক কষ্ট করে আমাকে এই ফোনটা কিনে দিয়েছিলেন, যেন আমি অনলাইন ব্যবসার কাজ করতে পারি। তখন এত টাকা একসাথে খরচ করা আমাদের জন্য সহজ ছিল না। তারপরও তিনি আমার স্বপ্নটাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

কিন্তু জীবন তো সব সময় আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না।

এরপর একের পর এক এমন কিছু পরিস্থিতি এসেছে, যার কারণে বারবার থেমে যেতে হয়েছে। কখনো সময়ের অভাব, কখনো সংসারের দায়িত্ব, কখনো এমন কিছু ঝড় এসেছে, যা আমাকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তারপর দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর আবার দীর্ঘ একটা বিরতি।

তবুও একটা জিনিস কখনো ছাড়িনি—আশা।

আমি বিশ্বাস করতাম, আল্লাহ যখন সময় ঠিক করবেন, তখনই আবার শুরু করতে পারব।

আলহামদুলিল্লাহ, ২০২৬ সালে এসে আবার নতুন করে শুরু করেছি।

অফলাইনের পাশাপাশি আবার পুরো সময় দিয়ে অনলাইনেও কাজ শুরু করলাম। ভিডিও, ছবি, রিল, লাইভ—সবকিছু নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিলাম।

আর ঠিক তখনই এই ফোনের ডিসপ্লেতে সমস্যা শুরু হলো।
সার্ভিসিং সেন্টারে নিয়ে গেলে তারা বললেন,
"একদিনেও নষ্ট হতে পারে, আবার এক মাসও চলতে পারে। যতদিন চলে, ব্যবহার করতে থাকুন।"

আমি শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলাম,
"হে আল্লাহ, আমাকে নিরাশ করবেন না।"

আলহামদুলিল্লাহ...
আজ এই নষ্ট ফোন দিয়েই আমি অর্ডার নিচ্ছি, ভিডিও করছি, ছবি তুলছি, কাস্টমারদের রিপ্লাই দিচ্ছি।

অনেকে হয়তো বলেন,
"এত বছর ধরে চেষ্টা করছ, কী-ই বা করতে পেরেছ?"

আমি কাউকে কোনো জবাব দিতে চাই না।
কারণ আমি জানি, আমার জীবনের প্রতিটা অধ্যায়, প্রতিটা অপেক্ষা, প্রতিটা সংগ্রামের সাক্ষী আল্লাহ।

আজ আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, সেটা হয়তো অনেক বড় কিছু নয়। কিন্তু আমি জানি, আমি থেমে যাইনি।
প্রতিবার পড়ে গিয়ে আবার দাঁড়ানোর তাওফিক আল্লাহই দিয়েছেন।

তখনই মনে পড়ে যায় সূরা আর-রহমানের সেই আয়াত—

"ফাবি আইয়্যি আ-লা-ই রাব্বিকুমা তুকায্যিবান।"

"অতএব, তোমরা উভয়ে (মানব ও জিন) তোমাদের প্রতিপালকের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?"

আজ আমার ফোনের ডিসপ্লে নষ্ট, কিন্তু এই ফোন দিয়েই আল্লাহ আমার হালাল রিজিকের দরজা খুলে দিয়েছেন।
এর চেয়ে বড় নিয়ামত আর কী হতে পারে?
আলহামদুলিল্লাহ। 🤍

Rukaiya Sultana Monira

Address

Natore

Telephone

+8801872761121

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SafiaNoor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share