Mosiur prodhan towfiq

Mosiur prodhan towfiq সততাই ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যায়

21/10/2023

থামেন ভাই⚠
হানি নাট বেচতে আসি নাই🙏
ফ্রি দিতে এসেছি..
এক কেজি মিক্সড নাট এর সাথে পাচ্ছেন এক কেজি মধু💥
যারা স্বাস্থ্যসচেতন, ভালো খাবার খেতে চান তাদের জন্য Beliver's Sign নিয়ে এলো মিক্সড নাট।
⭕ সবগুলি প্রিমিয়াম উপাদান।
দেশি চিনাবাদাম মাত্র ১০০গ্রাম, তাও কিন্তু রোস্টেডটা।
কাজুবাদাম দেয়া হয়েছে রোস্টেড সল্টেডটা।
কাঠবাদাম, আখরোট, তীনফল, গোল্ড কিসমিস সবগুলাই বেস্ট কোয়ালিটি।
✅ টেস্ট নিয়ে কোন কম্প্রমাইজ নেই।
✅ মধুরও টেস্টও অসাধারণ।
সাথে ফ্রী হিসেবে আছে এক কেজি খাঁটি মধু♥
☞ অর্ডার করতে অথবা বিলিভার্স সাইনের আরো অন্যান্য প্রডাক্ট দেখতে নিচের লিংকে প্রবেশ করুন..
https://believerssign.com?aff=69267

12/10/2023

৭৯০ টাকায় আর কী চাই?

- ১০০+ ডিজাইন থেকে পছন্দমত পোলোশার্ট / টিশার্ট / জার্সি
- একটি ব্লাক কালারের ট্রাউজার
- ২টি আতর (পছন্দমত)

🔻
ট্রাউজার সাইজ এবং আতর দুটির নাম অবশ্যই অর্ডার নোটে লিখে দিতে হবে।

✅ সকল ডিজাইন দেখতে বা অর্ডার করতে নিচের লিংক এ প্রবেশ করুন,
https://believerssign.com?aff=69267
অথবা
whats apps নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01613010992

12/10/2023

দুইটা দাওয়াহ জার্সি কিনলে পাচ্ছেন ২০% ডিসকাউন্ট🔥
📌কুপন কোডঃ OFF20

✅ এছাড়াও অন্যান্য প্রডাক্ট দেখতে অথবা অর্ডার করতে নিচের লিংক এ প্রবেশ করুন।
https://believerssign.com?aff=69267

বিলিভার্স সাইন, বর্তমান ইসলামিক ব্রান্ড গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ব্রান্ড।তাই ঘরে বসেই ইসলামিক যে কোনো প্রডাক্ট পেতে নিচের...
11/10/2023

বিলিভার্স সাইন, বর্তমান ইসলামিক ব্রান্ড গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ব্রান্ড।তাই ঘরে বসেই ইসলামিক যে কোনো প্রডাক্ট পেতে নিচের লিংক এ প্রবেশ করে অর্ডার করতে পারেন....

| বরকতময় দাম্পত্য জীবন |উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মে সালামা রাযি.-এর আসল নাম 'হিন্দা'। হযরত উম্মে সালামা রাযি.-এর বিয়ে হয...
28/09/2023

| বরকতময় দাম্পত্য জীবন |

উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মে সালামা রাযি.-এর আসল নাম 'হিন্দা'। হযরত উম্মে সালামা রাযি.-এর বিয়ে হয় আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল আসাদ মাখযুমীর সাথে। যার ডাকনাম আবু সালামা এবং এ নামেই প্রসিদ্ধ। আবু সালামা রাযি.-এর পিতামহ হিলাল এবং উম্মে সালামা রাযি.-এর পিতামহ মুগীরা দুই ভাই। আবু সালামার পিতা আব্দুল্লাহ ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর ফুফা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর ফুফু বুররাকে তিনি বিয়ে করেন। তাঁরই ছেলে সালামা রাযি। হযরত আবু তালিব, হযরত হাযমা রাযি. ও হযরত আব্বাস রাযি. আবু সালামার সম্মানিত মামা। অন্যদিকে আবু সালামা ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর দুধভাই এবং তিনি একজন সৎকর্মশীল পুরুষ। [১]

আব্দুল্লাহ-হিন্দের নবজীবনের সূচনা হলো। দুজনেই একে অপরকে নিয়ে মহাসুখী। এমন একজনের স্বপ্নই দেখেছিল দুজন। জান-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসে পরস্পরকে। তারা স্বামী-স্ত্রী উভয়ে ছিলেন ওই সকল লোকদের অন্তর্গত যাদেরকে বলা হয় 'কাদীমুল ইসলাম' বা প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণকারী। ইসলামের সূচনা পর্বে যখন মানুষ ইসলাম গ্রহণ করবে কি করবে না এমন দ্বিধা-দ্বন্দ্বের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছিল এবং যখন সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল একটি কঠিন কাজ তখন এই দম্পতি ইসলাম গ্রহণের সৌভাগ্য লাভ করেন। [২]

ইসলাম গ্রহণের পর বনু মাখযুম হযরত আবু সালামা রাযি.-এর ওপর নির্দয়ভাবে অত্যাচার উৎপীড়ন চালাতে থাকেন।

রেফারেন্স —
[১] সিয়ারু আলামিন নুবালা, ২/২০১-২০২
[২] নিসাউ আহলিল বাইত: ২২৭

বই : সীরাতে উম্মাহাতুল মুমিনীন
অনুবাদ ও সংকলন : মুফতি মনিরুজ্জামান

.
মিফতাহ প্রকাশনী
সৃজনে অনন্য, মননে ঐতিহ্য

পর্দা যে আল্লাহ তায়ালার একটি ফরজ বিধান এটা আমরা হয়তো অনেকে জানিই না....▪️ইসলামি উপন্যাস: হিজাবী কন্যা ১ (হার্ডকভার)পাশ্চ...
23/09/2023

পর্দা যে আল্লাহ তায়ালার একটি ফরজ বিধান এটা আমরা হয়তো অনেকে জানিই না....

▪️ইসলামি উপন্যাস:
হিজাবী কন্যা ১ (হার্ডকভার)
পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ভয়াবহ আগ্রাসনের শিকার বাংলাদেশী মুসলিম তরুণ-তরুণী। আধিপত্যবাদী এই সংস্কৃতি ক্রমেই ইসলামী বিশ্বাস ও মূল্যবোধকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বিদেশী সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ মুসলিম প্রজন্ম আরও বেশি হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
'হিজাবী কন্যা' তরুণীদের মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলার উপাখ্যান। উপন্যাসটিকে বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতির আলোকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। পরস্পরবিরোধী কয়েকটি চরিত্রের মাধ্যমে পাশ্চাত্য ভাবধারার মিথ্যা আধুনিকতা এবং ইসলামী সভ্যতার সুমহান সৌন্দর্যকে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিবাহিত নায়ক নায়িকাদের পারস্পরিক কথোপকথনের মাধ্যমে যুবসমাজকে নৈতিকভাবে সচেতন করা হয়েছে। লেখক এই বইতে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির বিপরীতে ইসলামী সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্বও তুলে ধরেছেন।

▪️হিজাবী কন্যা- ২ (হার্ডকভার):

এই উপন্যাসের মূল চরিত্রে আছেন দুইজন পর্দানশীল নারী। একজন ডাক্তার এবং একজন রুয়েট শিক্ষার্থী। এই দুই নারীর পারস্পরিক আলাপচারিতা ও যুক্তি উপস্থাপনে ফুটে উঠেছে স্রষ্টা হিসেবে আল্লাহ তা’আলার মহত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রজ্ঞার কথা। একইসাথে প্রতিকূল পরিবেশে বাধা-বিপত্তির মুখে পর্দানশীল মেয়েদের ইসলামের পথে টিকে থাকার সংগ্রামের কাহিনীও বর্ণিত হয়েছে এই উপন্যাসটিতে। বর্তমান সমাজে চলমান ঘটনার যথার্থ চিত্র ফুটে উঠেছে ‘হিজাবী কন্যা ২’ নামক বইটিতে।

বই: হিজাবী কন্যা
লেখক: মোঃ মতিউর রহমান

বইদুটি একত্রে অফার মূল্য ২৬৫ টাকা। ডেলিভারি চার্জ ঢাকায় ৫০ টাকা‚ ঢাকার বাহিরে ৮৫ টাকা।
ক্যাশ অন ডেলিভারি।

মায়ের গর্ভে শুক্রানু ও ডিম্বানুর নিষেকের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া ভ্রুণের বিকাশের মাধ্যমে মানবশিশুর জন্ম হয়। যা একটি নির্দি...
21/09/2023

মায়ের গর্ভে শুক্রানু ও ডিম্বানুর নিষেকের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া ভ্রুণের বিকাশের মাধ্যমে মানবশিশুর জন্ম হয়। যা একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে মায়ের রক্ত থেকে খাদ্যপুষ্টি সংগ্রহ করতে থাকে। অত:পর সে আর সীমাবদ্ধ ও অন্ধকারাচ্ছন্ন মায়ের গর্ভে অবস্থান করতে পারে না। সে তার বিকাশকে প্রসারিত করতে মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসে এই পৃথিবীর বুকে। ঠিক একইভাবে এই সংকীর্ণ এবং সীমাবদ্ধ পৃথিবীতে একটি নির্দিষ্ট সময় অবস্থান করার পর আমাদের যেতে হবে এর চেয়েও বৃহৎ কোনও জগতের দিকে। আর মৃত্যুই হচ্ছে সেই জগতে গমনের একমাত্র পথ।
একজন বিশ্বাসীর জন্য মৃত্যু দুঃখের কারণ হয় না বরং এটি ব্যক্তির দুঃখ এবং সীমাবদ্ধতা থেকে পরিত্রাণ লাভের একটি সুযোগ বলে বিবেচিত হয়। ব্যক্তির মৃত্যু যদি ঈমানি মৃত্যু হয় এবং ইসলামের পথে হয়, তবে মৃত্যুর মধ্য দিয়েই সে দুনিয়ার কঠিন জীবন থেকে মুক্তি লাভ করে এবং পরকালের সুখী জীবনে পদার্পন করে। তার জন্য এই মৃত্যু হয় আনন্দদায়ক ও মধুর এবং পৃথিবী থেকে বিদায়ের মুহূর্তে তিনি এমন আনন্দ উপভোগ করেন যা শুধুমাত্র একজন ধার্মিক বা শহীদ ব্যক্তি ভোগ করতে পারেন।
যেহেতু এই পৃথিবী থেকে আমাদের সবাইকে বিদায় নিতেই হবে। তাই এই বিদায় মুহূর্তকে সফল করতে আমাদের জীবনাচার কেমন হওয়া উচিত? এ প্রসঙ্গে আমরা একটি গল্প থেকে শিক্ষা লাভ করবো ইনশাআল্লাহ।
গল্পটি এমন --
“অনেকদিন আগের কথা। হিমালয় পর্বতের পাদদেশ জুড়ে ছিল ছোট্ট একটি রাজ্য। সেই রাজ্যে ছিল অদ্ভুত এক নিয়ম। একবছর পরপর সেই দেশে রাজার পরিবর্তন ঘটত। প্রত্যেক রাজার মেয়াদকাল ছিল একবছর। যিনি রাজপদের ক্ষমতা লাভ করতেন, তাকে এই কথা মেনে নিয়েই রাজ্যভার গ্রহণ করতে হতো যে, একবছর পর যখন তার মেয়াদকাল পূর্ণ হবে, তখন তাকে একটি নির্দিষ্ট শ্বাপদসংকুল দ্বীপে নির্বাসন গ্রহণ করতে হবে। একবছর পূর্ণ হওয়ার পর এক মুহুর্তের জন্যও তাঁর আর রাজপ্রাসাদে থাকার অধিকার থাকতোনা। ঝলমলে রেশমী মসলিন কাপড় পড়িয়ে হাতির পিঠে চড়িয়ে রাজ্যময় ঘুরিয়ে মহাসমারোহে তাকে বিদায় জানানো হত। একবছর রাজকীয় শান শওকতে বসবাস করার পর আচমকা তার এই বাধ্যতামূলক অবসর তার জীবনে রাজ্যের অমানিশা ডেকে আনতো। বেশ ঘটা করে বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা পালনের পর একটা ডিঙি নৌকায় করে তাকে রেখে আসা হতো সেই ভয়াবহ দ্বীপের অনির্দিষ্ট গন্তব্যের পানে। ছেড়ে দেয়া হতো নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে।
আবহমান কাল ধরে চলে আসা এই চিরাচরিত প্রথানুযায়ী তারা চলতো। এরই ধারাবাহিকতায় তারা একবার এক রাজার মেয়াদান্তে বিদায়ী রাজাকে সেই মৃত্যুপুরী দ্বীপে রেখে নিজ দেশে ফেরত আসছিল। পথিমধ্যে সমুদ্রের অথৈই পানিতে তখন সদ্য ডুবে যাওয়া একটি বোট তাদের নজরে এলো। বোটের কাছে ভিড়তেই তারা তারুণ্যদীপ্ত এক নওজোয়ান যুবককে দেখতে পেলো। সে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ে হাবুডুবু খাচ্ছিলো এবং খন্ড বিখণ্ড বোটের একটি পাটাতন আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার জন্য প্রাণপনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলো। যেহেতু তাদের একজন নতুন রাজার প্রয়োজন ছিল, তাই তারা যুবকটিকে তুলে নিলো এবং নিজেদের দেশে নিয়ে আসলো। যখন সে নিশ্চিত মৃত্যুর কবল থেকে রক্ষা পেয়ে কিছুটা সুস্থ স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেলো, তখন রাজ্যের অধিবাসীগণ একবছরের জন্য তাকে রাজা হওয়ার প্রস্তাব দিলো। একবছর পরের ভয়াবহ পরিণতির কথা চিন্তা করে সে প্রথমে এই লোভনীয় প্রস্তাবটি নাকচ করলেও পরমূহূর্তে তা সাদরে গ্রহণ করলো। তখন তাকে রাজ্যপরিচালনার যাবতীয় নীতিমালা জানিয়ে দেয়া হলো। সেইসাথে, একবছর পর তার চূড়ান্ত ঠিকানার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়া হলো। সে নীরবে সব শুনে গেলো।
রাজক্ষমতা লাভের তিনদিন পরে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তলব করে বললেন‚ “পূর্বেকার রাজাগণ যেখানে নির্বাসিত হয়েছিলেন, আমি সেখানে পরিদর্শনে যেতে ইচ্ছুক। যেই কথা সেই কাজ। তিনি সেই বিভীষিকাময় দ্বীপে গিয়ে পৌঁছালেন। দ্বীপটি ছিলো ঘন জঙ্গলে ঘেরা, ভয়ানক প্রাণীদের অভয়ারণ্য। তাদের আগমনের বিষয়টি টের পেয়ে দ্বীপের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানাধরণের হিংস্র জন্তু—জানোয়ার ও মাংসাশী প্রাণীর ডাক ভেসে আসছিলো। রাজা জঙ্গলের একটু গভীরে প্রবেশ করতেই আগের রাজাদের কংকাল, মাথার খুলি ও পচে যাওয়া হাড়গোড় দেখতে পেলেন। তিনি বুঝতে পারলেন এই শ্বাপদসংকুল দ্বীপে তারা আর কিছুক্ষণ অবস্থান করলেই ক্ষুধার্ত হিংস্র জন্তুগুলো তাদের উপর হামলে পড়ে তাদেরকে খেয়ে শেষ করে দিবে।
এবার রাজা নিজ দেশে ফিরে এসে ১০০ জন দক্ষ ও কর্মঠ শ্রমিক বাছাই করলেন। তাদেরকে সেই দ্বীপে নিয়ে সেখানকার জঙ্গল পরিষ্কার করালেন, সকল আগাছা সাফ করালেন। সকল জীবজন্তু সরিয়ে নিলেন। কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে তদারকি করার জন্য তিনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার দ্বীপটি পরিদর্শনে আসতেন। প্রথম মাসেই সকল আগাছা কেটে সাফ করা হলো। কিছু জীবজন্তু হটিয়ে বিদায় করা হলো, কিছু প্রাণীকে বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হলো।
দ্বিতীয় মাসে, দ্বীপের সমগ্র সীমানাজুড়ে নানা রকমের ফল—ফলাদি ও রং—বেরংয়ের ফুলগাছের চারা রোপন করা হলো। দ্বীপের একপ্রান্তে হাস—মুরগীর খামার, পাখ—পাখালীর অভয়াশ্রম, গরু—ছাগল সহ নানারকম গৃহপালিত প্রাণীর চারণভূমি তৈরী করা হলো।
তৃতীয় মাসে, সেই দ্বীপে তিনি বিশ্বের স্বনামধন্য প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিয়ে এক দৃষ্টিনন্দন রাজপ্রাসাদ তৈরী করলেন। এছাড়া দ্বীপের সুবিস্তৃত সীমানা জুড়ে জাহাজ নোঙ্গর করার জন্য এক অত্যাধুনিক পোতাশ্রয় নির্মাণ করলেন। এই অল্প ক’মাসেই সেই বিভীষিকাময় দ্বীপটি নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বর্গভূমিতে পরিণত হয়ে গেল।
রাজা বেশ সাদাসিধে ও সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। পরিমিতিবোধ বজায় রেখে অর্থব্যয় করতেন। একটি দেশের রাজা হিসেবে যেমন জাকজমক ও আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপন করা দরকার, তার কিঞ্চিৎ পরিমাণও তিনি করতেন না। তার উপার্জিত সকল আয় তিনি সেই দ্বীপের ধনভাণ্ডারে সঞ্চিত করে রাখতেন।
যখন নবম মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলো, রাজা তখন সকল মন্ত্রীদের ডেকে বললেন, “আমার একথা ভালোভাবেই মনে আছে যে, আমার দায়িত্বভার গ্রহণের বছরপূর্তি হওয়া মাত্রই আমাকে সেই দ্বীপে চলে যেতে হবে। তবে আমি এখনই সেখানে চলে যেতে চাই।” কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ তার একথা মানতে নারাজ। তাদের কথা একটাই, রাজ্যের চিরাচরিত প্রথার ব্যত্যয় ঘটিয়ে একবছর পূর্ণ হওয়ার আগে সেখানে যাওয়া যাবেনা। বছরপূর্তি হওয়া মাত্রই তাকে সেই দ্বীপে পাঠিয়ে দেয় হবে। তার আগে নয়। এরপর দেখতে দেখতে বাকী তিনমাসও পূর্ণ হয়ে গেলো। পূর্বেকার রাজাদের মতো তাকেও জমকালো পোশাক পরিয়ে, হাতির পিঠে চড়িয়ে সারা রাজ্যময় প্রদক্ষিণ করানো হলো। তিনি হাত নেড়ে হাসিমুখে সকলের কাছ থেকে বিদায় নিলেন। তার এই হাস্যজ্জ্বোল অভিব্যাক্তি দেখে জনগণ তাজ্জব বনে গেলো। পূর্বেকার সকল রাজা—বাদশাহগণ বিদায় কালে কেঁদে জারে জার হয়ে পড়তেন। আর এই রাজা দেখি বিদায়কালে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে আছে! কয়েকজন হতবিহবলতা কাটিয়ে সরাসরি রাজাকেই তার উৎফুল্লতার কারণ জিজ্ঞেস করে বসলো।
জবাবে সদ্যবিদায়ী রাজা বললেন, রাজক্ষমতা লাভের একবছর মেয়াদকালে যখন অন্যান্য রাজা—বাদশাহগণ ভবিষ্যতের পরিণতির কথা ভুলে গিয়ে ভোগ বিলাসিতায় মত্ত ছিল, আমোদ—ফুর্তিতে ডুবে ছিল, মোজ—মাস্তিতে বিনোদিত ছিল, সেই সময়টা আমি আমার ভবিষ্যত বিনির্মাণে ব্যস্ত ছিলাম। সেই মৃত্যুপুরী দ্বীপকে বসবাসযোগ্য বসুন্ধরায় পরিণত করেছি। নান্দনিক বাসভবন, বৈচিত্র্যময় পুষ্পের মৌ মৌ সুগিন্ধতে ভরপুর ফুলবাগিচা, পাখ—পাখালির কলকাকলিতে মুখরিত নয়নাভিরাম উদ্যান দ্বীপটিকে করে তুলেছে নৈস্বর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে। দ্বীপটির প্রান্তসীমায় নবনির্মিত জাহাজের অত্যাধুনিক পোতাশ্রয়টি দ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সচল করেছে। আশা করা যায়, বাকী জীবনটি আমি বেশ শান্তিতেই দিনাতিপাত করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।”
এই গল্পের শিক্ষণীয় বিষয় হলো‚ আমাদের জীবনাচার কেমন হওয়া উচিত?
পরকালীন অনন্ত জীবনের প্রস্তুতির মাঝেই আমাদের এই ইহকালীন ক্ষণস্থায়ী জীবনকে অতিবাহিত করা চাই। পার্থিব জীবনের সাময়িক মোহে বিভোর হয়ে পড়লে পরকালীন জীবনের অনন্ত সুখ—সমৃদ্ধি আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাবে। এমনকি আমরা যদি রাষ্ট্রপতিও হয়ে থাকি তারপরও আমাদের লাইফ স্টাইল হওয়া চাই মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো অনাড়ম্বর জীবন। আমাদের আখিরাতের জীবন যেন সুখময় হয়, সুখ—সমৃদ্ধির ফল্গুধারায় যেন বিকশিত হয়, এইজন্য পবিত্র কুরআন আমাদেরকে দিয়েছে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা। আল্লাহ তাআলা বলেন,
“মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহ তাআলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত আগামীকালের জন্যে সে কি প্রেরণ করবে তা চিন্তা করা। আল্লাহ তাআলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তাআলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন।” (সূরা হাশর : ১৮)

বই : মৃত্যু যখন উপহার।

এছাড়াও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি ও সুখী পরিবার গঠনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম বর্তমান সময়ের তুমুল জনপ্রিয় বই 'দ্য কেয়ারিং হাসব্যান্ড' ও 'দ্য কেয়ারিং ওয়াইফ' সহ লেখক Matiur Rahman এর সকল বই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও শর্ট পিডিএফ পড়তে ভিজিট করুন - https://www.rokomari.com/book/author/76371

জীবনের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় বইগুলি নিজে পড়ুন এবং আপনার প্রিয়জনকে উপহার দিন। গিফট করার মত সেরা বইগুলি অর্ডার করতে ম্যাসেজ করুন এখনই। যোগাযোগ : 01613-010992

কেয়ারিং ও মৃত্যু প্যাকেজ এর মুদ্রিত মূল্য ৭৭০ টাকা‚
অফার মূল্য ৫৫০ টাকা।
ফ্রি ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি।

জন্ম +ক্ষনিকের এই জীবন এই দুই টার পরেই শুরু হয় মৃত্যুর মাধ্যমে আখিরাতের জীবন।মায়ের গর্ভে শুক্রানু ও ডিম্বানুর নিষেকের ম...
20/09/2023

জন্ম +ক্ষনিকের এই জীবন এই দুই টার পরেই শুরু হয় মৃত্যুর মাধ্যমে আখিরাতের জীবন।

মায়ের গর্ভে শুক্রানু ও ডিম্বানুর নিষেকের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া ভ্রুণের বিকাশের মাধ্যমে মানবশিশুর জন্ম হয়। যা একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে মায়ের রক্ত থেকে খাদ্যপুষ্টি সংগ্রহ করতে থাকে। অত:পর সে আর সীমাবদ্ধ ও অন্ধকারাচ্ছন্ন মায়ের গর্ভে অবস্থান করতে পারে না। সে তার বিকাশকে প্রসারিত করতে মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসে এই পৃথিবীর বুকে। ঠিক একইভাবে এই সংকীর্ণ এবং সীমাবদ্ধ পৃথিবীতে একটি নির্দিষ্ট সময় অবস্থান করার পর আমাদের যেতে হবে এর চেয়েও বৃহৎ কোনও জগতের দিকে। আর মৃত্যুই হচ্ছে সেই জগতে গমনের একমাত্র পথ।
একজন বিশ্বাসীর জন্য মৃত্যু দুঃখের কারণ হয় না বরং এটি ব্যক্তির দুঃখ এবং সীমাবদ্ধতা থেকে পরিত্রাণ লাভের একটি সুযোগ বলে বিবেচিত হয়। ব্যক্তির মৃত্যু যদি ঈমানি মৃত্যু হয় এবং ইসলামের পথে হয়, তবে মৃত্যুর মধ্য দিয়েই সে দুনিয়ার কঠিন জীবন থেকে মুক্তি লাভ করে এবং পরকালের সুখী জীবনে পদার্পন করে। তার জন্য এই মৃত্যু হয় আনন্দদায়ক ও মধুর এবং পৃথিবী থেকে বিদায়ের মুহূর্তে তিনি এমন আনন্দ উপভোগ করেন যা শুধুমাত্র একজন ধার্মিক বা শহীদ ব্যক্তি ভোগ করতে পারেন।
যেহেতু এই পৃথিবী থেকে আমাদের সবাইকে বিদায় নিতেই হবে। তাই এই বিদায় মুহূর্তকে সফল করতে আমাদের জীবনাচার কেমন হওয়া উচিত? এ প্রসঙ্গে আমরা একটি গল্প থেকে শিক্ষা লাভ করবো ইনশাআল্লাহ।
গল্পটি এমন --
“অনেকদিন আগের কথা। হিমালয় পর্বতের পাদদেশ জুড়ে ছিল ছোট্ট একটি রাজ্য। সেই রাজ্যে ছিল অদ্ভুত এক নিয়ম। একবছর পরপর সেই দেশে রাজার পরিবর্তন ঘটত। প্রত্যেক রাজার মেয়াদকাল ছিল একবছর। যিনি রাজপদের ক্ষমতা লাভ করতেন, তাকে এই কথা মেনে নিয়েই রাজ্যভার গ্রহণ করতে হতো যে, একবছর পর যখন তার মেয়াদকাল পূর্ণ হবে, তখন তাকে একটি নির্দিষ্ট শ্বাপদসংকুল দ্বীপে নির্বাসন গ্রহণ করতে হবে। একবছর পূর্ণ হওয়ার পর এক মুহুর্তের জন্যও তাঁর আর রাজপ্রাসাদে থাকার অধিকার থাকতোনা। ঝলমলে রেশমী মসলিন কাপড় পড়িয়ে হাতির পিঠে চড়িয়ে রাজ্যময় ঘুরিয়ে মহাসমারোহে তাকে বিদায় জানানো হত। একবছর রাজকীয় শান শওকতে বসবাস করার পর আচমকা তার এই বাধ্যতামূলক অবসর তার জীবনে রাজ্যের অমানিশা ডেকে আনতো। বেশ ঘটা করে বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা পালনের পর একটা ডিঙি নৌকায় করে তাকে রেখে আসা হতো সেই ভয়াবহ দ্বীপের অনির্দিষ্ট গন্তব্যের পানে। ছেড়ে দেয়া হতো নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে।
আবহমান কাল ধরে চলে আসা এই চিরাচরিত প্রথানুযায়ী তারা চলতো। এরই ধারাবাহিকতায় তারা একবার এক রাজার মেয়াদান্তে বিদায়ী রাজাকে সেই মৃত্যুপুরী দ্বীপে রেখে নিজ দেশে ফেরত আসছিল। পথিমধ্যে সমুদ্রের অথৈই পানিতে তখন সদ্য ডুবে যাওয়া একটি বোট তাদের নজরে এলো। বোটের কাছে ভিড়তেই তারা তারুণ্যদীপ্ত এক নওজোয়ান যুবককে দেখতে পেলো। সে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ে হাবুডুবু খাচ্ছিলো এবং খন্ড বিখণ্ড বোটের একটি পাটাতন আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার জন্য প্রাণপনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলো। যেহেতু তাদের একজন নতুন রাজার প্রয়োজন ছিল, তাই তারা যুবকটিকে তুলে নিলো এবং নিজেদের দেশে নিয়ে আসলো। যখন সে নিশ্চিত মৃত্যুর কবল থেকে রক্ষা পেয়ে কিছুটা সুস্থ স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেলো, তখন রাজ্যের অধিবাসীগণ একবছরের জন্য তাকে রাজা হওয়ার প্রস্তাব দিলো। একবছর পরের ভয়াবহ পরিণতির কথা চিন্তা করে সে প্রথমে এই লোভনীয় প্রস্তাবটি নাকচ করলেও পরমূহূর্তে তা সাদরে গ্রহণ করলো। তখন তাকে রাজ্যপরিচালনার যাবতীয় নীতিমালা জানিয়ে দেয়া হলো। সেইসাথে, একবছর পর তার চূড়ান্ত ঠিকানার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়া হলো। সে নীরবে সব শুনে গেলো।
রাজক্ষমতা লাভের তিনদিন পরে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তলব করে বললেন‚ “পূর্বেকার রাজাগণ যেখানে নির্বাসিত হয়েছিলেন, আমি সেখানে পরিদর্শনে যেতে ইচ্ছুক। যেই কথা সেই কাজ। তিনি সেই বিভীষিকাময় দ্বীপে গিয়ে পৌঁছালেন। দ্বীপটি ছিলো ঘন জঙ্গলে ঘেরা, ভয়ানক প্রাণীদের অভয়ারণ্য। তাদের আগমনের বিষয়টি টের পেয়ে দ্বীপের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানাধরণের হিংস্র জন্তু—জানোয়ার ও মাংসাশী প্রাণীর ডাক ভেসে আসছিলো। রাজা জঙ্গলের একটু গভীরে প্রবেশ করতেই আগের রাজাদের কংকাল, মাথার খুলি ও পচে যাওয়া হাড়গোড় দেখতে পেলেন। তিনি বুঝতে পারলেন এই শ্বাপদসংকুল দ্বীপে তারা আর কিছুক্ষণ অবস্থান করলেই ক্ষুধার্ত হিংস্র জন্তুগুলো তাদের উপর হামলে পড়ে তাদেরকে খেয়ে শেষ করে দিবে।
এবার রাজা নিজ দেশে ফিরে এসে ১০০ জন দক্ষ ও কর্মঠ শ্রমিক বাছাই করলেন। তাদেরকে সেই দ্বীপে নিয়ে সেখানকার জঙ্গল পরিষ্কার করালেন, সকল আগাছা সাফ করালেন। সকল জীবজন্তু সরিয়ে নিলেন। কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে তদারকি করার জন্য তিনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার দ্বীপটি পরিদর্শনে আসতেন। প্রথম মাসেই সকল আগাছা কেটে সাফ করা হলো। কিছু জীবজন্তু হটিয়ে বিদায় করা হলো, কিছু প্রাণীকে বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হলো।
দ্বিতীয় মাসে, দ্বীপের সমগ্র সীমানাজুড়ে নানা রকমের ফল—ফলাদি ও রং—বেরংয়ের ফুলগাছের চারা রোপন করা হলো। দ্বীপের একপ্রান্তে হাস—মুরগীর খামার, পাখ—পাখালীর অভয়াশ্রম, গরু—ছাগল সহ নানারকম গৃহপালিত প্রাণীর চারণভূমি তৈরী করা হলো।
তৃতীয় মাসে, সেই দ্বীপে তিনি বিশ্বের স্বনামধন্য প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিয়ে এক দৃষ্টিনন্দন রাজপ্রাসাদ তৈরী করলেন। এছাড়া দ্বীপের সুবিস্তৃত সীমানা জুড়ে জাহাজ নোঙ্গর করার জন্য এক অত্যাধুনিক পোতাশ্রয় নির্মাণ করলেন। এই অল্প ক’মাসেই সেই বিভীষিকাময় দ্বীপটি নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বর্গভূমিতে পরিণত হয়ে গেল।
রাজা বেশ সাদাসিধে ও সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। পরিমিতিবোধ বজায় রেখে অর্থব্যয় করতেন। একটি দেশের রাজা হিসেবে যেমন জাকজমক ও আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপন করা দরকার, তার কিঞ্চিৎ পরিমাণও তিনি করতেন না। তার উপার্জিত সকল আয় তিনি সেই দ্বীপের ধনভাণ্ডারে সঞ্চিত করে রাখতেন।
যখন নবম মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলো, রাজা তখন সকল মন্ত্রীদের ডেকে বললেন, “আমার একথা ভালোভাবেই মনে আছে যে, আমার দায়িত্বভার গ্রহণের বছরপূর্তি হওয়া মাত্রই আমাকে সেই দ্বীপে চলে যেতে হবে। তবে আমি এখনই সেখানে চলে যেতে চাই।” কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ তার একথা মানতে নারাজ। তাদের কথা একটাই, রাজ্যের চিরাচরিত প্রথার ব্যত্যয় ঘটিয়ে একবছর পূর্ণ হওয়ার আগে সেখানে যাওয়া যাবেনা। বছরপূর্তি হওয়া মাত্রই তাকে সেই দ্বীপে পাঠিয়ে দেয় হবে। তার আগে নয়। এরপর দেখতে দেখতে বাকী তিনমাসও পূর্ণ হয়ে গেলো। পূর্বেকার রাজাদের মতো তাকেও জমকালো পোশাক পরিয়ে, হাতির পিঠে চড়িয়ে সারা রাজ্যময় প্রদক্ষিণ করানো হলো। তিনি হাত নেড়ে হাসিমুখে সকলের কাছ থেকে বিদায় নিলেন। তার এই হাস্যজ্জ্বোল অভিব্যাক্তি দেখে জনগণ তাজ্জব বনে গেলো। পূর্বেকার সকল রাজা—বাদশাহগণ বিদায় কালে কেঁদে জারে জার হয়ে পড়তেন। আর এই রাজা দেখি বিদায়কালে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে আছে! কয়েকজন হতবিহবলতা কাটিয়ে সরাসরি রাজাকেই তার উৎফুল্লতার কারণ জিজ্ঞেস করে বসলো।
জবাবে সদ্যবিদায়ী রাজা বললেন, রাজক্ষমতা লাভের একবছর মেয়াদকালে যখন অন্যান্য রাজা—বাদশাহগণ ভবিষ্যতের পরিণতির কথা ভুলে গিয়ে ভোগ বিলাসিতায় মত্ত ছিল, আমোদ—ফুর্তিতে ডুবে ছিল, মোজ—মাস্তিতে বিনোদিত ছিল, সেই সময়টা আমি আমার ভবিষ্যত বিনির্মাণে ব্যস্ত ছিলাম। সেই মৃত্যুপুরী দ্বীপকে বসবাসযোগ্য বসুন্ধরায় পরিণত করেছি। নান্দনিক বাসভবন, বৈচিত্র্যময় পুষ্পের মৌ মৌ সুগিন্ধতে ভরপুর ফুলবাগিচা, পাখ—পাখালির কলকাকলিতে মুখরিত নয়নাভিরাম উদ্যান দ্বীপটিকে করে তুলেছে নৈস্বর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে। দ্বীপটির প্রান্তসীমায় নবনির্মিত জাহাজের অত্যাধুনিক পোতাশ্রয়টি দ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সচল করেছে। আশা করা যায়, বাকী জীবনটি আমি বেশ শান্তিতেই দিনাতিপাত করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।”
এই গল্পের শিক্ষণীয় বিষয় হলো‚ আমাদের জীবনাচার কেমন হওয়া উচিত?
পরকালীন অনন্ত জীবনের প্রস্তুতির মাঝেই আমাদের এই ইহকালীন ক্ষণস্থায়ী জীবনকে অতিবাহিত করা চাই। পার্থিব জীবনের সাময়িক মোহে বিভোর হয়ে পড়লে পরকালীন জীবনের অনন্ত সুখ—সমৃদ্ধি আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাবে। এমনকি আমরা যদি রাষ্ট্রপতিও হয়ে থাকি তারপরও আমাদের লাইফ স্টাইল হওয়া চাই মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতো অনাড়ম্বর জীবন। আমাদের আখিরাতের জীবন যেন সুখময় হয়, সুখ—সমৃদ্ধির ফল্গুধারায় যেন বিকশিত হয়, এইজন্য পবিত্র কুরআন আমাদেরকে দিয়েছে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা। আল্লাহ তাআলা বলেন,
“মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহ তাআলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত আগামীকালের জন্যে সে কি প্রেরণ করবে তা চিন্তা করা। আল্লাহ তাআলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তাআলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন।” (সূরা হাশর : ১৮)

বই : মৃত্যু যখন উপহার।

এছাড়াও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি ও সুখী পরিবার গঠনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম বর্তমান সময়ের তুমুল জনপ্রিয় বই 'দ্য কেয়ারিং হাসব্যান্ড' ও 'দ্য কেয়ারিং ওয়াইফ' সহ লেখক Matiur Rahman এর সকল বই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও শর্ট পিডিএফ পড়তে ভিজিট করুন - https://www.rokomari.com/book/author/76371

জীবনের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় বইগুলি নিজে পড়ুন এবং আপনার প্রিয়জনকে উপহার দিন। গিফট করার মত সেরা বইগুলি অর্ডার করতে ম্যাসেজ করুন এখনই। যোগাযোগ : 01613-010992

কেয়ারিং ও মৃত্যু প্যাকেজ এর মুদ্রিত মূল্য ৭৭০ টাকা‚
অফার মূল্য ৫৫০ টাকা।
ফ্রি ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি।

Address

Rangpur

Telephone

+8801613010992

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mosiur prodhan towfiq posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mosiur prodhan towfiq:

Share