09/05/2026
গাজীপুরে একজন বয়ষ্ক মহিলার বিয়ে করা নিয়ে দেশব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়।
মহিলার সন্তানরা মায়ের বিয়ে মেনে নিচ্ছে না।মহিলা, যে নিজের সতীনের ছেলেকে লালন-পালন করে বড়ো করেছে সেই ছেলেও মায়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে।
ওদিকে মা মেয়েকে জেল খাটিয়েছে।বিষয়টা দুঃখজনক।
এটা এই ঘুণে ধরা অসুস্থ সমাজের চিত্র।
একজন পুরুষ স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সাথে সাথেই বিয়ে করে।অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রীর বর্তমানেও ২য়, ৩য় এমনকি চতূর্থ বা তারও অধিক বিয়ে করে।
সেটা নিয়ে মানুষকে এত সরব হতে দেখা যায় না।যতটা তোলপাড় হচ্ছে বিধবা নারীর বিয়ে করা নিয়ে।
পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষের দিনশেষে একজন সঙ্গীর প্রয়োজন হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন বিষয় ভাইরাল হলে আমি আবেগে ভেসে যাই না।ঘটনার পর এর রিভিউর জন্য অপেক্ষা করি।
ভিকটিম মেয়েদের সংবাদ সম্মেলনের পর আমার কেন জানি মনে হচ্ছিল ঘটনার আড়ালে আরো কিছু ঘটনা আছে।
একজন মা কখনোই সন্তানদের সাথে অকারণে এমনটা করতে পারেন না।
হলোও তাই।।
এখানে মূল ঘটনা হচ্ছে সম্পত্তি।।
-------------------------------------------
সাধারণত সাইকোলোজিকাল কারণে এই বয়সের বাচ্চারা তাদের বাবা মায়ের ভাগ কাউকে দিতে চাইবে না।
তার উপর মায়ের নামে সম্পদ থাকার কারণে বাচ্চাদেরকে তাদের চাচারা উস্কানি দিচ্ছে। বাচ্চারাও তাদের ফাঁদে পা দিয়ে মায়ের সাথে অসদাচরণ করেছে।
আর তা যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। মা তার সংসার রক্ষার তাগিদে আলাদা হয়ে গিয়েছে।
যেটা অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে।
একজন নারী স্বামী হারানোর পর পরিবারে এবং সমাজে কতটা নিগৃহীত, লাঞ্ছিত এবং বঞ্চিত। সেটা একমাত্র ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ জানেনা।
জীবনের সাথে, সমাজের সাথে, পরিবারের সাথে যুদ্ধ করে নারী যখন সন্তানদেরকে মানুষ করে।দিনশেষে দেখা যায় সেই সন্তানদের কাছে যোগ্য সন্মান পায় না।
ছেলে মেয়ে বড় হয়ে গেলে যে যার জীবন নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে যায়।বাবা মায়ের প্রতি দ্বায়িত্ব পালনের ইচ্ছা, সময়, সুযোগ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
এদিকে বয়স বাড়ার সাথে সাথে জীবনের সাথে যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত শ্রান্ত মা রোগ শোকে জর্জরিত হতে থাকে।আর রোগাক্রান্ত মা বাবা তখন সন্তানের কাছে হয়ে যায় বোঝা। আবার শুরু হয় তাদের অপাংতেয় জীবন।
এই সময় প্রয়োজন হয় একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী। কিন্তু সেই সঙ্গী তখন কেউ হয় না।
এজন্যই একজন নারী বা পুরুষের কখনোই একা থাকা উচিত নয়।যার জীবন শুধুই তার।তাকে ভালো রাখার অধিকার একান্তই তার।এখানে পরিবার, সমাজ যে যাই বলুক গ্রাহ্য করা উচিত নয়।
কারণ সম্পদের ভাগ সবাই নিতে চায়।কষ্টের ভাগীদার কেউ হয় না।
এই ঘটনায় বড় মেয়েটা লোভী।
এর পেছনে কাজ করছে তার স্বামী এবং চাচারা।ছোট মেয়ে আর ছেলেটা বড় বোনের কথার উদ্বুদ্ধ হয়ে এসব করছে।
সাথে যোগ দিয়েছে কিছু ভিউ ব্যাবসায়ী।
যা এই পরিবারটির ভালো থাকা পথ আরো বেশি কঠিন করে তুলছে।
জামা গুলো খুবই সুন্দর 🥰