WOW We Import From India and Pakistan to ensuring the Originality and Best Prices . We provide home delivery inside Sylhet City .

একদাম 🔖𝗙𝗶𝘅𝗲𝗱 𝗣𝗿𝗶𝗰𝗲
দামাদামির সুযোগ নাই (যতো পিসই নেন⛔)

✅সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক শপ
✅তাই রিভিউ দেখে অর্ডার করুন
✅কমদামে ভালো পণ্য পাবেন
✅ডেলিভারি চার্জ এডভান্স (আগে দিতে হবে), ক্যাশ অন হোম ডেলিভারিতে প্রডাক্ট নিন👗আমাদের নিজস্ব পিকচার "WOW" is a trusted online shop , For Bangladeshi, Indian and Pakistani Branded Three Piece , Sari , Lehenga ,Kurtis, Hijab, fashionable outfit as well as Desh

i Reputed Branded Sarees and Designer Dresses . "WOW" is not just a Name its a Sense of your Trendy Wear , So you can trust with your close eyes , Your Satisfaction is our First Attempt . " WOW " Team Always dedicate to offer you the Unique , Trendy , and Comfortable wear within Short Time. " WOW" team committed to you for best customer support and quickest delivery all over Bangladesh .

The ra**st doesn't deserve "Crossfire", doesn't deserve "Ex*****on". He deserves slow punishment as the girl felt when s...
21/05/2026

The ra**st doesn't deserve "Crossfire", doesn't deserve "Ex*****on". He deserves slow punishment as the girl felt when she was r***d! Collected....

বিস্তারিত কমেন্টে⚠️ কতোটা হিংস্র মানুষ 😥 চোখের আড়ালে রাখা যাবেনা মেয়েদের😥 দিন দিন মনে হচ্ছে মানুষ পশু হয়ে গেছে এবং পশুরা...
20/05/2026

বিস্তারিত কমেন্টে⚠️ কতোটা হিংস্র মানুষ 😥 চোখের আড়ালে রাখা যাবেনা মেয়েদের😥 দিন দিন মনে হচ্ছে মানুষ পশু হয়ে গেছে এবং পশুরা মানুষ।

সিলেটে দিন দিন অমানুষ বেড়ে গেছে😥 নিচের পোস্ট কালেক্টেড:‎দীর্ঘ নয় মাস বন্দি রেখে অমানবিক নির্যাতনের শিকার তাহসিন! ‎‎কার ...
17/05/2026

সিলেটে দিন দিন অমানুষ বেড়ে গেছে😥 নিচের পোস্ট কালেক্টেড:

‎দীর্ঘ নয় মাস বন্দি রেখে অমানবিক নির্যাতনের শিকার তাহসিন! ‎‎কার বাসায় বন্দি ছিল জানেন? তার নিজেরই বাসায়! কোনো প্রতিষ্ঠানে নয়, কোনো শিক্ষকের হাতে নির্যাতিত হয়নি। নির্যাতিত হয়েছে এক কুলাঙ্গার জা নো য়া রের হাতে।

‎সন্তানকে নির্যাতন থেকে বাঁচাতে তার 'মমতাময়ী' মায়ের ভূমিকা কী ছিল জানেন? কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়া! হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। তাহসিনের মা আক্ষরিক অর্থেই কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিত! পিটুনি শেষ করে জা নো য়া রটা জখমে ব্লেড দিয়ে পোস দিত। এরপর তার নির্দেশে তাহসিনের মা ক্ষতস্থানে লবণ ও গুঁড়ামরিচ মিশিয়ে দিত। ওই কাজে ওর দুই খালাও জড়িত। 'কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা' এতো দিন রূপকার্থে শুনলেও একজন মায়ের হাতে বাস্তবিক রূপ নিয়েছে! ভাবা যায়?

‎'অমানবিক' বলবো না অন্যকিছু, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। শিশুটির শরীরের এক ইঞ্চি জায়গাও আঘাত থেকে বাদ পড়েনি। পুরোটা শরীর ঝাঁঝরা করে দিয়েছে! নির্বিঘ্নে, নিশ্চিন্তে, মা ও খালাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়, নয় মাস ধরে, বর্বর ও নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করে আসছিল পাষাণ!

‎নির্যাতনে তাহসিনের মা ও দুই খালার পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। তারা তাহসিনের উভয় হাত পেছন দিকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে দিত। এরপর ওই লোকটা হাতের কাছে যা পেত, তা দিয়ে পিটাত। তাহসিন বাঁচাও বাঁচাও বলে গগনবিদারী চিৎকার করত। চিৎকার যত বাড়ত, ওই জানোয়ার তত বেশি মারত। দরজা-জানালা বন্ধ সত্ত্বেও বাহির থেকে তাহসিনের আর্তচিৎকার কিছুটা শুনা যেত।

‎চিৎকার শুনতেন আশিক ভাই। পরখ করলেন কোন বাসা থেকে এতো চিৎকার আসে। গেলেন বাসায়। ১৫ পারার হাফিজ, ১০ বছরের নিষ্পাপ শিশুকে অমানবিক নির্যাতনের কারণ জানতে চাইলে জা নো য়া র টা বলল—'আমার সন্তানকে আমি মারছি, তুই কে? তোর কী হইছে?!' তাহসিনের মা বলল—'বাপ তার ছেলেকে মারছে, তোমার কী?!' খালাদেরও একই কথা।

‎ওই জানোয়ারটা কি আসলেই বাবা? তাহসিন এক ভিডিওতে বলেছে—“আমি তাকে চিনি না। সে আমাদের কেউ নয়। আমার আব্বা প্রবাসী। তিনি এসব জানেন না। সে আমার আম্মা ও খালাদের সাথে লুডু খেলত। আমার খালাদের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমাতে দেখতাম।”

‎তাহসিনের এই বর্ণনা থেকে তার মা ও খালাদের সঙ্গে ওর সম্পর্কের ধরনটা বুঝতে বাকি নাই। একজন পরপুরুষ, যার সঙ্গে আত্মীয়তা কিংবা বৈবাহিক কোনো সম্পর্ক নেই—সে পাঁচজন (মা, দুই খালা, বোন ও খালাতো বোন) নারীদের নিয়ে একই বাসায় বছর ধরে একত্রে বসবাস ও খেলতামাশা করে আসছিল—বিষয়টা কি খুব স্বাভাবিক? ওদের গোমর ফাঁস করে দেয়ার ভয়ে তাহসিনকে ধীরে ধীরে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে—এটাও অসম্ভব নয়!

‎পনের-বিশ দিন থেকে তাহসিনের আর্তচিৎকার শুনতে না পেয়ে আশিক ভাই চিন্তায় পড়ে গেলেন যে, মনে হয় ওরা ছেলেটাকে মেরে ফেলেছে! বন্ধু-বান্ধব কয়েকজনকে নিয়ে খোঁজখবর নিতে গেলেন। তখনই দেখতে পেলেন তাহসিনের এই করুণ অবস্থা! আওয়াজ যাতে বাইরে না যায়— সেজন্য মুখে স্কচটিপ পেঁচিয়ে, কখনো গামছা দিয়ে বেঁধে পিটাত। একারণে আহাজারির আওয়াজ শুনা যাচ্ছিল না। ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশ ডাকলেন। পুলিশ এসে তদন্ত করে, জানোয়ারটাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

‎তাহসিনের আব্বাকে ফোন করে বিষয়টি অবগত করলে তিনি কান্না শুরু করেন। তিনি বলেন—“আমার বাসায় তো কোনো পুরুষ মানুষ নাই। ওই লোকটাকে আমি চিনি না। আমার ছেলের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে আমি জানতাম না।”

‎তাহসিন তার আব্বার সঙ্গে ফোনের সুযোগ পেত না। কখনো কথা বললে, ওর মা সামনে খাড়া থাকতেন। একারণে সে বিষয়টি বলতে পারত না। নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বলতও না।

‎তাহসিনকে নির্যাতনের স্ট্রিমরোলার থেকে উদ্ধার করে, অপরাধীকে পুলিশে সোপর্দ করা পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সঙ্গে ওর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তারা হলেন— আশিক ভাই, আনসার ভাই, দেওয়ান তাকওয়া সহ হিলভিউ টাওয়ার ও খাদিমপাড়ার বেশকয়েকজন তরুণ। মজলুমের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

‎মিডিয়ায় দেখলাম শাহবাগ এলাকার জনৈক নেতা পুরো ক্রেডিট নিচ্ছেন, অথচ পুলিশে সোপর্দ করা পর্যন্ত তার কোনো দেখা মিলেনি। ক্রেডিট নিন, সমস্যা নাই। তবে সমস্যার জায়গা হলো—তিনি ফেসবুকে 'শিক্ষকের হাতে নির্যাতন' বলে পোস্ট করেছেন। অনেকেই ভুল বোঝাবুঝি বশত তার পূর্বের মাদরাসার নাম নিয়ে পোস্ট করছেন। কেউ মাদরাসায় শিক্ষকের হাতে নির্যাতন বলে পোস্ট করছেন। অথচ তাহসিন দীর্ঘ নয় মাস ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছে—তারই বাসায়, তারই মা ও খালাদের সহযোগিতায়, এক জানোয়ার পাষাণ্ড কুলাঙ্গারের হাতে! পূর্বের মাদরাসা থেকে নয় মাস আগেই তাকে নেওয়া হয়েছে।

‎তাহসিনের আত্মীয়দের কাছে অনুরোধ করছি—বিষয়টা শক্ত করে ধরুন। চুল পরিমাণ ছাড় দিবেন না। মা ও খালাদের ছেড়ে দিবেন না। কুলাঙ্গার গ্রেফতার হলেই হবে না, ওর শাস্তি নিশ্চিত করুন। একই সঙ্গে ওর মা ও খালাদের আইনের কাছে সোপর্দ করুন। সবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করুন। সবার শাস্তি নিশ্চিত করুন।

(‎লেখা সংগৃহীত বিস্তারিত কমেন্টে)

16/05/2026

জু*লুমের শা*স্তি ☘️অবুঝ প্রাণীকে মেরে কি শান্তি পায় এরা???
"অতঃপর যে বিন্দু পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে। আর যে বিন্দু পরিমাণ খারাপ কাজ করবে, সে তাও দেখতে পাবে।"
—সূরা যিলযাল [৭-৮]

✨ Elegant Embroidered 2pis Set ✨Soft • Stylish • Comfortable 🤍Perfect for casual outings, gatherings & festive looks 🌸💫 ...
15/05/2026

✨ Elegant Embroidered 2pis Set ✨
Soft • Stylish • Comfortable 🤍
Perfect for casual outings, gatherings & festive looks 🌸
💫 Premium quality (Zafran Meterial)
💫 Beautiful floral embroidery
💫 Trendy and graceful design
Inbox for order & details 📩

Body-free size 40
Sleevs- 20
Tops long: 40
Pant long 37
: 800tk

Embroidery CEY Fabric Gown   Long: 53/54 Body Free size 44Sleevs 21
13/05/2026

Embroidery CEY Fabric Gown

Long: 53/54
Body Free size 44
Sleevs 21

😥  #গ্রেপ্তার হওয়া জাকির (বামে), নিহত শিশু ফাহিমা (ডানে)। সিলেটে ফাহিমা আক্তার নামে চার বছরের এক শিশু নিহতের ঘটনায় জাকির...
12/05/2026

😥 #গ্রেপ্তার হওয়া জাকির (বামে), নিহত শিশু ফাহিমা (ডানে)। সিলেটে ফাহিমা আক্তার নামে চার বছরের এক শিশু নিহতের ঘটনায় জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জালালাবাদ থানা পুলিশ। জাকির নিহত ফাহিমার প্রতিবেশি ও সম্পর্কে তার চাচা। সোমবার রাতে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রাম থেকে জাকিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জাকিরকে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তার শাস্তির দাবিতে রাতে জালালাবাদ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। মধ্যরাতে জাকিরের বাড়িতে হামলা চালান বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে যৌন নির্যাতন চালিয়ে ফাহিমাকে পরে হত্যা করে। এরপর লোকটি তার স্ত্রীর ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে ফাহিমাকে ব্যাগে রাখে। পরে সেই ওড়নাসহ বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে দেন জাকির। সে-ই ডোবা থেকে শুক্রবার ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শিশু ফাহিমা সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। রাইসুল হক স্থানীয় বাজারে একটি দোকানে দিনমজুরের কাজ করেন। আর গ্রেপ্তার হওয়া জাকির একই এলাকার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে।সিলেটের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মুজাহিদুল ইসলাম জাকিরকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, জাকিরকে থানা হাজতে রাখা হয়েছে। বাইরে এলাকাবাসী বিক্ষোভ করছেন। সংগ্রহীত

12/05/2026
ইসলামে প্রমান ছাড়া আন্দাজে কথা বলা এবং তা শেয়ার করা ভায়বহ গোনাহ।  #নেত্রকোনা ঘটনার বিষয়টি সঠিক ডিএনএ রিপোর্ট অনুযায়ী ফায়...
05/05/2026

ইসলামে প্রমান ছাড়া আন্দাজে কথা বলা এবং তা শেয়ার করা ভায়বহ গোনাহ। #নেত্রকোনা ঘটনার বিষয়টি সঠিক ডিএনএ রিপোর্ট অনুযায়ী ফায়সালা করা ধরকার। এখানে কে শয়*তান রুপি মানুষ??

ভিক্টিম এর কথা /হুজুরের কথা কাউকেই প্রাথমিক ভাবে দোষি ভাবা ঠিক নয়। কারন আমরা কিছু পেলে চিলে কান নিয়েছে বলে তার পিছে দৌড়াই। গতো বছরের একটি ঘটনা সবার মনে আছে নিশ্চয়ই ছেলেকে মায়ের হ*ত্যাকারী সাজিয়ে সারাদেশ বাসী কি কাহিনিটাই না করলো পরে, সঠিক তথ্য পাওয়া গেলো, ঐ বাসার ভাড়াটিয়া এই হ*ত্যাকান্ড করেছে। পরে সবাই ছেলের কাছে মাফ চাইলো কিন্তু এই কয়দিন ছেলেটির উপর যে প্রেশার গেছে বা যা অ*ত্যাচার করা হয়েছে তা কি সে ফিরে পেয়েছিলো??

তাই সঠিক তদন্ত প্রয়োজন। মেয়ের ভাষ্যমতে হুজুর এবং হুজুরের ভাষ্যমতে নানা এবং সৎ বাবা এই তিন জনের ডিএনএ পরিক্ষা করা হোক সেই অনাগত বাচ্চার সাথে। যার সাথে মিল হবে থাকে প্রকাশ্যে এমন মৃ*ত্যুদন্ড দেওয়া হোক যাতে পরবর্তীতে এরকম কাজ করতে মানুষের অন্তর কাপে।

ডিএনএ পরিক্ষা করে আসল অপরাধীর শাস্তি চাই সে যেই হোক।

বি:দ্র: অনেকে বলবে তাহলে সেই হুজুর ভাগছেন কেন? এটা হতে পারে, হয়তো মানুষের মারার ভয়ে কারন পৃরথমে উত্তেজিত হয়ে অনেকে হয়তে বাড়ি ঘেরাও করে মেরেও ফেলতে পারে। অথবা তিনিই দোষি তাই ভাগছেন। তবে যেহেতু তিনি বার বার ডিএনএ পরিক্ষা কথা বলতেছেন, এখানে কাহিনি অন্য কিছু হতেও পারে। তাই সব আসামির আআত্মপক্ষ সমর্থন এর অধিকার আছে। আমরা চাইনা কেন নির্দোষের উপর জুলুম হোক এবং প্রকৃত আসামি পার পেয়ে যায়। তাই সঠিক তদন্ত প্রয়োজন।

03/05/2026

কতো নিকৃষ্ট মানুষ (কুফরি করে মানুষের ক্ষতি করার চিন্তা, এতো লোভ ২ দিনের দুনিয়ার জন্য)

কালেক্টেড ভিডিও

Ramper Gown ✅Stock update
02/05/2026

Ramper Gown ✅Stock update

Address

Sylhet Sadar
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 13:00 - 22:00
Tuesday 13:00 - 22:00
Wednesday 13:00 - 22:00
Thursday 13:00 - 22:00
Friday 13:00 - 22:00
Saturday 13:00 - 22:00
Sunday 13:00 - 22:00

Telephone

+8801852565658

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WOW posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to WOW:

Share

Category