অন্য রঙ

অন্য রঙ An Online Fashion House An Online Fashion House, Gulshan Dhaka
Hot Line:01980 606 222

24/06/2020

Hello Members,
I need a Codeigniter + Laravel Developer by project basis to assist on my current works.
Criteria:
1. Lives in Bogra.
2. Skills : git, cpanel, CRUD on codeigniter and laravel(Eloquent), and basic skills on html, js, css, jquery, mysql etc.
3. Work from home, atleast 8 hours available on internet per day. Project basis work as per instruction provided.

More will be discussed later.
For interested applicants: Please send a CV to [email protected] with links to your past works/projects on these platform, and describe what you have done/challenges on each project.

Thanks for your attention.

17/07/2015

ঈদ মোবারক

11/07/2015

খুব সন্নিকটে ঈদ
কেনাকাটা হয়েছে তো ?
সত্যিই ঈদ এক আনন্দ ঘন সময়

নামাজের জন্য উত্তম পোশাকের ব্যবহারহে বনি আদম, প্রত্যেক নামাজের সময় সুন্দর পোশাক পরিধান করে নাও আর (হালাল বস্তু তৃপ্তির স...
09/07/2015

নামাজের জন্য উত্তম পোশাকের ব্যবহার

হে বনি আদম, প্রত্যেক নামাজের সময় সুন্দর পোশাক পরিধান করে নাও আর (হালাল বস্তু তৃপ্তির সঙ্গে) খাও ও পান করো; কিন্তু অপব্যয় কোরো না। নিশ্চয় আল্লাহ অপব্যয়ীদের পছন্দ করেন না। (সুরা আরাফ : ৩১)

তাফসির : আগের আয়াতের মতো এ আয়াতেও জাহেলি যুগের আরবদের একটি বিশেষ কুপ্রথার মূলোৎপাটন করা হয়েছে। জাহেলি যুগের আরবরা উলঙ্গ অবস্থায় কাবাগৃহের তাওয়াফকে যেমন কাবার প্রতি সম্মান প্রদর্শন বলে মনে করত, তেমনি তারা হজের দিনগুলোতে পানাহার ত্যাগ করত। এতটুকু পানাহার করত, যাতে শ্বাস-প্রশ্বাস চালু থাকে। বিশেষত ঘি, দুধ ও অন্যান্য সুস্বাদু খাদ্য সম্পূর্ণ বর্জন করত। তাদের এ অর্থহীন প্রথা নির্মূলে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আল্লাহ প্রদত্ত সুস্বাদু খাদ্য অহেতুক বর্জন করা ধর্মপরায়ণতা নয়। তাঁর হালালকৃত বস্তুগুলো হারাম করে নেওয়া চরম ধৃষ্টতা। তাই তৃপ্তির সঙ্গে পানাহার করা বৈধ, তবে অপব্যয় করা অবৈধ। উল্লেখ্য, এ আয়াত একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাজিল হলেও এর ভাষাগত ব্যাপকতার আওতাভুক্ত সব ক্ষেত্রেই এসব নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।

নামাজের জন্য উত্তম পোশাক : ইমান আনার পর লজ্জাস্থান আবৃত করে রাখা মানুষের জন্য প্রথম ফরজ কাজ। বিশেষত নামাজ ও তাওয়াফে তা অপরিহার্য। আলোচ্য আয়াতের বাচনভঙ্গিমা থেকে বোঝা যায়, নামাজে কেবল গুপ্তাঙ্গ আবৃত করাই যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি সুন্দর সাজসজ্জার পোশাক পরাও কর্তব্য।

নামাজের পোশাক সম্পর্কে কয়েকটি মাসআলা : যে সতর সর্বাবস্থায় বিশেষত নামাজ ও তাওয়াফে আবৃত করা ফরজ, তার সীমা কতটুকু? হাদিস শরিফে এর বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'পুরুষদের সতর নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত এবং মহিলাদের সতর মুখমণ্ডল, হাতের তালু এবং পদযুগল ছাড়া অবশিষ্ট দেহ।' ঢেকে রাখা অঙ্গগুলোর কোনো একটির এক-চতুর্থাংশ বা এর অধিক ইচ্ছাকৃত এক মুহূর্তের জন্যও খুলে ফেললে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। আর যদি অনিচ্ছাকৃত এক-চতুর্থাংশ বা ততধিক খুলে যায়, তাহলে তিন তাসবিহ (তিনবার 'সুবহানাল্লাহ') পরিমাণ সময় খোলা থাকলে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। এক-চতুর্থাংশের কম হলে চাই ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়, নামাজ নষ্ট হবে না।

উল্লেখ্য, মহিলাদের চুলও সতরের অন্তর্ভুক্ত। তাফসিরে মা'আরেফুল কোরআনে রয়েছে : নামাজে কেবল সতর আবৃত করতেই নির্দেশ দেওয়া হয়নি, বরং সাজসজ্জার পোশাকও পরিধান করতে বলা হয়েছে। তাই পুরুষের টুপি ছাড়া নামাজ পড়া কিংবা কনুই খুলে নামাজ পড়া মাকরুহ। হাফ শার্ট পরা অবস্থায় হোক কিংবা আস্তিন গুটানো হোক- সর্বাবস্থায় মাকরুহ। এমন পোশাক পরেও নামাজ পড়া মাকরুহ, যা পরিধান করে বন্ধু মহল কিংবা সাধারণ লোকের সামনে যাওয়া লজ্জাজনক মনে করা হয়। যেমন কোর্তা ছাড়া কেবল গেঞ্জি গায়ে নামাজ পড়া কিংবা টুপির পরিবর্তে মাথায় কোনো কাপড় বা ছোট হাত-রুমাল বেঁধে নামাজ পড়া। কারণ যেসব কাপড়ে মানুষের সামনে যাওয়া যায় না সেসব কাপড়ে বিশ্ব পালনকর্তা আল্লাহর দরবারে যাওয়া পছন্দনীয় হতে পারে না।

মুসলমানদের পোশাক প্রসঙ্গে (সংগ্রহীত তথ্য) প্রত্যেক রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগে পৃথক পোশাক ব্যবস্থা থাকে। তাই কোনো দেশের পতা...
08/07/2015

মুসলমানদের পোশাক প্রসঙ্গে (সংগ্রহীত তথ্য)

প্রত্যেক রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগে পৃথক পোশাক ব্যবস্থা থাকে। তাই কোনো দেশের পতাকাকে অসম্মান করা যায় না। মোটকথা বিভিন্ন সংস্থা ও সরকারের এই যে পৃথক পোশাক থাকে তা ব্যতীত পরস্পরের মধ্যে পার্থক্য করা সম্ভব নয়। কে বুঝবে লোকটি পুলিশ, না ডাক বিভাগের, না সেনাবাহিনীর সদস্য। তাই যুগ যুগ ধরে প্রত্যেক দেশে পৃথক পৃথক পোশাকের ব্যবস্থা চলে আসছে।
তেমনি আছে প্রত্যেক জাতির আলাদা পোশাক যে জাতি নিজস্ব পতাকা ও বৈশিষ্ট্যের হেফাজত করে না, সে জাতি দ্রুত অন্যজাতির মধ্যে বিলীন হয়ে যায়। এমনকি তাদের নাম-নিশানাও বাকি থাকে না। শিখ জাতি নিজেদের বৈশিষ্ট্যমন্ডিত পাগড়ি, চুল ও দাড়ি হেফাজত করে, সে কারণে শিখ জাতি এক পৃথক বৈশিষ্ট্যের দাবিদার এবং জিন্দা জাতি হিসেবে গণ্য।
ইংরেজি জাতি ষোল শতাব্দীর শেষ দিকে এদেশে আসে। তারা ছিল শীত প্রধান দেশের অধিবাসী। কিন্তু গরম দেশে এসে নিজস্ব পোশাক কোট, প্যান্ট, হ্যাট ও নেকটাই ত্যাগ করেনি। সে কারণে তৎকালীন ৫ কোটি মানুষের ভারতে তারা বিলীন হয়ে যায়নি।
মুসলমান এদেশে এসেছে এক হাজার বছর পূর্বে। যদি তারা নিজস্ব পোশাক হেফাজত না করতো তাহলে অন্য জাতির মতো তারাও সেই কবেই হিন্দুদের মধ্যে বিলীন হয়ে যেতো। মুসলমানরা শুধু নিজস্ব পোশাক রক্ষা করেনি বরং নিজেদের ধর্ম, তাহজীব-তমদ্দুন, ভাষা ও আচার-ব্যবহার প্রভৃতির হেফাজতও করেছে। সে কারণে আজও ভারতের বুকে নিজেদের সত্তাকে টিকিয়ে রেখেছে। যতোদিন তারা এ ধারা অব্যাহত রাখবে ততোদিন জাতি হিসেবে বেঁচে থাকতে পারবে। নতুবা কালের স্রোতে তলিয়ে যাবে। কোনো জাতি বা ধর্মের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব ততোদিন দুনিয়ার বুকে বিরাজমান থাকে যতোদিন সে আচার-আচরণ, কৃষ্টি ও সভ্যতা এবং ভাষা ও কর্মনীতিতে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বজায় রাখতে পারে।
ইসলাম নিজের আকীদা-বিশ্বাস, ধ্যান-ধারণা এবং আদর্শ ও চরিত্রের দিক দিয়ে অপরাপর ধর্ম হতে অনন্য বৈশিষ্ট্যের দাবিদার এবং বাস্তবেও ইসলাম আপন অনুসারীদের জন্য পৃথক পোশাক নির্দিষ্ট করে এবং যে কোনো মূল্যে তার হেফাজতকে ধর্ম ও জাতির কর্তব্যরূপে গণ্য করে। কারণ এই পোশাক দ্বারাই খোদা ভক্তদের পার্থক্য করা যাবে। হাদীস শরীফে আছে, ‘যে লোক যে জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।' এর মর্মকথাও তাই। এ কারণে হুজুর (সা.) নিজে উম্মতের জন্য বিশেষ পোশাক নির্দিষ্ট করেছেন। কোথাও বলেছেন, আমাদের এবং মুশরিকদের মধ্যকার পার্থক্য হলো টুপির ওপর পাগড়ি পরা। আবার কোথাও বলেছেন, আমাদের এবং মুশরিকদের মধ্যে পার্থক্য এই যে, আমরা দাড়ি বড় করে রাখি আর তারা মুন্ডায় বা ছোট রাখে। আবার কোথাও বলেছেন, ইহুদি-খৃস্টানদের মতো চুলের সিঁথি কেটো না। এভাবে তিনি টাখনুর নিচে কাপড় পরতেও নিষেধ করেছেন যেন অহংকারীদের সাদৃশ্য না আসে। মোটকথা এসব বৈশিষ্ট্য ও পোশাক হলো ইসলামের একনিষ্ঠ অনুসারী আল্লাহর মকবুল বান্দাদের। বিপরীত দিকে আছে খোদাদ্রোহী ও ভিন্ন জাতিসমূহের পোশাক। কাজেই রাসূল (সা.)-এর আশেকগণের উচিত তারই চালচলন, আচার-আচরণ সুরত সিরাতের অনুসরণ করা এবং দ্বীন ও নবী (সা.)-এর শত্রুদের আচার-আচরণকে ঘৃণার সাথে পরিত্যাগ করা।
প্রত্যেক দেশ ও জাতি বন্ধুর রীতিনীতিকেই ভালবাসে এবং শত্রুর রীতিনীতিকে ঘৃণা করে। এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং মুসলিম জাতির জন্য বৃটিশ, আমেরিকা ও ফ্রান্সের পরিবর্তে নবী (সা.)-এর অনুসরণ করাই আবশ্যক। বলাবাহুল্য, পরীক্ষা, প্রতিযোগিতা, চাকরি-বাকরি এবং অফিসারের বিদ্রুপের বাহানা হলো তুচ্ছ ব্যাপার। শিখ জাতি পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয় এবং বড় বড় পদেও নিযুক্ত হয়। কিন্তু নিজের পাগড়ি ও দাড়ি ঠিক রাখে। কেউ বাঁকা চোখে দেখতে সাহস পায় না। তাহলে মুসলমান কি শিখ জাতির চেয়ে কোনো দিক দিয়ে দুর্বল/ কারণ মুসলমান সর্বদা নাফস ও শয়তানের বিরুদ্ধে মুজাহাদা (সংগ্রাম) করে দ্বীনের ওপর কায়েম (প্রতিষ্ঠিত) থাকে। সুতরাং সকল প্রতিকূলতার মধ্যে মুসলমান মাথা উঁচু করে ইসলামী বৈশিষ্ট্যের ওপর কায়েম থাকবে।
মাওলানা আশেক ইলাহী মিরাঠী (রহ.) চিকিৎসা শাস্ত্রের আলোকে দাড়ির গুণাগুণ সম্পর্কে বলেছেন, ইউনানী শাস্ত্রমতে দাড়ি হলো পুরুষের সৌন্দর্যের প্রতীক এবং বক্ষদেশের হেফাজতকারী। আধুনিক চিকিৎমা বিজ্ঞানেও দাড়ির সমর্থন পাওয়া যায়। জনৈক অভিজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, দাড়ির ওপর বারবার ক্ষুর চালালে স্নায়ুসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে চোখের জ্যোতি হ্রাস পেতে থাকে। অপর ডাক্তার লেখেন যে, লম্বা দাড়ি রোগ জীবাণুকে গলা ও বক্ষ পর্যন্ত পৌঁছতে বাধা দেয়। দাড়ি সম্পর্কে মার্কিন খ্যাতনামা চিকিৎসক চার্ল হোমরের একটি লেখা খুবই স্পষ্ট। নিচে তার অনুবাদ দেয়া হলো :
জনৈক লেখক বলেন, ‘দাড়ি মুন্ডানোর বৈদ্যুতিক যন্ত্র প্রস্তুত করার জন্য জোর দেয়া হচ্ছে, যাতে কাজটি তড়িত গতিতে সম্পন্ন হয় এবং সময় বাঁচে।' আমি বুঝি না দাড়ির প্রশ্নে মানুষের এত আপত্তি কেন? মাথায় যদি চুল রাখা যায় তবে মুখে দাড়ি রাখতে অসুবিধা কোথায়? মাথার কোনো স্থানে চুল না উঠরে টাক খাওয়ার লজ্জা হয়, কিন্তু চেহারাকে টাক খাওয়ার মতো করতে লজ্জা হয় না কেন? অথচ ঐ দাড়ি পৌরুষের আলামত। দাড়ি মানুষের চেহারাকে পৌরুষদীপ্ত, প্রত্যয়ী ও দৃঢ় মনোবলসম্পন্ন করে। দাড়ির কারণে ক্ষতিকর ধুলাবালি ও রোগ জীবাণু হতে বেঁচে থাকা যায়। এছাড়া ঘন দাড়ি গলাকে সদা কাশি হতে বাঁচায়।
ডা. হোমর দাড়ি মুন্ডানোকে চেহারার টাক, ফ্যাশনের গোলামী ও নারীসুলভ আচরণ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, দাড়ি হলো সাহস, দৃঢ়তা, প্রত্যয় ও পৌরুষের প্রতীক। তিনি দাড়ি মুন্ডানোকে সর্দি-কাশির অন্যতম কারণ বলেও মন্তব্য করেন। ডা. হোমর আরো বলেন, দুনিয়াতে দাড়ির মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। ফলে প্রকৃতির অন্যতম অবদান হিসেবে নারীর ওপর পুরুষের যে প্রাধান্য তা ফিরে আসবে। কোনো দাড়িওয়ালা ব্যক্তি আপন স্ত্রীকে ত্যাগ করেনি। সে সদা নিজ দাড়ির মর্যাদা রক্ষা করে চলে। আমার বুঝে আসে না যে, প্রাপ্তবয়স্ক যুবকরা কিশোর হতে কেন চায়? আল্লাহ পুরুষের মুখে দাড়ি সৃষ্টি করেছেন, যাতে তার চেহারার সৌন্দর্য বাড়ে। যারা দাড়ি নিয়ে বিদ্রুপ করে তারা হযরত ঈসা (আ.)কেই বিদ্রুপ করে। কারণ তিনি দাড়ি রেখেছিলেন।
চিন্তা করার বিষয় যে, একজন খৃস্টান নিজের ধর্ম ও চিকিৎসা শাস্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে সংক্ষেপে কত মূল্যবান উক্তি করেছেন। তার মতে, যুবকের কিশোর অবস্থায় প্রত্যাবর্তনের আশা করা পশ্চাদমুখী হওয়ারই নামান্তর এটা যেন মানুষের বানরে পরিণত হওয়ার কুপবৃত্তি। একজন খৃস্টান দাড়ির বিদ্রুফকারীকে হযরত ঈসা (আ.)-এর সাথে বিদ্রুপকারী হিসেবে অভিহিত করেন। আর আমরা মুসলমানরা হুজুরে পাক (সা.)-এর উম্মত হয়ে তার পবিত্র আদর্শের কি মূল্য দিচ্ছি? স্বয়ং ঈসা (আ.) যার উম্মতরূপে কেয়ামতের আগে দুনিয়ায় পুনঃআগমন করবেন।
ইসলামে পোশাকের বর্ণনা

মামুন মল্লিক
পোশাক ব্যবহারের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ করলে নিচের কারণগুলো আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

১. প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা:আবহাওয়ার প্রতিকূলতায় প্রকৃতি বিশ্বব্যাপী এক নয়। গরম দেশের পোশাক আর শীতপ্রধান দেশের পোশাক যে এক হবে না তা ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে না। তাই প্রাথমিকভাবে মানুষ তার পরিবেশ অনুসারে পোশাক বেছে নেয়।

২. লজ্জাস্থানকে ঢাকা:লজ্জাস্থানের পরিমাণ বোধ ভিন্ন হতে পারে; কিন্তু লজ্জাস্থানকে আবৃত করা মানুষের একটি সহজাত প্রবৃত্তি।

৩. নিজেকে বা শ্রেণীকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করা:সভ্যতার একটি অবদান হলো ইউনিফর্ম। ইউনিফর্ম হিসেবে পোশাক ব্যবহার করে বিভিন্ন শ্রেণীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং সমতা বিধান করাসহ উক্ত গোষ্ঠী বা শ্রেণীকে অন্য গোষ্ঠী বা শ্রেণী থেকে পৃথকভাবে চিহ্নিত করা হয়।

৪. সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা: বেশভূষা মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। সমাজজীবনকে করে সুশৃঙ্খল।

পোশাক ব্যবহারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের বর্ণনা।

এবং তিনি তোমাদের জন্য ব্যবস্থা করেছেন পরিধেয় বস্ত্রের, যা তোমাদের তাপ থেকে রক্ষা করে। (নাহল:৮১) হে আদাম সন্তানগণ, আমি তোমাদের পোশাক-পরিচ্ছদ দিয়েছি লজ্জাস্থান ঢাকার ও বেশভূষার জন্য। (আ’রাফ:২৬)

আমাদের পর্যবেক্ষণ এবং আল-কোরআনে বর্ণিত উদ্দেশের মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই। প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করার কথা বলে স্বয়ং আল্লাহপাক ভৌগোলিক কারণে বিশ্বব্যাপী পোশাকের বিভিন্নতার স্বীকৃতি দিয়েছেন। ভৌগোলিক কারণেই বিশ্বব্যাপী পোশাকের একই ডিজাইন নির্ধারণ করা বিজ্ঞানসম্মত নয়। বিজ্ঞানের আধার মহান আল্লাহপাক কোরআনে তা নির্দেশও করেননি।

দীনের ক্ষেত্রে ইসলাম প্রতিটি বিন্দুতে অনঢ় হলেও শরিয়তি বিধানের ক্ষেত্রে ইসলাম সেভাবে অনঢ় না হয়ে সীমানা নির্ধারণ করেছে। তবে সীমানার ক্ষেত্রে অনঢ়। যেহেতু হজরত মুহাম্মদ (স.) শেষ নবী, তাই ইসলাম অনাগত ভবিষ্যতের সবদিক খোলা রেখে শুধু জীবনের বিভিন্ন ব্যবহারিক দিকের চুতসীমা নির্ধারণ করেছে। সীমার ভেতর মুমিনের আছে স্বাধীনতা। ইজতিহাদ করার অধিকারও এই সীমার মধ্যে।

পোশাকের কোরআনিক মৌলিক বিধান

১. লজ্জাস্থান তথা সতর আবৃতকারী পোশাক হতে হবে। (মুমিনদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানসমূহ হেফাজত করে। -নূর :৩০)

২. পোশাক অপচয় ও অহমিকাপূর্ণ হবে না। (হে আদম সন্তান! প্রত্যেকটি ইবাদতের স্থানে তোমরা নিজেদের ভূষণে সজ্জিত হয়ে থাক। আর খাও, পান কর এবং অপচয় করো না।- আ’রাফ:৩১)

৩. মহিলাদের পোশাকে মাথা, বক্ষ এবং গ্রীবা আবৃতকারী কাপড় থাকতে হবে। (মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে, তারা যেন যা স্বভাবতই প্রকাশিত তা ব্যতীত সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। তাদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন তারা মাথার কাপড় দিয়ে আবৃত করে।-নূর:৩১)

কোরআনিক বিধানের পর আমরা পাই রাসুল (স.) সুন্নাহ থেকে পোশাকের ব্যবহারিক সীমা। অনেকে মনে করেন রাসুলের (স.) পোশাক ছিল ৬ষ্ঠ শতাব্দীর আরবের প্রচলিত পোশাক। প্রকৃত ঘটনা তা নয়। রাসুলের (স.) পোশাক এক ছিল না। রাসুলুল্লাহর (স.) পোশাক ছিল এক আল্লাহতে বিশ্বাসী তাকওয়ার পোশাক; কিন্তু একই আবহাওয়া ও দেশে বাস করার পরও কাফিরদের পোশাক ছিল মুশরিকি চিন্তায় সিক্ত।

রাসুলুল্লাহ (স.) এবং সাহাবিগণ যে একটিমাত্র ডিজাইনের পোশাক পরতেন এমন নয়। হাদিস শাস্ত্র অধ্যয়ন করলে আমরা অনেক ধরনের পোশাকের নাম দেখতে পাই। যেমন কামিস (জামা), কাবা বা কোর্তা (কোট জাতীয় জামা), ইজার (সেলাইবিহীন লুঙ্গি). রিদা (চাদর), তুব্বান (হাফ প্যান্ট বা হাফ পায়জামা, জাঙ্গিয়া), জুব্বা, সারাবিল (পায়জামা, ফুলপ্যান্ট, সালোয়ার), খিমার (ওড়না), জেলবাব ইত্যাদি। রাসুল (স.) নিজেও যুদ্ধে, সফরে, অনুষ্ঠানে, ঈদগাহ, মেহমানদের সাথে সাক্ষাতের সময় সুবিধাজনক পোশাক পরিধান করেছেন।

তবে দৈনন্দিন জীবনে রাসুল (স.) প্রায় সময় ইজার (সেলাইবিহীন লুঙ্গি) এবং রিদা (চাদর) পরিধান করতেন। আবু বুরদাহ (রা.) বর্ণনা করেছেন, আয়েশা (রা.) একখানা চাদর ও মোটা কাপড়ের একটি ইজার নিয়ে আমাদের নিকট এলেন এবং বললেন, যখন নবী (স.) ওফাত যান, তখন এ দু’টি পোশাক তার পরিধানে ছিল। (সহি বুখারি)।

বিভিন্ন বর্ণনা থেকে এটা খুবই স্পষ্ট যে, রাসুলল্লাহ (স.) তত্কালীন আরব দেশের পোশাককে বাতিল না করে প্রথমত ইসলামী আকিদার আলোকে সংশোধন বা সংস্কার করেছেন। দ্বিতীয়ত. বৈসাদৃশ্য সৃষ্টির মৌলিক নীতির ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী সব সম্প্রদায় থেকে মুসলমানদের পোশাককে পৃথক করেছেন।

যে ব্যক্তি রাসুলকে মেনে চলল, সে মূলত আল্লাহরই আনুগত্য করল -নিসা : ৮০। তাই রাসুলুল্লাহর (স.) নির্দেশ অবশ্য পালনীয়। পরিভাষায় ওয়াজিব বা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা যাই বলা হোক না কেন, যে বিষয়ে রাসুলের (স.) সুস্পষ্ট নির্দেশ আছে, সেটি অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই।

রাসুল (স.) কর্তৃক নির্দেশিত পোশাকের আবশ্যিক বিধান

১। কোনো মুসলিম পুরুষ রেশমী পোশাক পরিধান করতে পারবে না।

২। অন্য ধর্মীয় পোশাক পরিধান করা যাবে না।

৩। কাপড়ে কোনো প্রাণীর ছবি রাখা যাবে না।

৪। পোশাক টাইট, ফিট অথবা পাতলা হতে পারবে না।

৫। মহিলাদের পোশাক পা পর্যন্ত ঢাকা হবে।

৬। সর্বোপরি পুরুষ এবং মহিলার পোশাক পৃথক বৈশিষ্ট্যের হতে হবে।

৭। পোশাক এমন হবে না যে ইবাদতের সময় মনোযোগ আকর্ষণ করে।

৮। পুরুষের পোশাক পায়ের গিরার নিচে ঝুলানো যাবে না।

পুরুষদের পোশাক পায়ের গিরার নিচে ঝুলিয়ে পরার ক্ষেত্রে অহংকারকে অনেকে শর্ত হিসেবে মনে করেন। বলা হয়ে থাকে, অহংকার না থাকলে ঝুলিয়ে পরা যাবে। কিন্তু বহু হাদিস আছে, যেখানে অহংকারকে শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

তাই দেখা যাচ্ছে, একটিমাত্র ডিজাইনের পোশাক সবার জন্য হবে, এমনটি নয়। বরং বলা যায়, বিশ্বের সব প্রান্তের পোশাকই ইসলামী পোশাক, যদি তা ইসলামী আকিদার সাথে সাংঘর্ষিক না হয় পোশাকটি যদি কোরআন এবং সুন্নাহ বর্ণিত সীমা অতিক্রম না করে এবং পোশাক পরিধান করলে অন্য কোনো সম্প্রদায়ের সদস্য হিসেবে মনে না হয়। আমরা আমাদের পোশাক দিয়ে ইসলামী সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করতে না পারলে, আমাদের স্বকীয়তা রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হতে বাধ্য। অতএব আমাদের পোশাক অন্তত এতটুকু অবশ্যই হতে হবে, যেন আপনাকে-আমাকে দেখে অন্য সম্প্রদায়ের লোক মনে না হয়।

১০টি দেশের বাসিন্দাদের পছন্দের রঙ নীল ! জনপ্রিয় বাংলা গানের লাইন নয়, প্রকৃতপক্ষেই নীল রংয়ের জনপ্রিয়তার ধারে কাছে আসত পার...
07/07/2015

১০টি দেশের বাসিন্দাদের পছন্দের রঙ নীল !
জনপ্রিয় বাংলা গানের লাইন নয়, প্রকৃতপক্ষেই নীল রংয়ের জনপ্রিয়তার ধারে কাছে আসত পারল না অন্য কোনও রঙই। সম্প্রতি পছন্দের রঙ কী তা জানতে চেয়ে চার মহাদেশের ১০টি দেশের বাসিন্দাদের ওপর একটি সমীক্ষা চালানো হয়।তাতে পাওয়া গিয়েছে এমন তথ্য।

ইংল্যান্ড, জার্মানি, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, চীন, হংকং, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দাদের পছন্দসই রঙ কী তা জানার জন্য এ সমীক্ষা চালানো হয়। এর মধ্যে নীল রংয়ের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে ইংল্যান্ডে। সেখানে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ব্যক্তিই নীলের ভক্ত। ইন্দোনেশিয়ায় নীল রংয়ের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে কম ঠিকই, কিন্তু সেখানেও ২৩ শতাংশ মানুষ এই রঙকেই নিজেদের সবচেয়ে পছন্দের রঙ বলে জানিয়েছেন। অন্য রঙগুলি জনপ্রিয়তার নিরিখে বহু পেছনে পড়েছে।
( সংগ্রহীত তথ্য )

কেন মেয়েদের রঙ গোলাপি আর ছেলেদের রঙ নীল?নিজের মনের অজান্তেই আমরা মেয়েদের রঙ গোলাপি আর ছেলেদের রঙ নীল ধরে নেই। একটা ছোট ব...
07/07/2015

কেন মেয়েদের রঙ গোলাপি আর ছেলেদের রঙ নীল?

নিজের মনের অজান্তেই আমরা মেয়েদের রঙ গোলাপি আর ছেলেদের রঙ নীল ধরে নেই। একটা ছোট বাচ্চার দিকে তাকিয়ে তার পোশাকের রঙ থেকে বুঝে নিতে চেষ্টা করি সে ছেলে না মেয়ে। আধুনিক অনেক হাসপাতালে শিশু জন্মের পর ছেলে হলে নীল তোয়ালে আর মেয়ে হলে গোলাপি তোয়ালে দিয়ে তাকে মুড়িয়ে দেওয়া হয়। এমন অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু আমরা কি কখনও চিন্তা করেছি যে কেন এভাবে নির্দিষ্ট রঙ দিয়ে নারীপুরুষ আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। এটা কি কোনও সাংস্কৃতিক ব্যাপার নাকি পুরো বিশ্বেই এটা প্রচলিত?
গ্রেট ব্রিটেইনের নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির দুই বিজ্ঞানী ঠিক এই ব্যাপারটা নিয়েই গবেষণা করছেন। ডক্টর আনিয়া হার্লবার্ট এবং ইয়াঝু লিং নারী এবং পুরুষের মাঝে রঙের প্রতি পক্ষপাতিত্বের একটি পরীক্ষা করেন। Current Biology জার্নালে তাদের এই গবেষণার তথ্য প্রকাশিত হয়। এ থেকে বেরিয়ে আসে বেশ চমকপ্রদ কিছু তথ্য।

গবেষণার তথ্য

২০ থেকে ২৬ বছর বয়সী ২০৬ জন মানুষের ওপরে এই পরীক্ষা করা হয়। এদের বেশিরভাগ ছিলেন ব্রিটিশ ককেশীয় তবে চৈনিক কয়েকজনও ছিলেন। কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাদেরকে রঙিন দুইটি আয়তক্ষেত্র দেখানো হয়। লাল-সবুজ এবং নীল-হলুদ রঙ্গে ভাগ করা এই আয়তক্ষেত্র দেখার পর দর্শকদের জিজ্ঞেস করা হয় কোন রঙের আয়তক্ষেত্র তারা বেশী পছন্দ করেন। দেখা যায়, নারীপুরুষ উভয়েই প্রাথমিক অন্য সব রঙের চাইতে নীলের প্রতি বেশী পক্ষপাতী। এমন প্রাথমিক রঙের পরিবর্তে মিশ্র রঙ দেখতে দেওয়া হলে পুরুষদের মাঝে পছন্দের ভিন্নতা দেখা যায়। কিন্তু নারীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লালের কাছাকাছি রঙগুলো পছন্দ করেন। এ থেকে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন যে নারী এবং পুরুষ আসলেই ভিন্ন ভিন্ন রঙের প্রতি পক্ষপাতী।
অনেকের মনে হতে পারে ব্রিটিশ সংস্কৃতিতে গোলাপি-নীলের এই বিভেদ থাকার কারণে তাদের মতামতের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। এখানেই রয়েছে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চৈনিক নাগরিকদের অবদান। তারাও একই পরীক্ষায় অংশ নেন এবং ফলাফল একই হয়। চৈনিক নারীরা ব্রিটিশ নারীদের মতই লালের কাছাকাছি রঙ পছন্দ করেন।
নারী-পুরুষের মাঝে পছন্দের রঙের এই যে পার্থক্য, সেটা সংস্কৃতির ওপর নির্ভরশীল নয় বরং একেবারেই জৈবিক একটি প্রক্রিয়া। এ ব্যাপারে আরও নিশ্চিত হবার জন্য বিজ্ঞানীরা শিশুদের ওপরে পরীক্ষা করতে ইচ্ছুক। কারণ যে শিশু এখনও শিখে ওঠেনি গোলাপি রঙ মেয়েদের আর নীল রঙ ছেলেদের, তার থেকেই একেবারে বিশুদ্ধ উত্তর পাওয়া সম্ভব। তবে ফলাফল যেটাই হোক, কারণ কিন্তু এখন পাওয়া যায়নি। কারণ জানতে হলে আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে অন্যদিকে।
আফ্রিকার আদিমতায়

বিজ্ঞানী হার্লবার্ট এবং লিং এর মতে, আদিম মানুষের দিকে দৃষ্টি দিলে বোঝা যাবে কেন নারীরা লাল-ঘেঁষা রঙগুলো পছন্দ করেন। সে সময়ে পুরুষেরা সাধারণত শিকারে যেত এবং নারীরা কৃষিকাজ এবং ফলমূল সংগ্রহ করতেন। পাকা ফলের লালচে রঙের প্রতি তখনই তাদের একটা সহজাত পক্ষপাতিত্ব তৈরি হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, বাচ্চাদের জ্বরতপ্ত লালচে মুখের প্রতি সংবেদনশীলতাও এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
১৯২০ সালের সময়ে

একটা ব্যাপার কিন্তু কিছুতেই মেলে না। সেটা হলো, ১৯২০ সালের আগে ছেলে-মেয়ে উভয় লিঙ্গের বাচ্চাদেরকেই সাদা পোশাকে রাখা হতো। ১৯২০ এর পর বাচ্চাদেরকে আলাদা রঙের পোশাক পরানো শুরু করা হয়, কিন্তু তখন আবার ছেলেদের রঙ ছিলো গোলাপি এবং মেয়েদের রঙ ছিলো নীল! ১৯৪০ সালের পরে পরিবর্তিত হয় পটভুমি এবং তখন থেকেই মেয়েদের গোলাপি এবং ছেলেদের নীল পরানো শুরু হয়।
শিশুদের মনস্তত্ব

বয়স দুই বছর হবার পর মোটামুটি বাচ্চারা ছেলেমেয়েদের আলাদা করতে শুরু করে এবং নিজেকে কোনও একটি দলে ফেলে নিজের পরিচিতি নিশ্চিত করতে চেষ্টা করে। এ সময়ে বাচ্চাকে লিঙ্গ অনুযায়ী নীল বা গোলাপি পরালে তার এই পরিচিতির ব্যাপারটা ঠিক করে নিতে সুবিধা হয় বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা।
(সংগ্রহীত তথ্য)

উনবিংশ শতাব্দিতে এই ধরনের অদ্ভুত পোশাক পরিধান করে নাকি সাইবেরিযরা ভাল্লুক শিকার করতঅদ্ভুত ব্যাপার ?
06/07/2015

উনবিংশ শতাব্দিতে এই ধরনের অদ্ভুত পোশাক পরিধান করে নাকি সাইবেরিযরা ভাল্লুক শিকার করত
অদ্ভুত ব্যাপার ?

বিয়ের পোশাক! তাও আবার তৈরি টয়লেট পেপার দিয়ে। অদ্ভুত হলেও ঘটনা সত্যি। নিউ ইয়র্কে গতকাল ক্লেইনফ্লেডস ব্রাইডাল বুটিক তা...
06/07/2015

বিয়ের পোশাক! তাও আবার তৈরি টয়লেট পেপার দিয়ে। অদ্ভুত হলেও ঘটনা সত্যি। নিউ ইয়র্কে গতকাল ক্লেইনফ্লেডস ব্রাইডাল বুটিক তাদের তৈরি এই পোশাক প্রদর্শনীর আয়োজন করে। ছবি: রয়টার্স

যে ধরনের পোশাকে ফুটে উঠে পুরুষের ব্যক্তিত্ব (সংগ্রহীত)♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣পোশাক মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্য রক্...
05/07/2015

যে ধরনের পোশাকে ফুটে উঠে পুরুষের ব্যক্তিত্ব (সংগ্রহীত)
♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣♣
পোশাক মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্য রক্ষা করে। এটি মানুষের ব্যাক্তিত্ত্বেরও বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। একটি সুন্দর পোশাক সবার মাঝে একজন ব্যক্তিকে আকর্ষনীয় করে তুলতে পারে। তবে সুন্দর পোশাক মানে অদ্ভুত পোশাক নয়। খুব সাধারন পোশাকেও নিজেকে সুন্দর করা যায়। বিশেষ করে ছেলেদের কথা আমি বলবো তাদেরকেতো সাধারণ পোশাকেই বেশী সুন্দর ও স্মার্ট দেখায়।
আমদের দেশের ছেদের ‘শার্ট, সাধারণ প্যান্ট, জিন্স, পাঞ্জাবী, ও টি-শার্ট’ এই পোশাক গুলোতেই বেশি সুন্দর দেখায়। আমি জানি আপনারা বলবেন, ‘ছেলেরা এর বাইরে কোনো পোশাক পরে কী’। আমিও বলবো 'না' পরে না। কিন্তু এগুলো পোশাকের মধ্যেও এমন কিছু স্টাইল আছে যা আমাদের দেশের ছেলদের একদমই মানায় না। যেমণ, পুরুষরা সাধারনত সার্ট প্যান্ট বা টি-সার্ট প্যান্ট বপরে। আবার সার্ট, টি-সার্ট বা প্যান্ট এর দুটি ধরন রয়েছে যেমন ,একটি সাধারণ অন্যটি ছেড়া, বা লম্বা রশি ঝোলানো উজ্জল রঙের কাপড়ের তৈরী পোশাক।
যারা ছেড়া স্টাইলের সার্ট, টি-সার্ট ও প্যান্ট পরে তারা সাথে গলায় চেইন পরে,হাতে বিভিন্ন রকমের বালা বা রশি জাতীয় কিছু লাগায়, আবার অনেকে কিছু লাগায় না। মানুষের দৃষ্টি তাদের সার্ট প্যান্টের ছেড়া বা রশির দিকে চলে যায় ফলে ব্যাক্তিত্ব নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি তাদের এই পোশাক পরে সমাজের সকল জায়গায় যাওয়া ও সম্ভব নয় ।
এবার প্রশ্ন আসতে পারে কোন ধরনের পোশাকে ছেলেদের বেশী সুন্দর ও স্মার্ট দেখায়। চলুন তবে জেনে নেই:
১। পোশাক-আশাক দামি নয় পরিপাটি হওয়া প্রয়োজন। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আপনি যে কোনো ধরনের পোশাক পড়তে পারেন। তবে যে পোশাকটি আপনি পরছেন তা হওয়া চাই পরিচ্ছন্ন ও মার্জিত।
২। ঋতু ভেদে পোশাকের পরিবর্তন আনতে পারেন। খুব গরমে পড়তে পারেন হাফ হাতা টি-শার্ট বা শার্ট। সাথে জিন্স। তবে খেয়াল রাখবেন সেগুলো যেনো ছেড়া ফাটা না হয়। অন্যথায় মানুষের কাছে আপনার ব্যাক্তিত্ব নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৩। গরমে সুতি হাফ হাতা শার্ট পরলে খেয়াল রাখবেন তা যেনো খুব গাঢ় রঙের না হয়।
৪। শীতে ফুলহাতা শার্ট বা টি-শার্ট। ফুলহাতা শার্ট এর সাথে সাধারণ প্যান্টই বেশি মানানসই। শীতে জ্যাকেট কেনার সময়ও নিজের ব্যাক্তিত্বের সাথে যায় এমন জ্যকেট বা শীতের পোশাক কিনুন।
৫। যে কোনো উতসবে পাঞ্জবি পরুন। এটি আমাদের দেশের ছেলেদের জাতীয় পোশাক। পাঞ্জাবী আপনার ব্যাক্তিত্বকে আরও বেশি উন্নত করবে। পাঞ্জাবির সাথে পড়তে পারেন জিনস, সাধারণ পাজামা, ধুপিয়ান পাজামা বা চুরিদার। ধুপিয়ানের সাথে শর্ট পাঞ্জাবি পড়তে পারেন অন্যথায় খুব বেশি শর্ট পাঞ্জাবি না পরাই ভালো।

Address

Puran Bogra

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অন্য রঙ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অন্য রঙ:

Shortcuts

Share