Aparajita's Collection

Aparajita's Collection Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Aparajita's Collection, Clothing (Brand), KOLKATA.

10/01/2024
18/10/2023
22/09/2023

পূর্ণিমার রাতে শান্তিনিকেতনের খোয়াইয়ে চলে যেতেন জননী ও পুত্র,সেখানেই সুকুমার জায়া সুপ্রভা দেবী গলা ছেড়ে গান গাইতেন। মানিক তখন বালক, মায়ের সঙ্গে তিন বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনে এসেছিলেন,সেখানে তার সঙ্গে খেলত কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথের পালিত কন্যা পুপে। তারা দুজনেই প্রায় সমবয়সী।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে

সুপ্রভা দেবী ছেলেকে একটা ছোট্ট খাতা কিনে দিয়েছিলেন সত্যজিৎ রায় সেই খাতা নিয়ে কলাভবনে যেতেন।বিখ্যাত চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু ছোট্ট মানিকের খাতায় পেন্সিল দিয়ে এঁকে দিয়েছিলেন গরু আর চিতাবাঘ,আর রঙ তুলিতে ভাল্লুক আর ডোরাকাটা বাঘ।নন্দলাল ছোট্ট মানিকের খাতায় বাঘের ছবিতে ল্যাজের ডগায় দিলেন তুলির একটা ছোপ, বললেন "এই বাঘটা ভীষণ পেটুক।তাই ঢুকেছিল একটা বাড়ির রান্নাঘরে,মাংস চুরি করে খেত।তখনই ল্যাজের ডগাটা ঢুকে যায় জ্বলন্ত উনুনের ভেতর"।

অনেকেই অবগত সুপ্রভা দেবী বিধবাদের স্কুল বিদ্যাসাগর বাণীভবনে চাকরি করতেন, সেজন্য তিনি বাসে করে গড়পারের কাছাকাছি যেতেন, কিন্তু ইন্টারেস্টিং তথ্য হল বিদ্যাসাগর বাণীভবনে চাকরির আগে সুপ্রভা দেবী দার্জিলিংয়র মহারাণী গার্লস স্কুলে কিছুদিন কাজ করেছেন, আরও বড় তথ্য হল সেই স্কুলে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁর ছেলে সত্যজিৎ রায় মহাশয় কে।সেই স্কুলে যখন জননী অন্য ক্লাসের পড়ুয়াদের অঙ্ক করাচ্ছেন তখন ছেলেকে বসিয়ে রাখা হত যতক্ষন মায়ের ছুটি না হয়।

মায়ের সঙ্গে একবার ছোটবেলায় সত্যজিৎ গিয়েছিলেন উত্তরায়ণে,তখন দশ বছর বয়স,মানিকের ইচ্ছা নিজের নতুন অটোগ্ৰাফের খাতায় রবীন্দ্রনাথ কে দিয়ে একটা কবিতা লিখে নেবেন ‌। খাতা দিতে কবি বলেছিলেন "এটা থাক আমার কাছে:কাল সকালে এসে নিয়ে যেও"।
পরদিন সত্যজিৎ কে দেখে কবি খুঁজতে লাগলেন তাঁর বেগুনী খাতা।বেশ কিছুক্ষণ রবীন্দ্রনাথ হাতড়ে খাতা উদ্ধার করে সুপ্রভা দেবীর হাতে দিয়ে বললেন "এটার মানে ও আরেকটু বড় হলে বুঝবে"।সেই খাতায় লেখা কবিতা বহু আলোচিত তবু মনে করি প্রথম লাইন,-
"বহুদিন ধরে' বহু ক্রোশ দূরে"।
সংকলনে ✍🏻 অরুণাভ সেন।।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে






পুস্তক, চিত্র ঋণ,যখন ছোট ছিলাম, সত্যজিৎ রায়

21/09/2023

স্কুলেরই বার্ষিক অনুষ্ঠানে গেয়েছিলেন — ‘পাগলা মনটারে তুই বাঁধ’ আর ‘ভাইয়ের দোরে ভাই কেঁদে যায়’, উপস্থিত ছিলেন অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বালক শিল্পীর গান শুনে তিনি অসম্ভব মোহিত,উচ্ছ্বসিত। নিজের আসন ছেড়ে উঠে এসেছিলেন শরৎচন্দ্র, আশীর্বাদ করে বালক গায়কের হাতে তুলে দিয়েছিলেন পাঁচ টাকার একটা নোট,তারপর কেটেছে অনেকগুলি বসন্ত । সেদিনের বালক গায়ক কে চিনেছে গোটা বাংলা, অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন কিন্তু শরৎচন্দ্রের আশীর্বাদ কে জীবনের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার বলে মান্যতা দিয়ে এসেছেন। সলিল চৌধুরী তাঁর সম্পর্কে বলতেন মহম্মদ রফি, তালাত মামুদের থেকে কোনও অংশে পিছিয়ে ছিলেন না বরং কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের চেয়েও এগিয়ে, তিনি প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য। এক সময় বাংলা গানে তিন মুখ বলতে বোঝাতো জগন্ময় মিত্র, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় আর ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যকে।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে

অবশ্য ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য স্বয়ং নিজের মুখেই বারবার বলতেন, গানের জন্য জীবনে দু’জনকে ঈর্ষা করে থাকেন, তাঁদের একজন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। দ্বিতীয় জন তাঁর ছোট ভাই পান্নালাল। বাংলায় ভক্তিগীতিতে একটা সময় বেশ ভাটা এসেছিল। ভাইয়ের প্রতি ছিল অগাধ আস্থা,বিশ্বাস করতেন ভাইটি ভক্তিগীতি গেয়ে মানুষের হৃদয় জিততে পারেন। ঠিক সেই কারণেই পরের পর ছবিতে অসংখ্য হিট গান গাওয়ার পর, হাজার অনুরোধেও দাদা ভক্তিগীতি গাইতে চাইতেন না।বলতেন—ওটা পান্নালালের জায়গা, তাঁর নয়। ভাইয়ের অকাল মৃত্যুর পর দাদা ধনঞ্জয় কিছু ভক্তিগীতি গেয়েছিলেন।

ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য কে সলিল চৌধুরী থেকে রফি, লতা, শচীনকর্তা অসংখ্যবার অনুরোধ করলেও তিনি বম্বে যাননি নেপথ্যের অন্যতম বড় কারণ শিল্পীর জেদ,মূল্যবোধ, শক্তপোক্ত শিরদাঁড়া, সম্মানবোধ সব এক সরণীতে এসে মিলে যেত।গানের মতোই এ সব তিনি যত্নে বয়ে বেড়িয়েছেন। এই বিষয়ে চমৎকার একটি উদাহরণও দেওয়া যায়। ছোটবেলায় পিতাকে হারিয়ে তাঁর জীবন দারিদ্র্যের মধ্যে কেটেছে। মা জননী ছেলেকে শিখিয়েছিলেন সৎভাবে জীবনযাপনের মন্ত্র। একদিন মা জননী পুত্র ধনঞ্জয় কে অচল পয়সা দিয়ে বললেন পয়সাটা কেউ নিচ্ছে না এটা কি সে বাজার থেকে চালিয়ে আনতে পারবে! ধনঞ্জয় সত্যি সত্যি সেই অচল পয়সা বাজারে চালিয়ে মায়ের জন্য কলা কিনে এনেছিলেন। আদপে মা জননী সেদিন পুত্রের সততার পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। তিনি ছেলেকে খুব বকলেন।
মায়ের কথা অবশ্য এরপর আর কোনওদিন ভোলেন নি, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের তখন গান করে বেশ নাম ডাক হয়েছে।রোজ স্টুডিয়োপাড়ার কাজ সেরে রাতের শেষ বাসে বাড়িতে ফেরেন। এমন একদিন লাস্ট বাস চলে যাবার আগে কন্ডাকটর তাঁকে বাসে ওঠার অনুরোধ করলেন,সব কন্ডাক্টর তাঁকে চেনেন,পরিচয় জানেন।তবু ধনঞ্জয় বাসে উঠলেন না, কারণ তাঁর কাছে বাসভাড়ার মাত্র এক পয়সা কম ছিল। মা যে শিখিয়েছেন বাসে ভাড়া দিয়ে উঠতে হয়। আজ ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যদের জন্মদিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
সংকলনে ✍🏻 অরুণাভ সেন।।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে









তথ্যঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার আনন্দবাজার পত্রিকা,দেবশঙ্কর মুখোপাধ্যায়, হাসিকান্না হীরাপান্না চণ্ডী লাহিড়ী

20/09/2023

ঠিকানা
___সুকুমার রায়।

আরে আরে জগমোহন- এস, এস, এস-
বলতে পার কোথায় থাকে আদ্যানাথের মেশো ?
আদ্যানাথের নাম শোননি ? খগেনকে তো চেনো ?
শ্যাম বাগ্‌চি খগেনেরই মামাশ্বশুর জেনো ।
শ্যামের জামাই কেষ্টমোহন, তার যে বাড়ীওলা-
(কি যেন নাম ভুলে গেছি), তারই মামার শালা ;
তারই পিশের খুড়তুতো ভাই আদ্যানাথের মেশো-
লক্ষ্মী দাদা, ঠিকানা তার একটু জেনে এসো ।

ঠিকানা চাও ? বলছি শোন ; আমড়াতলার মোড়ে
তিন-মুখো তিন রাস্তা গেছে তারি একটা ধ’রে,
চলবে সিধে নাকবরাবর ডানদিকে চোখ রেখে ;
চল্‌‌তে চল্‌‌তে দেখবে শেষে রাস্তা গেছে বেঁকে ।
দেখ্‌‌বে সেথায় ডাইনে বাঁয়ে পথ গিয়েছে কত ,
তারি ভিতর ঘুরবে খানিক গোলকধাঁধার মত ।
তারপরেতে হঠাৎ বেঁকে ডাইনে মোচড় মেরে,
ফিরবে আবার বাঁয়ের দিকে তিনটে গলি ছেড়ে ।
তবেই আবার পড়বে এসে আমড়াতলার মোড়ে-
তারপরে যাও ঝেথায় খুশী- জ্বালিও নাকো মোরে ।

08/09/2020

Pesta ofsandle wood colour Saree with.all over embroidary.and Bp also 1800/-only .

Kurtis for summer
23/04/2020

Kurtis for summer

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aparajita's Collection posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share