01/06/2026
পবিত্র কুরআনে এমন অনেক আয়াত রয়েছে যা আধুনিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কারের সাথে হুবহু মিলে যায়। ১৪০০ বছর আগে যখন কোনো আধুনিক যন্ত্রপাতি ছিল না, তখন এই তথ্যগুলো কুরআনে অবতীর্ণ হওয়াকে অলৌকিক নিদর্শন হিসেবে গণ্য করা হয়।নিচে কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞানের প্রধান কয়েকটি মিল সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:১. মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ (The Expanding Universe)আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে যে মহাবিশ্ব ক্রমাগত বড় হচ্ছে।কুরআনের বাণী: "আমি আকাশ নির্মাণ করেছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই এর সম্প্রসারণকারী।" (সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ৪৭)বিজ্ঞানের আবিষ্কার: ১৯২৯ সালে বিজ্ঞানী এডউইন হাবল (Edwin Hubble) প্রথম প্রমাণ করেন যে গ্যালাক্সিগুলো একে অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, অর্থাৎ মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে।২. বিগ ব্যাং বা মহাবিশ্ব সৃষ্টি (The Big Bang)বিজ্ঞানীদের মতে, এক সময় পুরো মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে পুঞ্জীভূত ছিল এবং একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে এটি আলাদা হয়ে যায়।কুরআনের বাণী: "যারা কুফরি করে তারা কি দেখে না যে, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী একসাথে মিশে ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম..." (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৩০)বিজ্ঞানের আবিষ্কার: ২০ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বিজ্ঞানীরা 'বিগ ব্যাং থিওরি'র মাধ্যমে এই তথ্যটি আবিষ্কার করেন।৩. লোহার আগমন (Iron from Outer Space)লোহা পৃথিবীর নিজস্ব উপাদান নয়, এটি মহাকাশের কোনো নক্ষত্র থেকে এসেছে।কুরআনের বাণী: "...এবং আমি লোহা অবতীর্ণ (নাজিল) করেছি, যার মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড শক্তি এবং মানুষের জন্য বহু কল্যাণ।" (সূরা আল-হাদীদ, আয়াত: ২৫)বিজ্ঞানের আবিষ্কার: আধুনিক ভূতত্ত্ব বিজ্ঞান নিশ্চিত করেছে যে কোটি কোটি বছর আগে উল্কাপাতের (Meteorite) মাধ্যমে লোহা পৃথিবীতে এসে জমা হয়েছিল। 'নাজিল' শব্দের অর্থ ওপর থেকে নিচে নামানো।৪. পর্বতের ভূমিকা (Mountains as Pegs)পাহাড়-পর্বত মাটির নিচে খুঁটির মতো কাজ করে পৃথিবীকে স্থির রাখে।কুরআনের বাণী: "আমি কি পৃথিবীকে শয্যা এবং পর্বতসমূহকে খুঁটি করিনি?" (সূরা আন-নাবা, আয়াত: ৬-৭)বিজ্ঞানের আবিষ্কার: প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics) বিজ্ঞান অনুযায়ী, মাটির ওপরে পাহাড়ের যতটুকু অংশ থাকে, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অংশ মাটির নিচে মূল বা খুঁটির মতো প্রথিত থাকে, যা ভূত্বককে স্থিতিশীল রাখে।৫. মানব ভ্রূণের বিকাশ (Embryology)মায়ের গর্ভে সন্তান বড় হওয়ার প্রতিটি ধাপের নিখুঁত বর্