Zara Fashion, Fakir Bazar

Zara Fashion, Fakir Bazar Its a need base fashion outlet for middle class fashion lover in cheap prices.

03/09/2022
For Saturday Dress of  , contract to  , Fakir Bazar #সানরাইজ_একাডেমী'র শনিবারের ইউনিফর্মের জন্য যোগাযোগ করুন  #জারা_ফ্যা...
03/09/2022

For Saturday Dress of , contract to , Fakir Bazar
#সানরাইজ_একাডেমী'র শনিবারের ইউনিফর্মের জন্য যোগাযোগ করুন #জারা_ফ্যাশন, ফকির বাজার

স্বাধীনতার ৭৫বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন  ারা_ফ্যাশনে #জয়_হিন্দ
13/08/2022

স্বাধীনতার ৭৫বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন ারা_ফ্যাশনে
#জয়_হিন্দ

16/05/2022
We accept digital payment through   &
12/05/2022

We accept digital payment through &

With new looks
30/01/2022

With new looks

 #ব্যবসা_বানিজ্যে_ভুলে_করেও_যে_৮টি_কাজ_কখনও_করবেন না!ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপকতার ফলে নতুন করে তার পরিচিতি পাঠকের সামনে তু...
03/08/2021

#ব্যবসা_বানিজ্যে_ভুলে_করেও_যে_৮টি_কাজ_কখনও_করবেন না!
ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপকতার ফলে নতুন করে তার পরিচিতি পাঠকের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন নেই। মূলত বিনিময় প্রথাকে ব্যবসা-বাণিজ্য বলা হয়। প্রাচীনকালে পণ্যের বিনিময়ে পণ্যের আদান প্রদানের প্রথা চালু ছিল। যাকে ফিকহের পরিভাষায় ‘বাইউল মুকায়াজা’ বলা হয়। কিন্তু এ প্রথায় কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়ায় তা বিলুপ্ত হয়ে যায়। পরবর্তীতে মুদ্রার বিনিময়ে পণ্য আদান-প্রদানের প্রথা চালু হয়।

সাধারণ অর্থে এটাকেই আমরা এখন ব্যবসা-বানিজ্য বলি। আদান-প্রদানের এই প্রথা মানব ইতিহাসের মতোই প্রাচীন। মানব অস্তিত্বের প্রথম দিন থেকে এ প্রথা চালু হয়েছে, মানব অস্তিত্বের শেষ দিন পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। ব্যবসা-বানিজ্যের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছে ইসলাম। হাদিস শরিফে আছে, ‘সৎ আমানতদার ব্যবসায়ী নবীগণের সঙ্গে হাশর করবে’।

যেহেতু ব্যবসা-বানিজ্য মানব প্রয়োজনের দিক বিবেচনায় সূচিত হয়েছে, সেহেতু ইসলাম মানব-প্রয়োজনের এ গুরুত্বপূর্ণ দিকটি কলুষতামুক্ত রাখার জন্য বেশ কিছু বিধি-বিধান দিয়েছে। একজন সৎ ব্যবসায়ীর নৈতিক দায়িত্ব হলো সে সব বিধানগুলো মেনে চলা। নিম্মে বিধানগুলো আলোচনা করা হলো।

১ #প্রতারণার_আশ্রয়_নেয়া: ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রতারণার আশ্রয় নেয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ও হারাম। ক্রেতাকে ঠকানোর জন্য পণ্যের দোষ-ত্রুটি গোপন করা জায়েজ নয়। হযরত ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয়, সে আমাদের দলভুক্ত নয়’।

অপর একটি হাদিসে আছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতারণামূলক বেচাকেনাকে নিষিদ্ধ করেছেন’। (মুসনাদে ইমাম আবু হানিফা)। এ বিষয়ে তিরমিযি শরিফে একটি হাদিসে আছে, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার খাদ্যপণের একটি স্তূপের মধ্যে হাত প্রবেশ করালে কিছুটা আদ্রতা অনুভব করেন, তিনি খাদ্যশস্যের মালিককে বলেন, কি ব্যাপার এ খাদ্যশস্য ভিজা কেন? তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল! এ খাদ্যশস্যের ওপর বৃষ্টির পানি পড়েছিল।

রাসুল (সা.) বলেন, তবে ভিজে যাওয়া পণ্য ওপরে রাখলেনা কেন? যাতে মানুষ তা দেখতে পেত। অতঃপর তিনি ইরশাদ করেন, শোন, যে প্রতারণা করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়’। (মুসলিম শরিফ, মেশকাত শরিফ ২৪৮)। আরবের লোকেরা দুধের পশু বিক্রি করার সময় প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করত। তারা কয়েক দিন পর্যন্ত পশুটির দুধ দোহন না করে রেখে দিত, এতে স্তনে দুধ জমা হয়ে স্তন ফুেল যেত আর গ্রাহক দেখে মনে করত পশুটি প্রচুর দুধ দেয়, এই ভেবে তারা চড়া মূল্যে তা খরিদ করে প্রতারিত হত। রাসুলুল্লাহ (সা.) এভাকে পশু বিক্রি করতে নিষেধ করেন। (বুখারি শরিফ, মুসলিম শরিফ)।

২ #ওজনে_কম_দেয়া: ওজনে কম দেয়া অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ। ইসলামি শরিয়ত কখনো তা সমর্থন করে না। যারা ওজনে কম দেয় তাদের এ ঘৃণ্য কাজের বর্ণনা দিয়ে কোরআনে কারিমে আল্লাহ তায়ালা স্বতন্ত্র একটি সুরা অবতীর্ণ করেন। সেখানে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘দুর্ভোগ তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়।

তারা কি চিন্তা করে না যে তারা পুনরুত্থিত হবে কেয়ামতের দিবসে, যে দিন সমস্ত মানুষ দাঁড়াবে মহান প্রতিপালকের সামনে?। (সুরা তাতফীফ ১-৬)। এই আয়াতেগুলো দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মাপে কম দেয়া হারাম ও নিষিদ্ধ। তবে মনে রাখতে হবে, ‘তাতফীফ’ শব্দের অর্থ শুধু মাপে কম দেয়া নয়; বরং যে কোনো প্রাপককে যথাযথ প্রাপ্য না দেয়া। সেটা গণনার মাধ্যমে হতে পারে আথবা অন্য কোনো উপায়েও হতে পারে। প্রাপককে আপন হক থেকে বঞ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য।

৩ #মজুদদারী: আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর মানুষ অধিক মুনাফা লাভের আশায় পণ্য মজুদ বা ষ্টক করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে। ইসলামের দৃষ্টিতে এটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ এবং মানবতার প্রতি চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শনের শামিল। কিছু মানুষ খাদ্যাভাবে কষ্টে দিনাতিপাত করবে, আর কিছু মানুষ নিজেদের হীন স্বার্থ চরির্তাথ করার জন্য কৃত্রিম খাদ্য সংকট সৃষ্টি করবে- এটা ইসলাম সমর্থন করে না।

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি মজুদদারী করে সে পাপাচারী’। (শুয়াবুল ঈমান) তবে মনে রাখতে হবে, মজুদদারী সর্বাবস্থায় নিষিদ্ধ নয়। যদি মজুদদরীর কারণে বাজারে পণ্য-সংকট সৃষ্টি না হয়, অথবা সে উদ্দেশ্যে মজুদদরী করা না হয় তবে তা জায়েজ। সুতরাং মৌসুমের বিপুল আমদানিকালে কম মূল্যে পণ্য খরিদ করে স্টক করে রেখে পরে তা অধিক মূল্যে বিক্রি করা বৈধ। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য বাজারে ছেড়ে দেয়া সর্বাবস্থায়ই উত্তম।

৪ #মিথ্যার_আশ্রয়_নেয়া: আজকাল মিথ্যা কথা বলা ব্যবসায়ীদের একটি চিরাচরিত অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। তারা অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য মিথ্যা কথা বলা বা মিথ্যা শপথ করতে মোটেও কুণ্ঠাবোধ করে না। পবিত্র কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে খেও না। তবে পরস্পর সম্মতিক্রমে বেচাকেনার মাধ্যমে’। (সুরা নিসা ২৯) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যবসা-বানিজ্যকে মিথ্যার কলুষতা থেকে মুক্ত রাখার নির্দেশ দেন।

তিনি ইরশাদ করেন, ‘বেচাকেনার সময় পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগ পর্যন্ত লেনদেন গ্রহণ ও বর্জন করার অধিকার ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ে সংরক্ষণ করে। তারা যদি পণ্য ও বিনিময় দ্রব্যের গুণাগুণ যথাযথ বর্ণনা করেন এবং সত্য কথা বলেন, তবে তাদের বেচাকেনার মধ্যে বরকত দেয়া হয়। আর যদি মিথ্যা বলেন কিংবা গুণাগুণ গোপন করেন, তবে বেচাকেনার বরকত নষ্ট করে দেয়া হয়’। অপর এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি পণ্যের দোষ-ত্রুটি ক্রেতার নিকট প্রকাশ করে না, সে সর্বদা আল্লাহর ক্রোধে নিপতিত থাকে।’

৫ #মিথ্যা_শপথ_করা: এমনিতেই মিথ্যা শপথ করা মারাত্মক গুণাহের কাজ। তার ওপর ব্যবসা-বানিজ্যের ক্ষেত্রে এর নিষেধাজ্ঞা আরো বেশি। কারণ ব্যবসা-বানিজ্যে অন্যের হক সংশ্লিষ্ট থাকে। অথচ আমাদের সমাজের ব্যবসায়ীদের প্রায়ই দেখা যায়, তারা পণ্যকে বেশি দামে বিক্রয় করার জন্য মিথ্যা শপথ করে। যেমন একটি পণ্য বিক্রেতার ১০ টাকা কেনা পড়েছে, সে আল্লাহর নামে কসম খেয়ে বলে আল্লাহর কসম আমি এই পণ্যটি ১৫ টাকায় কিনেছি।

ক্রেতা তার কথার ওপর ভিত্তি করে চড়া মূল্যে তা খরিদ করে নিয়ে যায় এবং প্রতারণার শিকার হয়। মিথ্যা শপথের ব্যাপারে কোরআনে কারিমে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘যারা আল্লাহর পথে কৃত অঙ্গিকার সামান্য মূল্যে বিক্রি করে তাদের আখেরাতে কোনো অংশ নেই। আর তাদের সাথে আল্লাহ তায়ালা কেয়ামেতের দিবসে কথা বলবেন না। তাদের প্রতি করুণার দৃষ্টি দিবেন না। তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবেন না । বস্তুত তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি । (আল ইমরান ৭৭)

উক্ত আয়াত সম্পর্কে হযরত আবু যর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, তিন ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিবসে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। তাদেরকে মার্জনা করবেন না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আমি বললাম হে আল্লাহর রাসুল তারা কারা? তারা তো বড় বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তারা হলো অনুগ্রহ করর পর তা প্রকাশকারী, টাখনুর নিচে কাপড় পরিধানকারী, মিথ্যা শপথের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয়কারী। অতঃপর রাসুল (সা.) এই আয়াত পড়েন। (মুসলিম শরিফ, মেশকাত শরিফ ২৪৩)।

অপর এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা দ্বারা কারও হক নষ্ট করে সে নিজের জন্য জাহান্নামের শাস্তি অবধারিত করে নেয়। তার জন্য জান্নাত হারাম হয়ে যায়। বর্ণনাকারী আরজ করলেন, যদি বিষয়টি সামান্য পরিমানে হয় তবুও? উত্তরে তিনি ইরশাদ করেন, তা গাছের একটি তাজা গাছের ডালই হোক না কেন।’

৬ #সত্য_শপথ_থেকেও_বিরত_থাকা: ব্যবসার ক্ষেত্রে সত্য শপথ থেকেও বিরত থাকা উচিত। কারণ একবার শপথ করার অভ্যাস হয়ে গেলে তা আর ফিরানো যায় না। তাছাড়া বেশি বেশি শপথ করা এটা ইসলামের দৃষ্টিতেও খারাপ কাজ। এ কারণেই ফকিহগণ সত্য শপথ করাকেও মাকরুহ বলেছেন। রাসুল (সা.) বলেন, শপথ পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি করে ঠিক, কিন্তু তা ব্যবসার বরকত নষ্ট করে দেয়। অপর বর্ণনায় আছে ‘তোমরা বেচাকেনার ক্ষেত্রে অধিক শপথ থেকে বিরত থাক, কেননা তা পণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধি করলেও বরকত নষ্ট করে দেয়।’ (মুসলিম শরিফ, মেশকাত শরিফ ২৪৩)

৭ কারো দরদামের ওপর দরদাম না করা: অনেক সময় দেখা যায় একজন একটা বস্তুর দরদাম করছে, পাশ থেকে আরেক জন এসে বেশি দামে বস্তুটা নিয়ে যায়। এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ক্রেতা বিক্রেতার চূর্ড়ান্ত কথাবার্তা শেষ হওয়ার আগে অপর কেউ তার ওপর দামাদমি করা ইসলামি শারিয়তে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

কারণ বিক্রেতা গ্রাহক সংখ্যা বেশি দেখে পণ্যের দাম ন্যায্য মূল্য থেকে বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে সাধারণ আয়ের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই রাসুল (সা.) এ জাতীয় কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। তিনি বলেন, এক জনের দরদামের ওপর দরদাম কর না।(তিরমিযি ২৪২)। তবে ক্রেতা বিক্রেতার কথা চুড়ান্তভাবে শেষ হয়ে গেলে তৃতীয় কোনো খরিদদার তা মুলাতে পারবে।

৮ #সংশয়পূর্ণ_লেনদেন_থেকে_বিরত_থাকা: ব্যবসা-বাণিজ্যে কিছু বিষয় স্পষ্ট হালাল। কিছু বিষয় স্পষ্ট হারাম যা সাধারণ মানুষও বুঝতে পারে। আর কিছু বিষয় আছে সংশয়পূর্ণ সাধারণ মানুষ তা বুঝতে পারে না যে, বিষয়টি কি হালাল না হারাম? সে ক্ষেত্রে সৎ ব্যবসায়ীর দয়িত্ব সংশয়পূর্ণ বিষয় থেকে বেঁচে থাকা। ইসলামও সন্দেহ সংশয়পূর্ণ বিষয় থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দেয়। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

14/02/2021

আমার বন্ধু মামুন আর ওর স্ত্রী ফারিয়ার প্রথম এনিভার্সারি অনুষ্ঠানে এসে খুব অবাক হয়ে গেলাম। এত আলোকসজ্জা আর দামী সুট কোটের ভিড়ে সাধারণ পাঞ্জাবি পরা আমাকে খুব বেমানান লাগছিলো। তাই আমি সবার থেকে একটু দূরে আলাদা ভাবেই বসে ছিলাম। হঠাৎ মামুন এসে বললো,
-কিরে, তুই কখন আসলি? আমরা সবাই ঐখানে আড্ডা দিচ্ছি আর তুই একা এইখানে কি করছিস?
আমি মুচকি হেসে বললাম,
--কেক কখন কাটবি? আমার একটু তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে হবে।
মামুন তখন বললো,
-বাসায় যেতে হবে মানে! শালা আজ সারারাত পার্টি করবো। তা ভাবীকে কেন নিয়ে আসিস নি?
আমি মাথা নিচু করে বললাম,
--এমনিতেই আনি নি।
মামুনের জোরাজোরিতে বন্ধু মহলের আড্ডায় আমিও সামিল হলাম। আমার সব বন্ধু বান্ধব ওদের স্ত্রীদের নিয়ে এসেছে। এক বন্ধু আরেক বন্ধুর স্ত্রীদের সৌন্দর্য্যের প্রশংসায় খুব ব্যস্ত। রাকিব মামুনের স্ত্রীকে দেখে বললো,
"ভাবী, আপনাকে খুব হট লাগছে"।
তেমনি রাকিবের স্ত্রীকে মামুন বলছে,
"ভাবী, এই শাড়িতে আপনাকে জোশ লাগছে"।
বন্ধু রিয়াদ আবার সবার চেয়ে একধাপ এগিয়ে। ও মামুনের স্ত্রী ফারিয়াকে দেখে বললো,
"ভাবী, আপনাকে দেখে তো আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এখন তো আমার স্ত্রীকে আর ভালো লাগবে না। মনে প্রাণে শুধু আপনাকেই চাইবো।"
এমন কথা শুনে সবাই হেসে উঠলো। আর ফারিয়া লজ্জা পাওয়ার ভঙ্গিতে বললো,
"ভাইয়া আপনি একটু বেশি বেশিই বলেন। আর ভাইয়া আমার আগের ফেইসবুক আইডিতে একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে। নতুন আইডি দিয়ে আপনাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছি"।
আমি চুপচাপ ওদের কথা শুনছিলাম। এমন সময় ফারিয়া আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
-আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না।
মামুন হেসে বললো,
-ও আমার ভার্সিটি লাইফের রুমমেট পিয়াস।
ফারিয়া অবাক হয়ে বললো,
-উনিই তোমার সেই লাভার বয় রুমমেট? যে একটার পর শুধু প্রেম করতো?
মামুন মুচকি হেসে ওর স্ত্রীকে বললো,
-এখন সে আর লাভার বয় নেই। বিয়ের পর একদম ফেসে গেছে। বাবা মা জোর করে গ্রামের কোন মেয়ের সাথে বিয়ে করিয়ে দিয়েছে। বিয়ের পর থেকেই বন্ধু আমার এমন মনমরা হয়ে গেছে।
রিয়াদ তখন আমায় বললো,
-তোকে কতবার বলেছি ডিভোর্স দিয়ে দে। যে মেয়েকে নিয়ে সমাজে চলতে পারিস না, বন্ধুদের কোন পার্টিতে নিয়ে যেতে পারিস না এমন মেয়ের সাথে তো থাকার কোন মানেই হয় না।
মামুনের স্ত্রী ফারিয়া তখন বললো,
-রিয়াদ ভাইয়া ঠিক-ই বলেছে। এমন আনস্মার্ট মেয়ের সাথে থাকার কোন মানেই হয় না। আপনি বরং ডিভোর্স দিয়ে দেন।
জবাবে আমি কিছু না বলে শুধু মামুনের দিকে তাকিয়ে বললাম,
--অনেক রাত হয়ে যাচ্ছে। কেকটা এখন কেটে ফেল। আমার তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে হবে।
মামুন কিছুটা রেগে গিয়ে বললো,
-আরে তুই এত যাই যাই করছিস কেন? বাসায় গিয়ে ওই অশিক্ষিত আনস্মার্ট বউয়ের থেকে কি এমন পাবি যে যেতে পাগল হয়ে গেছিস!
আমি মুচকি হেসে তখন মামুনকে বললাম,
--বাসায় গিয়ে আমি আর আমার স্ত্রী একসাথে ভাত খাবো। আমার স্ত্রী আমার জন্য না খেয়ে বসে আছে। বিয়ের পরের দিন সকালে আমার স্ত্রী ফজরের সময় আমায় ডেকে বলেছিলো, আপনি সামনের কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ান আমি পিছনের কাতারে আছি। স্ত্রীর মুখ থেকে এমন কথা শুনে আমি লজ্জায় মাথা নিচু করে বলেছিলাম,
--আমি নামাজ শুদ্ধ ভাবে পড়তে পারি না
আমার স্ত্রী আমার হাতটা ধরে মুচকি হেসে বলেছিলো,
-সমস্যা নেই আমি আপনাকে শিখিয়ে দিবো।
টেবিলের উপর ধূলোপড়া কোরআন শরীফটা মুছতে মুছতে আমার স্ত্রী আমায় বলেছিলো,
-পৃথিবীর সবচেয়ে দামী জিনিসটা এইভাবে অযত্নে রেখেছেন কেন? নিশ্চয়ই এটা চর্চা করেন না।
জবাবে আমি মাথা নিচু করে বলেছিলাম,
--আমি কোরআন পড়তে পারি না।
আমার স্ত্রী মুচকি হেসে আমার হাতটা ধরে বলেছিলো,
-সমস্যা নেই আমি শিখিয়ে দিবো।
এখন তুই বল, আমার স্ত্রী কি অশিক্ষিত?
মামুন আমার কথা শুনে চুপ করে আছে। আমি তখন রিয়াদকে বললাম,
--তোকে কে বলেছে আমার স্ত্রী আনস্মার্ট? তুই তো আমার স্ত্রীকে কখনোই দেখিস নি। আমার স্ত্রী হলো দুনিয়ার সবচেয়ে স্মার্ট মেয়ে। আর তার স্মার্টনেস শুধু আমিই দেখি অন্য কোন পরপুরুষ না। মেয়েদের স্মার্টনেস মানে এই না যে হাইহিল জুতা, পাতলা শাড়ি, চুলে রঙ আর মুখে অকৃত্রিম কিছু জিনিস মেখে অনুষ্ঠানে যাওয়া। নিজের শালীনতা বজায় রেখেও স্মার্ট হওয়া যায়।
মামুনের স্ত্রী ফারিয়াকে বললাম,
--আপনার চোখে স্মার্টনেস মানে হলো নিজেকে কামিনীরূপে পরপুরুষের সামনে উপস্থাপন করা আর আমার স্ত্রীর চোখে স্মার্টনেস হলো পরপুরুষের কামনার চোখ থেকে নিজেকে রক্ষা করা।
যাবার আগে মামুনের কাঁধে হাত রেখে বললাম,
--তুই হয়তো ভাবছিস আমি আনস্মার্ট মেয়েকে বিয়ে করেছি দেখে এমন মনমরা হয়ে গেছি। কিন্তু তোর এটা ভুল ধারণা । আমি এমন হয়েছি আমার অতীত জীবনের কর্মকান্ডের জন্য। আমি সত্যি আজ খুব অনুতপ্ত আমার আগের কর্ম কান্ডের জন্য৷ এত পাপের মাঝেও নিশ্চয়ই কোন ভালো কাজ করেছিলাম যার জন্য আল্লাহ আমায় এমন একজন স্ত্রী দিয়েছেন। যদি পারিস নিজের স্ত্রীকে আর অন্যের স্ত্রীকে সম্মান দিতে শিখ। তোর স্ত্রীকে দেখলে অন্য একটা পুরুষের মাথা ঠিক থাকে না। এখন বুঝতে পারছিস তুই তোর স্ত্রীকে কামিনী রূপে মানুষের সামনে প্রদর্শন করছিস।
কলিংবেল বাজাতেই আমার স্ত্রী শ্রাবণী দরজা খুললো। আমায় দেখে মুচকি হেসে বললো,
-আসতে এত দেরি হলো যে?
আমি ওর জন্য আনা কেকটা ওর মুখের কাছে নিয়ে গিয়ে বললাম,
--অর্ধেকটা আমি খেয়েছি আর বাকি অর্ধেকটা তোমার জন্য নিয়ে এসেছি।
'স্ত্রী'
লেখা - আবুল বাশার পিয়াস

Address

NH-37, Fakir Bazar (West)
Karimganj
788712

Opening Hours

Monday 9am - 9pm
Tuesday 9am - 9pm
Wednesday 9am - 9pm
Thursday 9am - 9pm
Friday 9am - 9pm
Saturday 9am - 9pm
Sunday 9am - 9pm

Telephone

+919954297134

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zara Fashion, Fakir Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Zara Fashion, Fakir Bazar:

Share