Shonar Bangla Textile Online Shop

Shonar Bangla Textile Online Shop Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shonar Bangla Textile Online Shop, Clothing (Brand), Belkuchi, Sirajganj.

14/10/2019

#রম্য গল্প
কিছুদিন আগে রফিক নামের একজন বন্ধু
আমাদের মেসে এসেছিল এখানকার একটা
মেয়ের সাথে দেখা করতে। ও বলল মেয়েটার
সাথে নাকি ফেসবুকে পরিচয়। এটাই ওদের
প্রথম দেখা। রফিক যে ব্যাপার টা নিয়ে খুব
এক্সাইটেড তা ওর মুখ দেখেই বুঝেছিলাম।
ভেবেছিল রাতে আমাদের মেসে থেকে
সকালবেলা মেয়ের সাথে দেখা করে বাড়ি
চলে যাবে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই ও রেডি হয়ে
একদম ফিটফাট। মেয়েটা ফোন দিলেই মেস
থেকে বের হবে। এমন সময় আয়নাতে মুখ
দেখতেই ও চমকে উঠলো। একি! ওর একটা ভ্রু
সম্পূর্ণ গায়েব। রফিকের মাথায় হাত!কে
আমার ভ্রু চুরি করলো? এমন সময় সেই বিশেষ
মেয়েটির ফোন। লজ্জায় বেচারি আর সেই
মেয়েটির সাথে দেখা করেনি।
ঘটনা দেখার পর থেকে আমরা তো হেসেই
একাকার।আমরা অনুসন্ধান করে খুঁজে বের
করলাম এই কাজ আমাদের মেসের তেলাপোকা
ছাড়া আর আর কেউ করতেই পারে না।
কয়েকদিন যেতে না যেতেই আবার খোঁজ
পাওয়া গেলো একজন মেস মেম্বারের অর্ধেক
গোঁফ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।এতদিনের শখের
গোঁফ হারিয়ে বেচারা খুব মন খারাপ
করেছিল।
তারপর থেকে আমরা এই তেলাপোকা নিয়েই
গবেষণা চালিয়ে গেলাম।যারা যারা রেগুলার
শেভ করার টাকা পাচ্ছে না। তারা তো
বেজাই খুশি।খুশি আবার হবে না।এমন মোটা
মোটা দাঁড়ি কাঁটতে যে ওদের দু-তিনটে ব্লেড
চলে যায়। কিপটের দল এখন আর ব্লেড না
কিনে যে তেলাপোকা দিয়ে বিশেষ শেভ
করাচ্ছে। বিনে টাকায় এর থেকে ভালো শেভ
আর কোথায় আছে শুনি?
একদিনের ঘটনা বলি।সবাই মিলে বসে
সকালের খাবার খাচ্ছি। আমাদের মেসের
খালা ইচ্ছেমত ঝাল দেয়।সবাই মিলে ঠোঁট
ফুঁকোচ্ছি আর খাচ্ছি। এমন সময় মেস
ম্যানেজার এসে যেইনা খাবারে হাত
দিয়েছে ওমনি "ও মা গো" করে বাথরুমে দৌড়।
আমরা তো হেসেই যে যার স্থানে পরে যাই।
ঝালে হাত দিতেই এই অবস্থা।কিন্তু পরে
শুনেছিলাম আসল ব্যাপার ঝাল নয় বরং
তেলাপোকা। বেচারার হাতের আঙুলের
চামড়া রাতের বিশেষ অভিযানে
তেলাপোকা ইচ্ছেমত খেয়ে গেছে সেটা ও
একদম লক্ষ্য করেনি।সেই আঙুলে ঝাল লেগেই
না এই দশা।
তারপর মেস মিটিংয়ের সিদ্ধান্তে
তেলাপোকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা
হলো।কেউ কেউ অবশ্য এই সিদ্ধান্ত মেতে
নিতে চাইছিল না।আহা!ফ্রি শেভ যে হবে না
এই বিদ্রোহ হলে।
পরেরদিন পাশের বাসার আন্টির থেকে ইয়া
বড় সাইজের কয়েকটা মুরগী নিয়ে এসে সবাই
অভিযানে নেমে গেলাম।প্রথমে মুরগী রুমের
মধ্যে ছেড়ে দিচ্ছি আর এক এক করে
তেলাপোকার আস্তানায় হামলা চালাচ্ছি।
আহত তেলাপোকা এক এক করে আন্টির মুরগীর
পেটে টপাটপ চালান হয়ে গেলো ।
কয়েকদিন পর অবশ্য আন্টি এসে আমাদের
কয়েকটা ডিম দিয়ে গিয়েছিল খুশি হয়ে। উনি
বলেছিলেন তেলাপোকা খেয়েই উনার মুরগী
ডিম দেওয়া শুরু করেছে।
(তেলাপোকা অভিযান)
#মি_সয়তান

05/07/2019

যে কল্পনায় পুরোপুরি মৃত,
- সে পৃথিবীতে সুখী নামে পরিচিত..!!
#ভাইরাস

04/07/2019

যার আছে, সবই আছে।
- আর যার নেই, তার কিচ্ছু নেই..!!!
#ভাইরাস

30/06/2019

আযানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কিছু
অলৌকিক গাণিতিক ব্যপার -
১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ
এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ। এর মানে
আল্লাহই শুরু এবং আল্লাহই শেষ।
২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে
সর্বমোট রয়েছে ৫ বার। আর আমরা
প্রতিদিন নামাজ ৫ ওয়াক্ত নামাজ
আদায় করি।
৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল
৫০ টি। আর আল্লাহ মিরাজের সময়
হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) কে সর্বপ্রথম
৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন।
পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়।
আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যাক্তি
৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে
আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সওয়াব
দিবেন।
৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি
ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।
আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ
হল ১৭ রাকাত।
ফজর ২ + জোহর ৪ + আছর ৪ +
মাগরিব ৩ + এশা ৪ →
মোট ১৭ রাকাত।
৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে ব্যবহৃত
শব্দ হল 'আল্লাহ'।
আল্লাহ শব্দের আলিফ অক্ষরটি
সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার,
লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা
অক্ষরটি ২০ বার।
সুতরাং ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২।
আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর
সূরা হল সূরা ইখলাস।
যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয়
দিয়েছেন।
( collected )
#মি_সয়তান

08/05/2019

যে ব্যাক্তি সেচ্ছায় নামাজ ছেড়ে দিল,
➡ সে কাফের হয়ে গেল।
াদিস

04/05/2019

ঘুর্ণিঝরের নাম "ফণি" না "ফেনী" বিতর্কের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১৮ জন আহত।(একুশে ইটিভি)
#কেউ_আমারে_ধর
#মি_সয়তান

29/04/2019

পরীক্ষার হলে যার কেউ নেই
, তার উদ্দীপক আছে
#মি_সয়তান

27/04/2019

➡ কখনও কি ভেবে দেখেছেন,
-
✔ থু থু আমাদের কতো কাজে লাগে..!!!😷😷😷
#ভাইরাস

19/04/2019

কোনো এক অন্ধকার রেঁস্তোরার আবদ্ধ
কেবিনে আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ড গভীর
চুম্বনে ব্যস্ত..
চুমু দিতে দিতে হাপিয়ে উঠেছি, তবুও একে
অন্যের ঠোট ছাড়ছি না.. কিছুক্ষণ ঠোট তো
কিছুক্ষন জিহ্বা.. আবার কতক্ষণ গলায়, নয়তো গালে..
এদিকে আমার গার্লফ্রেন্ডের গলা শুকিয়ে কাঠ,
সে চুমু থামিয়ে বললো,
- আমাল ভাবুতা, একটু পানি দেও তো!
আমি ব্যাগ থেকে বোতল বের করে ছিপি খুলে
তার হাতে দিতেই, সে ভীত হয়ে প্রশ্ন করলো,
-এই বোতলে মুখ লাগাও'নি তো??!
রাসেল ভাই বিশ্বাস করবেন না!!
এই ঘটনার পর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি এবং সজাগ
হয়ে দেখি আমি আমার বিছানায় উবুত হয়ে শুয়ে
আছি।।
আসলে দোষটা ছিলো স্বপ্নে!
#মি_সয়তান

18/04/2019

তুমি অপরকে যতোই বাঁশ দিতে চাইবে, 😎😎
✔ তার চেয়ে বেশি বাঁশ তোমার নিজেই পেছনে যাইবে। 😷😷
#ভাইরাস

09/04/2019

#মজা_পাইলাম_পড়ে
গতবছরের শেষের দিকেই জেনেছিলাম এ বছর
সামনের বাসায় নতুন ভাড়াটিয়া উঠবে। কিন্তু
জানতাম না সেই ভাড়াটিয়ার এত
সুদর্শন,রাজপুত্রের মতো একটা ছেলে থাকবে।
প্রথমদিন ছেলেটাকে দেখেই আমার মনে
হলো,এই ছেলে এদেশের ছেলে হতেই পারে
না। নিশ্চয়ই কোনো দেশের রাজার ছেলেকে
এরা চুরি করে নিয়ে এসেছে।
প্রথমদিন বাড়ির মালপত্র ওঠানোর তদারকিতে
ব্যস্ত ছিলো ছেলেটা,আমি তখন কলেজ থেকে
বাড়ি ফিরছি। ছেলেটাকে দেখে মাথা ঘুরে
পড়তে গিয়েও অনেক কষ্টে তাল সামলালাম।
তারপর বাড়ি ফিরে ভাবতে শুরু করলাম, জীবনে
কি কি পুন্য করেছি...যার ফলস্বরূপ পাশের
বাসায় এতো সুন্দর একটা ছেলে এসে উঠছে?
তারপর থেকে মাথার ভেতর একটাই হিন্দি গান
বাজে, 'মেরে সামনে ওয়ালে খিড়কি ম্যে,এক
চান্দকা টুকরা রেহতা হ্যায়।'
সামনের বাসাটা আমাদের বাসা থেকে বেশী
দূরে নয়। দুইটা বাসার মধ্যে দশ থেকে পনের
কদম পায়ে চলা পথ। ছেলেটার ঘরটাও এমন
জায়গায় যে আমার জানালায় বা ছাদে
দাঁড়িয়ে দূরবীন দিয়ে একটু চেষ্টা করলেই
দেখা যায়। বেশীরভাগ সময় সে ছাদে
হাঁটাহাঁটি করে। আমি সবসময় একটা দূরবীন
তাক করে তার দিকে লক্ষ্য রাখি।
ছেলেটার সাথে এ পর্যন্ত আমার কখনো
সরাসরি কথা বা দেখা হয়নি। সে এখনো
আমাকে দেখেনি।আমিও সেই প্রথমদিনই
তাকে একবার দেখেছিলাম সামনে থেকে,সে
আমাকে খেয়াল করেনি।
তার সাথে আমার প্রথম পরিচয় ভালোভাবে
হলো না।
সে একটা সাইকেল নিয়ে বাড়ির পেছনদিকের
মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছিলো। আমি তখনই কি মনে
করে ঐদিকে গিয়েছি। তার আগের রাতেই
বৃষ্টি হয়েছে, পিচ্ছিল মাঠে আমি আছাড়
খেয়ে পড়লাম। ছেলেটা দৌড়ে এসে আমাকে
টেনে তুলল। লজ্জার সীমা রইলো না আমার।
এরপর আরেকদিন আমি মুখে ফেসপ্যাক মেখে
ছাদে বসে আছি এমনসময় সেই ছেলেটা তার
মায়ের সাথে আমাদের ছাদে এলো। আমাকে
দেখে তারা দুজনই আঁতকে উঠলো,আর তাদের
দেখে আমি। নিজেকে সামলে নিয়ে তার মা
বললেন, আজ আমাদের অনেক কাপড় কাচা
হয়েছে তো, সব আমাদের ছাদে ধরলো না,তাই
তোমাদের ছাদে নেড়ে দিতে এলাম...
সেই সময়ই নিচের থেকে আমার ছোটভাই
চিৎকার করে বলে উঠলো, আপু! তোর না
আজকে ফ্যান পরিস্কার করার কথা? ময়লার
চোটে তোর ফ্যান ঘোরা বন্ধ করে দিয়েছে,
এত পিচাশ কেন তুই?
লজ্জায় আমার ইচ্ছে করছিলো সেখানেই
উনিশ/বিশ কিছু একটা খেয়ে মরে যাই। অনেক
কষ্টে তাদেরকে পাশ কাটিয়ে নিচে নেমে
এলাম।
বিকালে ছেলেটা নিশ্চয়ই ছাদের কাপড়গুলো
তুলতে আসবে! অনেক চিন্তাভাবনা করে আমি
আকাশী রঙের একটা সুতি শাড়ি পরলাম। সুন্দর
করে সাজালাম। তারপর ছাদে গিয়ে দাঁড়িয়ে
রইলাম।আজ দূরবীন আনিনি। আমার আর তার
মধ্যকার দূরত্ব আজ দূরবীন মেটাবে না,সে
নিজেই ছাদে আসবে।
ছাদে পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে। কেন জানি
সেই শব্দে কোনো কোমলতা নেই। এত সুন্দর
একটা ছেলের পদধ্বনি ছন্দময় হওয়া দরকার
ছিলো...
তাকিয়ে দেখি চায়নিজ টাইপের
নাকবোঁচা,চোখ গর্তে ঢুকানো একটা ছেলে
ছাদে এসে উঠলো। তার সাথে আমার নায়কের
মা। চায়নিজটা আমাকে দেখে মুগ্ধ চোখে
তাকিয়ে আছে। কিন্তু এই মুগ্ধ দৃষ্টি কি আমি
চেয়েছিলাম!?
নায়কের মা পরিচয় করিয়ে দিলেন, এই হচ্ছে
আমার বড় ছেলে।এবার মেডিকেলে ফাইনাল
ইয়ার দেবে। খুব ভালো ছাত্র।
মনে মনে মুখ ঝামটা দিয়ে আমি বললাম,তা
আমি কি করবো? আমি কি করবো?
হাজারহোক হবু শ্বাশুড়ি, তাদেরকে আমি
কাপড় তুলতে সাহায্য করলাম। নায়কের শার্ট,
টিশার্টগুলো গভীর যত্নে তুলে দিলাম তার
মায়ের হাতে।
এ ঘটনার কয়েকসপ্তাহ পর নায়কের মা তার দুই
ছেলেকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে এলেন।
যথারীতি প্রতিবার যা হয় তাই হলো।
আমি তখন কেবল ঘুম থেকে উঠেছি।
এলোমেলো অগোছালো ভয়ঙ্কর চেহারা
নিয়ে নায়কের সামনে পড়লাম। আজ পর্যন্ত সে
আমার কোনো ভালো রুপ দেখেনি, একবার
কাদামাটিতে মাখামাখি অবস্থায়, একবার
ফেসপ্যাক মাখা অবস্থায় আর আজ ঘুম থেকে
সদ্য ওঠা ফোলা ফোলা চোখমুখে... আমার
ভাগ্যটা এতো খারাপ কেন?
নানান কথার পর নায়কের মা আমার আব্বুকে
বললেন, আপনার মেয়েকে আমাদের পছন্দ,
আমার ছেলের জন্য....
খুশীতে আমার মনের ভেতর তখন লাড্ডু ফুটছে।
ইচ্ছা করছে স্পিকারে ফুল ভলিউমে একটা
হিন্দি গান ছেড়ে দিয়ে নাচতে শুরু করি।
ভাবী আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলেন
শাড়ি পরে সাজিয়ে দিতে। সাজতে সাজতেও
আমি খুশীতে মুখে দুই হাত দিয়ে লাফিয়ে
লাফিয়ে উঠছি। ভাবী বিরক্তমুখে
বলছেন,বিয়ের কথা উঠলে এত লাফাইতে
আছে? লজ্জা পাইতে হয়!
ধূরো,লজ্জা! আমার এত ভালো লাগছে,এত
ভালো লাগছে, এত ভালো লাগছে!!!!
সাজিয়ে দিয়ে ভাবী বললেন, ছাদে চলে
যাও। শান্ত তোমার জন্য অপেক্ষা করছে!
আমি নাচতে নাচতে ছাদে উঠে গিয়েই বড়সড়
একটা ধাক্কা খেলাম। অপেক্ষা করছে
নাকচ্যাপ্টা চায়নিজটা! তাইলে কি আন্টি এই
ছেলের সাথেই আমার বিয়ে ঠিক করেছেন?
***
আমার হাজারো আপত্তি, কান্নাকাটি
সত্ত্বেও চায়নিজটার সাথে আমার বিয়ে
পাকা হয়ে গেছে।আমার নায়ক,যার আসল নাম
তন্ময় সে এখনি আমাকে ভাবী ভাবী বলে
ডাকা শুরু করেছে। প্রায়ই সে আমাদের বাড়ি
আসে, ভাবী ভাবী বলে ঘরে ঢোকে। তার
ভাইয়ের বিয়ের পরে তার পালা এটা ইশারা
ইঙ্গিতে জানিয়ে দিয়ে গল্প করে তার কেমন
মেয়ে পছন্দ।
আমার নিজেকে বাহুবলীর আনুশকার মতো
লাগে। এক ভাইকে চাইলাম,অন্য ভাইয়ের
সাথে বিয়ে ঠিক হয়ে গেল। যদি প্রথমদিন
কাদামাটি আর ফেসপ্যাকের আস্তরনসমেত
তার সামনে না পড়ে সুন্দর একটা শাড়ি পরা
অবস্থায় পড়তাম তাইলে আজ হয়ত বিয়েটা
তন্ময়ের সাথেই হতো আমার।
আমি ঠিক করে রেখেছি এ জীবন রাখবো না।
একটা চিঠিতে মনের কথা সব লিখে রেখে
আমি ঘুমের ওষুধ খাবো। যদি মরে যাই গেলাম,
বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই আমার বিয়ে তন্ময়ের
সাথেই হবে।
বিয়ের দিন ঘনিয়ে আসছে,একটা কৌটায়
ত্রিশটা ঘুমের ওষুধ জমিয়েছি। মরার সব
প্রস্তুতি সম্পন্ন এরমধ্যেই তন্ময় সব জেনে গেল।
আমি তাকে পছন্দ করি,তার ভাইকে না। দূরবীন
দিয়ে আমি তার দিকে লক্ষ্য রাখতাম ইত্যাদি
সব ঘটনা জেনে গেল।
কিভাবে!?
আমাদের দুই বাড়ির মাঝখানে পাশে
আরেকটা বাড়ি আছে। সেই বাড়িতে সুমাইয়া
নামে ক্লাস সেভেনে পড়া একটা মেয়ে
আছে। আমি যেমন তন্ময়ের দিকে লক্ষ্য
রাখতাম,সে লক্ষ্য রাখত আমার কর্মকান্ডের
দিকে। বিয়ে ঠিক হয়ে যাওয়ার পর আমি
ছাদে বসে কাঁদতাম তাও সে লক্ষ্য করেছে।
তারপর তন্ময়কে সব খুলে বলেছে।
তন্ময় আমাদের বাড়িতে এসেছে। "ভাবীর
সাথে একটু আলাদা করে কথা বলব'' বলে
আমাকে ছাদে ডেকে নিয়ে এসেছে।
তন্ময় সব জেনে গেছে শুনে আমি ছলছল চোখে
ওর হাত ধরে বললাম,চলো পালিয়ে যাই।
তন্ময় আঁতকে উঠে বললো, আপনার কি মাথা
খারাপ হইছে ভাবী? আমি আপনাকে আমার
বড়বোনের মতো দেখি। আমার বোন নাই,আমি
ঠিক করে রেখেছিলাম যে আমার ভাবীই হবে
আমার বোন......
ঠাস করে একটা চড় বসিয়ে দিলাম তন্ময়ের
গালে। বললাম, আমাকে ভাবীর চোখে দেখতে
তোমার লজ্জা করে না? কোন সাহসে আমাকে
বোনের চোখে দেখলা তুমি? মা-বাবাকে বলে
একটা বোন দত্তক নাও,তাও দয়া করে আমাকে
বোন ডাকবা না। আর শোনো, তোমার ভাইকে
আমি বিয়ে করবো না।
-দেখেন ভাবী... ইয়ে মানে, লাবণ্য! আমাদের
পরিবারের একটা মান ইজ্জত আছে,
আপনাদেরও আছে। এখন বিয়ে ভেঙে গেলে
কি অবস্থা হবে আপনি ভাবতে পারছেন?
প্লিজ আমি আপনার পায়ে পড়ি...
:না,না,না, পায়ে পড়ে কোনো লাভ হবে না।
আমিতো দুই ফ্যামিলির ইজ্জতের কথা চিন্তা
করেই বলছি, তোমার সাথে আমার বিয়ে হয়ে
গেলে দুই ফ্যামিলির ইজ্জত রক্ষা হবে।
-ছিঃ ছিঃ, ছিঃ ছিঃ!!
ছিঃ ছিঃ করতে করতে তন্ময় চলে গেল। বাকি
দিনগুলি সে আর আমার সামনে এলো না।
বিয়ের দিন সকাল থেকে দুই পরিবারই
চিন্তিত। আমি পার্লার থেকেই পালিয়ে
গিয়েছি বান্ধবীর বাসায়। বিয়ের সময়টা চলে
গেলে ফিরে আসবো।
বান্ধবীর বাড়িতে বসে আমি একটা টেক্সট
মেসেজ লিখছিলাম তন্ময়ের কাছে,
"তোমাকে আমি বলেছিলাম, তোমাকে ছাড়া
আর কাউকে আমি বিয়ে করবো না। তুমি আমার
কথা শোনো নাই,আজ তোমার জন্য দুই
পরিবারের ইজ্জত নষ্ট হলো!"
আমার মেসেজ টাইপিং শেষ হওয়ার আগেই
আমার ফোনে তন্ময়ের মেসেজ এলো,
তন্ময় লিখেছে,
"দেখেন ভাবী, আমি জানি আমার প্রতি
আপনার ফিলিংস এটা খুবই সাময়িক। ভাইয়া
খুব ভালো একজন মানুষ,তার সাথে থাকতে
থাকতে আপনি আমাকে ভুলে যাবেন। আমি
বাড়ি থেকে পালিয়ে আজ ঢাকা চলে যাচ্ছি,
ততদিন আসবো না যতদিন আপনার আর ভাইয়ার
সম্পর্ক ঠিক না হয়।"
দুঃখের মধ্যেও হাসি পেলো আমার। আজ
বিয়ের দিন অথচ আমিও পালিয়েছি আবার
তন্ময়ও পালিয়েছে,বাকি আছে চায়নিজ
শান্ত!
তারপরই শান্ত এর মেসেজ এলো,
"লাবণ্য! আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমি
তোমাকে বিয়ে করতে পারছি না। মেডিকেল
থার্ড ইয়ারের একটা মেয়ের সাথে গত
দেড়বছরের রিলেশনশিপ। মাঝে তার সাথে
আমার ব্রেকআপ হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু
আমার বিয়ের খবর শুনে আজ সে বাড়ি থেকে
পালিয়ে স্টেশনে এসে বসে আছে। আমাকে
যেতে হবে। ক্ষমা করো!"
হাসিমুখে আমি আমার বড় ভাইয়ের ফোনে
একটা মেসেজ লিখলাম, "ভাইয়া,সময় ভালো
না, তোমরাও পালিয়ে যাও,আর পাশের বাসার
ওদেরকেও বলো পালিয়ে যেতে।"
এখন আমার মাথার ভেতর বাংলা গান বাজছে,
এই ফাগুনী পূর্ণিমা রাতে, চল পলায়ে যাই!

#মি_সয়তান

Address

Belkuchi
Sirajganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shonar Bangla Textile Online Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share