দেশিমেড। দেশের তৈরি পণ্য। বিশেষত তাঁত পণ্য। কেননা, ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখতে পাই, সেই সুদূর অতীতকাল থেকেই বাংলাদেশের কাপড়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে। ঊনবিংশ শতকে ইংরেজ কালেক্টর জেমস টেলর লিখেছেন, ঢাকার বিখ্যাত মসলিন কাপড় প্রথম শতক থেকেই ইউরোপে বিশেষ সুখ্যাতি লাভ করে। অভিজাত রোমান মহিলারাও ওই কাপড় পরতে খুব পছন্দ করতেন।
মরক্কো দেশীয় পর্যটক ইবনে বতুতা সোনারগাঁওয়ের মসলিন দেখে মুগ্ধ হয়ে মন্তব্য করেন, এমন চমৎকার এবং উঁচুমানের কাপড় সারা পৃথিবীতে আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। পঞ্চদশ শতকে চীনা পর্যটক ও বৌদ্ধ ভিক্ষুরাও বাংলার সুতিবস্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ১৪০৬ সালে চীনা পর্যটক মাহুয়ান সোনারগাঁও-এ মলমল ও অন্যান্য মসলিন তৈরি হওয়ার কথা জানিয়ে লিখেছেন যে, এ ধরনের মিহি কাপড় কী করে যে এখানকার তাঁতীরা বানায় তা সত্যিই বিস্ময়কর।
তাঁতীর হাতের সেই বিস্ময়কর কাজের নমুনা মেলে এখনো, তাদের কাপড়ের নকশায়, বুননে। ঐতিহ্যবাহী তাঁতের কাপড়ের সম্ভার নিয়ে আমরা হাজির থাকবো এখানে। সবকিছুই মিলবে পাইকারি দামে।