17/06/2026
🍁কবরে আপনার নেক আমল আপনাকে রক্ষা করবে🍁
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
يؤتى الرجل في قبره، فإذا أتي من قبل رأسه دفعته تلاوة القرآن، وإذا أتي من قبل يديه دفعته الصدقة، وإذا أتي من قبل رجليه دفعه مشيه إلى المساجد.
“কবরের মধ্যে মানুষের কাছে (ফেরেশতারা) আসে। যখন তার মাথার দিক থেকে আসা হয়, তখন তার কুরআন তিলাওয়াত তাদের প্রতিহত করে। যখন তার দুই হাতের দিক থেকে আসা হয়, তখন তার সদকা তাদের প্রতিহত করে। আর যখন তার দুই পায়ের দিক থেকে আসা হয়, তখন তার মসজিদে গমন তাদের প্রতিহত করে।”
হাদীসের মান: হাসান।
সূত্র:সহীহ আত-তারগীব (৩৫৬১)
হাদীসের ব্যাখ্যা
মুসলিমের উচিত দুনিয়ার জীবনে সালাত, সদকা এবং অন্যান্য নেক আমল বেশি বেশি করা। কারণ মানুষ মারা গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায় এবং সে আর কোনো নতুন আমল করতে পারে না। তখন এসব নেক আমলই কবরের মধ্যে তার সঙ্গী, সান্ত্বনাদাতা এবং আযাব থেকে রক্ষাকারী হয়।
নবী ﷺ-এর বাণী:
“কবরের মধ্যে মানুষের কাছে আসা হয়” অর্থাৎ কবরে তাকে প্রশ্ন করার জন্য নিযুক্ত ফেরেশতারা আসে।
“যখন তার মাথার দিক থেকে আসা হয়, তখন তার কুরআন তিলাওয়াত তাদের প্রতিহত করে” অর্থাৎ দুনিয়াতে তার কুরআন পাঠ তাকে রক্ষা করে।
“যখন তার দুই হাতের দিক থেকে আসা হয়, তখন তার সদকা তাদের প্রতিহত করে” অর্থাৎ তার দান-সদকা তাকে রক্ষা করে।
“যখন তার দুই পায়ের দিক থেকে আসা হয়, তখন তার মসজিদে গমন তাদের প্রতিহত করে” অর্থাৎ সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে যাওয়ার আমল তাকে রক্ষা করে।
এভাবেই অন্যান্য নেক আমলও তাকে ঘিরে থাকে। অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে:
মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হলে তার মাথার কাছে সালাত, ডান পাশে যাকাত, বাম পাশে সাওম এবং পায়ের কাছে সদকা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা, সৎকাজ ও মানুষের প্রতি সদাচরণ অবস্থান করে। তখন মাথার দিক থেকে আসা হলে সালাত বলে, “আমার দিক দিয়ে কোনো প্রবেশপথ নেই।” ডান দিক থেকে আসা হলে যাকাত বলে, “আমার দিক দিয়ে কোনো প্রবেশপথ নেই।” বাম দিক থেকে আসা হলে সাওম বলে, “আমার দিক দিয়ে কোনো প্রবেশপথ নেই।” আর পায়ের দিক থেকে আসা হলে সদকা বলে, “আমার দিক দিয়ে কোনো প্রবেশপথ নেই।”
শিক্ষণীয় বিষয়
• কুরআন তিলাওয়াতের ফযিলত।
• সদকার ফযিলত।
• জামাআতের সালাতের জন্য মসজিদে যাওয়ার ফযিলত।
• নেক আমল কবরের জীবনে উপকার করে।
• আল্লাহ তা‘আলা নেক আমলসমূহকে এমন রূপ দান ক