Rejoyana Rifa - রেজওয়ানা রিফা

Rejoyana Rifa - রেজওয়ানা রিফা ➥┄নিজের নিঃসঙ্গতা কে সঙ্গীতে রূপান্তরিত করার প্রচেষ্টা।┉🫶

11/12/2025

❤️

#গল্পফ্যাক্ট #নূরে_জাহান

 #নূরে_জাহান #রেজওয়ানা_রিফা #পর্ব_০৮বাড়ির পেছন দিকের  পুকুরঘাট এই খান দিয়ে  গ্রামের মসজিদে যাওয়া যায়।রাস্তা তখন বিক...
01/12/2025

#নূরে_জাহান
#রেজওয়ানা_রিফা
#পর্ব_০৮

বাড়ির পেছন দিকের পুকুরঘাট এই খান দিয়ে গ্রামের মসজিদে যাওয়া যায়।রাস্তা তখন বিকেলের শেষ আলো পড়ছে। নূর প্রতিদিনের মতোই সেখানে বসে বই পড়ে।
আজও বই হাতে বসে আছে, তবে মনটা কোথাও অন্যখানে।

হঠাৎ পাশ থেকে কারও কণ্ঠ শুনল—

“এইযে শুনছেন? এই রাস্তাটা কি মসজিদের দিকে যায়?”

নূর চমকে তাকাল।
অপরিচিত এক সুদর্শন তরুণ দাঁড়িয়ে আছে সামনে—
সাদা পাঞ্জাবি, গাঢ় কালো চোখ।মায়াবী কন্ঠ
তার চেহারায় শান্ত একটা দীপ্তি।

নূর বলল,
“জ্বি, সোজা সামনে গিয়ে বাঁ দিকে গেলেই পাবেন।”

তরুণ হালকা মাথা নত করে বলল,
“ধন্যবাদ। আমি এই এলাকায় নতুন তাই আর কি…।”

এর পর দু’জনের হাসির বিনিময়ে যেন বাতাসে এক অদ্ভুত উষ্ণতা ছড়াল।
আহান চলে গেল, কিন্তু নূরের চোখ তার পেছনটা অনুসরণ করল অনেকক্ষণ।

---

পরদিন বিকেলে গ্রামের পাঠাগার থেকে ফেরার পথে নূর আবার দেখল আহানকে।

সে মসজিদের সামনের মাঠে বসে কিছু ছোট ছেলেদের পড়া শেখাচ্ছে।
শিশুরা তার চারপাশে বসে মন দিয়ে শুনছে।
নূর দাঁড়িয়ে দেখল— আহানের কণ্ঠে এক অদ্ভুত শান্তি,
যেন তার কথার মধ্যে কোনো আলো লুকানো আছে।

সেদিন থেকেই তাদের দেখা হতে লাগল প্রায় দু এক দিন পর পরই।
কখনো বাজারে, কখনো মসজিদের পাশে, কখনো গ্রামীণ পাঠাগারে।
প্রথমে কথাগুলো ছিল সাধারণ—
বই, পড়াশোনা, জীবন, আর আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে ভাবনা।
কিন্তু অজান্তেই তাদের কথার ভেতর মিশে গেল মমতা,
আর এক অজানা টান।

---

একদিন বিকেলে বৃষ্টি পড়ছে ঝিরঝির করে।
নূর ছাতা হাতে পুকুরঘাটে দাঁড়িয়ে।
আহান এল হালকা ভিজে গায়ে।
তাঁকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আহান বলল,
“বৃষ্টি ভয় লাগে না আপনার.?

নূর হেসে বলল,
“ভয় না, বরং শান্তি লাগে।”

আহান মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে রইল তার দিকে—
তার চোখে যেন পুরো আকাশটা জমে আছে।

কিছুক্ষণ নীরবতা,
তারপর আহান ধীরে বলল— "আপনি কিছু মনে না করলে আমরা কি একটু হাঁটতে পারি.?"

বৃষ্টি থেমে গেলে দু’জন পাশাপাশি হাঁটল গ্রামের সরু রাস্তায়। তবে কারো মুখে কোনো কথা নেই।তারা দু'জন ই দু'জনার প্রতি এক অদৃশ্য মায়ার বাঁধনে একটা পড়েছে।

বস্তুত তারা কেউ জানে না,
তাদের এই অচেনা পরিচয়—
আসলে অনেক আগেই আল্লাহর লেখা এক সম্পর্কের শুরু।

---

#চলবে…

 #নূরে_জাহান #রেজওয়ানা_রিফা #পর্ব_০৭সন্ধ্যার আকাশে তখন মাগরিবের আজানের ধ্বনি ভেসে আসছে।নূর বারান্দায় বসে খাতায় কিছু ল...
29/11/2025

#নূরে_জাহান
#রেজওয়ানা_রিফা
#পর্ব_০৭

সন্ধ্যার আকাশে তখন মাগরিবের আজানের ধ্বনি ভেসে আসছে।
নূর বারান্দায় বসে খাতায় কিছু লিখছিল—
মা ডাকলেন,
“নূর, নামাজের ওয়াক্ত হয়েছে মা, উঠে নামাজটা পড়ে নে।”

“আচ্ছা মা আসছি।”
বলেই খাতাটা বন্ধ করে সে উঠে পড়ল।

নামাজ শেষে জানালার পাশে বসে সে একদৃষ্টে আকাশের দিকে তাকিয়ে রইল।
পুকুরঘাটের জলে পরা শেষ রোদের আলোটা যেন ঠিক তার মনের মতো—
নরম, শান্ত, অথচ প্রশ্নে ভরা।

নূরের মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে কিছু দিন হলো এখন আর বিশ্ব বিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তার ছোট্ট বোন মেহের পাশে ঘুমিয়ে আছে। তারা দুই বোন এক ঘরেই ঘুমায়। তাদের মাঝে যত টাই মিল তত টাই ঝ'গ'ড়া
হয়।

---

পরদিন সকালে নূর দেখে—
বাবা কারও সঙ্গে কথা বলছেন গেটের পাশে। নূরের সময় না থাকায় সে বিষয়ে টায় অত গুরত্ব না দিয়ে নিজের কাজে বেস্ত হয়ে পড়ল।

সাদা পাঞ্জাবি পরা এক ভদ্রলোক, হাতে ফাইল।

“ইউসুফ ভাই, এ চিঠিটা সৌদি থেকে পাঠানো, হামিদ ভাই দিয়েছেন,”
লোকটা বলে খামটা এগিয়ে দিল।

বাবা অবাক হয়ে চিঠিটা হাতে নিলেন।
“আরো চিঠি?”

বিকেলে সবাই বসে আবার চিঠিটা খুললেন।
চিঠিতে লেখা—

---

> “প্রিয় চাচা ইউসুফ,

আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমি আহান। আব্বু প্রায়ই আপনার কথা বলেন।

আব্বুর শরীর টা বেশ ভালো না তাই কিছু দিন পর আমারা দেশে ফিরছি। আব্বু আপনাকে এই সংবাদ আপনাকে দিতে বলায় চিঠি লিখলাম।
ইনশা আল্লাহ, আল্লাহ চাইলে একদিন দেখা হবে,
ততদিন দোয়ায় রাখবেন।আল্লাহ হাফেজ।

— আহান হামিদ”


---

চিঠিটা পড়ে ঘরে এক নিস্তব্ধতা নেমে এলো।
নূরের বাবা কিছুটা চিন্তিত হলেন তার প্রিয় বন্ধু অসুস্থ শুনে। বাড়ির সবার মাঝে চিন্তার ছাপ স্পষ্ট।

রাতটা সে আবার জানালার পাশে কাটালো।
চাঁদের আলো ঠিক তার মুখে পড়ছে।
আজ কেনো জানি নূরের কিছু ভালো লাগছে না।

দূর আকাশের তারাগুলোও যেন নীরবে।

#চলবে…

 #নূরে_জাহান #রেজওয়ানা_রিফা #পর্ব_০৬ সময় থেমে থাকে না।নূরের জন্মের পর কেটে গেছে নয়টি বছর।ছোট্ট সেই মেয়েটা এখন পনেরো ...
25/10/2025

#নূরে_জাহান
#রেজওয়ানা_রিফা
#পর্ব_০৬

সময় থেমে থাকে না।
নূরের জন্মের পর কেটে গেছে নয়টি বছর।
ছোট্ট সেই মেয়েটা এখন পনেরো বছর বয়সী । সে এখন মাধ্যমিক শিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এই নয় বছরে কেটে গেছে অনেক সময়।নূরের ছোট চাচা আরাফ আলী খানের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তার ঘরে রয়েছে একটি চার বছরের ছোট্ট ছেলে সন্তান।তার নাম রিজুওয়ান আলী খান। শুধু তাই নয় এখন নুরেরও ও রয়েছে দুই বছর বয়সী একটি ছোট্ট মিষ্টি বোন। নাম তার মেহেরিন জাহান।তবে সকলে তাকে মেহের বলেই ডাকে। পুরো জাহান বাড়ি এখন এই তিনজনের হাসি কান্নায় এর মধ্যে যেন আনন্দমুখো পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে।

একদিন সকালে আজানের ধ্বনি ভেসে এলেই নূরের ঘুম ভাঙে,
ফজরের নামাজ শেষ করে সে পড়তে বসে।
এক সময় সে স্কুল এ যাওয়ার সময় বই-খাতা গুছানোর সময় সময় তার মা তাঁকে ডাকে—
“নূর, আজ তো মঙ্গলবার, বাংলা বইটা নিয়ে যাস। তুই তো আমার খুবই মন ভোলা মেয়ে। কিছু বলে না দিলে তো মনেই থাকে না।”

–“আচ্ছা মা নিয়েছি” বলে যে বেরিয়ে গেলো।

চুলে দুটি বেনি, কাঁধে লাল ফিতা, আর মুখে চিরচেনা মিষ্টি হাসি—
পুরো গ্রামই যেন এই হাসির জন্য অপেক্ষা করে থাকে।
নূর মানেই প্রাণ, নূর মানেই আলো।

এইদিকে ইউসুফ আলী খান প্রতিদিনের মতো কাজ সামলাতে উঠোনে বেরিয়েছেন।
হঠাৎ বিকেলের দিকে ডাকপিয়ন এলো হাতে একটি খাম নিয়ে।
চিঠির ওপরে লেখা—
“হামিদুর রহমান, জেদ্দা, সৌদি আরব।”

ইউসুফ আলী খান একটু অবাক হলেন।
বন্ধুর সঙ্গে শেষ দেখা সেই বছর, যখন নূর ছয় বছরের ছিল।
তারপর থেকে কেবল দোয়া, মনে পড়া, আর দূরের নীরবতা।

চিঠি খুলতেই পরিচিত হাতের লেখা—

---

> “প্রিয় বন্ধু ইউসুফ,

প্রিয় বন্ধু কেমন আছিস? দূর দেশ থেকেও তোর কথা ভুলিনি কখনো।
আল্লাহর কৃপায় আমি ভালো আছি। তোদের দোয়া ও আল্লাহ তায়ালার রহমতে ব্যবসা এখন আগের চেয়ে বড় হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ, জীবন সুন্দরভাবে চলছে।

তোর সাথে শেষ দেখা হওয়ার পর সেই রাতেই আমি সৌদি ফিরে আসি।একটা জরুরী কাজ পরে গিয়েছিল তাই

তারপর একদিন ভাবলাম— তোর সেই প্রতিশ্রুতির কথা মনে রাখি কি না!
তখন আমার ছেলে আহান হামিদ ছিল কিশোর বয়সের দোরগোড়ায়।
এখন ওর বয়স প্রায় উনিশ।
আল্লাহর রহমতে বুদ্ধিমান, শিক্ষিত ও দয়ালু স্বভাবের ছেলে।
ব্যবসার কাজে আমাকে প্রায়ই সাহায্য করে, কুরআন পড়তে ভালোবাসে,
আর নামাজ-কুরআনে অগাধ মনোযোগ।

আমি ভাবি, যদি আল্লাহ চায়,
ভবিষ্যতে তোর নূর আর আমার আহান—
এই দুই আলো একসাথে জীবনের পথে হাঁটবে।
তুই জানিস, আমি চাকুরে নই,
নিজের পরিশ্রমে সৌদিতে ছোট একটা দোকান থেকে শুরু করে আজ বড় ব্যবসা গড়েছি।
এখন আল্লাহর দেওয়া সম্পদ আর সন্তানেরা নিয়ে পরম শান্তিতে আছি।

দোয়া করিস, যেন আল্লাহ আমাদের এই বন্ধুত্বটাকে বংশ পরম্পরায় টিকিয়ে রাখেন।
তোর নূরের জন্য অনেক দোয়া রইল।
আল্লাহ ওকে হিফাজতে রাখুন, সে একদিন এই পৃথিবীতে নামের মতোই আলো ছড়াক।ও এখন তোর কাছে রাখা আমার এক গচ্ছিত সম্পদ। ওকে দেখে রাখিস ওর ঠিক মতো যত্ন নিস।বাড়ির বড় দের আমার সালাম দিস আর ছোটদের স্নেহ।

—তোর,
হামিদুর রহমান”

---

চিঠি পড়ে ইউসুফ আলী খান দীর্ঘক্ষণ চুপ করে রইলেন।
দাদি সুফিয়া জাহান চিঠি হাতে নিয়ে বারবার পড়লেন।
চোখে হালকা জল আর ঠোঁটে মৃদু হাসি।

“দেখো তো বাবা,” তিনি বললেন,
“তোর বন্ধুর মন কত পবিত্র। এখনো সেই প্রতিশ্রুতি মনে রেখেছে।”

নূর তখন ছোট ভাই বোনদের সাথে খুনসুটি করতে করতে ওখানে বেরিয়ে আসলো। তাকে দেখে তার দাদি বলে উঠলেন
“নূর, তোমার সৌদি চাচা আবার চিঠি পাঠিয়েছে।”

নূর বলে উঠল –“কেমন আছেন তারা.?”

বাবা বললেন–“ আলহামদুলিল্লাহ মা ভালো আছেন।”

তবে সারাদিন বাড়িতে মা ও চাচী মিলে আহানের সম্পর্কে কথা বলতে লাগলেন।কিন্তু কে এই আহান.? তা নূর জানে না। তবে নামটা শুনে কেমন জানি লাগছে একটা অন্য রকম লাগছে নূরের।

বিকেলের সোনালী রোদে পুকুরঘাটের জলে নূরের মুখ পড়ে,
সে তখনও ভেবে যাচ্ছে কে এই আহান.? তাঁকে নিয়ে কেনো অত আলোচনা হচ্ছে জাহান মঞ্জিলে .?

#চলবে…

 #নূরে_জাহান #রেজওয়ানা_রিফা #পর্ব_০৫সেদিন বিকেলে জাহান মঞ্জিলের উঠোনে হালকা রোদের ছায়া পড়েছে। বাতাসে কাঁঠালপাতার গন্ধ...
22/10/2025

#নূরে_জাহান
#রেজওয়ানা_রিফা
#পর্ব_০৫

সেদিন বিকেলে জাহান মঞ্জিলের উঠোনে হালকা রোদের ছায়া পড়েছে। বাতাসে কাঁঠালপাতার গন্ধ, কোথাও দূরে বউরানির হাঁক শোনা যায়। নূর লাল ফ্রক পরে পুতুল নিয়ে খেলছে দাদার পায়ের কাছে। ছোট্ট মুখে হাসি, চোখে আলো—যেন তার চারপাশের পৃথিবীটাও নূরের মতো সরল।

ঠিক সেই সময়ে বাড়ির ফটকে থামলো এক জিপ। অনেকদিন পর ফিরে এসেছেন ইউসুফ আলী খানের শৈশবের বন্ধু হামিদ রহমান।

দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তিনি সৌদি আরবে নিজের ব্যবসা করেন—খেজুর, পারফিউম আর গিফট আইটেমের বড় দোকান তার জেদ্দায়। এক কথায় বলা যায় সফল ব্যবসায়ী। গ্রামেও তাদের ব্যবসা বাণিজ্য আছে যেগুলো তার ভাইরা দেখাশোনা করেন।

ইউসুফ আলী খান ছুটে গিয়ে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরলেন—
“হামিদ! তুই এলি রে! কবে ফিরলি?”
হামিদ হেসে বললেন,
“তোরে না দেখে মন টিকছিল না বন্ধু।খুব মনে পড়ছিল গ্রামের বাড়ির কথা। ভাবলাম, একটু সময় পেলে পুরনো বাড়িটা দেখি, তোদের দেখি।”

বাড়ির উঠোনে দাওয়াতের মতো বসে পড়লো দুজনের গল্প। দুধ–চা, মুড়ি, কলা, আর হাসির ফোয়ারা। পুরনো দিনের কথা, স্কুলের গল্প, মাঠে বল খেলা—সব যেন নতুন করে ফিরে এল।

এমন সময় দৌড়ে এলো ছোট্ট নূর। হাতে কাঠের পুতুল, মুখে মিষ্টি হাসি। সে দাদার পাশে বসে পুতুলের চুল আঁচড়াচ্ছে।
হামিদুর তাকিয়ে রইলেন কিছুক্ষণ, তারপর আস্তে বললেন—
“এই মেয়েটা কি তোর?”

ইউসুফ গর্বভরে হেসে বললেন—
“হ্যাঁ, আমার নূরে জাহান। এখন ছয় বছর বয়স। পুরো বাড়িটা ওর হাসিতেই বেঁচে আছে।”

হামিদের মুখে নরম হাসি ফুটল।
ইউসুফ নূরকে ডেকে বললেন,
“আয় মা, এই চাচাকে সালাম কর।”
নূর মিষ্টি গলায় বলল, “আসসালামু আলাইকুম চাচা।”

সেই কণ্ঠ শুনে হামিদ রহমানের চোখে এক অদ্ভুত কোমলতা ফুটে উঠলো। শিশুর নিষ্পাপ মুখটা যেন তার মনে স্থায়ী দাগ ফেলে গেল।

ইউসুফ তার পরিবারের সবাই কেমন আছেন তার ব্যবসার বর্তমান অবস্থায় বা কি তা জানতে চাইলেন।

হামিদ বলতে লাগলেন—
“তোকে আমি শুধু বন্ধু বলি না, তুই আমার ভাইয়ের মতো। আমি সৌদিতে এখন নিজের ব্যবসা চালাই, আলহামদুলিল্লাহ ভালোই আছি। আল্লাহর রহমতে দুই এক ছেলে নিয়ে ভালো কাটছে আমার দিন।জানিস এত দিন তো শুধু ছেলের বাবা ছিলাম তবে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমার ঘরে এক মেয়ে দিয়েছেন, তিন মাস হলো জন্মেছে।”
এই সব বলেই হামিদ রহমান খুশিতে গদগদ করতে লাগলেন।

ইউসুফ শুনে একটু অভিমানের সুরেই বলল, “ কি তোর মেয়ে হয়েছে..? মাশা আল্লাহ। তবে তুই এতোই স্বার্থপর যে একবারও খবর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করলি না। যা আর কথা বলতে হবে না আমার সাথে।”

হামিদ রহমান হেসে বললেন “ যা বেটা স্বার্থপর কি শুধু আমি একা?? তুই এত স্বার্থপর।তুই নিজেও মেয়ের বাবা হয়েছিস সেটা তো আমাকে জানাস নি। একদম ৬ বছর পর মেয়ে ডেকে বলছিস এটা আমার মেয়ে।”
এই সব খুনসুটি করতে করতে দুই বন্ধু আনন্দে মেতে উঠলো।

তবে সহসা হামিদ রহমান বলে উঠলেন “ শোন ইউসুফ তুই যদি কিছু মনে না করিস একটা কথা বলি..?”
“-হ্যাঁ বল না.।”

“-তোর মেয়ে নূরের সাথে আমি আমার বড় ছেলের বিয়ে দিতে চাই। তারা যখন বড় হবে তখন আমরা তাদের বিয়ে দিব। আমাদের বন্ধুত্ব সম্পর্কটা আরো গাঢ় হবে। তুই কি বলিস.?”

ইউসুফ প্রথমে কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর মৃদু হেসে বললেন—
“এত ছোট বাচ্চা নিয়ে এখনই এমন কথা ভাবছিস?”

হামিদুর হেসে বললেন,
“বন্ধু, আজ যা মনে হয়েছে, সেটা আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া হয় না। তোর মেয়ের মুখে আমি যে আলো দেখেছি, সেটা সাধারণ নয়। তোর ইচ্ছে থাকলে আজই এই প্রতিশ্রুতি থাক।”

ইউসুফ আলী খান কিছুক্ষণ ভাবলেন, তারপর বন্ধুর কাঁধে হাত রেখে বললেন—
“তুই আমার প্রাণের বন্ধু, তোর ইচ্ছা আমার কাছে দোয়ার মতো। দেখা যাক, ভবিষ্যতে আল্লাহ কী ঠিক করে রাখেন।”

নূর তখন কিছুই বোঝে না। সে শুধু পুতুলকে কোলে নিয়ে হাসছে, মাঝে মাঝে বলে উঠছে—
“চাচা, আমার পুতুলেরও বিয়ে হবে!”

দুজন বন্ধুর চোখে একরাশ আনন্দ, কিন্তু সেই হাসির নিচে ভাগ্যের এক নতুন গল্পের শুরু হয়ে গেল—
একটি ছোট প্রতিশ্রুতির, যা একদিন নূরের জীবনের রঙ বদলে দেবে…

#চলবে…

 #নূরে_জাহান #রেজওয়ানা_রিফা #পর্ব_০৪নূরের বয়স তখন সাতের কোঠায়। গ্রামে তখনও প্রাইমারি স্কুল ছিলো কাঁচা ইট-সিমেন্ট আর ট...
21/10/2025

#নূরে_জাহান
#রেজওয়ানা_রিফা
#পর্ব_০৪

নূরের বয়স তখন সাতের কোঠায়। গ্রামে তখনও প্রাইমারি স্কুল ছিলো কাঁচা ইট-সিমেন্ট আর টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি ছোট্ট একটা দালান। স্কুলের মাঠে বটগাছ দাঁড়িয়ে ছিলো মাথা উঁচু করে, সেই গাছের ছায়াতেই প্রতিদিন গ্রামের ছেলে-মেয়েরা খেলতো।

নূরও এখন স্কুলে যায়। হাতে কাপড়ের ব্যাগ, ভেতরে খাতাপত্র আর কাঠের পেন্সিল বাক্স। মা নিজ হাতে তার চুল আঁচড়ে বেণী করে দেন, লাল ফিতায় বাঁধা থাকে চুলের আগা। দাদার কড়া নির্দেশ—নূর স্কুলে যাবে, শিখবে, কারণ শিক্ষা হলো মানুষের আসল গর্ব।

স্কুলের মাঠে নূরের সাথীরা তাকে ঘিরে রাখে। কেউ বল খেলার জন্য ডাকে, কেউ লুকোচুরি খেলার জন্য। নূর হাসিমুখে সবার সঙ্গে মিশে যায়। তার সরলতা আর দুষ্টুমি দেখে গ্রামের সবাই তাকে আরও ভালোবাসতে শুরু করে।

বড় বাড়ির মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও তাঁর মাঝে বিন্দু মাত্র অহংকার নেই।তাই নূর সবার প্রিয়।
কিন্তু সুখের মাঝেই আবার ছায়া নেমে এলো।

একদিন স্কুল শেষে নূর যখন বাড়ি ফিরছিল, তখন রাস্তার ধারে দাঁড়ানো কিছু লোককে ফিসফিস করতে দেখল চাচা আরাফ। তারা গ্রামের প্রভাবশালী হোসেন মিয়ার লোক। আরাফ লুকিয়ে তাদের কথা শুনল—

—“এই মেয়েটার কারণে সবাই জাহান বাড়ির দিকে তাকাচ্ছে।”
—“ওকে যদি কোনোদিন… সরিয়ে দেওয়া যায়, তবে বুঝবি বংশের আলো কেমন করে নিভে যায়।”

এই কথা শুনে আরাফের বুক কেঁপে উঠল। তিনি জানতেন, ঈর্ষা আর হিংসার আগুন এখন শুধু কথায় থেমে নেই, কাজেও রূপ নিতে পারে।

বাড়িতে ফিরে আরাফ সব খুলে বলল দাদা আকবর আলী খানকে। দাদার চোখ লাল হয়ে উঠল। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বললেন—
“নূর শুধু আমাদের সন্তান নয়, সে আমাদের ভবিষ্যৎ। যে-ই হোক, তাকে আঘাত করার সাহস কেউ পাবে না। আমি নিজের জীবন দিয়ে হলেও নূরকে রক্ষা করব।”

সেই দিন থেকেই নূরের নিরাপত্তা আরও কঠোর হলো। স্কুলে যাওয়া-আসা, উঠোনে খেলা—সব জায়গায় কেউ না কেউ তার সঙ্গে থাকত। মা প্রতিদিন আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন, যেন তার মেয়েকে সব অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন।

কিন্তু গ্রামের বাতাসে যে অশুভ ষড়যন্ত্র ঘনীভূত হচ্ছিল, তা যেন দিনের পর দিন আরও গাঢ় হয়ে উঠছিল।

নূর এখনও কিছুই জানে না—সে তো শুধু হাসতে জানে, খেলতে জানে, বইয়ের অক্ষর চিনতে জানে। কিন্তু তার অজান্তেই তৈরি হচ্ছিল এক নতুন অধ্যায়ের শুরু…

#চলবে…

24/09/2025

আজকের তারিখ টা দারুন
চব্বিশ নয় পঁচিশ ☺️

 #নূরে_জাহান #রেজওয়ানা_রিফা #পর্ব_০৩নূরের বয়স তখন প্রায় পাঁচ বছর। ছোট্ট কণ্ঠে অ, আ, ক, খ শিখতে শিখতে সবাইকে মাতিয়ে র...
22/09/2025

#নূরে_জাহান
#রেজওয়ানা_রিফা
#পর্ব_০৩

নূরের বয়স তখন প্রায় পাঁচ বছর। ছোট্ট কণ্ঠে অ, আ, ক, খ শিখতে শিখতে সবাইকে মাতিয়ে রাখতো সে। সকালবেলা উঠোন ভরে দৌড়াদৌড়ি, দুপুরে মায়ের আঁচল ধরে মিষ্টি খাওয়ার জেদ, আর সন্ধ্যায় চাচার কোলে বসে গল্প শোনা—এসবেই ভরে উঠেছিল তার শৈশব।

চাচা আরাফ প্রতিদিন নতুন নতুন গল্প বানিয়ে তাকে শোনাতেন। কখনো রাজকন্যার গল্প, কখনো পরীর জাদুর ছড়ি—নূর গল্প শুনতে শুনতে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকতো। দাদার কোলে শুয়ে থেকে গল্প শুনতে শুনতেই একসময় ঘুমিয়ে পড়তো সে। দাদি সুফিয়া জাহান বলতেন—
“আমার নূর শুধু আমাদের নয়, পুরো বংশের গর্ব হবে।”

বাড়ির সবার স্নেহের মাঝেও নূরের ছিল ভিন্ন রকম দুষ্টুমি। মুরগির পেছনে দৌড়ে ডিম ভাঙা, গোয়ালের গরুকে কাঁটা ঘাস খাওয়ানোর চেষ্টা, আবার কখনো বাবার কাগজ-কলম নিয়ে আঁকিবুকি—এসব করে সে সবার মুখে হাসি ফুটাতো।

গ্রামের মানুষও নূরকে ভীষণ ভালোবাসতো। কেউ ডেকে বললে দৌড়ে ছুটে যেতো, কেউ মিষ্টি দিলে হাততালি দিতো। ধীরে ধীরে পুরো গ্রামেই সে হয়ে উঠলো সবার প্রিয়।

কিন্তু এত সুখের মাঝেও অজানা এক অশুভ ছায়া ধীরে ধীরে ঘনিয়ে আসছিল। গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী পরিবার জাহান মঞ্জিলের এত সুখ দেখতে পারছিল না। নূরের প্রতি সবার অগাধ ভালোবাসা আর জাহান বাড়ির ঐশ্বর্য সহ্য হচ্ছিল না। তাদের চোখে ঈর্ষার আগুন জ্বলছিল প্রতিনিয়ত।

একদিন দুপুরে বাড়ির সবাই ভীষণ ব্যস্ত। দাদি নূরকে উঠোনে খেলতে দিয়ে রান্নাঘরে চলে গেলেন। মা উম্মে কুলসুম ঘরের ভেতর কাজ করছিলেন। হঠাৎ কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা গেল, নূর নেই!

আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লো সবার মধ্যে।
—“নূর কোথায় গেল?”
—“উঠোনে তো ছিলো!”
—“কোথায় গেল বাচ্চাটা?”

বাবা ইউসুফ আলী খান তড়িঘড়ি করে বাইরে ছুটলেন, চাচা আরাফ পাগলের মতো দৌড়াতে লাগলেন গ্রামের সব গলি-ঘুপচিতে। মা কেঁদে বুক চাপড়াতে লাগলেন। দাদি হাত তুলে আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে দোয়া করতে লাগলেন—
“হে আল্লাহ, আমার নাতনিকে ফিরিয়ে দাও।”

গ্রামের শেষের দিকে এক লোক দৌঁড়ে এলো জাহান মঞ্জিলের দিকে। বাঁশবনের ভেতর থেকে ভেসে আসছে এক বাচ্চার কান্নার শব্দ। বাড়ির সবাই শুনে খুবই ভীত হলো। কোনো কিছু না ভেবে সবাই ছুটে গেলোদেখার জন্য।

—সেখানে গিয়ে দেখা গেল—নূর মাটিতে বসে কাঁদছে, তার হাতে ধরা লাল বেলুনটা ছিঁড়ে গেছে। মুখমণ্ডল ভয়ে কেঁপে উঠছে। পাশে কেউ নেই, তবে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল ।

—আসে পাশে কেউ নেই। তবে কার সাথে নূর এলো এইখানে সেটাই ভাবার বিষয়। তবে এটা নিশ্চিত যে কেউ ওকে ভয় দেখিয়ে এখানে ফেলে গেছে।

নূরকে দেখে সবাই হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো। মা তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। চাচা আরাফ রাগে কাঁপছিলেন—
“কে এমনটা করতে পারে? কে আমার নূরকে ভয় দেখালো?”

দাদা আকবর আলী খান চারপাশটা দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে দেখলেন। তিনি নিশ্চুপ ছিলেন, কিন্তু তার চোখেমুখে উদ্বেগ স্পষ্ট। ভেতরে ভেতরে তিনি বুঝতে পারলেন—এটা কেবল শিশুসুলভ ঘটনা নয়। গ্রামের কারও ঈর্ষা, কারও হিংসার কারণেই আজ নূরকে ভয় দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সেই রাতেই দাদা সিদ্ধান্ত নিলেন—
“আজ থেকে নূর আর কখনো একা বাইরে থাকবে না। সে কেবল আমাদের সন্তান নয়, সে আমাদের বংশের ভবিষ্যৎ, আমাদের গর্ব, আমাদের আলো। তাকে রক্ষা করতেই হবে, যেকোনো মূল্যে।”

কিন্তু তখনও কেউ জানতো না, এই ঘটনার মাধ্যমেই শুরু হলো নূরের জীবনের নতুন অধ্যায়—যেখানে ভালোবাসার সঙ্গে সঙ্গে লুকিয়ে থাকবে ঈর্ষা, ষড়যন্ত্র আর অজানা ঝড়ের ইঙ্গিত…

#চলবে…....

 #নূরে_জাহান #রেজওয়ানা_রিফা #পর্ব_০২ধীরে ধীরে বড় হতে লাগলো নূরে জাহান। তবে পরিবারের সবার মুখে ডাকনাম ছিলো একটাই—নূর।না...
16/09/2025

#নূরে_জাহান
#রেজওয়ানা_রিফা
#পর্ব_০২

ধীরে ধীরে বড় হতে লাগলো নূরে জাহান। তবে পরিবারের সবার মুখে ডাকনাম ছিলো একটাই—নূর।
নামটির মতোই সে যেন আলো ছড়াতো সবার জীবনে।

যেদিন থেকে নূর হাঁটতে শিখলো, সেদিন থেকেই জাহান বাড়ির উঠোনে শুরু হলো নতুন উৎসব। টলমল পায়ে হেঁটে হঠাৎ পড়ে গিয়ে হেসে ওঠা, মাটিতে বসে কাদামাটি নিয়ে খেলা, ছোট্ট হাত দিয়ে পাখি ধরার চেষ্টা—এসবেই যেন নতুন প্রাণ ফিরে এলো পরিবারে। তার খিলখিল হাসি ছিলো সবার ক্লান্তি দূর করার একমাত্র ওষুধ।

দাদি সুফিয়া জাহান নাতনিকে বুকে নিয়ে প্রায়ই বলতেন—
“আমার নূর এই বাড়ির নয়, পুরো বংশের গর্ব হবে।”

বাবা ইউসুফ আলী খান সারাদিনের কাজ শেষে ঘরে ফিরেই মেয়েকে কোলে তুলে নিতেন। নূর বাবাকে দেখলেই খিলখিল করে হাসতো, আবার কখনো বাবার কোলেই ঘুমিয়ে পড়তো। চাচা আরাফ আলী খান যেন নূরের সবচেয়ে কাছের খেলার সাথী। প্রতিদিন নতুন নতুন খেলনা, কখনো রঙিন পুতুল, কখনো কাঠের ঘোড়া এনে দিতেন। নূরও চাচার সাথে মাটির খেলাঘর বানিয়ে আনন্দে মেতে থাকতো।

মা উম্মে কুলসুম জাহান দিনভর মেয়ের যত্নেই ব্যস্ত থাকতেন। কখনো নূরের জন্য ছোট্ট ফ্রক সেলাই করতেন, কখনো রঙিন ফিতা দিয়ে চুল বাধতেন। নূরের ছোট্ট কপালে লাল টিপ এঁকে দিয়ে আয়নায় দেখাতেন আর হাসি মুখে বলতেন—
“দেখো, আমার মেয়েটা যেন পুতুল।”

নূর যখন দুই বছরে পা রাখলো, তখন জাহান বাড়িতে আয়োজন করা হলো এক মহা দোয়া মাহফিল। গ্রামের লোকজন এসে ভরিয়ে দিলো বাড়ির আঙিনা। গরিব-ধনী সবার জন্য খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হলো। দাওয়াত খেতে বসে সবাই একসাথে বললো—
“কি সুন্দর মেয়ে! মুখখানা যেন চাঁদের মতো।”

এই সময়েই নূর প্রথমবার গ্রামের মেলায় যায়। দাদা আকবর আলী খান নিজের হাতে নাতনিকে কাঁধে বসিয়ে নিলেন। মেলায় ঢুকেই নূর হাততালি দিয়ে উল্লাস করলো। খেলনা, বেলুন, মিষ্টির দোকান দেখে খুশিতে তার চোখদুটি বড় হয়ে উঠলো। চাচা আরাফ তাকে একটা লাল বেলুন কিনে দিলেন, যা পেয়ে সে আনন্দে লাফিয়ে উঠলো।

দিনগুলো এভাবেই আনন্দে কেটে যাচ্ছিল। তবে গ্রামের সবার চোখে এই সুখের ছবি ভালো লাগছিল না। কেউ কেউ হিংসা করছিল জাহান বাড়ির ঐশ্বর্য আর নূরের প্রতি সবার অগাধ ভালোবাসা দেখে।
কিন্তু এসবের কিছুই বোঝে না ছোট্ট নূর।

সে নিজের জগতে মগ্ন—কখনো উঠোন ভরে দৌড়াদৌড়ি করে, কখনো গরুর পেছনে ছুটে যায়, আবার কখনো বাবার কাঁধে চড়ে গ্রাম ঘুরে বেড়ায়।

সবাই হাসিমুখে নূরের শৈশব উপভোগ করছে। কিন্তু কেউ তখনও বুঝতে পারেনি—এই ছোট্ট মেয়েটির আগমন ধীরে ধীরে নিয়ে আসবে জাহান বাড়ির জীবনে সুখের পাশাপাশি এক অজানা ঝড়ের ইঙ্গিত…

#চলবে…

* লেখিকার অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rejoyana Rifa - রেজওয়ানা রিফা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share