Rivox BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rivox BD, Clothing (Brand), SONAIMURI, Noakhali Sadar Upazila.
(2)

Fashion by Rivox BD – Differentiate, don’t compare
সবচেয়ে বড় গর্ব, আমি ঘর থেকে ব্যবসা করি 💙। দোকান নেই, তবে ঘর থেকেই আপনাদের জন্য নিয়ে আসছি পুরুষ, মহিলা ও বাচ্চাদের ট্রেন্ডি ফ্যাশন কালেকশন। সাশ্রয়ী দামে হোম ডেলিভারি 🚚✅ RivoxBD হলো ঘর থেকে শুরু করা একটি ছোট্ট কাপড়ের ব্যবসা। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু মানসম্মত ফ্যাশন পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং মানবতার কল্যাণে অংশ নেওয়া।
প্রতি মাসে ব্যবসার লাভ থেকে ৫% গ

রিব ও দুঃখী মানুষদের দান করা হবে। আপনার প্রতিটি কেনাকাটা শুধু ফ্যাশন নয়, কারো মুখে হাসি ফোটানোর একটি মাধ্যম।

09/02/2026

আমাদের সামনে যে পছন্দ: এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত
১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ তার ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ভোট দিতে যাচ্ছে। এটি কোনো সাধারণ দলীয় প্রতিযোগিতা নয়। এটি আমাদের জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।
আমরা আজ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি।
একটি পথ আমাদের পেছনের দিকে নিয়ে যায়—দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিকে, পারিবারিক শাসন ও অলিগার্কদের আধিপত্যের দিকে, লুটপাটে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া অর্থনীতি ও জনআস্থা হারানো প্রতিষ্ঠানের দিকে।
অন্য পথটি আমাদের সামনে খুলে দেয় এক নতুন যুগ—যে যুগ জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখবে এবং জনগণের দাবি করা মৌলিক পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়ন করবে।
এখানে মূল প্রশ্ন হলো জুলাই বিপ্লবের ভবিষ্যৎ।
আমরা কি জুলাইকে কবর দেব এবং আবার পুরোনো ব্যবস্থার কাছে আত্মসমর্পণ করব?
নাকি আমরা শেষ পর্যন্ত দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও আমলাদের দ্বারা ক্ষমতার পদ্ধতিগত অপব্যবসানের অবসান ঘটাব?
আমাদের অর্থনীতি কি আবার ব্যাংক লুট, প্রতিষ্ঠান ধ্বংস এবং বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো খাতে অস্বাভাবিকভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে করা চুক্তির আরেকটি চক্র সহ্য করতে পারবে?
জুলাইয়ের যোদ্ধারা কি এমন এক অলিগার্কি অর্থনীতির শিকার হবে, যা উদ্যোগ ধ্বংস করে এবং কোনো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে না?
বাংলাদেশ কি তার মর্যাদা বিসর্জন না দিয়ে ভারত ও বিশ্ববাসীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারবে?
এই হলো আমাদের সামনে থাকা পছন্দ।
নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বেশিরভাগ দল ভালো দেখানোর চেষ্টা করছে এবং সঠিক কথাগুলো বলছে। তাদের বক্তব্য ক্রমেই একরকম শোনাচ্ছে। ঠিক এই কারণেই নাগরিকদের স্লোগানের বাইরে তাকাতে হবে। আমাদের কঠিন প্রশ্ন করতে হবে—
কে এই দলগুলোর পেছনে আছে?
কে তাদের অর্থ জোগায়?
তাদের ক্ষমতার উৎস কোথায়?
তাদের নেতা ও প্রার্থীরা কারা, এবং তাদের অতীত কী?
কোন জোট আসলেই সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কঠিন কাজ এগিয়ে নিতে সক্ষম?
এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—কে সেই সংস্কার বাস্তবায়নে সত্যিই আগ্রহী ও সক্ষম?
বিএনপির রেকর্ড
বিএনপি একটি পুরোনো ও গভীরভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত দল, যার চরিত্র আওয়ামী লীগের মতোই। নব্বইয়ের দশকে এই দুই দল দুর্নীতি, পৃষ্ঠপোষকতা ও সহিংসতার মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করত। ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা কারসাজির বিএনপি-চেষ্টাই সেই সংকটের জন্ম দেয়, যা সামরিক হস্তক্ষেপ এবং শেষ পর্যন্ত পনেরো বছরের আওয়ামী লীগ কর্তৃত্ববাদের পথ তৈরি করে।
এই পুরোনো চিতাবাঘ তার দাগ বদলায়নি—আজ যতই পালিশ করা ভাষায় কথা বলুক না কেন। ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে বিএনপি-ধাঁচের চাঁদাবাজি রাজনীতি প্রকাশ্যেই চলেছে। আশ্চর্যের কিছু নেই যে, সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে দলটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। বহু ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষার্থী, এমনকি অনেক নারীও, আদর্শগত কারণে নয়—বরং দুর্নীতি ও শোষণমূলক ক্ষমতার রাজনীতি থেকে মুক্তির আশায় জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দিয়েছে।
বিএনপি বিপুলসংখ্যক বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছে, যার মধ্যে অন্তত পঞ্চাশজন বড় ঋণখেলাপি রয়েছে। ক্ষমতার বাইরে পনেরো বছর থাকার পর হঠাৎ করেই দলটি অর্থে ভরে গেছে—কারণ পুরোনো অলিগার্ক ও সাবেক আওয়ামী লীগপন্থী অর্থদাতারা আবার এমন একটি দলে ভিড়ছে, যাদের সঙ্গে তারা “ব্যবসা” করতে পারবে বলে মনে করে। বিএনপি প্রকাশ্যেই আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে সখ্য গড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের সংকেত দিচ্ছে।
এর মানে হবে পুরোনো ব্যবস্থার পূর্ণ প্রত্যাবর্তন—দুটি দুর্নীতিগ্রস্ত দলের মধ্যে সেই পরিচিত খেলায় ফিরে যাওয়া। তারা সংস্কারের কথা বললেও তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না, কারণ তারা ঠিক সেই নেটওয়ার্কের দ্বারা অর্থায়িত ও প্রতিনিধিত্বশীল, যেগুলো ভাঙতে হবে।
আমরা কেন নিশ্চিত যে বিএনপির প্রতিশ্রুতিগুলো ফাঁপা? কারণ প্রমাণ এখন স্পষ্ট। গত সতেরো মাসে এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে সতেরো বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা ও সেই কষ্ট তাদের আচরণ বদলায়নি। আমাদের তরুণদের ত্যাগ ও নতুন যুগের আশা তাদের লোভ দমন করতে পারেনি।
বরং তারা ক্ষমতা ফিরে পেতে যেকোনো মূল্যে সেই একই আওয়ামী লীগপন্থী অলিগার্কদের সঙ্গে আপস করতে প্রস্তুত, যারা একসময় তাদের দমন করেছিল। যে দল এত দূর আপস করতে পারে, সে দল সবকিছুতেই আপস করবে—নিজেদের ধনী করতে এবং শাসন পাকাপোক্ত করতে।
এনসিপি–জামায়াত জোটের পক্ষে যুক্তি
যেসব দল দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও আপসকামী আমলাদের কাছে দায়বদ্ধ নয়, কেবল তারাই বাংলাদেশে জরুরি পরিবর্তন আনতে পারে। এ কারণেই এনসিপি–জামায়াত জোট আলাদা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, লুট হওয়া সম্পদ উদ্ধার এবং ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে করা চুক্তি পুনর্বিবেচনার বিষয়ে এই জোটের অঙ্গীকার বিশ্বাসযোগ্য। তাদের নেতা ও প্রার্থীরা অতীতের বিষাক্ত চর্চায় নিমজ্জিত নন।
আমাদের সংবিধান সংস্কারের আহ্বান ওজনদার, কারণ এটি পারিবারিক শাসন টিকিয়ে রাখার জন্য নয়। এমনকি প্রশাসনের ভেতরেও আমাদের সমর্থকরা তুলনামূলকভাবে কম দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে পরিচিত।
হ্যাঁ, এই জোটের দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা নেই—এটাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমাদের রক্ষা করার মতো কোনো ঋণখেলাপি নেই, কোনো সুবিধাভোগী ঠিকাদার নেই, কোনো চোর নেই। তাই আমরা সংস্কার, দক্ষতা ও স্বচ্ছতার জন্য বেশি উন্মুক্ত।
ভারতের প্রশ্ন
এবার আসা যাক সেই বড় প্রশ্নে—ভারত।
ভারত শুধু আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ববাদী শাসনকে সমর্থনই দেয়নি, বরং আজও তাদের অপরাধী নেতাদের আশ্রয় দিচ্ছে।
বিএনপি ও এনসিপি–জামায়াত জোট—দুটিই ভারতের সঙ্গে সংলাপ ও ভালো সম্পর্ক চায়। কিন্তু পার্থক্যটা গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি “জাতীয় স্বার্থ রক্ষার” কথা বলে—কিন্তু কার স্বার্থ, আর কত মূল্যে? আওয়ামী লীগও একই দাবি করত, অথচ তাদের শাসনে আমাদের সম্পর্ক নজিরবিহীনভাবে অবনতি হয়েছে। কেন?
শহীদ ছাত্রনেতা ওসমান হাদি যেমন বলেছিলেন—আওয়ামী লীগের অধীনে আমরা আমাদের মর্যাদা হারিয়েছি।
ভারত নিজ দেশের মুসলমানদের নিপীড়ন করে, লাখ লাখ মানুষকে “বাংলাদেশি” বলে তাড়ানোর চেষ্টা করে, বাংলাদেশকে কাঁটাতারের বেড়ায় ঘিরে ফেলেছে, যেখানে মানুষ নিয়মিত গুলিবিদ্ধ হয়। অথচ সেই ভারতই আমাদের ভূখণ্ড দিয়ে ট্রানজিট দাবি করেছে। আত্মমর্যাদাসম্পন্ন কোনো জাতি এটা মেনে নিতে পারে না। একটি জাতির মর্যাদার কি কোনো দাম আছে? আর এমন শর্তে দরকষাকষি করা সরকারকে আমরা কী বলব?
এনসিপি–জামায়াত জোট ও জুলাইয়ের যোদ্ধারা স্পষ্ট—স্বার্থের আগে মর্যাদা। ভারত বাংলাদেশ ও ভারতের মুসলমানদের সম্মান না করা পর্যন্ত প্রকৃত সংলাপ সম্ভব নয়। বাংলাদেশকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে, মিত্রতা বৈচিত্র্যময় করতে হবে, ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির মাধ্যমে নিজেকে রক্ষা করতে হবে। অপমানিত ও আহত জাতি সুস্থ হতে পারে না।
ইসলাম, নারী ও সংখ্যালঘু প্রশ্ন
এনসিপি–জামায়াত জোট কি ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করবে, বা নারী ও সংখ্যালঘুদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে—এই আশঙ্কাগুলো গুরুতর এবং তা উপেক্ষা করা যাবে না।
বাংলাদেশ একটি গভীরভাবে ধর্মপ্রাণ সমাজ, কিন্তু এখানকার ইসলাম একরকম নয়। পনেরো বছর ধরে মুসলিম পরিচয় ও রাজনীতিকে দমন করে তা মুছে ফেলা যায়নি; বরং ক্ষোভ বেড়েছে। দমনের আরেক চক্র জাতীয় ঐক্যের জন্য ভয়াবহ হবে।
জামায়াত বাংলাদেশে মুসলিম রাজনীতির সবচেয়ে আধুনিক ও সংগঠিত ধারার প্রতিনিধিত্ব করে। এই নির্বাচন ধর্মীয় আইন চাপানোর জন্য নয়; এটি জুলাইয়ের সংস্কার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য সক্ষম একটি জোট গঠনের প্রশ্ন। এনসিপি–জামায়াত জোটের বাইরে আরও পশ্চাৎপদ ও উগ্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠী আছে। irony হলো, আওয়ামী লীগই বারবার তাদের সঙ্গে আপস করেছে, আর জামায়াতকে বাদ দিয়ে রেখেছে। বিএনপি এখন সেই একই ভুল করার ঝুঁকিতে আছে।
জামায়াত–এনসিপি জয়ের ফলে কি পশ্চাৎপদ শক্তি উৎসাহিত হতে পারে? হ্যাঁ—যদি সমাজ সতর্ক না থাকে। তবে পশ্চাৎপদ চর্চা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দু’দলের আমলেই হয়েছে।
জামায়াত দেশের সবচেয়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সংগঠিত দল। এনসিপির তরুণ শক্তি ও বৃহত্তর জুলাই আন্দোলনের নজরদারিতে কোনো সরকারই নারী বা সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘন মেনে নেবে না। দৈনন্দিন দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা, জননিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা এবং মর্যাদা পুনরুদ্ধার—এগুলোই নারী-পুরুষ, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগরিষ্ঠ সবার প্রকৃত স্বাধীনতার ভিত্তি।
পছন্দটা পরিষ্কার
এই হলো আমাদের পছন্দ।
একদিকে আছে একটি দুর্নীতিগ্রস্ত, পারিবারিক শাসনে অভ্যস্ত, অলিগার্কে জড়ানো দল।
অন্যদিকে আছে একটি নির্বাচনী জোট—যেখানে আছে পরিষ্কার শাসনের রেকর্ডসহ একটি গণতান্ত্রিক ধর্মীয় দল, একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ জাতীয় সংগঠন, জুলাই থেকে জন্ম নেওয়া ছাত্র আন্দোলন এবং পরিবর্তনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ মিত্ররা।
কোনোটাই নিখুঁত নয়। কিন্তু যদি আমরা বিশ্বাস করি যে পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া অর্থনৈতিক ধস, প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় ও সামাজিক ভাঙন ত্বরান্বিত করবে—তাহলে পছন্দটা স্পষ্ট।
এই প্রেক্ষাপটে এনসিপির সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল—এককভাবে লড়া নাকি জোট গড়া। আগামী সংসদই জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। সংসদের বাইরে থাকলে জুলাইয়ের যোদ্ধারা ঝুঁকির মুখে পড়বে। এক বছরেরও কম সময়ে দেশজুড়ে সংগঠন গড়ে তোলা সম্ভব ছিল না। একা লড়াই মানে ছিল বড় ঝুঁকি। সংসদে উপস্থিতি আমাদের মানুষকে রক্ষা, দলকে শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংগঠন গড়ার জন্য অপরিহার্য।
আমরা বিএনপির সঙ্গে জোটের চেষ্টা করেছি, কিন্তু প্রকৃত সংস্কার বা দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার পাইনি। জামায়াত বরং ন্যায়বিচার, দুর্নীতিবিরোধিতা ও পররাষ্ট্রনীতির পুনর্গঠনে স্পষ্ট অঙ্গীকার দেখিয়েছে। এই জোট ন্যায়, সংস্কার, দুর্নীতিবিরোধিতা ও আধিপত্যবিরোধিতার ওপর দাঁড়িয়ে—যা বিএনপির সঙ্গে সম্ভব নয়।
জুলাইয়ের স্বার্থে, মর্যাদার জন্য, সংস্কারের জন্য এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য—
এনসিপি–জামায়াত জোটের জিততেই হবে

বিপিএল প্রেমীদের জন্য ধামাকা অফার! ফ্রি টিকিট জেতার সুযোগ! 🏏​আসসালামু আলাইকুম! নোয়াখালীবাসীর জন্য আমরা নিয়ে এসেছি এক দার...
21/12/2025

বিপিএল প্রেমীদের জন্য ধামাকা অফার! ফ্রি টিকিট জেতার সুযোগ! 🏏
​আসসালামু আলাইকুম! নোয়াখালীবাসীর জন্য আমরা নিয়ে এসেছি এক দারুণ সুযোগ। সরাসরি গ্যালারিতে বসে বিপিএল-এর রোমাঞ্চ উপভোগ করতে চান? আমাদের পেজের পক্ষ থেকে আমরা দিচ্ছি বিপিএল ম্যাচের ২টি ফ্রি টিকিট গিফট! 🎟️🎟️
​কিভাবে অংশ নিবেন? (খুবই সহজ ৩টি ধাপ):
১. আমাদের এই পেজটি Follow করুন এবং আপনার সব বন্ধুদের পেজে Invite করুন।
২. এই পোস্টটি আপনার টাইমলাইনে এবং বিভিন্ন গ্রুপে Publicly Share করুন।
৩. আমাদের পেজের পোস্টগুলোতে বেশি বেশি লাইক ও কমেন্ট করে এক্টিভ থাকুন।
​বিজয়ীকে বেছে নেওয়া হবে:
যিনি সবচেয়ে বেশি ইনভাইট করবেন, শেয়ার করবেন এবং আমাদের পেজে নিয়মিত কমেন্ট করে সাপোর্ট করবেন, তাকেই আমাদের পক্ষ থেকে এই উপহার দেওয়া হবে। উপহার হিসেবে থাকছে নোয়াখালীর পক্ষ থেকে বিপিএল ম্যাচের দুটি টিকিট! 🎁
​ঝটপট অংশ নিন আর আপনার বন্ধুদেরও জানিয়ে দিন! খেলা হবে মাঠে! 🔥

Mustard knit with charcoal tailoring — bold warmth meets modern sophistication 🧡🖤
21/12/2025

Mustard knit with charcoal tailoring — bold warmth meets modern sophistication 🧡🖤

21/12/2025

🔥 No extra, just perfect 🔥
Overstyle নয়—
আজকের mood শুধু clean, calm & confident 😎

Simple fit, strong vibe 💯

21/12/2025

21/12/2025

✨ Everyday style, zero effort ✨
যেটা পরলে নিজেকে confident লাগে,
সেটাই আসল fashion 💯

Comfortable ✔️
Stylish ✔️
Everyday ready ✔️

Earth-tone perfection with bold orange accents — sporty, clean, and confident 🍊🫒🔥
21/12/2025

Earth-tone perfection with bold orange accents — sporty, clean, and confident 🍊🫒🔥

21/12/2025

👀 Question for you!
আজকে তুমি কোন vibe-এ আছো?

1️⃣ Casual & comfy 😌
2️⃣ Stylish & bold 😎
3️⃣ Simple but classy ✨

Comment করে জানাও 👇
আর যেটা feel করছো, সেটাই পরো 💯

Clean neutrals, sharp layers — effortless style that never tries too hard 🤍🖤✨
21/12/2025

Clean neutrals, sharp layers — effortless style that never tries too hard 🤍🖤✨

21/12/2025

🔥 Style that speaks without words 🔥
Outfit ঠিক থাকলে mood এমনিতেই on 🔛
Simple fit, premium feel — everyday ready 😎

👕 Comfort | 🔥 Style | 💯 Confidence

All-black done right — clean, confident, and effortlessly powerful 🖤🔥
21/12/2025

All-black done right — clean, confident, and effortlessly powerful 🖤🔥

Address

SONAIMURI
Noakhali Sadar Upazila
3827

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rivox BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share