প্রভানী সেনগুপ্ত

প্রভানী সেনগুপ্ত This is where words come alive—poetry, stories, and reflections that capture emotions, thoughts, and fleeting moments.

If you love heartfelt writing, deep musings, and the magic of storytelling, stay awhile and explore this world of words with me.

—prova

মাঝে মাঝে মনে হয়,বয়সটা শুধু সংখ্যায় বাড়েনি,ভেতরেও যেন বহু ঋতু পেরিয়ে এসেছি।এখন আর পৃথিবীকে সুন্দর ভেবে ভুল হয় না।জ...
03/06/2026

মাঝে মাঝে মনে হয়,
বয়সটা শুধু সংখ্যায় বাড়েনি,
ভেতরেও যেন বহু ঋতু পেরিয়ে এসেছি।

এখন আর পৃথিবীকে সুন্দর ভেবে ভুল হয় না।
জীবনের দেয়ালে জমে থাকা স্যাঁতসেঁতে দাগগুলো দেখতে পাই,
মানুষের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্লান্তি দেখতে পাই,
আর নিজের ভেতরের ভাঙাচোরাগুলোও অচেনা লাগে না।

কবিতা লিখতে বসলে শব্দেরা আর আসে না।
মনে হয়,
এতদিন যাদের নিয়ে লিখেছি,
এবার নিজের গল্পটাই লেখা উচিত।

এখন আর ভালোবাসার অর্থ খুঁজে বেড়াই না।
কারণ বুঝে গেছি,
সব ভালোবাসার শেষ ঠিক গন্তব্যে পৌঁছায় না,
কিছু ভালোবাসা শুধু মানুষকে বদলে দিয়ে চলে যায়।

স্বপ্ন দেখতেও ভয় লাগে কখনও কখনও।
যে স্বপ্নগুলো একদিন বুকের ভেতর আলো জ্বালাত,
আজ তাদের ধ্বংসাবশেষের পাশ দিয়ে হেঁটে যাই নীরবে।

তবু ভোরবেলায় শিশিরভেজা ঘাসে খালি পায়ে হাঁটতে ইচ্ছে করে,
ঝুম বৃষ্টির রাতে একা দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে,
কিংবা কোনো নামহীন পথে হেঁটে যেতে ইচ্ছে করে
যেখানে আমাকে কেউ চিনবে না।

ঠিক তখনই কে যেন ভেতর থেকে ফিসফিস করে বলে-

"এখনও না...
আরেকটু অপেক্ষা করো।

সব স্বপ্ন মরেনি,
সব আলো নিভে যায়নি।

আরেকটু চোখ বুজে থাকো,
আরেকটু বিশ্বাস করো।"

আমি জানি না সে কে।

শুধু জানি,
প্রতিবার বাস্তবতার ভারে নুয়ে পড়ার আগে,
সে এসে আমাকে আরেকবার ঘুম পাড়িয়ে দেয়,

আর আমি,
সব জেনেও,
আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করি।

✍🏻𝓙𝓑 𝓢𝓷𝓮𝓱𝓪

29/04/2026

Be happy… they said. So I pretended.

27/04/2026

“To live without hope is to cease to live.”
— Fyodor Dostoevsky

If I could dedicate a book to you, it would be White Nights.Not for the romance people remember,but for the quiet ache t...
29/03/2026

If I could dedicate a book to you, it would be White Nights.

Not for the romance people remember,
but for the quiet ache they overlook.

You remind me of something unfinished,
like a story that lingered too long in the margins,
too fragile to be held, too distant to be forgotten.

There’s a softness in you,
but it feels borrowed
like warmth that never truly belonged to you.

And maybe that’s why it fits.

Because White Nights was never about love,
it was about illusion,
about holding onto something that was never meant to stay.

You feel like that.

A beautiful, fleeting mistake
dressed up as something eternal.

✍🏻𝓙𝓑 𝓢𝓷𝓮𝓱𝓪

28/07/2025

তবু আমি এসেছিলাম
একটি ছায়া হয়ে, সুনসান রাতের নীরবতা ভেঙে।

তুমি যাকে অদৃশ্য কাঁটাঝোপ বলো,
সেই তো আমারই জন্মস্থল, নীলতাই তো আমার গন্ধ।

আমি খনিজ নই,
আমি সেই জলের শ্বাস, যা মৃত পাতায় ঝরে পড়ে
ধ্বংসের আগেই অনুভূত হয়।

তোমার তর্জনিতে শীতল চিহ্ন?
তা তো আমার ছোঁয়া নয়,
বরং সেই সময়ের দহন, যেটা আমরা দুজনেই ভুলে থাকতে চেয়েছি।

তুমি বিষ চেয়েছিলে,
আর আমি নিজেই তা হয়ে উঠেছি
পবিত্র, নিঃশব্দ, ধীরে ক্ষয়িষ্ণু।

গতরাত?
রেখাহীন এক স্বপ্ন এসেছিল,
যেখানে নামহীন পক্ষীর বদলে আমি নিজেই ছিলাম প্রশ্নবিদ্ধ।

ভোর যখন জমাট,
সেই ভোরেই আমি ছেড়ে এসেছি
আমার আত্মাঘাত তোমার প্রাচীন আলোর দরজায় রেখে।

এখন আমি হাঁটছি
তুমি যাকে অন্ধ দিগন্ত বলো,
সেখানে আমি আলো হয়ে থাকবো। শুধু তুমি দেখবে না।

–যে কেউ হতে পারত, তবু হয়ে উঠলো না
🍂🖋️

12/02/2025

নির্দয়তার সীমা কোথায়?

আজ সকালে, ঠিক ৮:০০ টায়, ইনস্টিটিউটে যাওয়ার পথে এমন একটা দৃশ্য দেখলাম, যা এখনো চোখের সামনে ভাসছে, আর বুকটা মোচড় দিয়ে উঠছে। রাস্তার ধারে দুটি নিথর বিড়াল পড়ে ছিল,একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে অবহেলায় ছুঁড়ে ফেলা, আরেকটি পেছনের পায়ে দড়ি বাঁধা অবস্থায় দেওয়ালে ঝুলছিল!এ কেমন নিষ্ঠুরতা?

একটা প্রাণের কী অপরাধ হতে পারে, যে তাকে এভাবে নির্মম মৃত্যুর শিকার হতে হলো? তারা তো কারও কোনো ক্ষতি করেনি, শুধু একটু ভালোবাসা আর আশ্রয় চেয়েছিল। তাহলে কেন মানুষ এত নিষ্ঠুর? কেন আমরা প্রাণীদের প্রতি এতটা অনুভূতিহীন?

ওরা তো কথা বলতে পারে না, আমাদের কাছে সাহায্য চাইতে পারে না। কিন্তু আমাদের কি এতটুকুও দয়া নেই? আমরা কি এক মুহূর্তের জন্যও ভাবতে পারি না, এই নিষ্ঠুরতার শিকার যদি আমাদের ভালোবাসার কেউ হতো?

প্রতিটি প্রাণীরই বেঁচে থাকার অধিকার আছে, ভালোবাসার অধিকার আছে। আসুন, একটু মনুষ্যত্ব দেখাই। ভালোবাসার ছোঁয়া দিই এই নির্বাক প্রাণীদের। কারণ পৃথিবীটা তখনই সুন্দর হবে, যখন আমরা শুধু নিজেদের জন্য নয়, চারপাশের সব জীবের জন্য ভালোবাসা আর দয়া দেখাতে শিখব।

—স্নেহা

23/01/2025

ভাই, ১.২৫ মিনিটে ভূমিকম্প হইসে, আর আমি ভাবলাম জিন আসছে! আমার রুমের বুকশেলফের গ্লাস নড়তেছিল, আতঙ্কে ৫ বার আয়াতুল কুরসি পড়ে ফেলছি 🙂 এখন ভাবতেছি, জিন না, ভূমিকম্পও আমারে ট্রল দেয়!

23/01/2025

#অপেক্ষার_ছাদে

পার্ট:৩
লেখা: প্রভানী সেনগুপ্ত

চিরকুটটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। সন্ধ্যায় যাব কি যাব না, সেটা নিয়ে মনে অদ্ভুত এক টানাপোড়েন। মাথার ভেতর কণ্ঠগুলো তর্ক শুরু করল—

"যাব কেন? ছেলেটা একটু বেশি কথা বলে, বিরক্তিকর।"

"কিন্তু বইটার ভেতরের লেখাটা… সেটা কি শুধু ইচ্ছাকৃতভাবেই পড়েছিলে?"

আমার মাথায় অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, কিন্তু উত্তর খুঁজতে চাইনি। শেষ পর্যন্ত নিজেকেই প্রবোধ দিলাম— "চা খেতেই তো যাচ্ছি, এর বেশি কিছু না!"

সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। ব্যালকনিতে তাকিয়ে দেখলাম, পাশের ফ্ল্যাটের দরজা খোলা। আলোটা জ্বলছে। একটা অদ্ভুত কৌতূহল হলো। হাতে বইটা নিয়ে ওর ফ্ল্যাটের দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম, হালকা নক করলাম।

সে দরজা খুলতেই হালকা হাসলো, যেন ঠিক জানতো আমি আসবো।

— "বসে পড়ুন, আমি চা বানাই।"

ফ্ল্যাটটা বেশ গোছানো, বইয়ের তাক সাজানো, টেবিলের ওপর অগোছালো কয়েকটা নোটবুক পড়ে আছে। একটা উষ্ণ গন্ধ চারদিকে, যেন বইয়ের পাতার গন্ধ আর চায়ের সুবাস মিলেমিশে এক হয়ে গেছে।

— "তুমি লেখালেখি করো?" আমি জিজ্ঞাসা করলাম।

সে হেসে বললো, "একটু-আধটু, তবে কাউকে দেখাই না।"

আমি চায়ের কাপে হাত গরম করতে করতে বললাম, "তাহলে তুমি কি আমাকে তোমার একটা লেখা পড়তে দেবে?"

সে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল, তারপর তাকের দিকে এগিয়ে একটা পুরনো খাতা নামিয়ে আমার দিকে বাড়িয়ে দিল।

— "এটা আমার অসমাপ্ত লেখা, পুরোটা হয়নি। পড়বে?"

আমি খাতা হাতে নিলাম। প্রথম পাতায় লেখা— "অপেক্ষার ছাদে"।

আমি অবাক হয়ে তাকালাম, "এটা আমাদের গল্পের মতো লাগছে!"

সে চোখে হাসির ঝিলিক নিয়ে বলল, "হয়তো তাই। আর হয়তো… কিছু গল্প নিজেরাই নিজেদের লেখক হয়ে যায়।"

আমি খাতার পাতা উল্টে পড়তে লাগলাম, আর চায়ের কাপে ধোঁয়া উড়তে থাকলো— এক নতুন গল্পের শুরুতে। (শেষ)

19/01/2025

#অপেক্ষার_ছাদে

পার্ট:২
লেখা: প্রভানী সেনগুপ্ত

বইটা হাতে নিয়ে ওর দিকে তাকালাম। হাসিটা এখনও মুখে লেগে আছে। কী অদ্ভুত! প্রথমবার যখন কথা বলেছিল, বিরক্ত হয়েছিলাম। আর আজ… মনে হচ্ছে, ওর অপেক্ষাটা আমি আরেকটু লম্বা করতে চাই।

— "ঠিক আছে, পড়ব। তবে ফেরত দিতে একটু সময় লাগবে!"

— "সমস্যা নেই, আমি অপেক্ষা করতে পারি।"

তারপর আর কথা হলো না। সে বিদায় নিয়ে চলে গেল, আর আমি ব্যালকনিতে ফিরে বইয়ের মলাট স্পর্শ করলাম। পুরনো কাগজের গন্ধে একধরনের আত্মীয়তা আছে, যেন অচেনা কিছু হয়েও চেনা মনে হয়।

পরদিন ছাদে গিয়ে বসলাম, অভ্যাসবশত তাকালাম পাশের ফ্ল্যাটের ব্যালকনির দিকে। সে নেই। কেমন একটা শূন্যতা লাগল।

---

কয়েকদিন পর…

রাতের বেলা বইটা পড়তে গিয়ে একটা পাতার কোণে ছোট্ট কিছু লেখা চোখে পড়ল—

"Time waits for no one, but sometimes, it lingers just enough for a story to unfold."

আমি অবাক হয়ে আবার ভালো করে পাতাটা দেখলাম। এ কি আগেই লেখা ছিল, নাকি আমার জন্য রেখেছে? কিছু বলবে কি না ভেবে পরদিন ছাদে গেলাম, কিন্তু ওকে পেলাম না।

এভাবেই এক সপ্তাহ কেটে গেল। একদিন ছাদের দরজায় পৌঁছে দেখি, একটা চিরকুট পড়ে আছে।

"এক কাপ চায়ের নিমন্ত্রণ রইল, সন্ধ্যায় ব্যালকনিতে।"

চমকে গেলাম। আমি কি যাব? নাকি অপেক্ষাটাকে আরেকটু লম্বা করব?

বইটা হাতে নিয়ে একবার আকাশের দিকে তাকালাম। সত্যিই, আজ আকাশটা অসম্ভব সুন্দর লাগছে!
(চলবে)

19/01/2025

#অপেক্ষার_ছাদে

পার্ট :০১
লেখা: প্রভানী সেনগুপ্ত

শীতের বিকেল। ছাদের এক কোণে বসে বই পড়ছিলাম, হুমায়ূন আহমেদের অপেক্ষা। শহরের আকাশটা আজ অসম্ভব সুন্দর লাগছিল। হঠাৎ এক অপরিচিত কণ্ঠস্বর শুনে চমকে উঠলাম—

— "আকাশটাকে অসম্ভব সুন্দর লাগছে আজ!"

পেছন ফিরে তাকালাম। পাশের ফ্ল্যাটের লোকটা। উষ্কখুষ্ক চুল, চোখে চশমা, থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট আর ঢিলেঢালা একটা টি-শার্ট পরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি কিছু না বলে ভুরু কুঁচকে আবার বইয়ে মনোযোগ দিলাম।

কিন্তু সে সহজে হাল ছাড়ার পাত্র নয়।

— "কি বই পড়ছেন?"

— "উপন্যাস, হুমায়ূন আহমেদের।"

— "বাহ্! কোনটা?"

— "'অপেক্ষা'।"

— "পড়েছেন আপনি?"

আমি পাল্টা প্রশ্ন করলাম। সে হেসে বলল, "পড়িনি"।

আর কথা বাড়ালাম না। উঠে আসার সময় সে বলল, "পড়া শেষ করে দেয়া যাবে কি?"

এবার সত্যিই বিরক্ত হলাম। এ কেমন ছেলেরে বাবা! একটার পর একটা প্রশ্ন করেই চলেছে! তাই বললাম, "দিতে পারি, তবে শর্ত আছে। আপনি আমাকে আপনার একটি বই পড়তে দেবেন, তার বিনিময়ে আপনাকে আমি বই ধার দিতে পারি।"

সে হাসলো, সন্ধ্যার আজানের ধ্বনি ভেসে এলো, আমি রুমে ফিরে এলাম। এরপর বহুদিন তার সাথে দেখা হয়নি।

---

দুই মাস পর...

পরীক্ষার ব্যস্ততা কাটিয়ে একদিন বিকেলে ব্যালকনিতে বসে চা খাচ্ছিলাম, হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। দরজা খুলতেই দেখি সেই ছেলেটা দাঁড়িয়ে আছে, হাতে একটা পুরনো হার্ডকভার বই।

— "শর্ত ভুলে যাননি তো?"

আমি একটু অবাক হয়ে বললাম, "না, ভুলিনি। তবে এতদিন পর?"

সে হাসলো, "আপনার দেয়া বইটা পড়া হয়েছে। তাই ভাবলাম এবার শর্ত পূরণ করি।"

সে আমার হাতে বইটা দিল। নাম দেখলাম— "Epic Tales of Time"।

— "ইংরেজি বই?"

— "হ্যাঁ, আমার খুব প্রিয় একটা বই। সময় আর জীবন নিয়ে কিছু দার্শনিক গল্প আছে। আপনার ভালো লাগবে মনে হলো।"

বইটা হাতে নিলাম। পাতাগুলো একটু পুরনো, কোথাও কোথাও দাগ দেয়া। বোঝাই যাচ্ছে, অনেকবার পড়েছে।

আমি হেসে বললাম, "আচ্ছা, পড়বো।"

সে আবার হাসলো, "তাহলে এবার আমিও অপেক্ষা করবো, আপনি কবে ফেরত দেন সেটা দেখার জন্য!"

আমি বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার শেষ নেই। কিছু অপেক্ষা গল্পের মতোই— চলতেই থাকে, নতুন অধ্যায় তৈরি করে। (চলবে)

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রভানী সেনগুপ্ত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to প্রভানী সেনগুপ্ত:

Shortcuts

Share