13/07/2021
ছোট্ট শিশু দেশ ও রাষ্ট্রের মানুষের কাছে আদরনীয়। তাদের প্রতি ভালোবাসার কোন কমতি হয় না। একটি শিশুর জন্য আমাদের জীবন যেন হঠাৎ করে নিজে থেকেই পরিবর্তন হয়ে যায়। শিশুর আগমন বার্তায় তার
পরিবার, আত্নীয়-স্বজন সবাই যেন খুশীতে আত্নহারা হয়ে উঠে। শিশুর জন্মের সাথে সাথে আমাদের চিন্তার জগতের মধ্যে কিছু পরিবর্তনশীল চিন্তার উন্মেষ ঘটে। তার মধ্যে শিশুর যথাযথ পরিচর্যা অন্যতম। সঠিক পরিচর্যা শিশুর ভবিষ্যত সুনিশ্চিত করে তাকে সর্বদা হাসোজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
আমার নিজের প্রয়োজনে নবজাতক শিশুর পরিছন্নতা ও পরিচর্যা সংক্রান্ত সকল টিপস একত্রিত করেছি। নানান জায়গা থেকে এই সকল টিপস একত্রিত করার ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র।
আপনার নবজাতক শিশুর পরিছন্নতা ও পরিচর্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন টিপসের ১ম পর্বঃ #নবজাতকের #গোসলঃ
নবজাতকের জন্মের পর ৪৮ ঘন্টা পর তৃতীয় দিন গোসল করানো যেতে পারে। এই সময়ে চুল কাটার কোন প্রযোজন নেই। কারন স্বাভাবিক নিয়মে প্রাথমিক চুল পড়ে গিয়ে নতুন চুল বের হবে। নবজাতকের নাভি শুকাতে ০১ থেকে ০৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে। এ সময় পর্যন্ত সপ্তাহে ২-৩ বার স্পঞ্জ বাথ দিতে হবে। গোসলের সময় অবশ্যই পরিষ্কার জীবানুমুক্ত হালকা গরম পানি, শিশুদের ত্বকের উপযোগী ময়েশ্চারাইজিং সাবান, শুকনো ও জীবানুমুক্ত পোশাক ও তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে।
হালকা গরম পানিতে প্রতিদিন গোসল করাতে হবে। ডক্টরের নিষেধ থাকলে প্রতিদিন গোসলের প্রয়োজন নেই। গোসলের সময় নাভি ও কানের আশপাশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। গর্ভ থেকে লেপ্টে থাকা রক্ত, HIV,
হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের মত ক্ষতিকর জীবানু থেকে রক্ষা পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম গোসল। তবে শীতকালে গোসলের পর অলিভ ওয়েল হালকাভাবে মাসাজ দিয়ে হালকা রোদে বাচ্চাকে রাখা যাবে।