স্বপ্নের মেঘবাড়ি

স্বপ্নের মেঘবাড়ি Good Products
Good Price..

🟢 মু*র*গি*কে পেপে ও নিমপাতা খাওয়ানো — উপকারিতা, নিয়ম-কানুন ও সতর্কতা 🐔🌿অনেক খামারি ভাই-বোনের কাছেই প্রশ্ন —❓ “আমার মু*র*...
26/06/2025

🟢 মু*র*গি*কে পেপে ও নিমপাতা খাওয়ানো — উপকারিতা, নিয়ম-কানুন ও সতর্কতা 🐔🌿

অনেক খামারি ভাই-বোনের কাছেই প্রশ্ন —
❓ “আমার মু*র*গি*কে পেপে বা নিম পাতা খাওয়ানো যাবে?”
❓ “এসব খাওয়ালে কি উপকার হবে না ক্ষতি?”

আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাকৃতিক পরামর্শ — পেপে এবং নিমপাতা ব্যবহারে মু*র*গি*র উপকারিতা, নিয়ম, এবং ঝুঁকি সম্পর্কে।

✅ পেপে ও পেপে পাতার উপকারিতা

🍃 পেপে পাতা এবং পাকা বা কাঁচা পেপে জন্য মু*র*গি*র প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে।
🔸 ডিওয়ারমিং বা কৃমিনাশক: পেপে পাতায় থাকে “প্যাপন” নামক এনজাইম, যা কৃমি দূর করে।
🔸 হজম শক্তি বাড়ায়: পাতায় থাকা এনজাইম খাবার হজমে সাহায্য করে।
🔸 ইমিউনিটি বাড়ায়: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে।
🔸 ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমায়: অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
🔸 পাচনতন্ত্র পরিষ্কার রাখে, তাই ফিড হজম ভালো হয় এবং ওজনও বাড়ে।

✅ নিমপাতার উপকারিতা

🌿 নিমপাতা হল প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক।
🔸 ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধ: সংক্রমণ ঠেকাতে কাজ করে।
🔸 ক্যাঙ্কার, ফাউল পক্সের মতো রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
🔸 রক্ত পরিষ্কার করে, যা শরীর সুস্থ রাখে।
🔸 মশা বা পোকামাকড় তাড়াতে ব্যবহার হয় (যেমন খামারে ঝুলিয়ে দিলে মশা মাছির উপদ্রব কমে )

🐣 কোন ব*য়*সের মু*র*গি*র খাওয়ানো যাবে?

🔸 ২১ দিন ব*য়*সের পর থেকে (৩ সপ্তাহের পর) পেপে পাতা বা নিমপাতা খাওয়ানো নিরাপদ।
🔸 ১ মাস ব*য়*স থেকে নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্যবহার করলে উপকার সবচেয়ে বেশি।

📅 কতবার খাওয়ানো যাবে?

🔹 পেপে পাতা বা পাকা পেপে:
– সপ্তাহে ১–২ বার
– প্রতিবার অল্প করে (৫–১০ গ্রাম প্রতি মুরগি)
– টুকরো করে বা সিদ্ধ করে মিশ্র খাদ্যের সাথে মিশিয়ে দিন।

🔹 নিম পাতা:
– মাসে ১ বার
– কচি নিমপাতা টুকরো করে খাওয়ান বা পানিতে সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা করে পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিন।
– নিম তিতা, তাই পরিমাণে সতর্ক থাকতে হবে (৫ গ্রাম/মুরগি এর বেশি নয়)।

❌ কখন খাওয়ানো যাবে না?

🔴 ২১ দিনের কম ব*য়*সের বা*চ্চা মু*র*গি*কে খাওয়ানো যাবে না।
🔴 অতিরিক্ত খাওয়ালে হজমে সমস্যা, পাতলা পায়খানা, এমনকি বিষক্রিয়া হতে পারে।
🔴 দুর্বল বা অসুস্থ মু*র*গি*র আগে ডাক্তারি পরামর্শ ছাড়া না খাওয়ানোই ভালো।
🔴 ডিওয়ারমিং ওষুধ খাওয়ানোর ৩–৪ দিন আগে/পরে এসব খাওয়ানো উচিত না।

---

⚠️ অতিরিক্ত খাওয়ালে যেসব সমস্যা হতে পারে

🔺 হজমে গোলমাল, গ্যাস্ট্রিক
🔺 পায়খানা পাতলা হওয়া
🔺 খাদ্য গ্রহণ কমে যাওয়া
🔺 বিষক্রিয়া হলে দুর্বল হয়ে পড়া বা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে (বিশেষ করে নিমপাতার ক্ষেত্রে)

📝 খাওয়ানোর সহজ নিয়ম (প্রাকৃতিক মিক্স)

🥣 আপনি পেপে পাতা, শাকসবজি (লাল শাক, কলমি), রসুন কুচি, আদা কুচি, হলুদ ও সামান্য লবণ দিয়ে মু*র*গি*র জন্য ভেজানো ফিড তৈরি করতে পারেন।
এতে মু*র*গি*র রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে, ওজন বাড়বে ও ফিড হজম ভালো হবে।

✅ শেষ কথা

প্রাকৃতিক খাবার যেমন পেপে ও নিমপাতা ঠিকভাবে ব্যবহার করলে মুরগিকে রোগমুক্ত ও সুস্থ রাখা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত খাওয়ালে উপকারের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি।
পরিমিত ব্যবহারে প্রকৃতিই হতে পারে সর্বোত্তম ওষুধ 🌿🐔

👉 যদি এই পোস্টটি ভালো লাগে বা উপকার হয়, তাহলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।
📢 অন্য খামারি ভাইদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও সচেতন করুন।

#মুরগিপালন #খামারপরামর্শ #পেপেপাতা #নিমপাতা #ভেটেনারিপরামর্শ #পোলট্রিহেলথ #দেশিমুরগি #পোলট্রিফার্মিং

💁🏿‍♂️বাচ্চা পাখিকে খাওয়ানোর সঠিক নিয়ম — যত্নের সাথে বড় করে তুলুন আপনার প্রিয় পাখির বাচ্চাকে!🧏🏿‍♂️বাচ্চা পাখিকে সঠিকভ...
04/06/2025

💁🏿‍♂️বাচ্চা পাখিকে খাওয়ানোর সঠিক নিয়ম — যত্নের সাথে বড় করে তুলুন আপনার প্রিয় পাখির বাচ্চাকে!

🧏🏿‍♂️বাচ্চা পাখিকে সঠিকভাবে খাওয়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটু ভুল করলেই তার স্বাস্থ্যে ক্ষতি হতে পারে। তাই নিচে দেওয়া হল কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:

✅✅১. ফর্মুলা তৈরির নিয়ম:

বাজারে পাওয়া যায় বিভিন্ন hand-feeding formula (যেমন: Nutribird A21, Kaytee, Nutrifeed ইত্যাদি)।

গরম পানি দিয়ে পাতলা করে মিশিয়ে নিতে হবে যেন মিশ্রণটি ঘন দুধের মতো হয়।

খাওয়ানোর আগে তাপমাত্রা ৩৭–৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখুন (খুব গরম বা ঠান্ডা হলে সমস্যা হতে পারে)।

✅✅২. টাইমিং:

১–৫ দিন বয়সে: প্রতি ২ ঘণ্টা পরপর (রাতেও)

৬–১৪ দিন বয়সে: প্রতি ৩ ঘণ্টা পর

১৫–২৫ দিন বয়সে: দিনে ৪ বার

২৬ দিন বা তার বেশি বয়সে: দিনে ৩ বার, এবং ধীরে ধীরে নিজে খাওয়ার জন্য অভ্যস্ত করতে হবে।

✅✅৩. খাওয়ানোর মাধ্যম: সিরিঞ্জ না চামচ?

চামচ: সবচেয়ে নিরাপদ ও সহজ উপায়।তবে পাখির সংখ্যা বেশি থাকলে চামচ দিয়ে সবগুলোকে আলাদা আলাদা করে খাওয়ানো অনেক সময় সাপেক্ষ হতে পারে।

সিরিঞ্জ: খেয়াল রাখুন সিরিঞ্জের মুখটা কাটা ও মসৃণ হয়। অভিজ্ঞ না হলে না ব্যবহার করাই ভালো। ভুলবশত ফুসফুসে খাবার চলে যেতে পারে।

খাওয়ানোর সময় মাথা সামান্য উঁচু রেখে মুখের ডান পাশে খাবার দিন।

✅✅৪. গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

একবার বানানো ফর্মুলা বারবার গরম করে খাওয়াবেন না।

প্রতিবার খাওয়ানোর আগে সিরিঞ্জ পরিষ্কার করে নিন।

Crop (ফুড ব্যাগ) যদি খালি না হয়, তাহলে নতুন করে খাবার দেবেন না।

✅✅৫. নিজে খাওয়ায় অভ্যস্ত করানো (Weaning):

৩০–৩৫ দিনের পর নরম খাবার যেমন সেদ্ধ ভাত, ডিমের কুসুম, ভিজানো দানা সামনে রেখে নিজে খেতে উৎসাহ দিন।

একটা পাখির জীবন নির্ভর করে আপনার যত্নের উপর। নিয়ম মানলে সে সুস্থভাবে বেড়ে উঠবে এবং হয়ে উঠবে আপনার প্রকৃত সাথী!



রাজ হাঁস পালনের গাইড লাইন১. জাত নির্বাচন:রাজ হাঁস মূলত দ্রুত বর্ধনশীল ও অধিক মাংস উৎপাদনকারী জাত।বাজারে পাওয়া যায় White ...
29/05/2025

রাজ হাঁস পালনের গাইড লাইন
১. জাত নির্বাচন:
রাজ হাঁস মূলত দ্রুত বর্ধনশীল ও অধিক মাংস উৎপাদনকারী জাত।

বাজারে পাওয়া যায় White Pekin, Muscovy, Khaki Campbell ইত্যাদি জাত।

২. আবাসন ব্যবস্থা:
প্রতিটি হাঁসের জন্য ৩-৪ বর্গফুট জায়গা নিশ্চিত করতে হবে।

শুষ্ক ও বায়ু চলাচলের সুবিধাযুক্ত ঘর বানাতে হবে।

মেঝে পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে খড়, ছাই, চিটা বিছিয়ে দিতে হয়।

ঘরের পাশে পানির উৎস রাখা উত্তম, কারণ রাজ হাঁস পানিতে স্নান করতে পছন্দ করে।

৩. খাবার ও পানির ব্যবস্থা:
বাচ্চা হাঁস: প্রথম ২ সপ্তাহে স্টার্টার ফিড (২১-২২% প্রোটিন)।

৩-৮ সপ্তাহ: গ্রোয়ার ফিড (১৮-১৯% প্রোটিন)।

৮ সপ্তাহের পর থেকে ফিনিশার ফিড (১৬% প্রোটিন)।

হাঁসদের খোলাবাজারের ধান, চালের কুড়া, ভুট্টা, মাছের গুঁড়া, খৈল, ক্যালসিয়াম ও মিনারেল মিশিয়ে ফিড তৈরি করা যায়।

হাঁসদের সবসময় পরিষ্কার পানি সরবরাহ করতে হবে।

৪. রোগবালাই ও প্রতিকার:
হাঁস পালনের আগে ও পরে খামার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি।

নিয়মিত টিকাদান ও ডিওয়ারমিং (পরজীবী নিধন) করতে হবে।

সাধারণ রোগ: New Castle, Duck Cholera, Botulism, Parasites (internal & external)।

রোগ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

৫. প্রজনন ও ডিম উৎপাদন:
১টি পুরুষ হাঁসের জন্য ৫-৬টি মাদি হাঁস রাখা উত্তম।

৫-৬ মাস বয়সে হাঁস ডিম দেওয়া শুরু করে।

ডিম সংগ্রহের জন্য পরিস্কার বাসা ও শুষ্ক পরিবেশ রাখা দরকার।

ফার্টাইল ডিম ইনকিউবেটরে ফুটানো যেতে পারে।

৬. অর্থনৈতিক দিক:
হাঁসের মাংস ও ডিম দুটোই বাজারে চাহিদাসম্পন্ন।

প্রতি হাঁস ২৫০-৩০০টি ডিম দেয় বছরে।

মাংসের হাঁস ২-৩ কেজি ওজনে পৌঁছায় ৮-১০ সপ্তাহে।

হাঁস পালনের খরচ কম, লাভজনক ব্যবসা হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

৭. পরিবেশবান্ধবতা:
হাঁসের বিষ্ঠা জমিয়ে কম্পোস্ট সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

জলাশয়ের আশপাশে হাঁস চাষ করলে মাছ ও হাঁসের মিশ্র খামার করা যায়।

প্রয়োজনে, আপনি আপনার এলাকায় কৃষি অফিস বা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে টেকনিক্যাল সহায়তা নিতে পারেন।
রাজ হাঁস পালন — কম খরচে অধিক লাভ!
যাদের কাছে জলাশয় বা খোলা জায়গা আছে, তারা খুব সহজেই রাজ হাঁস পালন করে বাড়তি আয় করতে পারেন।

রাজ হাঁস দ্রুত বর্ধনশীল, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো এবং ডিম-মাংস দুটোতেই লাভজনক।
সঠিক নিয়মে পালন করলে বছরে একেকটি হাঁস ২৫০-৩০০টি ডিম দেয়!
আর মাত্র ৮-১০ সপ্তাহেই বাজারজাত করার মতো মাংসের ওজন পায়।

কীভাবে সফল হবেন রাজ হাঁস পালনে?

উপযুক্ত জাত নির্বাচন

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খামার

পুষ্টিকর খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি

রোগ প্রতিরোধে টিকা ও পর্যবেক্ষণ

ফার্ম ম্যানেজমেন্টে সচেতনতা

গ্রামের পুকুর, জলাশয়, বা পতিত জমি ব্যবহার করে আপনি হতে পারেন সফল হাঁস খামারি!

চলো, গড়ি লাভজনক হাঁস খামার — নিজের পায়ে দাঁড়াই!

#রাজ_হাঁস_পালন
#স্মার্ট_কৃষি
#ডিম_ও_মাংস_উৎপাদন
#প্রান্তিক_কৃষকের_আয়
#হাঁস_খামার


#কৃষিই_ভবিষ্যৎ

মুরগির জন্য নিরাপদ ও কার্যকর হারবাল চিকিৎসা!প্রাকৃতিক উপায়ে খামার হোক লাভজনক ও টেকসই!🐔🌿✅আপনার খামারে কি এই সমস্যা গুলো ...
03/05/2025

মুরগির জন্য নিরাপদ ও কার্যকর হারবাল চিকিৎসা!
প্রাকৃতিক উপায়ে খামার হোক লাভজনক ও টেকসই!🐔🌿✅

আপনার খামারে কি এই সমস্যা গুলো দেখা দিচ্ছে?
❌ বারবার সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট
❌ ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা
❌ ডিম কমে যাওয়া বা মাংসের বৃদ্ধি থেমে যাওয়া
❌ প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিকে কাজ না করা

সমাধান — ঘরোয়া হারবাল মিশ্রণ!
একটি সহজ ও কার্যকর রেসিপি:
🌱 তুলসী পাতা – ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে
🧄 রসুন রস – হজমে সাহায্য করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
🟡 হলুদ গুঁড়া – প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক
🌿 নিম পাতা – অন্ত্রের প্যারাসাইট দূর করে

ব্যবহার পদ্ধতি:
একটি লিটার পানিতে উপরের উপাদানগুলো সিদ্ধ করে ছেঁকে নিন। ঠান্ডা হলে দিনে একবার পানির সঙ্গে মিশিয়ে মুরগিকে খাওয়ান।

কেন হারবাল?
✔️ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত
✔️ ওষুধ নিষেধাজ্ঞার সময় নেই — বিক্রির জন্য নিরাপদ
✔️ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে বাড়ে

আপনার খামার হোক প্রাকৃতিক ও লাভজনক!

#হারবালমুরগি #প্রাকৃতিকচিকিৎসা #খামার_সফলতা #কৃষি

ছায়াযুক্ত স্থানে চাষ করা যায়: যেসব জায়গায় পূর্ণ দিন রোদ আসে না, যেমন- বড় গাছের নিচে, সবজির মাচার নিচে এসব জায়গায় ...
29/04/2025

ছায়াযুক্ত স্থানে চাষ করা যায়:

যেসব জায়গায় পূর্ণ দিন রোদ আসে না, যেমন- বড় গাছের নিচে, সবজির মাচার নিচে এসব জায়গায় চাষ উপযোগী কিছু ফসল রয়েছে। এ ফসল গুলো রোদের পাশাপাশি ছায়াতেও ফলন দিয়ে থাকে-

•আদা
•হলুদ
•বারোমাসি মরিচ
•বিভিন্ন কচু/মান কচু
•বিলাতি ধনিয়া
•পুদিনা পাতা
•তুলসি
•গাছ আলু/মেটে আলু
•কলমি শাক
•মিষ্টি আলু শাক
•মিষ্টি পান
•চুইঝাল
•লটকন ফল
•লেবু
•আনারস
কালেকক্টেড ©

#ছায়া_যুক্ত_স্থানের_ফসল #আদা #চুইঝাল #

হাঁস পালনকারীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ মেডিসিন :১। থায়াবিন বি১ বি২ -হাঁসের ঘার বাকা এবং পা প্যারালাইসিস হয়ে যাওয়া থেকে ...
29/04/2025

হাঁস পালনকারীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ মেডিসিন :

১। থায়াবিন বি১ বি২ -হাঁসের ঘার বাকা এবং পা প্যারালাইসিস হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে এই মেডিসিন এবং পাশাপাশি আরো অনেক কাজ করে। প্রতি ১০ দিনে ৩দিন এই ভিটামিন খাওয়াতে পারেন ১ লিটার পানিতে ১গ্রাম

২। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স - হাঁসের ভিটামিন বি যাবতীয় সকল ভিটামিন এর অভাব পুরন করে উল্লেখযোগ্য আমরা যখন চিনা হাঁস কুচে বসাই অনেক সময় দেখা যায় ডিমের ভিতরে চিনা হাঁসের বাচ্চা মারা যায় তাই আপনি যুদি আপনার হাঁসকে এই ভিটামিন খাওয়ান তাহলে বাচ্চার মান ভালো থাকবে এবং খুব সুন্দর ভাবে ডিম থেকে বের হতে অনেক সাহায্যে করে এই ভিটামিন তাই রানিং ডিমের হাঁসকে এই ভিটামিন সপ্তাহে ৩ দিন খাওয়ান।

৩। ক্যালসিয়াম - হাঁসকে সুস্থ রাখতে ক্যালসিয়াম অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে, বিশেষ করে হাঁস থেকে ভালো পরিমান প্রডাকশন পাওয়ার জন্য এই ক্যালসিয়াম ব্যবহার করতে পারে। এবং ডিমের খুশা পাতলা হওয়া ডিম আকাবাকা হওয়া থেকেও সমাধান পাবেন এবং হাঁসের শরীরের ক্যালসিয়াম এর সমস্যা দূর হবে, প্রতি ১ লিটারে ২মিলি দিবেন ১০দিন ৩ দিন দিতে পারেন।

৪। রেনামাইসিন - হাঁস মুরগি সুস্থ রাখতে এই মেডিসিন এর গুরুত্ব অপরিসীম প্রতি ১০ দিনে ৩ দিন দিতে পারেন ১লিটারে ২গ্রাম বাচ্চা হাঁস হলে ১গ্রাম।

৫। পেক্সাসিন -হাঁসের চুনা পায়খানা হলে এই মেডিসিন ব্যবহার করতে পারেন ম্যাজিক এর মত কাজ করে ১ লিটারে ১গ্রাম পাউডার।

৬। ইরোকট - হাঁসের সবুজ পায়খানা হলে/ঠান্ডা লাগলে ইরোকট খাওয়াতে পারেন অনেক ভালো কাজ করে ১লিটারে ১গ্রাম।

৭। ইএসবি৩০ - হাঁসের যদি আমাশয় দেখা দেয় তাহলে এইটা খাওয়ান ১ লিটারে ১গ্রাম।

৮। জিংক - হাঁস খাবার না খেলে মুখে রুচি না থাকলে এবং পালক না গজালে এবং হাঁস বয়স অনুযায়ী না বাড়লে এই মেডিসিন খাওয়ান ১ লিটারে ২মিলি।

৯। এনরোসিন - বাচ্চা হাঁসের ঠান্ডা লাগলে এই মেডিসিন খাওয়াবেন ম্যাজিক এর মত কাজ করবে ১ লিটারে ১ মিলি।

১০। মাইক্রোনিড - বড় হাঁসের ঠান্ডা লাগলে মাথা চোখ ফুলে গেলে এইটা খাওয়ান ১ লিটারে ১গ্রাম।

১১। এসিলিং ভেট - হাঁসের নাক দিয়ে পানি পরলে এসিলিং ভেট খাওয়ান ১ লিটারে ১গ্রাম।

১২। লাইসুভিট - সকাল প্রকার হাঁস মুরগি সুস্থ রাখতে এই মেডিসিন এর কোন বিকল্প নাই প্রতি ১লিটারে ১গ্রাম দিয়ে খাওয়াবেন।

১৩। এভিনেক্স - হাঁসের কৃমি ডোজ করানোর জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন ভালো কাজ করে।

যেই ভুল গুলোর কারনে চিনা হাঁসের বাচ্চা মারা যায়:১। এদের আমরা ব্রুডিং করি না যার কারনে বাচ্চা সঠিক তাপ পায় না এবং ঠান্ডা ...
29/04/2025

যেই ভুল গুলোর কারনে চিনা হাঁসের বাচ্চা মারা যায়:

১। এদের আমরা ব্রুডিং করি না যার কারনে বাচ্চা সঠিক তাপ পায় না এবং ঠান্ডা লেগে যায়, তাই এদের সঠিক ভাবে ব্রুডিং করুন।

২। বাটিতে বা বোলে পানি খেতে দেই যার কারনে বাচ্চা বিজে ঠান্ডা লাগে, বাচ্চাদের পানির পট ব্যবহার করুন।

৩। রাতে যেখানে রাখি সেখানে তাপের ব্যবস্থা থাকে না যেখানে বাচ্চা রাখবেন সেখানে একটা লাল লাইট লাগিয়ে দিবেন।

৪। অনেকেই খুত/ভুষি ভাত এই গুলো দেই যার জন্য বাচ্চা বাড়ে না ওজন কমে মারা যায় তাই এদের ভালো মানের স্টারটার খাবার দিন

৫। ৩০ দিন আগেই এদের পানিতে দিয়ে দেই যার জন্য বেশিরভাগ বাচ্চাই মারা যায় তাই ৩০দিন না হলে পানিতে দিবেন না।

বাচ্চা অবস্থায় নিয়মিত ঠান্ডার ডোজ করান কারন চিনা হাঁসের বাচ্চা মারা যাওয়ার ৯৯% কারন ঠান্ডা তাই এদের ঠান্ডা থেকে রক্ষা করুন।

হাঁস মুরগি পালন সম্পর্কে এরকম আরো তথ্য জানতে আমাদের সাথে থাকুন

ছাগলের ঠিক মত ঘুম না হলে হজম শক্তি নষ্ট হয়, বাসস্থানে এ্যামোনিয়া গ্যাস হলে ঠান্ডা কাশি লেগেই থাকে, মশা মাছি ঘুমের ব্যা...
28/04/2025

ছাগলের ঠিক মত ঘুম না হলে হজম শক্তি নষ্ট হয়, বাসস্থানে এ্যামোনিয়া গ্যাস হলে ঠান্ডা কাশি লেগেই থাকে, মশা মাছি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

ঠিকমত ঘুম না হওয়ার ফলে ছাগলের হজম শক্তি লোপ পাচ্ছে, আর এর ফলে এতো খাবার খাওয়ানোর পরও ছাগলের স্বাস্থ্যের কোন উন্নতি হচ্ছে না।

শুধু ভাবি কৃমি ই সব খেয়ে ফেলছে!
এরপর চলে চিকিৎসা। এটা ভাল দিক কিন্তু মশা মাছি ও যে ছাগলের রক্তশূন্যতা আর ঘুমের ব্যাঘাতের কারণ সেটা আমরা খেয়াল করিনা।

ঠিকমত ঘুম না হওয়ার ফলে ছাগলের হজম শক্তি লোপ পাচ্ছে, আর এর ফলে এতো খাবার খাওয়ানোর পরও ছাগলের স্বাস্থ্যের কোন উন্নতি হচ্ছে না।

শুধু বলি কৃমিনাশক,লিভারটনিক,ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট/ইন্জেকশন ইত্যাদি দেয়া হয়েছে কিন্তু ছাগলের স্বাস্থ্য ভাল হচ্ছে না খাওয়ায় রুচি ও নেই।

কি করা যায়!!
আমি বলবো মশা তাড়ান। প্রশ্ন করেন বয়স হয়ে গেল হিটে আসছে না,কি করা যায়! যার শরীরে রক্ত নেই সেই ছাগল হিটে কি করে আসবে! কিছু হলেই শুধু Ad3E! আমি বলবো আগে মশা তাড়ান এরপর সমস্যার কথা বলেন। মশা তাড়ালে সমস্যা এমনিই দূর হবে ইনশাআল্লাহ।

Livestock mosquito control is so important because animals that are constantly badgered by mosquitoes will not feed properly. It’s not uncommon for cows and goats to provide less milk while cattle, sheep and poultry may suffer weight loss. Mosquitoes transmit viruses that cause encephalitis in horses and myxomatosis in rabbits.

ছাগলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাস। ছাগলকে স্বাস্থ্যবান রাখতে প্রচুর পরিশ্রম ও সুষম খাদ্য প্রয়োজন। ছাগলের জন্য ছায়াযুক্ত জায়গার প্রয়োজন, পর্যাপ্ত আলো বাতাস চলাচল করে এমন বাসস্থানের প্রয়োজন পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিষ্কার পানির প্রয়োজন।

বাহিরের দেশ গুলিতে হে বেশি খাওয়ানো হয়ে থাকে তাই পানির প্রয়োজন বেশি থাকে বাংলাদেশে ভারত পাকিস্তানে ঘাসের প্রচলন বেশি ঘাসের থেকে পানির চাহিদা পূরণ হয়ে থাকে অনেকটাই পাশাপাশি আমরা বাড়তি পানি খেতে দেই।

স্টল ফিডিং পদ্ধতিতে ছাগল পালন এ সব চেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ছাগলের বাসস্থান, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা যায় না তাছাড়া অ্যামোনিয়া গ্যাস অনেক ক্ষতি করে।

দুর্গন্ধযুক্ত বাসস্থানে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেশি তৈরি হয়ে থাকে তাতে ছাগলের নাকে জ্বালাময়ী আক্রমণ করে তাতে ছাগলের ঠিক মত ঘুম হয়না, ঘুম না হলে ছাগলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে না, ঠান্ডা কাশি লেগেই থাকে, চোখ দিয়ে পানি বের হয় এটা দেখা যায় ঠান্ডা আবহাওয়ায় বেশি।

অ্যামোনিয়া গ্যাস থেকে ঠান্ডা কাশির সুত্রপাত সেটা একটি সময়ে নিউমোনিয়ায় রুপ ধারণ করে নিউমোনিয়া আক্রান্ত হলে ২৫+ পার্সেন্ট ছাগলের মৃত্যু হয় বাচ্চার মৃত্যুর হার আরো বেশি।

মাটিতে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেশি তৈরি হয়
মাটির উপর মাচা করলে সর্বনিম্ন ৩৬ ইঞ্চি উচ্চতায় মাচা রাখা উচিত এবং আলো বাতাস চলাচল করতে পারে সেদিকে লক্ষ রাখা উচিত।

ঠান্ডার সময় দেখা যায় অনেকেই বেড়াতে পলিথিন ত্রিপল ইউজ করেন তার কারণে ভেতরে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেশি তৈরি হয়ে থাকে।

বাসস্থান তৈরি করা থাকলে ছাগলের প্রস্রাব সাথে সাথে ড্রেনেজ হয়ে যায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন, এবং খাদ্যে প্রোটিন পার্সেন্ট সঠিক রাখবেন।

ফল গাছে সার প্রয়োগ: সঠিক সময় ও পদ্ধতিফল গাছে সঠিক সময়ে এবং পদ্ধতিতে সার দিলে গাছ সুস্থ থাকে ও ফলন বেশি হয়। নিচে বিস্তারি...
28/04/2025

ফল গাছে সার প্রয়োগ: সঠিক সময় ও পদ্ধতি

ফল গাছে সঠিক সময়ে এবং পদ্ধতিতে সার দিলে গাছ সুস্থ থাকে ও ফলন বেশি হয়। নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:

---

সার দেওয়ার উপযুক্ত সময়:

১. বর্ষা শুরু হওয়ার আগে (বৃষ্টির মৌসুমের আগে): সাধারণত মে-জুন মাসে। বর্ষার জল সারকে মাটির গভীরে পৌছে দেয়।

২. শীত শেষে (ফুল আসার আগে): ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে, গাছে নতুন কুঁড়ি ও ফুল আসার ঠিক আগে।

৩. ফল সংগ্রহের পরে (ফল তোলার পর): গাছ তখন দুর্বল থাকে, তাই সার দিয়ে গাছকে পুনরায় শক্তিশালী করা হয়।

---

সার দেওয়ার পদ্ধতি:

১. গোড়ার চারপাশে গর্ত বা নালা করে:

গাছের ছায়ার (ড্রিপ লাইন) ঠিক নিচে গোল বা অর্ধচন্দ্রাকৃতি গর্ত করুন।

সার সেই গর্তে দিয়ে মাটি দিয়ে ঢেকে দিন।

২. সার মিশ্রণ (মিশ্র সার):

গোবর সার বা কম্পোস্ট (প্রতি গাছে ১০-২০ কেজি)

রাসায়নিক সার:

ইউরিয়া: ২৫০-৫০০ গ্রাম (গাছের বয়স ও আকার অনুযায়ী)

টিএসপি: ২০০-৩০০ গ্রাম

এমওপি: ১৫০-২৫০ গ্রাম

৩. জৈব সার ও ভার্মি কম্পোস্ট:
মাটির স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত জৈব সার ব্যবহার করা উচিত।

৪. ফলন্ত গাছে পাতায় স্প্রে করা (ফোলিয়ার স্প্রে):

জিংক, বোরন, ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খনিজ সার জল মিশিয়ে পাতায় স্প্রে করতে পারেন, বিশেষ করে ফুল আসার সময়।

---

অতিরিক্ত পরামর্শ:

সার দেওয়ার পরে অবশ্যই পর্যাপ্ত জল দিতে হবে।

একবারে বেশি সার না দিয়ে দুই-তিন ভাগে ভাগ করে দিন।

মাটির pH পরীক্ষা করে প্রয়োজন হলে চুন (লাইম) প্রয়োগ করুন।

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বপ্নের মেঘবাড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to স্বপ্নের মেঘবাড়ি:

Shortcuts

Share

Category