ওয়াজিহা ফ্যাশন

ওয়াজিহা ফ্যাশন এখানে ওড়না,মেক্সি, ছায়া, ব্লাউজ ,বোরকা, টপস এবং মহিলাদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যায়।

07/08/2024

শাইখ আহমাদউল্লাহ হাফি: কে ইন্টেরিম গভমেন্টে চাই।
মাওলানা শরিফ মুহাম্মদ হাফি: কে ইন্টেরিম গভমেন্টে চাই।

15/06/2024

© তানভীর হায়দার

এটা এখন সব জায়গায়। এটা এখন একটা স্বতন্ত্র ধর্ম।এটা এখন আকিদার বিষয় হয়ে গেছে। ওহে মুসলমানের সন্তান!তোমরা যারা মেসি নেইমার...
07/06/2024

এটা এখন সব জায়গায়।
এটা এখন একটা স্বতন্ত্র ধর্ম।
এটা এখন আকিদার বিষয় হয়ে গেছে।

ওহে মুসলমানের সন্তান!
তোমরা যারা মেসি নেইমারের ভক্ত, এ বিষয়টা নিয়ে তোমাদের মতামত কী?
আগে বলতে না, সব জায়গায় ধর্ম টেনে আনো কেনো মিয়া? আ*ফgan চলে যাও তুমি।
এখন কি বলবে?
না, লজ্জায় মুখ লুকানোর দরকার নেই। এই বিষয়গুলোর ইতি এখনই টেনে দাও।

07/06/2024

এই কথা কি আপনাকে ভাবায় না যে, 'আপনার আমার সন্তানকে এই কোন দুনিয়ায় রেখে যাচ্ছি'।
যদি না ভাবায় তাহলে সময় থাকতে এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবুন। হতে পারে ১০ বছর/ ৫ বছর/ ১ বছর/ ১ মাস/ ১০ দিন/ ১ দিন পর ও আপনার মেয়ে আর মেয়ে থাকতে চাইবে না ছেলেতে রুপান্তরিত হবে, আপনার ছেলে আর ছেলে থাকবে না মেয়েতে রুপান্তরিত হবে।
একটা মেয়ে যখন নিজেকে ভিতর থেকে ছেলে মনে করবে তখন সে একটা সাধারণ মেয়েকেই তার বিপরীত জেন্ডার ভাব্বে। একটা ছেলে যখন নিজেকে অন্তর থেকে মেয়ে মনে করবে তখন সে অন্য একটা ছেলের প্রতি আকৃষ্ট হবে। এটাই এজেন্ডা। বই-পুস্তকে এখন এগুলোই শিখানো হচ্ছে।
আপনার সন্তানকে স্কুলে দিবেন নাকি মাদ্রাসায় দিবেন এটা নিয়েও ভাবুন। তা নাহলে এই বাবার মতো আপনার ও শুধু আফসোস ই করতে হবে। ইউরোপ-আমেরিকার আদলে চলে গেলে তখন কিছু বলারও থাকবে না হয়তো।

সময় নিয়ে ভাবুন। খুবই সেন্সিটিভ ইস্যু।

একটা সময় ছিলো যখন সেকুলার সমাজ মনে করতো হুজুররা মসজিদ মাদ্রাসা নিয়েই থাকবে, মানুষের দানখয়রাত নিয়ে চলবে - সামাজিক ও জনসেব...
13/05/2024

একটা সময় ছিলো যখন সেকুলার সমাজ মনে করতো হুজুররা মসজিদ মাদ্রাসা নিয়েই থাকবে, মানুষের দানখয়রাত নিয়ে চলবে - সামাজিক ও জনসেবামূলক কর্মকান্ডে তাদের তেমন কোন অংশগ্রহণ থাকবে না। বাস্তবতা হলো, হুজুররা সবসময়ই মানুষের পাশে দাড়িয়েছে, কিন্তু ক্যামেরা ছিলো অন্যদিকে।

একজন মানুষ এবং একটি প্রতিষ্ঠান সেই অচলায়তন ভেঙে দিলেন। তার প্রতিষ্ঠান জনসেবামূলক কর্মকান্ডে এমনভাবে অংশগ্রহণ করলো যে সেটা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সেকুলার সমাজের চোখেও ধরা পড়লো৷ তারা অবাক বিস্ময়ে দেখলো দাড়ি-টুপি পরা মানুষেরা ত্রাণের ট্রাকের বহর নিয়ে ছুটে যাচ্ছে বন্যা কবলিত অঞ্চলে, গৃহহীনদের ঘরবাড়ি তৈরি করে দেয়াসহ সবরকম ভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

এই দৃশ্য সহ্য করা যায়?
কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিতে তিনি একের পর এক মেগা-প্রজেক্ট নিয়ে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে থাকলেন। কখনো তিনি শত শত রিকশা কিনে দিয়ে অসহায় মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন, কখনো লাখ লাখ গাছ লাগিয়ে পরিবেশ বাঁচানোর আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি প্রশিক্ষনের মাধ্যমে হাজার হাজার দক্ষ কর্মি তৈরি করছেন। লিস্ট করতে থাকলে শুধু শুধু পোস্টের কলেবরই বড় হবে।

এগুলো আসলে সহ্য করা মুশকিল। শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এতো এতো কাজ করছেন যে চোখ বন্ধ করে থাকলেও দেখা যায়৷ আর দেখতে তো খারাপ লাগে। দাড়ি-টুপি পরা মানুষেরা শুধু মাদ্রাসা মসজিদ নিয়ে থাকবে, তারা এগুলো করবে কেন? এখন তো হুজুরদের কোন সামাজিক কাজে পাওয়া যায় না, তারা সমাজ বিচ্ছিন্ন - এসবও বলা যাচ্ছে না।

সেকুলারদের অন্তর্জ্বালার কারণটা আমরা বুঝতে পারি। এজন্য, যখনই তাহেরির মতো জাহেলরা শায়খ আহমাদুল্লাহকে নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তখন সেকুলাররা পিঠ চাপড়ে দেয়। কমন একটা সুত্র মনে রাখেন, সেকুলাররা যখন কোন হুজুরের পক্ষে থাকবে, মনে করবেন তার মধ্যে ঘাপলা আছে৷

আল্লাহপাক শায়খকে শকুনের কুনজর থেকে হেফাজত করুন।
© Mehedi Hasan

আড়ং এর স্পর্ধা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে দেখুন। পাঞ্জাবির পকেটে অভিশপ্ত কওমের চিহ্ন সেঁটে দিয়ে এর পক্ষে খোল্লামখোল্লা প্রচারণা ...
27/03/2024

আড়ং এর স্পর্ধা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে দেখুন। পাঞ্জাবির পকেটে অভিশপ্ত কওমের চিহ্ন সেঁটে দিয়ে এর পক্ষে খোল্লামখোল্লা প্রচারণা চালাচ্ছে।


#বয়কট


-Khairul Islam

প্রি অর্ডার পোস্ট 🔸মাত্র ৬৪৫ টাকা দামে গরুর মাংসের প্রি অর্ডার নিচ্ছি যার যতটুকু প্রয়োজন প্রি অর্ডার করে রাখতে পারেন।তবে...
02/02/2024

প্রি অর্ডার পোস্ট 🔸
মাত্র ৬৪৫ টাকা দামে গরুর মাংসের প্রি অর্ডার নিচ্ছি যার যতটুকু প্রয়োজন প্রি অর্ডার করে রাখতে পারেন।তবে ১০ কেজি বা তার বেশি হলে সেক্ষেত্রে কিছু এডভান্স পে করতে হবে সিকিউরিটির জন্য।
৮০০ গ্রাম মাংস ও ২০০ গ্রাম হাড্ডি থাকবে।এছাড়া কেউ গরুর মাথা/নলি/ভর এগুলা চাইলেও প্রি অর্ডার করে রাখতে পারবেন।যেদিন জবেহ করা হবে ওইদিনি সবাইকে দিয়ে দেয়ার চেস্টা করবো ইনশাআল্লাহ।কারণ ফ্রেশ মাংসের টেস্টই আলাদা 😊

প্রি অর্ডারের নিয়ম -
🔸 নাম -
🔸নাম্বার-
🔸লোকেশন-
🔸পরিমাণ-

পিকআপ পয়েন্ট পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে। এছাড়া সিলেট টাউনের ভিতরে ডেলিভারি দেয়া হবে।
প্রয়োজনে - 01741832586 (bkash/WhatsApp )

খুবই সীমিত সময়ের জন্য, তাড়াতাড়ি প্রি অর্ডার করতে উপরোক্ত নাম্বারে কল করুন।

23/01/2024

বলবো, কিন্তু অল্প কথায় লিখে যাই জ্ঞানপাপীদের জন্য।

১। XY+টেসটিস+ মেইল সেকেন্ডারি সেক্সচুয়াল ক্যারেকটার = Male(পুরুষ)। এই পুরুষ অপারেশন করেও নারী হতে পারবে না।

২। XX +ওভারি+ ফিমেল সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল ক্যারেকটার= Female (নারী)। এই নারী অপারেশন করেও পুরুষ হতে পারবে না।

এখন হিজড়াতে আসি, এদেরকে মোটাদাগে ৩ভাগে ভাগ করি।

৩। প্রকৃত হিজড়া ( True hermaphrodite) এদের বিষয়টা কমপ্লেক্স। অনেক সময় টেসটিস, ওভারি একসাথে থাকতে পারে। এদের প্রকৃত সেক্স ডিটারমাইন করা টাফ। এরা সংখ্যায় অতিনগন্য।

৪। মেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Male pseudohermaphrodite) XY+টেসটিস+ ফিমেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি মেইল, এক্সটারনালি ফিমেল। এদের মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর বাবা হবারও সুযোগ থাকে।

৫। ফিমেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Female pseudohermaphrodite) XX + ওভারি+ মেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি ফিলেম, এক্নটারনালি মেইল। মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর এদের মা হবার সুযোগ থাকছে।

এখানে ১ পুরুষ, ২ নারী, ৩,৪,৫ হিজড়া।

তাহলে গন্ডার কারা? যারা ১ থেকে ২ হতে চায় অথবা ২ থেকে ১ হতে চায় যেটা কখনোই পসিবল না। এদের কারো কারো ডেন্ডার ডিস্ফোরিয়া থাকে যা একটা মানসিক সমস্যা।এটার জন্য অধিকার নয়, চিকিৎসা দরকার।

তবে বঙ্গীয় গন্ডার গ্রুপের বেশিরভাগই বটম পায়ুকামী যারা অন্য পুরুষের কাছে নিজেদের পায়ুপথ নিবেদন করে। এটাকে সুচারুরূপে করার জন্য তারা রুপান্তরের পথ বেছে নেয়।
~Mehedi Hasan

10/01/2024

বাংলাদেশে সমক।মিতার প্রচার-প্রসারে কাজ করে যাওয়া সংগঠনের প্রথম সারিতেই উঠে আসে ব্র‍্যাকের নাম। বলা যায় বাংলাদেশে সমক।মিতা প্রচারে নেতৃত্ব দিচ্ছে ব্র‍্যাক। তাদের ব্লগসাইট, অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ব্র্যাকের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমকামিতা নর্মালাইজ করতে উঠে পড়ে লেগেছে। নিচে এর কিছু উদাহরন দেয়া হলো:

১. ব্র‍্যাক তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে SRHR এর নামে। SRHR হচ্ছে World Health Organization এর অধীনে, বিশ্বব্যাপী সমক।মিদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করে যাওয়া সংস্থা৷

২. ২০১৩ সালের মে মাসে ব্র‍্যাক Boys of Bangladesh(BOB) নামের সংগঠনের সাথে গোল টেবিল বৈঠক করে। প্রায় ১৫ সদস্যের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক। বৈঠকের বিষয় ছিলো, “সমক।মিতার প্রসারে কী কী কাজ করা যায় বা কী উদ্যোগ নেয়া যায়।” এছাড়াও সমক।মিতা নিয়ে ব্র‍্যাকের সহায়তায় কাজ করা বেশ কিছু সংস্থার বর্ননা উঠে এসেছে ব্র‍্যাকের নিজস্ব রিপোর্টে।

বি:দ্র: [BOB হচ্ছে ঢাকার সমক।মিদের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত সবচেয়ে পুরাতন গ্রুপ। এদের কার্যক্রম ২০০২ এ শুরু হয়েছিলো। মূলত কোলকাতা থেকে পরিচালিত হয় এই গ্রুপ]

৩. ব্র‍্যাক তাদের সে** এডুকেশন বিষয়ক রিপোর্টে তাদের টার্গেটেড সংস্থা/সংঠনের নাম উল্লেখ করেছে। রিপোর্টে উল্লেখিত সংস্থাগুলো ব্র‍্যাকের সহায়তায় সমক।মিদের নিয়ে কাজ করছে। যেমন:- BOB, বন্ধু ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, সম্ভাবনা, নারীপক্ষ, রুপবান ইত্যাদি।

৪. বিবিসি'কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ব্র‍্যাক হিউম্যান রাইটস এন্ড লিগ্যাল এইড সার্ভিসের পরিচালক Dr. Faustina Pereira বলেছিলেন, “আপাতদৃষ্টিতে আগামী ২০ বছরের মধ্যে সমক।মিতার ট্যাবু ভাঙাটাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন”।

ব্র‍্যাক মুলত বিস্তৃত এক সুবিশাল নেটওয়ার্ক যারা সরাসরি আমাদের সমাজ এবং ধর্মব্যাবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। মানবাধিকারের নামে সমক।মি-ট্র।ন্সজেন্ড।রদের অধিকার দিতে চায় ব্র‍্যাক।

সচেতন মুসলিম হিসেবে এসব কালপ্রিটদের ব্যাপারে জানা আপনার জন্য আবশ্যক। এই গোষ্ঠিগুলোর ব্যাপারে নিজে জানুন, অন্যকেও জানান। পোস্টটি ব্যাপকভাবে শেয়ার করুন। অথবা নিজেদের প্রোফাইলে পোস্ট করুন। পোস্টের কোনো ক্রেডিট দেয়ার প্রয়োজন নেই।
~নাবিক

ট্রান্সফর্মাস বাদের প্রসারে কাজ করা সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিদের একজন হল বিলিয়েনের জর্জ সরোস। রোমানিয়ান বংশোদ্ভুত এই ই-দী ধনকুবেরকে নিয়ে ইন্টারনেট জুড়ে ছড়িয়ে আছে নানা তত্ত্ব আর ষড়যন্ত্র তত্ত্ব।
অনেকেই মনে করেন জর্জ সরোস এবং তার প্রতিষ্ঠান ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশন গোপন কোন এজেন্ডা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সারা বিশ্বে। সেসব তত্ত্বের সত্যতা অনুসন্ধানের সুযোগ আমাদের নেই। আমরা কেবল এলজি টিভি আন্দোলনের পেছনে সরোসের ভূমিকার দিকে তাকাবো।
২০১৩ সালে এলজি টিভি সংক্রান্ত খাতে কমপক্ষে ২৭ লক্ষ ডলার দান করে সরোসের তৈরি করা ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশন। এই ইস্যুতে সারা বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে সক্রিয় ভাবে কাজ করে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকা করা হলে একেবারে প্রথম দিকে থাকবে হিউম্যান রাইটস ক্যাম্পেইন নামের প্রতিষ্ঠানের। ২০১০ সালে এই প্রতিষ্ঠানকে ১০০ কোটি ডলার অনুদান দেয় সরোস।
সরোসের প্রভাবের আরও কিছু উদাহরণ দেখা যাক। অ্যামেরিকাতে ট্র্যান্সফর্মাস নিয়ে প্রথম বড় বিতর্ক শুরু হয় ২০১৬ সালে। নারী সাজা পুরুষরা নারীদের বাথরুমে যেতে পারবে কি না, এ নিয়ে তর্ক শুরু হয়। এ বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে জিএসএ নেটওয়ার্ক নামের এক সংগঠন।
এই সংগঠনের অ্যাক্টিভিস্টরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পেইন চালায়। কিভাবে ট্র্যান্সর্মার্সবাদের পক্ষে কথা করতে হবে, কোন কোন যুক্তি আর পরিসংখ্যান ব্যবহার করতে হবে, অ্যাক্টিভিস্টরা কিভাবে ক্যাম্পেইন চালাবে, লবিয়িং করবে- এসব বিষয়ে প্রশিক্ষন দেয়। সব কিছু ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করে প্রকাশ করে হ্যান্ডবুক।
২০১৩ সালে যেমন সরোসের কাছ থেকে ১ লক্ষ ডলার পেয়েছিল জিএসএ।
মানুষের দরজায় গিয়ে গিয়ে ক্যানভাসিং করা ট্র্যান্সফর্মাসবাদের স্বাভাবিকীকরণে ঠিক কতোটুকু কার্যকরী হতে পারে তা নিয়ে গবেষণা করছে সরোসের অনুদান পাওয়া আরেক প্রতিষ্ঠান এলএ জিএল কমিউনিটি সেন্টার। ২০২৩ সালে বিখ্যাত সায়েন্স জার্নালে এ নিয়ে একটা প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে তারা।
গেইট নামের আরেক এনজিও অ্যামেরিকা জুড়ে কাজ করে যাওয়া বিভিন্ন এলজি টিভি প্রতিষ্ঠানকে এক ছাতার নিচে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এসব এনজিও-র জন্য টাকা উঠানো, কিভাবে কাজ করলে তারা সবচেয়ে বেশি সফল হতে পারে, এমন নানা দিকে কাজ করে গেইট। এরাও সরোসের অনুদান পেয়েছে।
ও আচ্ছা ভালো কথা, বাংলাদেশেও কেউ কেউ সরোসের অনুদান পেয়েছে। এদের অনেকেই আবার সমতার নামে এলজি টিভি এজেন্ডা এবং ট্র্যান্সফর্মাস বাদের প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে।
~Asif Adnan
পাঠ্যপুস্তকে ট্র্য।ন্সJন ড।র হবার দীক্ষা কেন? কিভাবে?
।_ জিবি টি মতবাদ প্রচার করার জন্য সারা বিশ্বজুড়ে কাজ করে বিশাল এক নেটওয়ার্ক। এনজিও, অ্যাক্টিভিস্ট, মিডিয়া, আমলা, উকিল, রাজনীতিবিদ আর আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর এক বিস্তৃত মাকড়শার জাল।
নেটওয়ার্কের একদম ওপরে বিরাট বিরাট সব দাতা। আক্ষরিক অর্থে যারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করছে বিকৃতির প্রসারে। তাদের ফান্ডিং নিয়ে গড়ে ওঠে নানান আন্তর্জাতিক এনজিও। প্রভাবশালী এই এনজিওগুলোর অনেকে ‘মানবাধিকার’ আর সামাজিক ইস্যুতে খোদ জাতিসংঘের উপদেষ্টা বনে বসে আছে। [১]
তাদের এবং শক্তিশালী পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমাগত সুপারিশের ফলে বিকৃতিকে মানবাধিকার বলে স্বীকৃতি দেয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। বিকৃতির প্রসারকে বানিয়ে ফেলে বৈশ্বিক লক্ষ্য। [২]
বিভিন্ন দেশের লোকাল এনজিওগুলো আন্তর্জাতিক সংস্থা, পশ্চিমা দাতা, এনজিও এবং সরকারগুলোর হয়ে কাজ করে। বিদেশী ফান্ডিং আর নকশা নিয়ে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে সমাজবিধ্বংসী নানা মতবাদ আর প্রকল্প নিয়ে কাজ করে যায় এরা।
রাজনীতিবিদ আর প্রশাসনের কাছে দেনদরবার করে, উকিলদের দিয়ে খসড়া আইন বানায়, অ্যাক্টিভিস্ট তৈরি করে, মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারণা চালায়, এবং শিক্ষার মাধ্যমে তাদের মতবাদ গেথে দেয়ার চেষ্টা করে নতুন প্রজন্মের চিন্তাচেতনায়।
পাঠ্যপুস্তকে ট্র্য।ন্সJন ড।র বাদের শিক্ষা ঢোকানোর সাথে এমন কিছু লোকাল এনজিও যুক্ত। এদের ফান্ডিং করছে পশ্চিমা ।_ জিবি টি মাফিয়া। এগুলো গোপন কোন তথ্য না, এসব প্রতিষ্ঠানের সাইটগুলোতেই এসব তথ্য দেয়া আছে খোলাখুলি। উদাহরণ দেই।
বাংলাদেশে ট্র্য।ন্সJন ড।র বাদ প্রসারে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। ট্র্য।ন্সJন ড।র সংক্রান্ত বিভিন্ন নিউস রিপোর্টে তাদের নাম বারবার উঠে এসেছে। এ প্রতিষ্ঠানটি তাদের ২০২১ সালের বাৎসরিক প্রতিবেদনে লিখেছে,
“পলিসি অ্যাডভোকেসি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। বন্ধু তাই একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে ২০১৫ সাল থেকে এনসিটিবির সাথে সংলাপ শুরু করেছে...”

~ [বঙ্গানুবাদ আমার, মূল ইংরেজি পোস্টের সাথে যুক্ত প্রথম ছবিতে, বন্ধু অ্যানুয়াল রিপোর্ট ২০২১, পৃ ২৮]
সেই নির্দিষ্ট এজেন্ডা কী? উত্তর একটু পরেই দেয়া হয়েছে,
"...এভাবেই অবশেষে কম্প্রিহেনসিভ যৌন শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে...এটি সরাসরি বন্ধু-র দীর্ঘমেয়াদী অ্যাডভোকেসির ফল। বন্ধু বিশ্বাস করে হি জরা এবং ট্র্য।ন্সJন ড।র সম্প্রদায়ের অধিকার ও প্রয়োজনসংক্রান্ত সমস্যাগুলো শীঘ্রই শিক্ষাক্রমে প্রতিফলিত হবে, এই প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চলমান..."

~[বঙ্গানুবাদ আমার, মূল ইংরেজি পোস্টের সাথে যুক্ত দ্বিতীয় ছবিতে, সুত্রঃ প্রাগুক্ত]
আসলেই খুব দ্রুত তাদের এই ‘বিশ্বাস’ সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ২০২২ সালের বাৎসরিক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারপারসন এবং এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টরের লেখায় বলা হচ্ছে,
"জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সাথে দৃঢ় লবিয়িং এবং অ্যাডভোকেসির মাধ্যমে, ট্র্যান্সফর্মাস, হিজ- এবং লি’\গ রূপান্তরমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটি বিস্তারিত (কম্প্রিহেনসিভ) অংশ সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।"

~ [বঙ্গানুবাদ আমার, মূল ইংরেজি পোস্টের সাথে যুক্ত তৃতীয় ছবিতে, বন্ধু অ্যানুয়াল রিপোর্ট ২০২২, পৃ ৭]
একই প্রতিবেদনের ৯ নং পৃষ্ঠায় বলা হচ্ছে, এই আলোচনাগুলো এসেছে ‘ক্লাস ৭ এর সামাজিক বিজ্ঞান পাঠ্যবইয়ে’। [বন্ধু অ্যানুয়াল রিপোর্ট ২০২২, পৃ ৯]
অর্থাৎ পাঠ্যবইয়ে এলজি টিভি মতবাদ নিয়ে আসার জন্য বন্ধু ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামের প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ভাষ্যমতে, এনসিটিবি-র সাথে ‘টেনেশাস লবিয়িং’ করে এ বিষয়গুলো তারা ক্লাস সেভেনের সামাজিক বিজ্ঞান বইতে এনেছে।
এই অ্যানুয়াল রিপোর্টগুলো তাদের সাইটে দেয়া আছে, যে কেউ যাচাই করে নিতে পারেন।
এই প্রতিষ্ঠানের ডোনার বা অর্থায়নকারীদের মধ্যে আছে বিদেশী এনজিও, ইউএসএইড, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং জাতিসঙ্ঘের বিভিন্ন সংস্থা। [ছবি ৪]
এই হল পাঠ্যপুস্তকে শরীফ-শরীফা আর ছেলে মেয়ে হতে পারে, মেয়ে হতে পারে ছেলে – জাতীয় আলোচনা আসার পেছনের কাহিনী। ব্যাপারটাকে স্রেফ কিছু মানসিক রোগী কিংবা বিকৃত রুচির মানুষের উদ্ভট কর্মকাণ্ড, কিংবা ‘বঞ্চিত মানুষের অধিকারের আন্দোলন’ মনে করলে মস্ত বড় ভুল করবেন। দেশীয় রাজনীতির বাইনারী লেন্সেও বিষয়টা মাপলে হবে না।
একটা গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবীজুড়ে এই নোংরা বিকৃতিগুলো ছড়ানো হচ্ছে। নকশা, পরিকল্পনা আর ফান্ডিং আসছে পশ্চিম থেকে, বাস্তবায়ন করছে লোকাল প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব কর্মতৎপরতার কিছু কিছু বিষয় আমাদের সামনে আসলেও, এর সত্যিকারের মাত্রা এবং পরিধি এখনো অধিকাংশেরই অজানা।
ট্র্যান্সজেন্ডারবাদের হুমকি নিয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন আমাদের প্রত্যেকের। এটা এক লম্বা, কঠিন লড়াই হতে যাচ্ছে। যে লড়াইয়ের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে প্রজন্মের, সমাজের, আপনার আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ।
এটা এমন দ্বন্দ্ব যা আপনার ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। নিস্ক্রিয় থাকার সুযোগ নেই। অপশন নেই সাইডলাইনে বসে থাকার। সত্যিকার অর্থেই এটা সমাজ ও কওমের অস্তিত্বের প্রশ্ন।
~ Asif Adnan

আপনি যে চা পান করছেন তা কতটুকু নিরাপদ!! তা ভেবে দেখেছেন কি?? ✅স্বাস্থ্যসম্মত এক কাপ চায়ের জন্য সবার আগে প্রয়োজন ভালো মান...
08/01/2024

আপনি যে চা পান করছেন তা কতটুকু নিরাপদ!! তা ভেবে দেখেছেন কি??

✅স্বাস্থ্যসম্মত এক কাপ চায়ের জন্য সবার আগে প্রয়োজন ভালো মানের চা পাতা। যে চা পাতায় কোন ক্ষতিকারক উপাদান মিশ্রিত থাকবেনা। বাজারের কেমিক্যাল যুক্ত চাপাতা দিয়ে ১০ কাপ চা খাওয়া থেকে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর, কোয়ালিটি চাপাতা দিয়ে চা খেয়ে পরিবারের সাথে কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করুন। আপনার পরিবারের সাথে কাটানো 'চায়ের সময়' যেন বৃথা না যায়।😊

✅আলহামদুলিল্লাহ্‌ সিলেট এর উন্নত মানের চা পাতা কিনুন ঘরে বসেই!!
আলহামদুলিল্লাহ! ঐতিহ্যবাহী সিলেটের বিখ্যাত সব বাগানের অরিজিনাল চা পাতা পাচ্ছেন আমাদের কাছে। বাগানের বাছাইকৃত পাতা থেকে সংগৃহিত সেরা মানের চা পাতা, যা সম্পূর্ণ টাটকা, তাজা ও কোন প্রকার ক্ষতিকর কেমিক্যাল মুক্ত।

আমাদের কাছে আছে -
★ ব্ল্যাক টি
★ ক্লোন টি
★ নরমাল টি

Order এর জন্য আমাদের পেইজে মেসেজ করুন, অথবা কল করুন এই নাম্বারে - 01719840512

ইসলামে পর্দা করা মহিলা/পুরুষ,  ছেলে/মেয়ে সবার জন্য ফরজ। কিছু লোক সেটা মানতে নারাজ। তারা চায় না মেয়েরা পর্দায় থাকুক। আফসো...
08/12/2023

ইসলামে পর্দা করা মহিলা/পুরুষ, ছেলে/মেয়ে সবার জন্য ফরজ। কিছু লোক সেটা মানতে নারাজ। তারা চায় না মেয়েরা পর্দায় থাকুক।
আফসোস হলো কিছু নামধারী পুরুষ/ স্বামী ও চায় না তার স্ত্রী সবসময় পর্দাবৃত থাকুক।

  আরো ডিজাইন এবং ক্যালিগ্রাফি দেওয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে আমাদের শপ ভিজিট করুন। ফোন: ০১৭১২১৩৩৩১৩ওয়াজিহা ফ্যাশন
13/05/2023


আরো ডিজাইন এবং ক্যালিগ্রাফি দেওয়া যাবে।

বিস্তারিত জানতে আমাদের শপ ভিজিট করুন।

ফোন: ০১৭১২১৩৩৩১৩
ওয়াজিহা ফ্যাশন

Address

Zindabazar
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801712133313

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ওয়াজিহা ফ্যাশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share