Alpha It & Repair Lab

Alpha It & Repair Lab ল্যাপটপ/কম্পিউটার, প্রিন্টার, সিসি ক্যামেরা ও যাবতীয় কম্পিউটার এক্সেসরিজ বিক্রয় ও মেরামতের নির্ভরযোগ্য আইটি সাপোর্ট। 💻🛠️
(1)

We are committed to delivering the best organic ingredients and helps village communities.

29/08/2026
ফুল ফ্রেশ এই ল্যাপটপটি বিক্র্রয় করা হবে।ঠিকানা: আলফা আইটি, ক্লাব সুপার মার্কেট, 2য় তলা, 01741434166
29/08/2026

ফুল ফ্রেশ এই ল্যাপটপটি বিক্র্রয় করা হবে।
ঠিকানা: আলফা আইটি, ক্লাব সুপার মার্কেট, 2য় তলা, 01741434166

নতুন ল্যাপটপ কেনার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা এবং বিবেচনা করা উচিত। এগুলো বুঝে সিদ্ধান্ত নিলে আপনি আপনার প্রয়োজনে...
11/08/2026

নতুন ল্যাপটপ কেনার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা এবং বিবেচনা করা উচিত। এগুলো বুঝে সিদ্ধান্ত নিলে আপনি আপনার প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ল্যাপটপটি পেতে পারেন। নিচে সেই বিষয়গুলো বিশদভাবে আলোচনা করা হলো:

১. ব্যবহারের উদ্দেশ্য নির্ধারণ
আপনি কী কাজের জন্য ল্যাপটপটি কিনছেন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি ঠিক করলে অন্যান্য সব ফিচার ঠিক করা সহজ হবে।

বেসিক কাজের জন্য (ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট তৈরি): বেসিক প্রসেসর (Core i3 বা Ryzen 3), ৪GB RAM এবং ২৫৬GB SSD-এর মতো কনফিগারেশন যথেষ্ট হবে।
প্রোগ্রামিং ও মাল্টিটাস্কিং: শক্তিশালী প্রসেসর (Core i5 বা i7, Ryzen 5 বা Ryzen 7), ৮GB RAM বা তার বেশি প্রয়োজন।
গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং: উচ্চমানের গ্রাফিক্স কার্ড (NVIDIA বা AMD), ১৬GB RAM এবং SSD সহ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাপটপ প্রয়োজন।
গেমিং: হাই রেজোলিউশন ডিসপ্লে, উচ্চমানের GPU, ১৬GB বা ৩২GB RAM এবং ভালো কুলিং সিস্টেম থাকা দরকার।
২. প্রসেসর (CPU)
ল্যাপটপের পারফরম্যান্স প্রধানত প্রসেসরের ওপর নির্ভর করে। প্রসেসরের মূল কয়েকটি ধাপ হলো:

ইন্টেল: Core i3, i5, i7, i9—i3 সাধারণ কাজের জন্য, i5 মাল্টিটাস্কিং এবং গেমিং, i7 বা i9 উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কাজের জন্য।
এএমডি (AMD): Ryzen 3, Ryzen 5, Ryzen 7, Ryzen 9—এটি ইন্টেলের বিকল্প হিসেবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স প্রদান করে।
৩. র‌্যাম (RAM)
RAM নির্ধারণ করে আপনার ল্যাপটপ কতটা মাল্টিটাস্কিং করতে পারবে।

৪GB: সাধারণ ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট।
৮GB: প্রোগ্রামিং, মাল্টিটাস্কিং, এবং গেমিংয়ের জন্য।
১৬GB বা এর বেশি: গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং এবং হেভি গেমিংয়ের জন্য প্রয়োজন।
৪. স্টোরেজ (SSD vs HDD)
স্টোরেজের ক্ষেত্রে দুটি মূল অপশন রয়েছে:

SSD (Solid State Drive): অনেক দ্রুত, কিন্তু দাম একটু বেশি। ২৫৬GB বা ৫১২GB SSD সাধারণত পর্যাপ্ত হয়।
HDD (Hard Disk Drive): বেশি স্টোরেজ পাওয়া যায়, কিন্তু গতি তুলনামূলক ধীর। বড় ফাইল স্টোর করার জন্য HDD বেশি কার্যকরী।
মিশ্র স্টোরেজ: কিছু ল্যাপটপে SSD ও HDD উভয়ই থাকে, যা স্পিড এবং স্টোরেজের ভালো সমন্বয় দেয়।
৫. গ্রাফিক্স কার্ড (GPU)
যদি আপনি গেমিং, ভিডিও এডিটিং বা গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ল্যাপটপ কিনছেন, তাহলে ভালো GPU থাকা জরুরি।

ইন্টিগ্রেটেড GPU (বিল্ট-ইন): সাধারণ কাজের জন্য ভালো।
ডেডিকেটেড GPU: যেমন NVIDIA GeForce বা AMD Radeon, যা হেভি গ্রাফিক্স কাজ এবং গেমিংয়ের জন্য উপযুক্ত।
৬. ডিসপ্লে সাইজ ও রেজোলিউশন
ল্যাপটপের স্ক্রিন সাইজ এবং রেজোলিউশন আপনার কাজের অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করে।

ডিসপ্লে সাইজ: ১৩-১৫ ইঞ্চি সাধারণত ভালো পোর্টেবিলিটি এবং ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা দেয়। ১৭ ইঞ্চি ডিসপ্লে বড় এবং ভারী হতে পারে, কিন্তু বড় স্ক্রিনের সুবিধা রয়েছে।
রেজোলিউশন: Full HD (1920×1080) রেজোলিউশন সাধারণত ভালো হয়। উচ্চমানের ভিডিও বা গেমিংয়ের জন্য 2K বা 4K ডিসপ্লে বেছে নিতে পারেন।
৭. ব্যাটারি লাইফ
আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যাটারি লাইফ গুরুত্বপূর্ন। যারা নিয়মিত বাইরে কাজ করেন তাদের জন্য বেশি ব্যাটারি ব্যাকআপ দরকার। ল্যাপটপের ব্যাটারি সক্ষমতা দেখে নিতে হবে।

৮. পোর্ট এবং কানেক্টিভিটি

আপনার ল্যাপটপে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পোর্ট এবং কানেক্টিভিটি অপশন থাকা উচিত। যেমন:

USB Type-C, USB 3.0 পোর্ট
HDMI পোর্ট
মেমোরি কার্ড রিডার
অডিও জ্যাক এবং ইথারনেট পোর্ট
৯. কীবোর্ড ও টাচপ্যাড
কীবোর্ড ও টাচপ্যাডের আরামদায়ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, বিশেষ করে যদি আপনি অনেক টাইপ করেন। ব্যাকলিট কীবোর্ড একটি বাড়তি সুবিধা যা অন্ধকারেও টাইপ করা সহজ করে।

১০. ওজন ও পোর্টেবিলিটি
যদি আপনি ল্যাপটপটি সবসময় বহন করতে চান, তাহলে হালকা ও পাতলা ল্যাপটপ বেছে নেওয়া উচিত। ১.৫-২ কেজির মধ্যে ল্যাপটপগুলি সাধারণত পোর্টেবল।

১১. ব্র্যান্ড এবং ওয়ারেন্টি
বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় ব্র্যান্ড যেমন HP, Dell, Lenovo, ASUS, Acer থেকে ল্যাপটপ কেনা ভালো, কারণ এদের বিক্রয়োত্তর সেবা এবং ওয়ারেন্টি সুবিধা ভালো হয়।

১২. বাজেট
আপনার বাজেট অনুযায়ী সেরা ফিচার এবং পারফরম্যান্সের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে ল্যাপটপ নির্বাচন করা উচিত। বাজেটের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফিচারগুলি পাওয়ার চেষ্টা করুন।

১৩. অপারেটিং সিস্টেম (OS)
ল্যাপটপের অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ। Windows, macOS, এবং Chrome OS এর মধ্যে আপনার প্রয়োজন অনুসারে বেছে নিতে হবে।

এসব বিষয় মাথায় রেখে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ল্যাপটপটি বেছে নিতে পারবেন, যা দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকরভাবে কাজ করবে।

🔥 Lenovo ThinkPad T14s Gen 2 - প্রফেশনালদের জন্য সেরা চয়েস! 🔥আপনি কি অফিসের কাজ, ফ্রিল্যান্সিং বা পড়াশোনার জন্য একটি স্ল...
10/08/2026

🔥 Lenovo ThinkPad T14s Gen 2 - প্রফেশনালদের জন্য সেরা চয়েস! 🔥
আপনি কি অফিসের কাজ, ফ্রিল্যান্সিং বা পড়াশোনার জন্য একটি স্লিম এবং পাওয়ারফুল ল্যাপটপ খুঁজছেন? বিশ্বস্ত ThinkPad সিরিজের এই প্রিমিয়াম ল্যাপটপটি হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ।

💻 ল্যাপটপটির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

🔘মডেল: Lenovo ThinkPad T14s Gen 2

🔘প্রসেসর: Intel Core i5 11th Gen

🔘র‍্যাম: 16GB LPDDR4x (সুপার ফাস্ট মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য)

🔘স্টোরেজ: 256GB NVMe PCIe SSD

🔘ডিসপ্লে: ১৪ ইঞ্চি Full HD (1920x1080) IPS (Touch Screen)

🔘গ্রাফিক্স: Intel Iris Xe Graphics (8GB Shared)

📍 লোকেশন: ১৭৪, ক্লাব সুপার মার্কেট (২য় তলা), চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

     মডেল: HP EliteBook 840 G6 (Ultra Slim Business Laptop)সংক্ষিপ্ত স্পেসিফিকেশন:• প্রসেসর: Core i5 8th Gen• র‍্যাম/এসএ...
08/08/2026


মডেল: HP EliteBook 840 G6 (Ultra Slim Business Laptop)

সংক্ষিপ্ত স্পেসিফিকেশন:
• প্রসেসর: Core i5 8th Gen
• র‍্যাম/এসএসডি: 8GB RAM / 256GB SSD
• ডিসপ্লে: 14" Full HD
• ব্যাটারি ব্যাকআপ: 2+ ঘণ্টা
• সিকিউরিটি: ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ক্যামেরা প্রাইভেসি শাটার

কন্ডিশন: একদম ফ্রেশ কন্ডিশন (৯.৫/১০)। কোনো স্ক্র্যাচ বা ডেন্ট নেই। কোনো ধরনের ইন্টারনাল রিপেয়ার বা সার্ভিসিং করা হয়নি। ফ্রিল্যান্সিং, অফিস ওয়ার্ক এবং স্টুডেন্টদের জন্য বেস্ট চয়েস।

সাথে পাবেন: ল্যাপটপ + অরিজিনাল অ্যাডাপ্টার

✅কম্পিউটার হ্যাং হলে কিছু সময় অপেক্ষা করুন, কিবোর্ডে Ctrl + Shift + Esc চেপে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করে সমস্যাযুক্ত অ্যাপ ...
06/08/2026

✅কম্পিউটার হ্যাং হলে কিছু সময় অপেক্ষা করুন, কিবোর্ডে Ctrl + Shift + Esc চেপে টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করে সমস্যাযুক্ত অ্যাপ বন্ধ করুন, অথবা কাজ না করলে পাওয়ার বাটন চেপে ধরে রিস্টার্ট করুন।

✅তাৎক্ষণিক করণীয়

🔵অপেক্ষা করুন: অনেক সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে বড় কোনো কাজ চলায় পিসি সাময়িক থেমে যায়, একটু অপেক্ষা করলে ঠিক হয়ে যায়।

🔵টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার: কিবোর্ড থেকে Ctrl + Shift + Esc বা Ctrl + Alt + Delete একসঙ্গে চাপুন। এরপর Not Responding লেখা অ্যাপটি সিলেক্ট করে End Task দিন।

🔵পাওয়ার বাটন চাপুন: কম্পিউটার সম্পূর্ণ জমে গেলে বা কোনো কি না কাজ করলে, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপের পাওয়ার বাটন ১০ থেকে ২০ সেকেন্ড চেপে ধরে রেখে জোরপূর্বক বন্ধ করুন। এরপর আবার চালু করুন।

👉দীর্ঘস্থায়ী সমাধান

🔵র‌্যাম ও এসএসডি: র‌্যাম কম থাকলে বা পুরোনো হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করলে এসএসডি (SSD) যুক্ত করুন ও র‌্যাম বাড়িয়ে নিন।

🔵ভাইরাস স্ক্যান: কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস প্রবেশ করলে ভালো কোনো অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে সম্পূর্ণ ড্রাইভ স্ক্যান করুন।ওভারহিটিং রোধ: প্রসেসর বেশি গরম হলে কুলিং ফ্যান পরিষ্কার করুন এবং নতুন কুলিং পেস্ট ব্যবহার করুন।

উইন্ডোজ ব্লু স্ক্রিন এরর (স্টপ কোড বা ব্লু স্ক্রিন অফ ডেথ) এর অর্থ হলো, আপনার কম্পিউটার কোনো বড় সমস্যায় পড়েছিল, কাজ ক...
05/08/2026

উইন্ডোজ ব্লু স্ক্রিন এরর (স্টপ কোড বা ব্লু স্ক্রিন অফ ডেথ) এর অর্থ হলো, আপনার কম্পিউটার কোনো বড় সমস্যায় পড়েছিল, কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল এবং সুরক্ষিত থাকার জন্য পুনরায় চালু হয়েছে। এটি ঠিক করার জন্য, আপনার এরর কোডটি লিখে রাখুন, স্টার্টআপ রিপেয়ার চালান, অথবা নির্দেশিত সাহায্যের জন্য মাইক্রোসফট সাপোর্টের সাহায্য নিন।

🟩সাধারণ সমাধান #
✅কোডটি লক্ষ্য করুন : নীল স্ক্রিনের নীচে MEMORY_MANAGEMENT অথবা PAGE_FAULT_IN_NONPAGED_AREA-এরমতো শব্দগুলো খুঁজুন ।

✅স্টার্টআপ রিপেয়ার : রিকভারি স্ক্রিন খোলার জন্য বুট করার সময় আপনার পিসি তিনবার বন্ধ ও চালু করুন, তারপর ট্রাবলশুট > অ্যাডভান্সড অপশন > স্টার্টআপ রিপেয়ার-এ যান ।

✅নতুন জিনিসগুলি সরান : নতুন ইউএসবি ডিভাইসগুলি আনপ্লাগ করুন বা নতুন মেমরি স্টিকগুলি বের করে নিন, যদি সেগুলি যোগ করার ঠিক পরেই ত্রুটিটি শুরু হয়ে থাকে।

✅ফাইলগুলি পরীক্ষা করুন : অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে কমান্ড প্রম্পট খুলুন এবং ত্রুটিপূর্ণ সিস্টেম ফাইলগুলো ঠিক করতেsfc /scannow টাইপ করুন।

কম্পিউটার বা পিসি (PC) ফাস্ট করার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো স্টার্টআপ অ্যাপস বন্ধ করা, ক্যাশ বা টেম্পোরারি ফাইল ডি...
04/08/2026

কম্পিউটার বা পিসি (PC) ফাস্ট করার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো স্টার্টআপ অ্যাপস বন্ধ করা, ক্যাশ বা টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করা এবং হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা।
নিচে আপনার স্লো পিসি দ্রুত করার সহজ এবং ১০০% কার্যকর পদক্ষেপগুলো দেওয়া হলো:

১. স্টার্টআপ অ্যাপস বন্ধ করা (Startup Apps Disable)
পিসি অন হওয়ার সাথে সাথে অনেক অ্যাপ নিজে নিজেই চালু হয়ে ব্যাকগ্রাউন্ডে র‍্যাম ও প্রসেসর নষ্ট করে।কিবোর্ড থেকে Ctrl + Shift + Esc চেপে Task Manager খুলুন।বাঁদিকের মেনু বা উপরের ট্যাব থেকে Startup apps-এ যান।অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর ওপর রাইট-ক্লিক করে Disable করে দিন।

২. টেম্পোরারি ও জাঙ্ক ফাইল পরিষ্কার করা (Clean Temp Files)
পিসিতে জমে থাকা আবর্জনা ফাইল ডিলিট করলে স্পিড অনেক বেড়ে যায়।কিবোর্ড থেকে Windows Key + R চেপে Run কমান্ড খুলুন।
বক্সে একে একে temp, %temp%, এবং prefetch লিখে Enter চাপুন।প্রতিবার যে ফোল্ডারগুলো খুলবে, ভেতরের সব ফাইল Ctrl + A দিয়ে সিলেক্ট করে Shift + Delete দিয়ে চিরতরে মুছে ফেলুন।এছাড়া উইন্ডোজ সার্চ বক্সে Disk Cleanup লিখে সার্চ করে ড্রাইভের ক্যাশ ফাইল পরিষ্কার করতে পারেন।

৩. অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার আনইনস্টল করাপিসিতে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অ্যাপ স্টোরেজ ও ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস দখল করে রাখে।পিসির Control Panel-এ যান এবং Programs and Features (বা Uninstall a program) সিলেক্ট করুন।যে সফটওয়্যারগুলো আপনার কাজে লাগে না, সেগুলো সিলেক্ট করে Uninstall করে দিন।

৪. পাওয়ার প্ল্যান পরিবর্তন করা (High Performance)ডেস্কটপ পিসির কর্মক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার করার জন্য পাওয়ার সেটিং পরিবর্তন করতে পারেন।Control Panel থেকে Power Options-এ যান।সেখান থেকে High Performance মোডটি সিলেক্ট করুন। (ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এটি চার্জ কিছুটা বেশি শেষ করতে পারে)।

৫. ড্রাইভ স্টোরেজ ফাঁকা রাখাউইন্ডোজ যে ড্রাইভে ইনস্টল করা (সাধারণত C Drive), সেটি কখনোই ফুল বা লাল করে রাখবেন না। ড্রাইভের অন্তত ১৫%-২০% জায়গা সবসময় ফাঁকা রাখার চেষ্টা করুন। ডাউনলোড ফোল্ডার ও রিসাইকেল বিন নিয়মিত খালি করুন।

৬. ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার স্ক্যান করাভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের কারণেও পিসি হঠাৎ স্লো হয়ে যেতে পারে। উইন্ডোজের বিল্ট-ইন Windows Defender (Windows Security) অ্যাপটি ওপেন করে Quick Scan বা Full Scan দিন এবং ক্ষতিকারক ফাইলগুলো ডিলিট করুন। থার্ড-পার্টি ভারী অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ এগুলো পিসি আরও স্লো করে।হার্ডওয়্যার আপগ্রেড (সবচেয়ে স্থায়ী সমাধান)যদি উপরের সফটওয়্যার ট্রিকসগুলো কাজ করার পরেও পিসি স্লো থাকে, তবে বুঝতে হবে আপনার পিসির হার্ডওয়্যার দুর্বল।সেক্ষেত্রে:

SSD ইনস্টল করুন: আপনার পিসিতে যদি উইন্ডোজ HDD (হার্ডডিস্ক)-এ ইনস্টল করা থাকে, তবে আজই একটি SSD (Solid State Drive) লাগিয়ে নিন। এটি পিসির স্পিড ৫ থেকে ১০ গুণ বাড়িয়ে দেবে।

RAM বাড়ান: পিসিতে যদি ৪ জিবি র‍্যাম থাকে, তবে মাল্টিটাস্কিং করতে কষ্ট হবে। স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করার জন্য র‍্যাম বাড়িয়ে অন্তত ৮ জিবি বা ১৬ জিবি করে নিন।

Address

174, Club Super Market (1st Floor)
Nawabganj
6300

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alpha It & Repair Lab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share